শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ মার্চ, ২০২০ ২৩:৫৮

এনবিআরের প্রাক-বাজেট আলোচনা

ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার চায় বারভিডা

নিজস্ব প্রতিবেদক

আসছে ২০২০-২১ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে ইলেকট্রিক ব্যাটারিচালিত মোটরগাড়ি আমদানিতে প্রচলিত ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক-কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বারভিডা। সংগঠনটি বাজেট প্রস্তাবে আরও বলেছে, মাইক্রোবাসে যে ৩০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক-কর রয়েছে তাও প্রত্যাহার করতে হবে। এর সঙ্গে মাত্র ১ শতাংশ শুল্কে রিকন্ডিশন্ড বাস, ডাম্প ট্রাক, ফায়ার ফাইটিং গাড়ি, মিক্সার লরি, ক্রেন লরিসহ অন্যান্য গাড়ি আমদানির সুবিধা দিতে হবে। গতকাল সেগুনবাগিচার রাজস্ব ভবনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর আয়োজিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় এ প্রস্তাব তুলে ধরেন রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন-বারভিডা সভাপতি আবদুল হক। এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের সভাপতিত্বে আলোচনায় বক্তব্য দেন এনবিআর সদস্য আলমগীর হোসেন, সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া, মাসুদ সাদিক ও বারভিডার শহিদুল ইসলাম। প্রাক-বাজেট আলোচনায় গাড়ি ব্যবসায়ীদের প্রস্তাব বিবেচনার আশ্বাস দিয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, যেসব গাড়িতে রাজস্ব আসবে, সেটাই দেখবে এনবিআর।

তিনি বলেন, বেশকিছু স্থানীয় উদ্যোক্তা ও বিদেশি বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে ব্র্যান্ড নিউ গাড়ির কারখানা স্থাপন করতে চান।

 তারা স্থানীয় বাজার চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিশ্ববাজারে ব্র্যান্ড নিউ গাড়ি রপ্তানিও করবেন। স্থানীয়ভাবে তৈরি নসিমন ও করিমন মানুষের চাহিদা পূরণ করছে। ফলে তা ঠেকানো যাচ্ছে না। পাশাপাশি এ গাড়ি জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে অবদানও রাখছে।

বারভিডা সভাপতি আবদুল হক বলেন, বর্তমান সামাজিক বাস্তবতায় রিকন্ডিশন্ড গাড়ি বিলাসদ্রব্যের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া উচিত। নতুন ও পুরনো গাড়িতে বিদ্যমান শুল্ক-বৈষম্য দূর করুন। রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানি ও বিপণন খাতে আমাদের বিনিয়োগ প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। রাজস্ব ও পরিবহন খাতে বিপুল অবদান রাখা সত্ত্বেও শুল্কায়ন, মূল্য নির্ধারণসহ নানাবিধ বৈষম্য এবং প্রতিবন্ধকতার কারণে এ খাত এখন নাজুক পরিস্থিতিতে। পুরনো গাড়ি আমদানি ব্যাপকহারে হ্রাস পেয়েছে। অনেক ব্যবসায়ী লোকসানের কারণে ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছেন।

বারভিডার বাজেট প্রস্তাবে বলা হয়, বিগত দুই থেকে তিন বছর ধরে কিছু নেতিবাচক নীতিমালার কারণে রিকন্ডিশন্ড মোটরযান খাতে বিপর্যয় নেমে এসেছে। ফলে আমদানি ও বিক্রি কমে গেছে। পুরনো গাড়ির দাম বেশি হওয়ায় ক্রেতারা নিম্নমানের নতুন গাড়ি কিনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।


আপনার মন্তব্য