শিরোনাম
প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৬:১০

বাজার স্বাভাবিক রাখতে পিঁয়াজ আমদানি করতে দিতে হবে: জি এম কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাজার স্বাভাবিক রাখতে পিঁয়াজ আমদানি করতে দিতে হবে: জি এম কাদের

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি বলেছেন, টিসিবির মাধ্যমে পিঁয়াজ সরবরাহ করে বাজার স্বাভাবিক করা সম্ভব নয়। টিসিবির মাধ্যমে একটি অংশকে রিলিফ দেয়া সম্ভব। আবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পিঁয়াজ আমদানি করে বাজার স্বাভাবিক রাখা সম্ভব নয়। বাজার স্বাভাবিক রাখতে ব্যবসায়ীদের পিঁয়াজ আমদানি করতে দিতে হবে। ব্যবসায়ীদের আমদানির সকল খরচসহ নির্দিষ্ট ব্যবসা নিশ্চিত করে বিক্রিতে প্রয়োজনে সরকারিভাবে তদারকি থাকতে পারে। এতে আমদানি বাড়বে এবং বাজার স্বাভাবিক থাকবে। 

আজ দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে জাতীয় সড়ক পরিবহন মটর শ্রমিক ফেডারেশন রেজিস্ট্রেশন নম্বর-২৭২৩ নেতৃবৃন্দের সাথে মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। 

জাতীয় সড়ক পরিবহন মটর শ্রমিক ফেডারেশন এর সভাপতি জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তাকুর রহমান মোস্তাক-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মত বিনিময় সভায় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আরো বলেন, শ্রমিকদের কল্যাণ তহবিলের নামে হাজার কোটি টাকা কিছু সংখ্যক মানুষ লুটপাট করেছে। সাধারণ শ্রমিকদের ভাগ্য উন্নয়নে শ্রমিক কল্যাণ তহবিলের টাকা কখনোই ব্যয় হয়নি। তাই শ্রমিক কল্যাণ তহবিলের অডিট হওয়া জরুরী।

তিনি বলেন, সরকারীভাবেই শ্রমিক কল্যাণ তহবিলের টাকা সংগ্রহ করে শ্রমিকদের কল্যাণে খরচ করতে পারে। সেক্ষেত্রে মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দের সাথে আলাপ করতে পারে সরকার। 

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, শ্রমিকদের নামে ওঠা চাঁদায় অনেকেই দেশে অট্টালিকা তৈরি করেছে। কারো কারো অট্টালিকা বিদেশেও আছে। চাঁদার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে খুনোখুনি পর্যন্ত ঘটে। শুধু ভাগ্য ফেরেনা হতভাগা শ্রমিকদের। তিনি বলেন, দেশের শ্রমিক সংগঠনগুলো এতটাই শক্তিশালী যে সরকার তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। বরং শ্রমিক সংগঠনগুলোই অনেকাংশে সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করতে চেষ্টা করছে। এটা আমাদের জন্য দুর্ভাগ্যজনক। তিনি বলেন, দেশের অন্যান্য সংগঠনের মতই শ্রমিক সংগঠনগুলোকে সরকারের পুরো নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। 

সভাপতির বক্তৃতায় জাতীয় সড়ক পরিবহন মটর শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি ও জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তাকুর রহমান মোস্তাক বলেন, যারা শ্রমিকদের কল্যাণ তহবিলের টাকা লুটপাট করেছে তাদের দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে আইনের মুখোমুখি করতে হবে। মালিক কর্তৃক প্রতিটি শ্রমিকদের নিয়োগ পত্র নিশ্চিত করতেও দাবি জানান তিনি।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আজম খান, শামীম হায়দার পাটোয়ারী, ভাইস চেয়ারম্যান মেজর আব্দুস সালাম (অব.), আহসান আদেলুর রহমান এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মঞ্জুর হোসেন মঞ্জু, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক এমএ রাজ্জাক খান, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন মিলন, কেন্দ্রীয় সদস্য আবুল কাশেম, জাতীয় সড়ক পরিবহন মটর শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান শিপন, জাতীয় সড়ক পরিবহন মটর শ্রমিক ফেডারেশনের নেতা আব্দুল লতিফ সরকার, জমিরুল হক লিটন, মো. আরিফুর রহমান, মো. খলিলুর রহমান খলিল, আশরাফুল সিকদার সবুজ, লাল মিয়া সরকার, বিএম এরশাদ, আব্দুল খালেক, কাজী রুবেল, আফজাল হোসেন বাবু, সোলাইমান মিয়া, আলতাফ হোসেন, পারভেজ, গোলাম রসুল, সোহাগ আহমেদ টিপু, ইউনুস আলী প্রমুখ।

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন

 


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর