শিরোনাম
প্রকাশ: ২১:৩৮, মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬ আপডেট: ২১:৩৯, মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

অতি চালাকের গলায় দড়ি

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
অতি চালাকের গলায় দড়ি

সিনেমার চিত্রনাট্যও এতটা নিখুঁতভাবে লেখা সম্ভব হয় না। ২০ বছর বয়সী সিয়া গোয়েল আর তার প্রেমিক ২২ বছর বয়সী চেতন চৌধুরী মিলে কীভাবে এমন একটি ক্রাইম থ্রিলার ভাবলেন, সেটা ভেবেই অবাক তদন্ত কর্মকর্তারা। পুলিশ তদন্তে যতই এগোচ্ছে, কেতন আগরওয়াল হত্যাকাণ্ডে ততই নতুন নতুন বিস্ময়কর সব উপাখ্যান বেরিয়ে আসছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে পুনের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের সাথে সিয়া গোয়েলের বাগদান হয়। আগামী নভেম্বরে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সিয়া ভালোবাসতেন চেতন চৌধুরীকে। দুজন মিলে ঠিক করেন, কেতন আগরওয়ালকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেবেন। মে মাসের শেষদিকে তারা হত্যার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেন। এ নিয়ে দুজন ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফোনে কথা বলেছেন। পুলিশ দেখেছে, গত ৭ মাসে সিয়া আর চেতন ২ হাজার ৪ বার ফোন কলে ২৩৮ ঘণ্টা কথা বলেছেন। কীভাবে কেতনকে হত্যা করবেন, তা চূড়ান্ত করতে তারা গুগলের সাহায্যও নিয়েছেন। আলোচনায় তারা লোহাগড় দুর্গকেই হত্যার স্পট হিসেবে চূড়ান্ত করে। তারা দুজন লোহাগড় পরিদর্শন করে হত্যার রিহার্সালও করেন।

প্রথমে ৩১ মে সিয়া আর কেতন লোহাগড় দুর্গ ভ্রমণ করেন। কিন্তু তখন লোকজনের ভিড় থাকায় একা একা সিয়া কিছু করার সাহস বা সুযোগ পাননি। পরে ৪ জুন আবার তারা লোহাগড় যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু, কেতনের মা তখন তাদের যেতে দেননি। এ নিয়ে সিয়া কেতনের সাথে অনেক রাগারাগিও করেছেন। এরপর সিয়া কেতনকে নিয়ে লোহাগড়ে যান ১৪ জুন। সেদিন সিয়া কেতনকে ধাক্কা দিয়েছিলেন। কিন্তু ঝোপঝাড় আঁকড়ে ধরে প্রাণে বেঁচে যান কেতন। সিয়া তখন ‘সাপ, সাপ’ বলে চিৎকার করে কেতনকে জড়িয়ে ধরে বলেন, সাপ থেকে বাঁচাতে তিনি কেতনকে সরাতে চেয়েছিলেন। ১৮ জুন আবার লোহাগড় যেতে চাইলে কেতনের মা বাধা দেন। কিন্তু সিয়া নিজের জন্মদিনের কথা বলে কেতনের মাকে রাজি করান।

১৮ জুন হত্যা পরিকল্পনা কার্যকর করতে চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেন সিয়া-চেতন। এবার আর কোনো ঝুঁকি নেননি। ১৮ জুন সকালে তারা পুনের একটি ক্যাফেতে বসে পরিকল্পনার খুঁটিনাটি চূড়ান্ত করেন। এরপর সিয়া কেতনের গাড়িতে লোহাগড় চলে যান। আর চেতন বসেন তার পরিকল্পনা নিয়ে। শুধু হত্যা নয়, হত্যা পরবর্তী সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া, পুলিশের চোখ ফাঁকি দেয়ার কৌশল, নিজেদের সন্দেহমুক্ত রাখার চেষ্টা- সব ছিল তাদের পরিকল্পনায়। এমনকি কোনো কারণে ধরা পড়ে গেলে পুলিশকে তারা কী বলবেন, সেটাও নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে নিয়েছিলেন সিয়া আর চেতন। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে চেতন সকাল ৭টায় তার মোবাইল ফোনের ডাটা অফ করে দেন, ‍যাতে জিপিএস ট্র্যাকারে গতিবিধি অনুসরণ করা না যায়।

আরও সাবধানতার অংশ হিসেবে তিনি তার ফোনটি দোকানে রেখে জরুরি যোগাযোগের জন্য এক কর্মচারীর ফোন নিয়ে যান। আর দোকানের লোকজনকে বলে যান, যাতে ফোন আসলে তারা ধরে কথা বলেন। ফোন চালু রেখে এবং দোকানে রেখে চেতন বোঝাতে চেয়েছিলেন, তিনি পুনেতেই আছেন, বাইরে কোথাও যাননি। পুনে থেকে লোহাগড়ের দূরত্ব ৯০ কিলোমিটার। দীর্ঘ এপথ চেতন পাড়ি দিয়েছেন স্কুটারে। গাড়ি ব্যবহার করলে টোল প্লাজার সিসিটিভিতে প্রমাণ থাকবে। তাই পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে তিনি গাড়ির বদলে স্কুটার ব্যবহার করেছেন। লোহাগড় পৌছে তিনি ২০/৩০ ফুট পেছন থেকে সিয়া ও কেতনকে অনুসরণ করেন। তার পরণে ছিল শর্টস, মাথায় ছিল হুডি, তারওপর হেডফোন ঝোলানো।

হত্যার ৩৪ মিনিট আগে সিয়া চেতনকে ফোন করে চূড়ান্ত সিগন্যাল দেন। তাদের মধ্যে বোঝাপড়া ছিল, লোকজন নেই, আগেই নির্ধারিত এমন একটি স্পটে গিয়ে সিয়া পানি খাওয়া বা জুতার ফিতা বাঁধার অজুহাতে বসে যাবেন; তখনই চেতন চৌধুরী কেতনকে ধাক্কা দেবেন। চূড়ান্ত সিগন্যাল হিসাবে সিয়ার বসে যাওয়ার পেছনেও তাদের যুক্তি ছিল। ধাক্কা খেয়ে কেতন বাঁচার সহজাত আকুতি থেকে পাশে থাকা সিয়াকে আকড়ে ধরতে চাইবেন। তাতে সিয়ার প্রাণও ঝুকিতে পড়তে পারতো। তাই সিয়াকে ঝুঁকিমুক্ত রাখতেই তাকে বসে গিয়ে সিগনাল দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সিয়া ‘বাঁচাও বাঁচাও‘ বলে চিৎকার করলে এক নিরাপত্তা রক্ষী ছুটে আসেন। তিনি প্রথম পুলিশে খবর দেন। আর সিয়া কেতনের মাকে ফোন করে দুর্ঘটনার কথা জানান। 

মনে সন্দেহ থাকলেও কেতনের পরিবার প্রথমে তার মৃত্যুকে দুর্ঘটনা হিসেবেই মেনে নিয়েছিল। থানায়ও প্রথমে অপমৃত্যুর মামলা হয়েছিল। বুকে পাথর চাপা দিয়ে পরিবার কেতনের শেষকৃত্য সম্পন্ন করে। কিন্তু সবাই বিশ্বাস করলেও কেতনের বোন সানজানা আগরওয়ালের সন্দেহ কিছুতেই যায়নি। অভিজ্ঞ ট্র্যাকার একমাত্র ভাইয়ের চারদিনের ব্যবধানে দুইবার পড়ে যাওয়ার ঘটনা মানতেই পারেননি সানজানা। ঘটনার তিনদিন পর ২১ জুন সিয়া কেতনের বাসায় আসলে সানজানা তার কাছে থেকে সেদিনের ঘটনা জানতে চান। সিয়ার কথায় অসংলগ্নতা ছিল, যা সানজানার সন্দেহ আরো গাঢ় করে। সানজানা সন্দেহের কথা পরিবারকে জানান। সেদিনই কেতনের বাবা বিশাল আগরওয়াল লোহাগড় দুর্গে যান। 

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তারও মনে হয়েছে, এখান থেকে পা পিছলে পড়ে যাওয়া সম্ভব নয়। তখনই তারা পুলিশকে সন্দেহের কথা জানান। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে সিয়া-কেতনের পেছনে হুডি পরা তরুণকে দেখে সন্দেহ করে। ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় হুডি পরাটাই ছিল সন্দেহজনক। সেই সন্দেহ থেকে খুঁজতে খুঁজতে চেতন পযন্ত পৌছায় পুলিশ। নিজের কৌশলের ফাঁদে নিজেই ধরা খেয়ে যান চেতন।

সন্দেহ থেকে পুলিশ নিশ্চিত হয় চেতনের আরেক কৌশলের কারণেই। ১৮ জুন সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা ৪০ পর্যন্ত চেতনের মোবাইল ডাটা অফ ছিল। এই বয়সের একটা ছেলের মোবাইল ডাটা ১০ ঘণ্টা ৪০ মিনিট অফ থাকাটাও সন্দেহজনক। আর এই সময়ে চেতনের মোবাইলে আসা সব কল অন্য কেউ ধরেছে, এটাও পুলিশের সন্দেহ বাড়িয়ে দেয়। পুলিশের চোখ ফাঁকি দেওয়ার জন্য চেতন যে কৌশল নিয়েছিল, সেখানেই চোখ পরেছে পুলিশের। এ যেন বজ্র আঁটুনি, ফোসকা গেরো!

১৪ জুন প্রথম চেষ্টা ব্যর্থ হলেও ১৮ জুন দ্বিতীয় চেষ্টায় সিয়া আর চেতন কেতনকে হত্যা পরিকল্পনায় সফল হন। তবে কোনো কারণে দ্বিতীয় চেষ্টা ব্যর্থ হলেও তাদের 'প্ল্যান সি' তৈরি ছিল। হত্যা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সফল হওয়ার পর পর সিয়া ও চেতন তাদের কথোপকথনের সব ইতিহাস মোবাইল থেকে মুছে ফেলেন। এমনকি রিসাইকেল বিন থেকেও মুছে ফেলা হয়। অবশ্য পুলিশ তাদের মোবাইল ফরেনসিকে পাঠিয়েছে মুছে ফেলা ডেটা পুনরুদ্ধারে।   

লোহার বাসর ঘর বানিয়েও রক্ষা পায়নি লক্ষিন্দর। সিয়া-চেতনের নিশ্ছিদ্র পরিকল্পনায়ও ছিদ্র খুঁজে পেয়েছে পুলিশ। ভাইয়ের প্রতি বোনের ভালোবাসাই শেষ পর্যন্ত পুলিশকে হত্যা রহস্য উদঘাটনে সহায়তা করেছে। সিনেমার মত বাস্তবেও শেষ পর্যন্ত ভিলেন পরাজিত হয়, সত্যেরই জয় হয়।

এই বিভাগের আরও খবর
হরমুজে আটকা ৮৫০০ নাবিক, উদ্ধারকাজ শুরুর আগে ইরানের প্রতিশ্রুতি চায় আইএমও
হরমুজে আটকা ৮৫০০ নাবিক, উদ্ধারকাজ শুরুর আগে ইরানের প্রতিশ্রুতি চায় আইএমও
চীনা ধনকুবেরকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিল মার্কিন আদালত
চীনা ধনকুবেরকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিল মার্কিন আদালত
পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত
পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত
হেরে গেলেন ট্রাম্প, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখলো মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট
হেরে গেলেন ট্রাম্প, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখলো মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট
সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে ভারতকে পাকিস্তানের নজিরবিহীন হুমকি
সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে ভারতকে পাকিস্তানের নজিরবিহীন হুমকি
ইরানে বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর দুই সদস্যকে গুলি করে হত্যা
ইরানে বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর দুই সদস্যকে গুলি করে হত্যা
ইরানের আইআরজিসির ২ সদস্যকে গুলি করে হত্যা
ইরানের আইআরজিসির ২ সদস্যকে গুলি করে হত্যা
ইসরায়েলি নির্যাতনে ছয় মাসেই করুণভাবে বদলে গেল ফিলিস্তিনি সাংবাদিকের জীবন
ইসরায়েলি নির্যাতনে ছয় মাসেই করুণভাবে বদলে গেল ফিলিস্তিনি সাংবাদিকের জীবন
আটকে থাকা ৬ বিলিয়ন ডলার অর্থ উদ্ধারে কাতারে আলোচনায় বসছে ইরান
আটকে থাকা ৬ বিলিয়ন ডলার অর্থ উদ্ধারে কাতারে আলোচনায় বসছে ইরান
গ্রিস কি ইসরায়েলের ‘ট্রোজান হর্স’?
গ্রিস কি ইসরায়েলের ‘ট্রোজান হর্স’?
যেভাবে আমেরিকার ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিচ্ছে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট
যেভাবে আমেরিকার ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিচ্ছে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট
মুম্বাইয়ে স্কুল বাসের ওপর বিশাল গাছ ভেঙে পড়ে শিশুর মৃত্যু, আহত ১০
মুম্বাইয়ে স্কুল বাসের ওপর বিশাল গাছ ভেঙে পড়ে শিশুর মৃত্যু, আহত ১০
সর্বশেষ খবর
শেষ ষোলোর টিকিটের লড়াইয়ে মুখোমুখি নরওয়ে-আইভরি কোস্ট
শেষ ষোলোর টিকিটের লড়াইয়ে মুখোমুখি নরওয়ে-আইভরি কোস্ট

৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মারধরের ক্ষোভে স্বামীকে হত্যা করে মাটিচাপা, স্ত্রীর স্বীকারোক্তি
মারধরের ক্ষোভে স্বামীকে হত্যা করে মাটিচাপা, স্ত্রীর স্বীকারোক্তি

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কর্ণফুলী নদীতে ট্রলারে আগুন, দগ্ধ ৬
কর্ণফুলী নদীতে ট্রলারে আগুন, দগ্ধ ৬

৩৬ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পাহাড়ি ফলের বাজার সম্প্রসারণ ও কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের ঘোষণা পার্বত্য সচিবের
পাহাড়ি ফলের বাজার সম্প্রসারণ ও কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের ঘোষণা পার্বত্য সচিবের

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

কেরানীগঞ্জে শ্রমিক-চালক সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ১০
কেরানীগঞ্জে শ্রমিক-চালক সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ১০

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

লামায় দুই নারী পর্যটক হেনস্তার অভিযোগে গ্রেফতার ২
লামায় দুই নারী পর্যটক হেনস্তার অভিযোগে গ্রেফতার ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভিনির চেয়েও দ্রুতগতির মার্কিনিওস, চষে বেড়ালেন গিমারাইস
ভিনির চেয়েও দ্রুতগতির মার্কিনিওস, চষে বেড়ালেন গিমারাইস

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেপ ভার্দের বিপক্ষে একাদশ নিয়ে ভাবনায় আর্জেন্টাইন কোচ
কেপ ভার্দের বিপক্ষে একাদশ নিয়ে ভাবনায় আর্জেন্টাইন কোচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাবি অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাইয়ে নেতৃত্বে হালিম পাটোয়ারী-মাহমুদা
ঢাবি অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাইয়ে নেতৃত্বে হালিম পাটোয়ারী-মাহমুদা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

রিভিউয়ে জনগণের রায়ের প্রতিফলন ঘটবে: আসলাম চৌধুরী
রিভিউয়ে জনগণের রায়ের প্রতিফলন ঘটবে: আসলাম চৌধুরী

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর সরোয়ার হোসেন
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর সরোয়ার হোসেন

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নকআউটের লড়াই—‘আসল রোমাঞ্চ এখন শুরু’ বললেন স্কালোনি
নকআউটের লড়াই—‘আসল রোমাঞ্চ এখন শুরু’ বললেন স্কালোনি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অতি চালাকের গলায় দড়ি
অতি চালাকের গলায় দড়ি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুড়িগ্রামে শিয়ালের আক্রমণে ২ নারী আহত
কুড়িগ্রামে শিয়ালের আক্রমণে ২ নারী আহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ ভেন্যুর আকাশে সহস্রাধিক ড্রোন শনাক্ত, ৩০০টি নিষ্ক্রিয় করল এফবিআই
বিশ্বকাপ ভেন্যুর আকাশে সহস্রাধিক ড্রোন শনাক্ত, ৩০০টি নিষ্ক্রিয় করল এফবিআই

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টাইব্রেকারে বাদ জার্মানি-নেদারল্যান্ডস, সতর্ক ইংল্যান্ড
টাইব্রেকারে বাদ জার্মানি-নেদারল্যান্ডস, সতর্ক ইংল্যান্ড

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে আটকা ৮৫০০ নাবিক, উদ্ধারকাজ শুরুর আগে ইরানের প্রতিশ্রুতি চায় আইএমও
হরমুজে আটকা ৮৫০০ নাবিক, উদ্ধারকাজ শুরুর আগে ইরানের প্রতিশ্রুতি চায় আইএমও

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনা ধনকুবেরকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিল মার্কিন আদালত
চীনা ধনকুবেরকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিল মার্কিন আদালত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মবিশ্বাসী আইভরি কোস্ট, হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস নরওয়ের
আত্মবিশ্বাসী আইভরি কোস্ট, হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস নরওয়ের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১০ মহাতারকার শেষ বিশ্বকাপ!
১০ মহাতারকার শেষ বিশ্বকাপ!

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে চমকের পর এবার কি রূপালি পর্দায় জুড বেলিংহ্যাম?
বিশ্বকাপে চমকের পর এবার কি রূপালি পর্দায় জুড বেলিংহ্যাম?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবার ফ্রান্স-সুইডেন দ্বৈরথ, ফেবারিট কে?
বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবার ফ্রান্স-সুইডেন দ্বৈরথ, ফেবারিট কে?

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে মদ ও সিগারেট জব্দ করলো কোস্টগার্ড
চট্টগ্রামে মদ ও সিগারেট জব্দ করলো কোস্টগার্ড

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সংসদ অধিবেশন ৭ জুলাই পর্যন্ত মুলতবি
সংসদ অধিবেশন ৭ জুলাই পর্যন্ত মুলতবি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত
পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হেরে গেলেন ট্রাম্প, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখলো মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট
হেরে গেলেন ট্রাম্প, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখলো মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে ভারতকে পাকিস্তানের নজিরবিহীন হুমকি
সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে ভারতকে পাকিস্তানের নজিরবিহীন হুমকি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বোলিং-ব্যাটিং কোনোটিতেই আমরা ভালো করিনি : শান্ত
বোলিং-ব্যাটিং কোনোটিতেই আমরা ভালো করিনি : শান্ত

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুধকুমার নদের পানি এখনো বিপৎসীমার ওপরে, বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত
দুধকুমার নদের পানি এখনো বিপৎসীমার ওপরে, বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
আইভরি কোস্ট নাকি নরওয়ে: কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল
আইভরি কোস্ট নাকি নরওয়ে: কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একসঙ্গে দুই ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা: মাউশি
একসঙ্গে দুই ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা: মাউশি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শেষ ষোলোয় মরক্কোর প্রতিপক্ষ কারা?
শেষ ষোলোয় মরক্কোর প্রতিপক্ষ কারা?

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়, চমক দেখিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে
নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়, চমক দেখিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, শপথ নিতে পারবেন না
আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, শপথ নিতে পারবেন না

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জার্মানিকে বিদায়ের আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা
জার্মানিকে বিদায়ের আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতীয় ভিসা আবেদনে স্লট বরাদ্দে নতুন সিদ্ধান্ত
ভারতীয় ভিসা আবেদনে স্লট বরাদ্দে নতুন সিদ্ধান্ত

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে পর্তুগালের জার্সিতে খেলবেন হেনরিকস
অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে পর্তুগালের জার্সিতে খেলবেন হেনরিকস

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে কিলিয়ান এমবাপ্পে
নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে কিলিয়ান এমবাপ্পে

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী
সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের কথার কড়া জবাব মেলোনির ‘আমি মাথা নত করার মতো মানুষ নই’
ট্রাম্পের কথার কড়া জবাব মেলোনির ‘আমি মাথা নত করার মতো মানুষ নই’

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ
মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ

১৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের
প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টাইব্রেকারে ডাচদের হারিয়ে শেষ ষোলোতে মরক্কো
টাইব্রেকারে ডাচদের হারিয়ে শেষ ষোলোতে মরক্কো

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসর নিলেন জার্মানির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার
অবসর নিলেন জার্মানির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একদিনেই দুই ফেভারিটকে বিদায়, প্যারাগুয়ে ও মরক্কোর চমক
একদিনেই দুই ফেভারিটকে বিদায়, প্যারাগুয়ে ও মরক্কোর চমক

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমাদের সমর্থনের জন্য : আলিসন
ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমাদের সমর্থনের জন্য : আলিসন

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাকিস্তানের হামলায় নিহতের সংখ্যা গোপনের অভিযোগ, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ
পাকিস্তানের হামলায় নিহতের সংখ্যা গোপনের অভিযোগ, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এআই দিয়ে আসামির আর্জেন্টিনার জার্সি পাল্টে ব্রাজিলের জার্সি পরাল পুলিশ, ছবি ঘিরে সমালোচনা
এআই দিয়ে আসামির আর্জেন্টিনার জার্সি পাল্টে ব্রাজিলের জার্সি পরাল পুলিশ, ছবি ঘিরে সমালোচনা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একদিনেই ভুল হলো ব্রাজিল-নেদারল্যান্ডসকে নিয়ে জার্মান গণিতবিদের ২ ভবিষ্যদ্বাণী
একদিনেই ভুল হলো ব্রাজিল-নেদারল্যান্ডসকে নিয়ে জার্মান গণিতবিদের ২ ভবিষ্যদ্বাণী

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড
মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অনাগত সন্তান হারিয়ে গোলের পর কান্নায় ভেঙে পড়লেন গাকপো
অনাগত সন্তান হারিয়ে গোলের পর কান্নায় ভেঙে পড়লেন গাকপো

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উড়োজাহাজে এ সপ্তাহে প্রথম ভ্রমণ করবেন ট্রাম্প
কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উড়োজাহাজে এ সপ্তাহে প্রথম ভ্রমণ করবেন ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সত্যিই কি ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী?
সত্যিই কি ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোমেরোর প্রত্যাবর্তনে স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা, খেলবেন কেপ ভার্দের বিপক্ষে
রোমেরোর প্রত্যাবর্তনে স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা, খেলবেন কেপ ভার্দের বিপক্ষে

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসিকে বিশেষ উপহার দিতে চান কেপ ভার্দে প্রেসিডেন্ট
মেসিকে বিশেষ উপহার দিতে চান কেপ ভার্দে প্রেসিডেন্ট

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জার্মানি ছিটকে পড়ায় স্বস্তিতে ব্রাজিল, টিকে থাকল অনন্য কীর্তি
জার্মানি ছিটকে পড়ায় স্বস্তিতে ব্রাজিল, টিকে থাকল অনন্য কীর্তি

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৫ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত না হওয়ায় সিনেট থেকে ওয়াকআউট ডাকসু নেতাদের
৫ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত না হওয়ায় সিনেট থেকে ওয়াকআউট ডাকসু নেতাদের

১৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে ভারতকে পাকিস্তানের কড়া হুঁশিয়ারি
সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে ভারতকে পাকিস্তানের কড়া হুঁশিয়ারি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বাজেটে বড় পরিবর্তন
বাজেটে বড় পরিবর্তন

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি
ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি

পেছনের পৃষ্ঠা

পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক
পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক

দেশগ্রাম

কেউ মানছে না যুদ্ধবিরতি
কেউ মানছে না যুদ্ধবিরতি

পেছনের পৃষ্ঠা

যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন
যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন

প্রথম পৃষ্ঠা

গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার
গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার

দেশগ্রাম

এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব
এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট
এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট

প্রথম পৃষ্ঠা

মনের ভিতর বনের কুহু
মনের ভিতর বনের কুহু

সম্পাদকীয়

ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ
ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ

দেশগ্রাম

এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?
এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?

মাঠে ময়দানে

অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর
অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর

দেশগ্রাম

বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে
বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে

পেছনের পৃষ্ঠা

চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক
চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক

দেশগ্রাম

ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন
ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন

মাঠে ময়দানে

কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার
কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার

সম্পাদকীয়

বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই
বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই

বিশেষ আয়োজন

বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক
বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক

দেশগ্রাম

নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ
নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ

দেশগ্রাম

সংকটে পোশাক রপ্তানি
সংকটে পোশাক রপ্তানি

সম্পাদকীয়

অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি
অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি

সম্পাদকীয়

আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা
আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা

সম্পাদকীয়

১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক
১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক

দেশগ্রাম

গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা
গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা

দেশগ্রাম

ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল
ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল

দেশগ্রাম

শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ
শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

দেশগ্রাম

আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি
আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি

দেশগ্রাম

খানাখন্দে ভরা সড়ক
খানাখন্দে ভরা সড়ক

দেশগ্রাম