শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৩৪, শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫

জনমতের সঠিক প্রতিফলন না ঘটার আশঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
জনমতের সঠিক প্রতিফলন না ঘটার আশঙ্কা

জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশে যেভাবে গণভোটের কথা বলা হয়েছে তাতে জনমতের সঠিক প্রতিফলন ঘটবে না বলে সংশয় প্রকাশ করছেন নির্বাচন ও আইন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলেছেন, যে চার প্রস্তাব বা প্রশ্নে গণভোট হতে যাচ্ছে তা দেশের সাধারণ মানুষের জানা-বোঝার বাইরে। ভোটারদের এ বিষয়ে সচেতন করতে হলে ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে। এ ছাড়া যে নজিরবিহীনভাবে এই আদেশ জারি করা হয়েছে তাতে ভবিষ্যতে বিষয়টি আইনি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে পারে।

নির্বাচন কমিশন আগামীকাল রবিবার এ বিষয়ে তাদের করণীয় নির্ধারণে বৈঠকে বসতে পারে।

রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। বাম দলগুলো মনে করছে, গণভোটের চেয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক মনে করেন, জাতীয় জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশে যেভাবে যেসব প্রস্তাবে গণভোটের আয়োজনের কথা বলা হয়েছে তার জন্য ব্যাপক প্রচার চালাতে হবে।

তিনি গতকাল শুক্রবার বলেন, ‘বেশির ভাগ মানুষের জন্য এই মুহূর্তে সরকারের করণীয় একটাই, ব্যাপক প্রচার চালাতে হবে। রেডিও, টেলিভিশন, পত্রপত্রিকার মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার চালিয়ে জনগণকে বিষয়টি বোঝাতে হবে। এ ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। মানুষ যদি বুঝতে না পারে তাহলে আমার ধারণা, অনেকেই এই ভোটে অংশগ্রহণ করবে না।
ব্যালট দুটি থাকবে। একটি সংসদ নির্বাচনের ব্যালট, অন্যটি গণভোটের। সংসদ নির্বাচনের ব্যালটে পছন্দের মার্কায় ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা ভোটারদের আছে বা নতুন ভোটারদেরও এ বিষয়ে ধারণা আছে। কিন্তু গণভোটের বিষয়টিতে সে রকম সচেতনতা নেই। সে ক্ষেত্রে কিভাবে ভোট দিতে হবে, এর প্রস্তাব বা প্রশ্নগুলো কী, সে সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি দরকার।’
ড. শাহদীন মালিক আরো বলেন, ‘আইনের ব্যাকরণ অনুসারে জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ নিয়ে অনেক প্রশ্ন আছে। এরই মধ্যে কিছু প্রশ্ন উঠেছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ যদি আগামী সংসদের প্রথম অধিবেশনে বাতিল করে দেওয়া হয় তাহলে কী হবে। সংসদ তো সার্বভৌম। রাষ্ট্রপতির আদেশ অধ্যাদেশ বাতিলের ক্ষমতা তো সংসদের আছে। যা হচ্ছে তা আইনের বাইরে থেকে হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ নিয়ে অনেক প্রশ্নের সমাধান করতে হতে পারে। যেভাবে গণভোট হতে যাচ্ছে তাতে বুঝেশুনে মতামত হবে না। তার পরও জনগণকে যতটা বোঝানোর চেষ্টা করা যায় করতে হবে।’

সুপ্রিম কোর্টের আরেক আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ আদেশ যেভাবে জারি হয়েছে এর নজির বাংলাদেশের ইতিহাসে নেই। বিদ্যমান সংবিধান অনুসারে এ ধরনের আদেশ জারির এখতিয়ার রাষ্ট্রপতির নেই।’

গণভোটে মতামত জানানোর বিষয়টি সহজসাধ্য হবে না এবং জনমতের সঠিক প্রতিফলন ঘটবে না বলে মনে করেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য বেগম জেসমিন টুলি।

তিনি ১৯৮৫ ও ১৯৯১ সালে দুটি গণভোটে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে বলেন, ‘ওই সময় প্রশ্নগুলো এবারের মতো এত জটিল ছিল না। তার পরও আগের ওই দুটি গণভোটে, বিশেষ করে ১৯৮৫ সালের গণভোটে জনমতের চেয়ে ক্ষমতাসীন পক্ষের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটেছে বলে মনে করা হয়।’

১৯৮৫ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সামরিক শাসনকে বৈধতা দেওয়ার জন্য ওই বছরের ২১ মার্চ গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। গণভোটে ভোটারদের কাছে প্রশ্ন ছিল আপনি কি রাষ্ট্রপতি এরশাদের গৃহীত নীতি সমর্থন করেন এবং আপনি কি চান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের পূর্ব পর্যন্ত তিনি তাঁর প্রশাসন পরিচালনা করবেন?

এতে ৯৪.৫ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়ে এবং মোট ৭২.২ শতাংশ ভোট পড়েছিল বলে দাবি করা হয়

সর্বশেষ ১৯৯১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর সাংবিধানিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ভোটারদের জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান (দ্বাদশ সংশোধন) বিল, ১৯৯১-এ রাষ্ট্রপতির সম্মতি দেওয়া উচিত কি না’ এই বিলে সংসদীয় সরকারের পুনঃপ্রবর্তন, রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান হবেন, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হবেন নির্বাহী প্রধান। এতে উপরাষ্ট্রপতির পদটিও বিলুপ্তির এবং সংসদ কর্তৃক রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করার বিধান রাখা হয়।

এর ফলাফল ছিল পক্ষে ৮৩.৬ শতাংশ ভোট এবং বিপক্ষে ৩৫.২ শতাংশ ভোট।

বেগম জেসমিন টুলি বলেন, ‘এবারের ভোটের প্রস্তাব বা প্রশ্নগুলো বুঝতে পারবে এমন ভোটার খুবই কম। আপনি যদি আমাকে জিজ্ঞেস করেন, তাহলে পড়ে দেখে সময় নিয়ে বলতে হবে। আমাদের দেশে ৬০ বছরের ওপরে যাদের বয়স, বিশেষ করে এই বয়সের নারীদের বিশাল একটি অংশ এই চারটি প্রস্তাব বুঝতে পারা তো দূরের কথা, পড়তে কি পারবে? চারটি প্রস্তাবের মধ্যে আরো অনেক বিষয় আছে। এগুলো ভোটারদের জানাতে ব্যাপক প্রচার এবং তার জন্য অনেক সময় দরকার।’

রবিবার বৈঠকে বসবে ইসি

গণভোট নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রস্তুতি সম্পর্কে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ গতকাল বলেন, ‘আগামী রবিবার এ বিষয়ে কমিশনের বৈঠক হতে পারে। সভায় জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ নিয়ে আলোচনা এবং এ বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ হতে পারে। গণভোটের জন্য কতগুলো ব্যালট বক্স সংগ্রহ করতে হবে, ব্যালট পেপারের জন্য কাগজ সংগ্রহ, আইন প্রণয়নের উদ্যোগ—এসব বিষয়ে কমিশন সভায় আলোচনার পর বলা যাবে।

রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিক্রিয়া

আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট অনুষ্ঠানের পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশে রাজনৈতিক দলের মতেরই প্রতিফলন ঘটেছে। তবে এ আদেশকে কেন্দ্র করে নানা সাংবিধানিক প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে। রাষ্ট্রপতির নামে এই ধরনের আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের ম্যান্ডেট ও এখতিয়ারের বাইরে। গণভোটের প্রশ্ন চারটি ভাগে ভাগ করে সরকারের দিক থেকে রাষ্ট্রপতির নামে আদেশ জারি করার বিষয়টি নজিরবিহীন ও অভূতপূর্ব। এমন নজির পৃথিবীর কোথাও নেই। প্রধান উপদেষ্টা হয়তো বিভিন্ন পক্ষকে খুশি করতে চেয়েছেন। আবার বিশেষ কাউকে বাড়তি সুবিধা দিতে চেয়েছেন। আসলে একটি অনির্বাচিত সরকারের এই ক্ষমতা রয়েছে কি না তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।’

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, “এখন গণভোট অপ্রয়োজনীয়। প্রয়োজনে গণভোট হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর। এ বিষয়ে আগামী সংসদ সিদ্ধান্ত নেবে। জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাবের পর মৌলিক সংস্কারের বিষয়গুলো নিয়ে গণভোট হতে পারে। কিন্তু এখন গণভোটের যেসব বিষয় বলা হয়েছে এবং ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হলে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের যে কথা বলা হয়েছে, তা মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংলাপেও এমন কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আগামী দিনে এই গণভোটের কোনো কার্যকারিতা থাকবে না। আইনগত কোনো ভিত্তি থাকবে না। তাই আগে সংসদ নির্বাচন হতে হবে।”

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি বলেন, ‘জাতির বৃহত্তর স্বার্থে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যকে মেনে নেওয়ার পক্ষে এবি পার্টি। সরকার বা ড. মুহাম্মদ ইউনূস রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে সব দিক বিবেচনা করে একই দিনে গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন, উচ্চকক্ষে সংখ্যানুপাতিক ভোটের হিসাবে আসন নির্ধারণ এবং গণভোটে একমত ও ভিন্নমতকে অন্তর্ভুক্ত করে ব্যালট তৈরিসহ চূড়ান্ত নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা মনে করি, এটা এখন একটি অপেক্ষাকৃত গ্রহণযোগ্য সমাধান।’

মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘সার্বিক বিচারে প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণাকে আমরা ইতিবাচক হিসেবে দেখি। আমরা প্রথম থেকেই বলে আসছিলাম, রাজনৈতিক দলগুলো যেহেতু পর্যাপ্ত যুক্তিতর্ক ও আলোচনা এরই মধ্যে শেষ করেছে, তাই এখন সরকারের একটি সমাধানমূলক সিদ্ধান্ত দেওয়া এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সেটা মেনে নেওয়া ছাড়া আর কোনো পথ নেই। বিএনপি, জামায়াতসহ সব রাজনৈতিক দল বিভক্তি পরিহার করে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও আনন্দমুখর পরিবেশে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে এবং দেশকে একটি স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক পথে পরিচালনা করবে বলে আশা করছি।’

বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা জুলাই সনদ বাস্তবায়নে একই দিনে জাতীয় সংসদ ও গণভোটের কথা বলেছেন। এতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্যের পরিবর্তে অনৈক্য বেড়ে গিয়ে দেশ এক দীর্ঘমেয়াদি সংকটে নিপতিত হতে পারে। বর্তমান সরকার সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন। সংবিধান মেনে চলা ও এর রক্ষণাবেক্ষণ করার দায়িত্ব সরকারের। আমাদের সংবিধানে আদেশ জারি বা গণভোটের কোনো বিধান নেই। রাষ্ট্রপতি কেবল অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। এই অবস্থায় রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি করিয়ে সরকার সংবিধান পরিপন্থী কাজ করেছে।’

বজলুর রশীদ ফিরোজ আরো বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশে দলগুলোর নোট অব ডিসেন্টের উল্লেখ নেই। অথচ প্রধান উপদেষ্টা ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যে সনদে স্বাক্ষর করেছিলেন তাতে নোট অব ডিসেন্ট উল্লেখ ছিল। সরকার ও ঐকমত্য কমিশন রাজনৈতিক দলের ওপর কোনো কিছু চাপিয়ে দিতে পারে না। কিন্তু এখন যেভাবে গণভোটের কথা বলা হয়েছে, তাতে নোট অব ডিসেন্ট না রাখাটা ড. ইউনূসের নিজের সঙ্গে নিজের এবং রাজনৈতিক দল ও জাতির সঙ্গে প্রতারণার শামিল।’ 

এই বিভাগের আরও খবর
মাইক্রোবাস ভাড়া দিয়ে ফয়সালকে পলায়নে সহায়তাকারী নুরুজ্জামান রিমান্ডে
মাইক্রোবাস ভাড়া দিয়ে ফয়সালকে পলায়নে সহায়তাকারী নুরুজ্জামান রিমান্ডে
বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
প্রার্থীদের অস্ত্র রাখার বিষয়ে প্রয়োজনে আচরণবিধি সংশোধন হবে: ইসি সচিব
প্রার্থীদের অস্ত্র রাখার বিষয়ে প্রয়োজনে আচরণবিধি সংশোধন হবে: ইসি সচিব
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে দিল্লির তলব খুবই অপ্রত্যাশিত: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে দিল্লির তলব খুবই অপ্রত্যাশিত: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
সমন্বিত সিদ্ধান্তে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে: রিজওয়ানা হাসান
সমন্বিত সিদ্ধান্তে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে: রিজওয়ানা হাসান
যাত্রীদের ব্যাগেজ নিরাপত্তায় বডি ক্যামেরা চালু করলো বিমান
যাত্রীদের ব্যাগেজ নিরাপত্তায় বডি ক্যামেরা চালু করলো বিমান
জিয়াউলের বিরুদ্ধে শতাধিক গুম-খুনের অভিযোগ আমলে নিলেন ট্রাইব্যুনাল
জিয়াউলের বিরুদ্ধে শতাধিক গুম-খুনের অভিযোগ আমলে নিলেন ট্রাইব্যুনাল
‘মার্চ টু ইন্ডিয়ান হাইকমিশন’ কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা
‘মার্চ টু ইন্ডিয়ান হাইকমিশন’ কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা
সচিবালয়ে আন্দোলন : স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আরও ৩ কর্মচারী বরখাস্ত
সচিবালয়ে আন্দোলন : স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আরও ৩ কর্মচারী বরখাস্ত
প্রাথমিকের ‘মেধা যাচাই পরীক্ষা’ স্থগিত
প্রাথমিকের ‘মেধা যাচাই পরীক্ষা’ স্থগিত
আগামী সপ্তাহ থেকে শীত বাড়তে পারে
আগামী সপ্তাহ থেকে শীত বাড়তে পারে
খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নিরাপত্তায় ব্রি.জে. (অব.) শামছুল ইসলাম
খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নিরাপত্তায় ব্রি.জে. (অব.) শামছুল ইসলাম
সর্বশেষ খবর
সুদানে ড্রোন হামলায় শতাধিক নিহত
সুদানে ড্রোন হামলায় শতাধিক নিহত

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টাইফয়েড টিকাদানে অসামান্য অবদান: গাইবান্ধা পৌরসভাকে সম্মাননা
টাইফয়েড টিকাদানে অসামান্য অবদান: গাইবান্ধা পৌরসভাকে সম্মাননা

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার
বগুড়ায় ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হঠাৎ মারা যাচ্ছেন ভারতের নির্বাচন কর্মীরা, কেউ করছেন আত্মহত্যা
হঠাৎ মারা যাচ্ছেন ভারতের নির্বাচন কর্মীরা, কেউ করছেন আত্মহত্যা

২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন পদক্ষেপে বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম
ট্রাম্পের নতুন পদক্ষেপে বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন বরুণ, নতুন উচ্চতায় ভারতীয় স্পিনার
শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন বরুণ, নতুন উচ্চতায় ভারতীয় স্পিনার

১১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রংপুরে অটোচালকের লাশ উদ্ধার
রংপুরে অটোচালকের লাশ উদ্ধার

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার গাড়ি আটকে ৭ দফা দাবি ছাত্র-জনতার
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার গাড়ি আটকে ৭ দফা দাবি ছাত্র-জনতার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সড়ক ছাড়লেন জুলাই ঐক্যের কর্মীরা, যান চলাচল স্বাভাবিক
সড়ক ছাড়লেন জুলাই ঐক্যের কর্মীরা, যান চলাচল স্বাভাবিক

১৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

অপারেশন সিঁদুরের প্রথম দিনেই ভারত পরাজিত হয়েছিল : কংগ্রেস নেতা
অপারেশন সিঁদুরের প্রথম দিনেই ভারত পরাজিত হয়েছিল : কংগ্রেস নেতা

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রটারড্যামে যাচ্ছে বাংলাদেশের তিন সিনেমা
রটারড্যামে যাচ্ছে বাংলাদেশের তিন সিনেমা

২০ মিনিট আগে | শোবিজ

পিএসএল এবার নতুন ফরম্যাটে
পিএসএল এবার নতুন ফরম্যাটে

২৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাইক্রোবাস ভাড়া দিয়ে ফয়সালকে পলায়নে সহায়তাকারী নুরুজ্জামান রিমান্ডে
মাইক্রোবাস ভাড়া দিয়ে ফয়সালকে পলায়নে সহায়তাকারী নুরুজ্জামান রিমান্ডে

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

'প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও মূল্যবোধ অমূল্য সম্পদ'
'প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও মূল্যবোধ অমূল্য সম্পদ'

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসলামী আইনে হত্যাচেষ্টার শাস্তি
ইসলামী আইনে হত্যাচেষ্টার শাস্তি

২৯ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

৩০ মিনিট আগে | জাতীয়

নোবেল পুরস্কারের মনোনীতদের তালিকায় জাতিসংঘের প্রতিনিধি
নোবেল পুরস্কারের মনোনীতদের তালিকায় জাতিসংঘের প্রতিনিধি

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হিটলার-নেপোলিয়ন রাশিয়াকে দমাতে পারেনি, ইউরোপও পারবে না: সালভিনি
হিটলার-নেপোলিয়ন রাশিয়াকে দমাতে পারেনি, ইউরোপও পারবে না: সালভিনি

৩৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাউবির বিএসসি ইন ‘সিএসই’ পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ
বাউবির বিএসসি ইন ‘সিএসই’ পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

৩৫ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

জয়পুরহাটে পিঠা উৎসব
জয়পুরহাটে পিঠা উৎসব

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রার্থীদের অস্ত্র রাখার বিষয়ে প্রয়োজনে আচরণবিধি সংশোধন হবে: ইসি সচিব
প্রার্থীদের অস্ত্র রাখার বিষয়ে প্রয়োজনে আচরণবিধি সংশোধন হবে: ইসি সচিব

৩৮ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজবাড়ীতে অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা
রাজবাড়ীতে অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নেশা ও ওসিডি বোঝার নতুন পথ দেখাল ইঁদুরের ওপর গবেষণা
নেশা ও ওসিডি বোঝার নতুন পথ দেখাল ইঁদুরের ওপর গবেষণা

৪০ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

'ডেথ সেলে ইমরান খানকে মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে'
'ডেথ সেলে ইমরান খানকে মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে'

৪৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় দেশের প্রথম স্বয়ংক্রিয় পেট্রোলিয়াম ডিপোর যাত্রা
কুমিল্লায় দেশের প্রথম স্বয়ংক্রিয় পেট্রোলিয়াম ডিপোর যাত্রা

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে স্টার্ক
ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে স্টার্ক

৪৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে দিল্লির তলব খুবই অপ্রত্যাশিত: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে দিল্লির তলব খুবই অপ্রত্যাশিত: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

৫৭ মিনিট আগে | জাতীয়

খাগড়াছড়ি-বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
খাগড়াছড়ি-বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সমালোচনার মুখে বিশ্বকাপের টিকিটের দাম কমাল ফিফা
সমালোচনার মুখে বিশ্বকাপের টিকিটের দাম কমাল ফিফা

৫৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সমন্বিত সিদ্ধান্তে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে: রিজওয়ানা হাসান
সমন্বিত সিদ্ধান্তে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে: রিজওয়ানা হাসান

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি
আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার
হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলাম শেষে কে কত টাকায় কোন দলে?
আইপিএল নিলাম শেষে কে কত টাকায় কোন দলে?

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার
হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করে যা বলল ভারত
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করে যা বলল ভারত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ
ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত
ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা
যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গুরুত্বপূর্ণ চার অধিদপ্তরে নতুন ডিজি
গুরুত্বপূর্ণ চার অধিদপ্তরে নতুন ডিজি

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিদায় দিতে লন্ডন এয়ারপোর্টে না যেতে প্রবাসীদের অনুরোধ তারেক রহমানের
বিদায় দিতে লন্ডন এয়ারপোর্টে না যেতে প্রবাসীদের অনুরোধ তারেক রহমানের

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ
ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন নীতিমালায় ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে অনীহা দেখালে ব্যবস্থা
নতুন নীতিমালায় ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে অনীহা দেখালে ব্যবস্থা

৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!
৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির রিল-মেকিং প্রতিযোগিতা, জয়ীরা পাবেন তারেক রহমানের সাক্ষাৎ
বিএনপির রিল-মেকিং প্রতিযোগিতা, জয়ীরা পাবেন তারেক রহমানের সাক্ষাৎ

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাইব্যুনালে নিজের বিচার সরাসরি সম্প্রচার করার আবেদন ইনুর
ট্রাইব্যুনালে নিজের বিচার সরাসরি সম্প্রচার করার আবেদন ইনুর

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশকে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর ‘হুমকি’
বাংলাদেশকে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর ‘হুমকি’

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাশকতা মামলায় মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির ৪৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি
নাশকতা মামলায় মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির ৪৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান
ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী
রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন
আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা
সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই
দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তান যাওয়ার প্রশ্নে আলিয়ার চমকপ্রদ উত্তর
পাকিস্তান যাওয়ার প্রশ্নে আলিয়ার চমকপ্রদ উত্তর

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইপিএলের নিলামে প্রশান্ত ও কার্তিকের রেকর্ড
আইপিএলের নিলামে প্রশান্ত ও কার্তিকের রেকর্ড

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ
কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইপিএল নিলামের প্রথম রাউন্ডে চোখ কপালে তোলা যা যা ঘটল
আইপিএল নিলামের প্রথম রাউন্ডে চোখ কপালে তোলা যা যা ঘটল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জয়ের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ
জয়ের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে গুলি: ব্যবহৃত মোটরসাইকেল-ভুয়া নম্বর প্লেট উদ্ধার
হাদিকে গুলি: ব্যবহৃত মোটরসাইকেল-ভুয়া নম্বর প্লেট উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’
‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’

শোবিজ

নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত
নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি

প্রথম পৃষ্ঠা

দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই
দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ
সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত
ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

১৬ ডিসেম্বর শুধু ভারতের বিজয় দাবি
১৬ ডিসেম্বর শুধু ভারতের বিজয় দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়
১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ
প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন
হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন

প্রথম পৃষ্ঠা

পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না
পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব
আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব

পেছনের পৃষ্ঠা

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির
তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির

প্রথম পৃষ্ঠা

আবেগী নাবিলা
আবেগী নাবিলা

শোবিজ

আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ
আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ

খবর

বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়
বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়

সম্পাদকীয়

নতুন রূপে মোনালিসা
নতুন রূপে মোনালিসা

শোবিজ

বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য
বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের
গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ চলবে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে
বাংলাদেশ চলবে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই
সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই

শোবিজ

মধুমিতার পরিকল্পনা
মধুমিতার পরিকল্পনা

শোবিজ

কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস
কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস

মাঠে ময়দানে

গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ
গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ

মাঠে ময়দানে

স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন
স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন

মাঠে ময়দানে

বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল
বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল

মাঠে ময়দানে

নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়
নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র
শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র

পেছনের পৃষ্ঠা