শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৮ জানুয়ারি, ২০২০ ২৩:৫৬

দক্ষিণ এশিয়ার দারিদ্র্য কমলেও বেড়েছে বৈষম্য

স্যাপির তথ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

দক্ষিণ এশিয়ার দারিদ্র্য কমলেও বেড়েছে বৈষম্য

সাউথ এশিয়ান অ্যালায়েন্স ফর পোভার্টি ইরাডিকেশন (স্যাপি)-এর এক তথ্যে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ায় বসবাসকারী দরিদ্র লোকের সংখ্যা ২৪৮.৮ মিলিয়ন হ্রাস পেলেও বিগত ৩০ বছর ধরে এই অঞ্চলে বৈষম্য বেড়েই চলেছে। মাত্র ৩০০ জন ধনীর আয় বিশ্বের অর্ধেক জনগোষ্ঠীর আয়ের সমান। এ বিষয়ে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ, লজ্জাকর। রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে তথ্য তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র ও লিঙ্গ নির্বিশেষে দক্ষিণ এশিয়ার জনগোষ্ঠী বৈষম্যের শিকার। এই বৈষম্যগুলো সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক কারণেই সৃষ্টি হয়েছে। ধনী, অভিজাত ও বৃহৎ বহুজাতিক করপোরেশনগুলো জলবায়ুকে ধ্বংস করছে। নারী, শ্রমিক ও আদিবাসী জনগণের অধিকারগুলো ছিন্ন করতে মুনাফা এবং শক্তিপ্রয়োগ করছে। ‘বৈষম্যহীন দক্ষিণ এশিয়া গড়ে তুলতে সবাই ঐক্যবদ্ধ হওয়ার দাবি’তে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে স্যাপির বাংলাদেশ চ্যাপ্টার। এতে সভাপতিত্ব করেন স্যাপির সদস্য ও বিএমএ-এর সাবেক সভাপতি ডা. রশিদ-ই-মাহবুব।

 বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এম এম আকাশ, রাজনীতিক পঙ্কজ ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক ডা. লেনিন চৌধুরী, ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইইডি) নির্বাহী পরিচালক নূমান আহম্মেদ খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তানজিমউদ্দীন খান, অক্সফামের কমিউনিকেশন ম্যানেজার মঞ্জুর রশিদ প্রমুখ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইনসিডিন বাংলাদেশের পরিচালক মুশতাক আলী। সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া কবীর।


আপনার মন্তব্য