শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:২৪, বুধবার, ০১ জুলাই, ২০২৬

টেক্সটাইল, গবেষণা ও কারিগরি শিক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী

বাসস
অনলাইন ভার্সন
টেক্সটাইল, গবেষণা ও কারিগরি শিক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি টেক্সটাইল খাতকে আরও এগিয়ে নিতে গবেষণা, উদ্ভাবন, আধুনিক প্রযুক্তি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কারিগরি শিক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় শীর্ষ অবস্থানে নিতে দক্ষ টেক্সটাইল প্রকৌশলী ও গবেষক তৈরির বিকল্প নেই।

বুধবার বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব টেক্সটাইলস (বুটেক্স)-এর নবাগত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বুটেক্সে ভর্তি হওয়া কোনোভাবেই অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে না পারার বিকল্প নয়। বরং এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনে দেশের নেতৃত্ব দেবে।

তিনি জানান, চলতি বছর বুটেক্সের প্রায় ২০ জন শিক্ষার্থী বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) বিভিন্ন ক্যাডারে, বিশেষ করে প্রশাসন, পররাষ্ট্র ও পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এছাড়া বুটেক্সের সাবেক শিক্ষার্থীরাও দেশ-বিদেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্বের পরিচয় দিচ্ছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রফতানিকারক দেশ। বিদেশে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের পোশাকে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেখা দেখে গর্ববোধ হয়। তবে দেশের বাজারেও আন্তর্জাতিক মানের ব্র্যান্ড তৈরি করতে হবে এবং এ জন্য উদ্ভাবনী সক্ষমতা বাড়াতে হবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভবিষ্যতের এই উদ্ভাবনের নেতৃত্ব তারাই দেবে।

ড. মিলন বলেন, টেক্সটাইল প্রকৌশল মূলত বিজ্ঞানভিত্তিক একটি ক্ষেত্র। তাই এ খাতে আধুনিক গবেষণাগার, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) পরিচালিত ল্যাব স্থাপন সময়ের দাবি। টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নতমানের গবেষণা নিশ্চিত করতে অধিকতর বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষা, বিশেষ করে কারিগরি ও প্রকৌশল শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। দেশের বিশাল জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তর করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। উন্নত বিশ্বের জনসংখ্যা কমলেও বাংলাদেশের জনসংখ্যা দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ, যা দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে হবে।

তিনি বলেন, টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো সম্প্রসারণের প্রয়োজন হলে সরকার নতুন ভবন নির্মাণ করবে। বর্তমানে বছরে মাত্র ৬৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হলেও ভবিষ্যতে আসনসংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। কারণ বৈশ্বিক বাজারের চাহিদা পূরণে আরও বেশি টেক্সটাইল প্রকৌশলী তৈরি করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, অতীতে দেশের অনেক টেক্সটাইল শিল্প ও বায়িং হাউসে বিদেশি, বিশেষ করে ভারতীয় ও শ্রীলঙ্কান নাগরিকরা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতেন। অথচ বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা মেধায় কোনো অংশে পিছিয়ে নন। তাই দেশের টেক্সটাইল খাত পরিচালনায় দেশীয় প্রকৌশলী ও দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, সরকার প্রাথমিক শিক্ষা থেকেই শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও আধুনিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল, ইউনিফর্ম এবং খেলাধুলাভিত্তিক আনন্দময় শিক্ষা চালু করা হচ্ছে। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব বাড়ানো হচ্ছে এবং ২০২৭ সালে পরিমার্জিত এবং ২০২৮ সালে নতুন জাতীয় শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

ড. মিলন বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় সময়ের অপচয় কমাতে সরকার সেশনজট নিরসনে গুরুত্ব দিচ্ছে। এসএসসি ১০ বছর, এইচএসসি দুই বছর এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক চার বছরের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হলে দেশের জনমিতিক সুবিধা (ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড) কাজে লাগানো সম্ভব হবে না।

তিনি জানান, ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়াতে সরকার দুটি বিশেষায়িত সরকারি কলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছে। বর্তমানে তাদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ সীমিত। আবার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার ব্যয়ও অনেক বেশি। তাই সরকার এ বিষয়ে উদ্যোগ নিচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভবিষ্যতের প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে টেক্সটাইল শিল্পকে আরও আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে হবে। শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতাও গড়ে তুলতে হবে। বুটেক্সের অনেক সাবেক শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে শিল্পোদ্যোক্তা হয়েছেন। নতুন শিক্ষার্থীদেরও সেই লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তোমাদের সঙ্গে রয়েছেন।

দ্বিতীয় ক্যাম্পাস স্থাপনের জন্য জমি বরাদ্দের আবেদনের প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আবেদনটি সরকার বিবেচনা করবে। দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের জন্য প্রয়োজনীয় জমিরও ব্যবস্থা করা হবে।

টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের জন্য পৃথক বিসিএস ক্যাডার গঠনের দাবির বিষয়ে ড. মিলন বলেন, বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন হলেও দাবিটি যৌক্তিক। এটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে এবং সরকার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।

তিনি নবাগত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং টেক্সটাইল খাতকে বিশ্বে আরও এগিয়ে নিতে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। সরকার তাদের যেকোনো যৌক্তিক সমস্যা সমাধানে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব টেক্সটাইলসের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিনসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিডি-প্রতিদিন/এমএল

এই বিভাগের আরও খবর
গুজব ও অপতথ্য রুখতে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য প্রচারের বিকল্প নেই: রেল প্রতিমন্ত্রী
গুজব ও অপতথ্য রুখতে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য প্রচারের বিকল্প নেই: রেল প্রতিমন্ত্রী
আগামী দিনে আরও নিরাপদ রাজশাহী মহানগর গড়ে উঠবে : ভূমিমন্ত্রী
আগামী দিনে আরও নিরাপদ রাজশাহী মহানগর গড়ে উঠবে : ভূমিমন্ত্রী
রেজাল্ট খারাপ করলে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার খাতাও চেক করতে পারবে : শিক্ষামন্ত্রী
রেজাল্ট খারাপ করলে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার খাতাও চেক করতে পারবে : শিক্ষামন্ত্রী
সন্ত্রাসবাদকে কখনোই যৌক্তিক বলা যেতে পারে না : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
সন্ত্রাসবাদকে কখনোই যৌক্তিক বলা যেতে পারে না : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
সীমান্ত পাহারার চেয়েও সাইবার নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ : তথ্যমন্ত্রী
সীমান্ত পাহারার চেয়েও সাইবার নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ : তথ্যমন্ত্রী
১৫৯ বছরের পুরোনো আইন বাতিল, সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন পাস
১৫৯ বছরের পুরোনো আইন বাতিল, সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন পাস
‘সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সরকার সচেষ্ট রয়েছে’
‘সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সরকার সচেষ্ট রয়েছে’
আগের তুলনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আগের তুলনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
দেশের ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে রয়েছেন : মির্জা ফখরুল
দেশের ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে রয়েছেন : মির্জা ফখরুল
বিটাকে শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, উদ্যোক্তাও তৈরি করা হচ্ছে: শিল্পমন্ত্রী
বিটাকে শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, উদ্যোক্তাও তৈরি করা হচ্ছে: শিল্পমন্ত্রী
মাদ্রাসাসহ বেতন বঞ্চিত শিক্ষকদের সমস্যার সমাধান শিগগিরই : শিক্ষামন্ত্রী
মাদ্রাসাসহ বেতন বঞ্চিত শিক্ষকদের সমস্যার সমাধান শিগগিরই : শিক্ষামন্ত্রী
বৈষম্যহীন ও দক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য : মাহদী আমিন
বৈষম্যহীন ও দক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য : মাহদী আমিন
সর্বশেষ খবর
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপে অনন্য নজির গড়ল নরওয়ে
বিশ্বকাপে অনন্য নজির গড়ল নরওয়ে

১৫ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

জার্মানির গোল কেন বাতিল, ব্যাখ্যা দিল ফিফা
জার্মানির গোল কেন বাতিল, ব্যাখ্যা দিল ফিফা

৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চাঁদপুরে লাইসেন্স ছাড়াই গবাদিপশুর ভিটামিন প্রস্তুত, জরিমানা
চাঁদপুরে লাইসেন্স ছাড়াই গবাদিপশুর ভিটামিন প্রস্তুত, জরিমানা

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

তালায় বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে স্কুলছাত্র নিহত, আহত বাবা
তালায় বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে স্কুলছাত্র নিহত, আহত বাবা

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সালমান এফ রহমানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ২৩ জুলাই
সালমান এফ রহমানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ২৩ জুলাই

১১ মিনিট আগে | জাতীয়

৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে মেট্রোরেলের ঢাবি স্টেশন
৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে মেট্রোরেলের ঢাবি স্টেশন

১৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

গুজব ও অপতথ্য রুখতে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য প্রচারের বিকল্প নেই: রেল প্রতিমন্ত্রী
গুজব ও অপতথ্য রুখতে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য প্রচারের বিকল্প নেই: রেল প্রতিমন্ত্রী

১৯ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

টানা চার ম্যাচে ‌‘ক্লিন শিট’, বিশ্বমঞ্চে স্বাগতিক মেক্সিকোর রাজকীয় পথচলা
টানা চার ম্যাচে ‌‘ক্লিন শিট’, বিশ্বমঞ্চে স্বাগতিক মেক্সিকোর রাজকীয় পথচলা

২৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আম পাঠাল বাংলাদেশ
পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আম পাঠাল বাংলাদেশ

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

মেক্সিকোর জয়ের পর উল্লাসে প্রাণ গেল দুজনের
মেক্সিকোর জয়ের পর উল্লাসে প্রাণ গেল দুজনের

৩৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চাঁদপুরে ৫ কোটি টাকার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ
চাঁদপুরে ৫ কোটি টাকার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রোবটদের কাজ শেখাতে তৈরি হলো ‘রোবট পার্ক’ স্কুল
রোবটদের কাজ শেখাতে তৈরি হলো ‘রোবট পার্ক’ স্কুল

৪৩ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হারলেও আত্মবিশ্বাসী সিমন্স
জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হারলেও আত্মবিশ্বাসী সিমন্স

৪৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জিম্বাবুয়ের উদ্দেশে দেশ ছাড়লেন লিটন
জিম্বাবুয়ের উদ্দেশে দেশ ছাড়লেন লিটন

৪৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

টাঙ্গাইলে নিখোঁজের দুই দিন পর নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
টাঙ্গাইলে নিখোঁজের দুই দিন পর নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আগামী দিনে আরও নিরাপদ রাজশাহী মহানগর গড়ে উঠবে : ভূমিমন্ত্রী
আগামী দিনে আরও নিরাপদ রাজশাহী মহানগর গড়ে উঠবে : ভূমিমন্ত্রী

৪৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

রেজাল্ট খারাপ করলে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার খাতাও চেক করতে পারবে : শিক্ষামন্ত্রী
রেজাল্ট খারাপ করলে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার খাতাও চেক করতে পারবে : শিক্ষামন্ত্রী

৪৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

রাশিয়া চাপে পড়লেও পুতিন অনড়
রাশিয়া চাপে পড়লেও পুতিন অনড়

৫৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৪০ বছরের সোনাহাট সেতুর পাটাতন ভেঙে ভারী যান চলাচল বন্ধ
১৪০ বছরের সোনাহাট সেতুর পাটাতন ভেঙে ভারী যান চলাচল বন্ধ

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন কঙ্গোর
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন কঙ্গোর

৫৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ তরুণের মৃত্যু
ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ তরুণের মৃত্যু

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপে ৪০ বছরের খরা কাটল, মেক্সিকোর রাস্তায় বাঁধভাঙা উল্লাস
বিশ্বকাপে ৪০ বছরের খরা কাটল, মেক্সিকোর রাস্তায় বাঁধভাঙা উল্লাস

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাবেক আইজিপি বেনজীরের দুর্নীতির মামলায় আরও ৬ জনের সাক্ষ্য
সাবেক আইজিপি বেনজীরের দুর্নীতির মামলায় আরও ৬ জনের সাক্ষ্য

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শহীদ রবিউল করিমের দশম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
শহীদ রবিউল করিমের দশম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদারীপুরে কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ
মাদারীপুরে কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি কার্যকরের আহ্বান চীনের
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি কার্যকরের আহ্বান চীনের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ১ লাখ ২০ হাজার ইয়াবাসহ কারবারি আটক
টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ১ লাখ ২০ হাজার ইয়াবাসহ কারবারি আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সন্ত্রাসবাদকে কখনোই যৌক্তিক বলা যেতে পারে না : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
সন্ত্রাসবাদকে কখনোই যৌক্তিক বলা যেতে পারে না : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

আজ থেকে ৫০০ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ হাজার আনসার সদস্য মোতায়েন
আজ থেকে ৫০০ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ হাজার আনসার সদস্য মোতায়েন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে পর্তুগালের জার্সিতে খেলবেন হেনরিকস
অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে পর্তুগালের জার্সিতে খেলবেন হেনরিকস

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্সের দাপটে সুইডেনের জালে দুই গোল
ফ্রান্সের দাপটে সুইডেনের জালে দুই গোল

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতীয় ভিসা আবেদনে স্লট বরাদ্দে নতুন সিদ্ধান্ত
ভারতীয় ভিসা আবেদনে স্লট বরাদ্দে নতুন সিদ্ধান্ত

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শেষ ষোলোর আগে ব্রাজিলের জন্য বড় দুঃসংবাদ
শেষ ষোলোর আগে ব্রাজিলের জন্য বড় দুঃসংবাদ

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এ কোন মহাবিপদে ব্রাজিল! শেষ ষোলোয় এবার নরওয়ে
এ কোন মহাবিপদে ব্রাজিল! শেষ ষোলোয় এবার নরওয়ে

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের শেষ ১৬-তে ব্রাজিলের মুখোমুখি নরওয়ে
বিশ্বকাপের শেষ ১৬-তে ব্রাজিলের মুখোমুখি নরওয়ে

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফিলিস্তিনে গণহত্যা চালানো ইসরায়েলকে আর এক পয়সাও নয় : রাশিদা তালিব
ফিলিস্তিনে গণহত্যা চালানো ইসরায়েলকে আর এক পয়সাও নয় : রাশিদা তালিব

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে কেপ ভার্দে!
আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে কেপ ভার্দে!

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হালান্ডের জাদুতে শেষ ষোলোতে নরওয়ে
হালান্ডের জাদুতে শেষ ষোলোতে নরওয়ে

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সত্যিই কি ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী?
সত্যিই কি ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পানি বন্ধ করলেই ‘হাত কেটে ফেলব’, ভারতকে কড়া বার্তা পাকিস্তানের
পানি বন্ধ করলেই ‘হাত কেটে ফেলব’, ভারতকে কড়া বার্তা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রাজিলের সামনে ঘোর বিপদ
ব্রাজিলের সামনে ঘোর বিপদ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন
নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রোনালদো-মদ্রিচদের ম্যাচের টিকিটের মূল্য ২৬ লাখ টাকা
রোনালদো-মদ্রিচদের ম্যাচের টিকিটের মূল্য ২৬ লাখ টাকা

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সত্যিই কি ইরানের কৌশল বুঝে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র? বিস্ফোরক মন্তব্য জেডি ভ্যান্সের
সত্যিই কি ইরানের কৌশল বুঝে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র? বিস্ফোরক মন্তব্য জেডি ভ্যান্সের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসিকে বিশেষ উপহার দিতে চান কেপ ভার্দে প্রেসিডেন্ট
মেসিকে বিশেষ উপহার দিতে চান কেপ ভার্দে প্রেসিডেন্ট

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৯০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি যোগ দিচ্ছেন খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে
৯০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি যোগ দিচ্ছেন খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে যৌথভাবে শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান: রিপোর্ট
হরমুজে যৌথভাবে শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান: রিপোর্ট

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হেরে গেলেন ট্রাম্প, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখলো মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট
হেরে গেলেন ট্রাম্প, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখলো মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফাঁদে ফেলতে অভিনব প্রলোভন, নিঃস্ব হাজার হাজার তরুণ-তরুণী!
ফাঁদে ফেলতে অভিনব প্রলোভন, নিঃস্ব হাজার হাজার তরুণ-তরুণী!

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫৯ বছরের পুরোনো আইন বাতিল, সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন পাস
১৫৯ বছরের পুরোনো আইন বাতিল, সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন পাস

১৯ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সংসদে অনুপস্থিত এমপিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ, কারণ দর্শানোর নির্দেশ
সংসদে অনুপস্থিত এমপিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ, কারণ দর্শানোর নির্দেশ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাজা অপ্রতুল, অবশ্যই আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর
সাজা অপ্রতুল, অবশ্যই আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বামীর পরিচিত থেকে বাসায় যাতায়াত, সুগারবিহীন চা পান করতেন খুনি
স্বামীর পরিচিত থেকে বাসায় যাতায়াত, সুগারবিহীন চা পান করতেন খুনি

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাপানের বিরুদ্ধে বিতর্কিত উদযাপন, মুখ খুললেন ব্রাজিলের কুনহা
জাপানের বিরুদ্ধে বিতর্কিত উদযাপন, মুখ খুললেন ব্রাজিলের কুনহা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন এমবাপ্পে
মেসির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন এমবাপ্পে

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানে বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর দুই সদস্যকে গুলি করে হত্যা
ইরানে বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর দুই সদস্যকে গুলি করে হত্যা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেইমারকে না নামানোর কারণ জানালেন আনচেলত্তি
নেইমারকে না নামানোর কারণ জানালেন আনচেলত্তি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অতি চালাকের গলায় দড়ি
অতি চালাকের গলায় দড়ি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজ থেকে বাধ্যতামূলক বাংলা কিউআর
আজ থেকে বাধ্যতামূলক বাংলা কিউআর

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশাসনে বড় পরিসরে আসছে সরকারের প্রথম পদোন্নতি
প্রশাসনে বড় পরিসরে আসছে সরকারের প্রথম পদোন্নতি

পেছনের পৃষ্ঠা

বঙ্গোপসাগরে টুনার খনি
বঙ্গোপসাগরে টুনার খনি

পেছনের পৃষ্ঠা

কেপ ভার্দের ১০ নম্বর জার্সিতে লিওনেল মেসি
কেপ ভার্দের ১০ নম্বর জার্সিতে লিওনেল মেসি

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জামায়াতের তুরস্ক কানেকশন এবং একাত্তরের পাপ
জামায়াতের তুরস্ক কানেকশন এবং একাত্তরের পাপ

প্রথম পৃষ্ঠা

শাশুড়ি হত্যার ১৯ বছর পর স্ত্রীকেও হত্যা করল ঘাতক
শাশুড়ি হত্যার ১৯ বছর পর স্ত্রীকেও হত্যা করল ঘাতক

পেছনের পৃষ্ঠা

গাছহীন ঢাকায় শ্বাসের কষ্ট
গাছহীন ঢাকায় শ্বাসের কষ্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন দুদক
অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন দুদক

প্রথম পৃষ্ঠা

ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড
ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

কোনো বাধা না থাকায় বেড়েছে ধর্ষণ মামলা
কোনো বাধা না থাকায় বেড়েছে ধর্ষণ মামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

জার্সিকাণ্ডে বিব্রত পুলিশ, এসআইকে শোকজ
জার্সিকাণ্ডে বিব্রত পুলিশ, এসআইকে শোকজ

পেছনের পৃষ্ঠা

আইআরজিসির দুই সদস্যকে গুলি করে হত্যা
আইআরজিসির দুই সদস্যকে গুলি করে হত্যা

পূর্ব-পশ্চিম

দুই দিনে সোনার দাম কমল ভরিতে ৬৫৯০ টাকা
দুই দিনে সোনার দাম কমল ভরিতে ৬৫৯০ টাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

জাবিতে গোপনে ছাত্রীর ভিডিও ধারণের অভিযোগে গ্রেপ্তার বহিরাগত যুবক
জাবিতে গোপনে ছাত্রীর ভিডিও ধারণের অভিযোগে গ্রেপ্তার বহিরাগত যুবক

নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাতারে বৈঠক করবে না ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাতারে বৈঠক করবে না ইরান

পেছনের পৃষ্ঠা

মাদ্রাসা শিক্ষাকে প্রচলিত কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না
মাদ্রাসা শিক্ষাকে প্রচলিত কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না

নগর জীবন

জার্মানিকে হারিয়ে ইতিহাস
জার্মানিকে হারিয়ে ইতিহাস

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় অপপ্রচারের শিকার রূপগঞ্জের ইউএনও
চাঁদা না দেওয়ায় অপপ্রচারের শিকার রূপগঞ্জের ইউএনও

নগর জীবন

গৃহবধূ ও দুই সন্তান ৯ দিন ধরে নিখোঁজ
গৃহবধূ ও দুই সন্তান ৯ দিন ধরে নিখোঁজ

নগর জীবন

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর সরোয়ার হোসেন
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর সরোয়ার হোসেন

নগর জীবন

খামেনির জানাজায় অংশ নেবেন স্পিকার
খামেনির জানাজায় অংশ নেবেন স্পিকার

নগর জীবন

কর্ণফুলীতে লাইটার জাহাজডুবি, ১২ নাবিক উদ্ধার
কর্ণফুলীতে লাইটার জাহাজডুবি, ১২ নাবিক উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্বে : প্রধানমন্ত্রী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্বে : প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

কঠোর মুদ্রানীতি বাজেটের সুফল ব্যাহত করতে পারে
কঠোর মুদ্রানীতি বাজেটের সুফল ব্যাহত করতে পারে

নগর জীবন

রোটারি ক্লাব অব ঢাকা ফোর্ট
রোটারি ক্লাব অব ঢাকা ফোর্ট

নগর জীবন

ভ্যাপসা গরমে স্বস্তির বৃষ্টি
ভ্যাপসা গরমে স্বস্তির বৃষ্টি

নগর জীবন

বাবা হত্যায় ছেলের যাবজ্জীবন
বাবা হত্যায় ছেলের যাবজ্জীবন

দেশগ্রাম

দেশের ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে
দেশের ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় মুস্তাফা মনোয়ার
বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় মুস্তাফা মনোয়ার

নগর জীবন