মঙ্গলবার, ১৭ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ টা
বাণিজ্যমন্ত্রীকে চিঠি

সব স্থলবন্দর দিয়ে সুতা আনতে চায় বিজিএমইএ

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাকের চাহিদা বৃদ্ধি ও ক্রয়াদেশ মোতাবেক ক্রেতাদের কাছে দ্রুত পণ্য পৌঁছে দিতে সব স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় সুতাসহ অন্য কাঁচামাল আমদানি করার সুযোগ চায় বিজিএমইএ। পোশাক শিল্প মালিকদের এই সংগঠনটি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশিকে চিঠি দিয়ে বলেছে- সুতার চাহিদার মধ্যে যেটুকু আমদানি করা হয়, তার প্রায় পুরোটাই বেনাপোল স্থলবন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে। অন্য স্থলবন্দরের মাধ্যমে তুলা, সুতা, কাপড় ও বন্ড সুবিধার আওতায় বস্ত্র ও পোশাক খাতের অন্যান্য কাঁচামাল আমদানি সংক্রান্ত বিধিনিষেধ থাকার ফলে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিকারকরা লিড টাইমের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারছে না।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশিকে গত ১৪ আগস্ট এই চিঠি দেওয়ার কথা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি-বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান। তিনি বলেন- আমাদের প্রধান বাজার ইউরোপ ও আমেরিকায় করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসায় প্রচুর অর্ডার আসছে। এ অবস্থায় আমাদের এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ সময়মতো ক্রেতাদের কাছে পোশাক পৌঁছানো। কিন্তু নানা জটিলতার কারণে বেনাপোল বন্দর দিয়ে পণ্য আনতে সময় বেশি লাগছে।

সে কারণেই আমরা বেনাপোল বন্দরের পাশপাশি অন্যান্য স্থলবন্দর বিশেষ করে ভোমরা ও সোনামসজিদের মাধ্যমে বন্ড সুবিধার আওতায় সুতা, তুলা, কাপড় ও পোশাক খাতের অন্যান্য কাঁচামাল আমদানি করতে চাই।

চিঠিতে আরও বলা হয়- বেনাপোল বন্দরের পাশাপাশি অন্যান্য স্থলবন্দর, বিশেষ করে ভোমরা ও সোনামসজিদের মাধ্যমে বন্ড সুবিধার আওতায় তুলা, সুতা, কাপড় এবং বস্ত্র ও পোশাক খাতের অন্যান্য কাঁচামাল আমদানি অনুমোদন করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করা; বেনাপোল স্থলবন্দর এবং অপরাপর সব অনুমোদিত স্থলবন্দর দিয়ে বস্ত্র ও পোশাক খাতের কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে আংশিক শিপমেন্টের অনুমোদন প্রদান করা এবং বেনাপোল স্থলবন্দর এবং অন্য সব স্থলবন্দরের পণ্য সংরক্ষণ ওয়্যারহাউসিং সক্ষমতা এবং প্রয়োজনীয় লোকবল বৃদ্ধি করা, যাতে আমদানি-রপ্তানিতে সম্ভাব্য প্রবৃদ্ধির কারণে অবকাঠামো ও লোকবলের অভাবে বন্দরে কোনো পণ্য পরিবহন জট বা জটিলতা তৈরি না হয়। এই সুপারিশ বাস্তবায়ন করা হলে একটি স্থলবন্দরের চাপ কমবে, পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে গতি আসবে এবং সময় ও খরচ (ব্যয়) সাশ্রয় হবে।