শিরোনাম
প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর, ২০২০ ১০:৫০
আপডেট : ৩০ নভেম্বর, ২০২০ ১২:৫৮
প্রিন্ট করুন printer

নূরের বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহযোগিতা মামলার প্রতিবেদন পেছাল

অনলাইন ডেস্ক

নূরের বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহযোগিতা মামলার প্রতিবেদন পেছাল
ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নূরসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পিছিয়েছে। এই প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২০ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

আজ (৩০ নভেম্বর) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম মাহমুদা আক্তার নতুন এ দিন ধার্য করেন। লালবাগ থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক স্বপন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ২০ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থী নুরুল হক নূরসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় এ মামলা দায়ের করেন। আসামিদের মধ্যে ধর্ষণে ‌‌‌‌‌‘সহায়তাকারী’ হিসেবে নূরের নাম উল্লেখ করা হয়।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি, ২০২১ ১৫:৩৮
প্রিন্ট করুন printer

নির্বাচন কমিশন ও সরকারের পদত্যাগ দাবি ফখরুলের

অনলাইন ডেস্ক

নির্বাচন কমিশন ও সরকারের পদত্যাগ দাবি ফখরুলের
ফাইল ছবি

প্রহসনের নির্বাচন বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‌‘আমরা এই মুহূর্তে নির্বাচন কমিশন ও এই সরকারের পদত্যাগ দাবি করছি। কারণ তারা সংবিধান লঙ্ঘন করে জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। তারা বেআইনি একটি সরকার হয়ে আছে। তাই পদত্যাগ করে একটি নতুন কমিশনের অধীনে নির্বাচনের দাবি করছি।’

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে নীলফামারী-৪ সৈয়দপুর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট ও নীলফামারী জেলা শাখার আহ্বায়ক বিরোধীদলীয় সাবেক হুইপ শওকত চৌধুরীর বিএনপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ফখরুল বলেন, একমাত্র দল বিএনপিই  যারা অতীতে গণতন্ত্র নিয়ে এসেছে আবারও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবে। আগামী দিনগুলোতে বিএনপির নেতৃত্বে সমস্ত রাজনৈতিক দল ও মানুষকে নিয়ে যে গণঐক্য তৈরি হবে, সেই গণঐক্যের উত্তাল জোয়ারে একটা আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে এই সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবো আমরা।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি, ২০২১ ১৩:০৫
প্রিন্ট করুন printer

'আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, বৈরিতা নয়'

অনলাইন ডেস্ক

'আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, বৈরিতা নয়'
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ফাইল ছবি)

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের পররাষ্ট্র নীতির মূলমন্ত্র হচ্ছে সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়। এই নীতিমালা জাতির পিতা আমাদের দিয়ে গেছেন। আর এই নীতিমালা অনুসরণ করেই আমরা আন্তঃরাষ্ট্রীয় সুসম্পর্ক বজায় রেখে এগিয়ে যাচ্ছি।

বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারী) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সামরিক বাহিনী কমান্ড ও স্টাফ কলেজের 'ডিএসসিএসসি ২০২০-২০২১' কোর্সের স্নাতক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী এসময় আরও বলেন,  আজ কেউই বলতে পারবে না যে, বাংলাদেশের সাথে কোনো দেশের বৈরী সম্পর্ক আছে। আমরা সবার সঙ্গেই মোটামুটি একটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে চলছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক, আঞ্চলিক ঐক্য নিয়ে বাংলাদেশ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। অভ্যন্তরীণ সম্পদসহ নানা ধরনের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আমরা বিপন্ন মানবতার ডাকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছি। মিয়ানমার থেকে আমাদের দেশে প্রায় ১০ লাখের মতো রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। আমরা তাদেরও আশ্রয় দিয়েছি। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও উন্নয়নের স্বার্থে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের যে নাগরিকদের আশ্রয়দান এবং তাদের নিজ দেশে যাতে ফিরে যেতে পারে, তার ব্যবস্থার জন্য আমরা কিন্তু কারো সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্বে লিপ্ত হইনি।

তিনি আরও বলেন, আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি যে, আলোচনার মাধ্যমে তারা তাদের নাগরিকদের যেন ফিরিয়ে নিয়ে যায়। একটা বন্ধুসুলভ মনোভাব নিয়েই আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। তবে যারা অন্যায় করছেন, নিশ্চই আমরা সেটা বলব, কিন্তু তারপরও তাদের নাগরিকদের তারা ফেরত নেবে, সেটা আমরা চাই। আমরা এতগুলো বাস্তুচূত মানুষ যারা নির্যাতিত হয়েছিল, তাদের আশ্রয় দিয়েছি, এ জন্য সারা বিশ্ব বাংলাদেশকে সাধুবাদ জানাচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, কোভিড-১৯ মহামারির মধ্য দিয়ে সামরিক বাহিনী কমান্ড ও স্টাফ কলেজ নিজস্ব উদ্ভাবিত উপায়ে অত্যন্ত অল্প সময়ে এবং কম খরচে নিরাপদ ইলিয়নি সলিউশন স্থাপন করে নিজস্ব সার্ভার ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীদের নিরাপদ অনলাইন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছেন। ফলে এক দিনের জন্যেও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ব্যাহত হয়নি। সামরিক বাহিনী কমান্ড ও স্টাফ কলেজের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও অনুকরণীয়। তাই এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত সব সদস্যদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সামরিক বাহিনী কমান্ড ও স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের প্রাচীনতম ট্রাই সার্ভিস প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রথম বছরে ছিল মাত্র ৩০ জন এবং আজ তা বেড়ে ২২৫ জনে উন্নীত হয়েছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৪৩টি বন্ধুপ্রতীম দেশের এক হাজার ২০৮ জন অফিসার এই কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন লাভ করেছেন। তারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। এই কোর্সেও ১৬টি বন্ধুপ্রতীম দেশের ৪৩ জন বিদেশি কর্মকর্তাসহ আজ ২২৫ জন সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন।


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ তাফসীর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:৫৮
প্রিন্ট করুন printer

মহামারী নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে লিগ্যাল নোটিশ

অনলাইন ডেস্ক

মহামারী নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে লিগ্যাল নোটিশ
ফাইল ছবি

করোনাভাইরাস মহামারী নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী।

তবে করোনার পুরো সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে অনলাইনে শতভাগ ক্লাস নেওয়ার পদক্ষেপ গ্রহণ করার কথা নোটিশে বলেছেন খন্দকার হাসান শাহরিয়ার নামের ওই আইনজীবী।

খন্দকার হাসান শাহরিয়ার নিজেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে নোটিশ দেওয়ার বিষয়টি বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।

নোটিশ পাওয়ার ৭দিনের মধ্যে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত বাতিল করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও প্রচার করতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত ১১ জানুয়ারি অবিলম্বে সারাদেশের সব স্কুল-কলেজ খুলে দিতে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছিলেন ভাওয়াল মির্জাপুর পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল আব্দুল কাইয়ুম সরকারের পক্ষে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ফারুক আলমগীর চৌধুরী। শিক্ষা সচিব ও শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালককে এ নোটিশ পাঠানো হয়। ওই নোটিশের পর পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় তিনি ২১ জানুয়ারি রিট আবেদন করেন।

রিটে বলা হয়, করোনার কারণে ২০২০ সালের মার্চ থেকে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এ পর্যন্ত ১১ বার বন্ধের নোটিশ দিয়েছে সরকার। দীর্ঘ দিন স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা এ সময়ে বাহিরে ঘোরাঘুরি করছে, টিভি দেখে সময় ব্যয় করছে। এছাড়া মোবাইল ব্যবহার করে খারাপ অভ্যাস হয়ে যাচ্ছে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়। শিক্ষার্থীদের সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে ওই রিটে।

করোনা সংক্রমণ রোধে গত বছর ১৭ মার্চ দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। এরপর দফায় দফায় ছুটি বাড়ানো হয়।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:৫৪
আপডেট : ২৮ জানুয়ারি, ২০২১ ১৩:০২
প্রিন্ট করুন printer

দুর্নীতিতে আরো অবনতি, বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১২তম

অনলাইন ডেস্ক

দুর্নীতিতে আরো অবনতি, বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১২তম

দুর্নীতির ধারণা সূচকে আগের বছরের তুলনায় আরো দুই ধাপ নীচে নেমে এসেছে বাংলাদেশ। বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় সর্বনিম্ন দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ১২তম। এই হিসেবে ২০১৯ সালের তুলনায় দুর্নীতিতে বাংলাদেশ দুই ধাপ নিচে নেমেছে। আগের বছর অবস্থান ছিল ১৪তম।  

বার্লিনভিত্তিক ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে দুর্নীতির ধারণা সূচক প্রকাশ করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় সংস্থাটি এ বছরও প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানেই এসব তথ্য উঠে এসেছে। আজ বৃহস্পতিবার অনলাইনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২০২০ সালের সূচক প্রকাশ করেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।  

দুর্নীতির ধারণা সূচকে (করাপশন পারসেপশন ইনডেক্স-সিপিআই ২০২০) ১০০ এর মধ্যে ৪৩ স্কোরকে গড় স্কোর হিসেবে বিবেচনায় সিপিআই ২০২০ অনুযায়ী বাংলাদেশের স্কোর ২৬। যা সিপিআই ২০১৮ ও ২০১৯ এর তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে। এছাড়া সর্বোচ্চ থেকে গণনা অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৬তম। এক্ষেত্রেও ২০১৯ এর তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।

এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ৩১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ চতুর্থ সর্বনিম্ন অবস্থানে এবং দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি দেশের মধ্যে একমাত্র আফগানিস্তানই বাংলাদেশের চেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত। সূচক অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ ভুটান, দেশটির স্কোর ৬৮। ১৮০টি দেশের মধ্যে তালিকার ওপর থেকে এই দেশটির অবস্থান ২৪তম।

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। দেশটির স্কোর ৪০। তালিকার ওপর থেকে দেশটির অবস্থান ৮৬তম। ২০১৯ সালের তুলনায় ভারতের অবস্থান ৬ ধাপ এগিয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশের ঠিক আগেই পাকিস্তানের অবস্থান। দেশটির অবস্থান ২০১৯ সালের চাইতে এক ধাপ পিছিয়েছে। দেশটির স্কোর ৩১। তালিকার ওপর থেকে দেশটির অবস্থান ১২৪ তম।

মূলত দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি দেশের মধ্যে শুধুমাত্র ভুটান ও মালদ্বীপ গড় স্কোর করেছে। দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি অর্জন করেছে মালদ্বীপ। দেশটি ৫৫ ধাপ উন্নতি করেছে। অর্থাৎ ১৩০তম অবস্থান থেকে ৭৫তম অবস্থানে উঠে এসেছে। সূত্র : বিবিসি বাংলা।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:৪৬
আপডেট : ২৮ জানুয়ারি, ২০২১ ১৪:১৮
প্রিন্ট করুন printer

দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ

দুদক কাণ্ডে নিরপরাধ ব্যক্তির বিরুদ্ধে ১৫ বছরের কারাদণ্ডাদেশ, বাতিল করলেন হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক

দুদক কাণ্ডে নিরপরাধ ব্যক্তির বিরুদ্ধে ১৫ বছরের কারাদণ্ডাদেশ, বাতিল করলেন হাইকোর্ট

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ভুল তদন্তে নোয়াখালীর নিরপরাধ কামরুল ইসলামের ১৫ বছরের সাজার রায় বাতিল করেছেন হাই কোর্ট। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রত্যাহার করে দুদকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

এ বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। 

আদালতে নিরপরাধ কামরুল ইসলামের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মিনহাজুল হক চৌধুরী। অন্যদিকে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান।

এর আগে দুদকের ভুল তদন্তে নোয়াখালীর নিরপরাধ কামরুল ইসলাম ১৫ বছরের সাজা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে উচ্চ আদালতের স্মরণাপন্ন হন। এদিকে, হাই কোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করে ভুলের কথা স্বীকার করে ক্ষমা চায় দুদক।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর