শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩০ মার্চ, ২০২০ ০১:০৭

করোনার ক্ষতি কাটাতে তামাকপণ্যের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনার ক্ষতি কাটাতে তামাকপণ্যের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব

করোনাভাইরাসের প্রভাবে অর্থনৈতিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে তামাকপণ্যের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স (আত্মা)। সংগঠনটি আগামী ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সুনির্দিষ্ট কর পদ্ধতি প্রবর্তন, সিগারেটে দুটি মূল্যস্তরসহ প্রস্তাবিত কর ও দাম বাড়ানোর মাধ্যমে তামাকপণ্যের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। গতকাল আগামী ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট সামনে রেখে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআরে দেওয়া প্রস্তাবে তামাক কর ও মূল্যবৃদ্ধির দাবি জানিয়ে এ প্রস্তাব জমা দিয়েছে অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স (আত্মা)। সংগঠনটি বলেছে, এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে প্রায় ২০ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপায়ী ধূমপান ছেড়ে দিতে উৎসাহিত হবেন। দীর্ঘমেয়াদে ৬ লাখ বর্তমান ধূমপায়ীর অকাল মৃত্যু রোধ করা সম্ভব হবে। সরকারের প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব অর্জিত হবে। যা সরকার করোনাভাইরাস সংক্রান্ত ক্ষতি মোকাবিলায় ব্যবহার করতে পারবে।

প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, প্রথমত সিগারেটের বর্তমান চারটি মূল্যস্তরকে দুটিতে (নিম্ন এবং প্রিমিয়াম) নামিয়ে এনে একত্রিত করে নিম্নস্তরে নিয়ে এসে নিম্নস্তরে ১০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য ন্যূনতম ৬৫ টাকা নির্ধারণ করে ৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং ১০ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা। দ্বিতীয়ত ৯৩+ টাকা ও ১২৩+ টাকা এই দুটি মূল্যস্তরকে একত্রিত করে প্রিমিয়াম স্তরে নিয়ে আসা। প্রিমিয়াম স্তরে ১০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য ন্যূনতম ১২৫ টাকা নির্ধারণ করে ৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং ১৯ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা।

প্রস্তাবনায় আরও বলা হয়েছে, বিড়ির ফিল্টার এবং নন-ফিল্টার মূল্য বিভাজন তুলে দেওয়া। ফিল্টারবিহীন ২৫ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য ৪০ টাকা নির্ধারণ করে ৪৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক ও ৬ দশমিক ৮৫ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা এবং ফিল্টারযুক্ত ২০ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য ৩২ টাকা নির্ধারণ করে ৪৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং ৫ দশমিক ৪৮ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা। ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের (জর্দা ও গুল) মূল্য বাড়ানো। প্রতি ১০ গ্রাম জর্দার খুচরা মূল্য ৪০ টাকা এবং প্রতি ১০ গ্রাম গুলের খুচরা মূল্য ২৩ টাকা নির্ধারণ করে ৪৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা এবং প্রতি ১০ গ্রাম জর্দা ও গুলের ওপর যথাক্রমে ৫ দশমিক ৭১ টাকা এবং ৩ দশমিক ৪৫ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা। প্রস্তাবনায় সব তামাকপণ্যের খুচরা মূল্যে ১৫ শতাংশ ভ্যাট বহাল রাখার কথা বলা হয়েছে।


আপনার মন্তব্য