৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৯:১১

জেলে সম্প্রদায়ের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন বাস্তবায়নে জাইকার চুক্তি স্বাক্ষর

অনলাইন ডেস্ক

জেলে সম্প্রদায়ের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন বাস্তবায়নে জাইকার চুক্তি স্বাক্ষর

কক্সবাজারের জেলে সম্প্রদায়

কক্সবাজারের জেলে সম্প্রদায়ের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নতুন পদক্ষেপ নিতে চলেছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। আজ বৃহস্পতিবার সংস্থাটির বাংলাদেশ অফিসের চিফ রিপ্রেজেনটেটিভ ইউহো হায়াকাওয়া এবং ওয়ার্ল্ড ফিশের ডিরেক্টর জেনারেল গ্যারেথ জনস্টোন এ উপলক্ষে একটি পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন।

জানা গেছে, কক্সবাজারের জেলে সম্প্রদায়ের জীবনধারণে সহনশীলতা বাড়াতে এই প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তর (ডিওএফ) ও জাইকা বাংলাদেশের সহযোগিতায় এই পাইলট প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে ‘দ্য কনসোর্টিয়াম অব ইন্টারন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল রিসার্চ সেন্টারের (সিজিআইএআর) অধীনে অলাভজনক আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা ওয়ার্ল্ড ফিশ। 

প্রকল্পের উদ্দেশ্য হল সাম্প্রতিক সময়ে নানা সংকটের মধ্য দিয়ে চলা স্থানীয় জেলেদের পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে সহনশীলতা বৃদ্ধির জন্য কিছু অনুশীলন প্রণয়ন করা। দেশের সর্বদক্ষিণের জেলা কক্সবাজার এখন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির। ২০১৭ সালের শেষদিকে মিয়ানমার থেকে আসা শরণার্থীর ঢল বাংলাদেশের পর্যটন নগরী কক্সবাজারের জীবনযাত্রাকে পাল্টে দিয়েছে- বিশেষ করে জেলে সম্প্রদায়ের। এছাড়া স্থানীয়দের মজুরী কমেছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়ার সাথে সাথে ভূমি এবং উপকূলীয় এলাকার প্রাকৃতিক উৎস থেকে প্রাপ্তি কমেছে। এরসাথে যুক্ত হয়েছে মৎস্যসম্পদ রক্ষায় বঙ্গোপসাগরে বছরের বিভিন্ন সময়ে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা।

এত সংকটের সাথে কোভিড-১৯ যুক্ত হয়ে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ, উখিয়া, কক্সবাজার সদর ও মহেশখালীর মৎস্যজীবী ও স্থানীয় জেলে সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রাকে নাজুক করে তুলেছে। চলমান পরিস্থিতিতে এই পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ উন্নত করা, বঙ্গপোসাগরে পরিকল্পিতভাবে মাছ ধরা ও ছোট পরিসরে যারা মাছ ধরে এরকম পরিবারগুলোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্বাচ্ছন্দ্য বাড়বে। এবং উপকূলীয় এই এলাকার ইকো সিস্টেম পুনরুদ্ধার এবং সামাজিক সহনশীলতা আরো শক্তিশালী হয়ে উঠবে। 

অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং দারিদ্র্য বিমোচনে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে কাজ করে চলেছে জাইকা। এই পাইলট প্রকল্পটির এসডিজির লক্ষ্যগুলো হচ্ছে : ১. দারিদ্র্য অবসান ২. ক্ষুধার অবসান, খাদ্য নিরাপত্তা ৩. সবার জন্য সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ নিশ্চিত করণ ৪. সাগর, মহাসাগর ও সামুদ্রিক সম্পদের সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার অর্জনে অবদান রাখা।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর