শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:১০, সোমবার, ১৮ মে, ২০২০

আল্লাহ এমন কোনো রোগ সৃষ্টি করেননি, যার নিরাময়ের উপকরণ তিনি সৃষ্টি করেননি

সোহেল সানি
অনলাইন ভার্সন
আল্লাহ এমন কোনো রোগ সৃষ্টি করেননি, যার নিরাময়ের উপকরণ তিনি সৃষ্টি করেননি

"আল্লাহ এমন কোনো রোগ সৃষ্টি করেননি যার নিরাময়ের উপকরণ তিনি সৃষ্টি করেননি।" 

পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কুরআনে এ কথা বলা হয়েছে।  সুরা বাকারার ১৬৮ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, "হে মানব জাতি! পৃথিবীতে যা কিছু বৈধ ও পবিত্র খাদ্য আছে, তা হতে খাও এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না, নিশ্চয়ই সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। মদ, শূকরের মাংস ও মৃত প্রাণীর মাংসকে রোগ সৃষ্টির কারণ হিসাবেও উল্লেখ করা হয়েছে। 

চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক গ্রিক চিকিৎসক হিপোক্রেটিস, অন্যতম জনক ইবনে সিনা ও মেডিসিনের জনক অসলারের বিভিন্ন সাফল্য তুলে ধরলেও কানাডা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্রূণ বিশেষজ্ঞ কেইথ মোর বলেছেন, "চিকিৎসা বিজ্ঞানে গবেষকরা নতুন নতুন আবিষ্কার করছে আর এটা বুঝতে পারছে না যে, কুরআনে এ সম্পর্কে আগেই বলা হয়েছে। 
মরণঘাতী করোনার আক্রমণ প্রতিরোধ অর্থাৎ এ মরণঘাতী রোগ নিরাময়ের গবেষণা এখনও পর্যন্ত কোনো সুখবর বয়ে আনতে পারেনি বিশ্ববাসীর জন্য। 
গণমাধ্যমে বিভিন্ন দেশে ওষুধ আবিষ্কারের খবর প্রচারিত হলেও কার্যত এর অস্তিত্ব স্বীকার করা যাচ্ছে না। আমাদের মতো দেশেও কোনো কোনো চিকিৎসকের করোনা প্রতিরোধক ওষুধ আবিষ্কারের বিচ্ছিন্ন খবর জনমনে আশার বদলে কৌতুহলের সৃষ্টি করছে।

প্রতিদিনই করোনার থাবা কেড়ে নিচ্ছে মানুষের প্রাণ। এক দেশ আরেক দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন। স্যাটেলাইটের বদৌলতে পারস্পরিক খবরাখবর জানা গেলেও সার্বিকভাবে বিচ্ছিন্ন। স্যাটেলাইট কোনো ভাইরাসের আক্রমণে স্তদ্ধ হয়ে গেলে বিশ্ব বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। আর পরিস্থিতি তখন কি হবে চোখ বন্ধ করে ভাবুন না? 

মার্কিন সিনেট কক্ষে পবিত্র কুরআন থেকে তেলওয়াত, স্পেন, ইতালি, চীনসহ বিভিন্ন শক্তিধর অমুসলিম রাষ্ট্রের আকাশ বাতাস পবিত্র আযানের ধ্বনিতে অনুরণনের সৃষ্টি করেছে। জাতিসংঘের ইউনেস্কো কর্তৃক কুরআনকে সবচেয়ে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ রূপে স্বীকৃতিদানের পরও কী চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা কুরআন গবেষণার মাধ্যমে করোনা নামক মরণব্যাধি নিরাময়ের পথ খুঁজছেন? 
আমরা চোখ রাখতে পারি কুরআনে রোগ নিরাময় সম্পর্কে কি বলছে সেদিকে। যে মূহুর্তে করোনার ছোবল সেই সময়ে মুসলিম উম্মাহর জন্য মাহে রমজান। মানে রোজার মাস। পবিত্র কুরআনে রোগ হতে মুক্ত থাকার বিষয়ে নামাজ আদায়ের পাশাপাশি রোজাকেও গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। 
সেই বিষয়ে পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। 
কুরআন অধ্যয়ন, নামাজ আদায় ও দোয়া কামনাসহ অন্যান্য ইবাদতের মাধ্যমে নিজের আত্মাকে পরিশুদ্ধ রাখতে বলা হয়েছে। আল্লাহ বলেছেন, "আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিবো।"
কুরআনে সুরা রূম - এ একে অপরের প্রতি ভালোবাসা ও সহমর্মিতার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। সুরা রূম এর ২১ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, "আল্লাহ তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য হতে তোমাদের সঙ্গিনীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের নিকট শান্তি পাও এবং তিনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও সহানুভূতি সৃষ্টি করেছেন। 
আমরা কুরআনে চিকিৎসক ও রোগীর মধ্যকার সম্পর্ক বিষয়ে বলা হয়েছে। চিকিৎসকের আচার- ব্যবহার রোগীকে অর্ধেক সুস্থ করে তোলে। 
কানাডা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্রূণ বিশেষজ্ঞ কেইথ মোর বলেন, চিকিৎসা শাস্ত্রের গবেষকরা নতুন নতুন বিষয় আবিষ্কার করছে আর এটা বুঝতে পারছে না যে, কুরআনে এ সম্পর্কে আগেই বলা হয়েছে। মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় রোজাও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। মদ, শূকরের গোশত  ও মৃত প্রাণীর গোশতকে রোগের অন্যতম কারণ বলে কুরআনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। 
পারস্পরিক বন্ধন ও সুসম্পর্ক মানুষকে মানসিক দিক থেকে সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ থাকতে সহায়তা করে। 
পবিত্র কুরআনে সুরা মো' মেনুনের ১২, ১৩ ও ১৪ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, " নিশ্চয়ই আমি মানুষকে মৃত্তিকার উপাদান হতে সৃষ্টি করেছি। অতঃপর আমি তাকে শুক্র বিন্দু রূপে এক নিরাপদ আধারে স্থাপন করি। পরে আমি শুক্র বিন্দুকে জমাট রক্তে পরিণত করি। অতঃপর জমাট রক্তকে মাংসপিন্ডে পরিণত করি এবং মাংসপিন্ডকে অস্থি-পঞ্জারে, অতঃপর অস্থিপঞ্জরকে মাংস দ্বারা ঢেকে দেই। অবশেষে আমি তাকে চরম সৃষ্টিতে পরিণত করি। অতএব আল্লাহ মহান, যিনি সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তা। 
রোগ প্রতিরোধের জন্য কুরআনে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়। কুরআনে অনেক খাদ্য গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। খাদ্যের প্রভাবের কথা মানুষের মনমানসিকতার ওপর স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। 
মহানবী (সাঃ) বলেছেন," ক্ষুধার্ত না হলে খেতে বসো না এবং পেট পরিপূর্ণ হবার আগেই খাওয়া শেষ করো। তিনি এমন সব খাদ্যদ্রব্যের নাম উল্লেখ করেন, যা ব্যথা উপশমসহ নানা রোগ থেকে মুক্ত রাখে। 
রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে মধুর মতো এতো বেশি কার্যকর আর কোনো উপাদান নেই। আল্লাহর প্রেরিত রাসূলে হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর এ কথাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানও স্বীকার করেছে। এর সত্যতা মিলে কুরআনের সুরা নহলের ৬৯ নম্বর আয়াতে। এতে বলা হয়েছে, "মৌমাছির উদর হতে বিবিধ বর্ণ বিশিষ্ট পানীয় নির্গত হয়। এতে মানুষের জন্য ব্যাধির প্রতীকার আছে। নহল মানে মৌমাছি।
ফুলের মধু আহরণ ও চাক তৈরিসহ মৌমাছির বিভিন্ন কর্মপ্রণালী সম্পর্কে বর্ণনা রয়েছে। 
পবিত্র কুরআনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অলৌকিক দিকগুলোর মধ্যে একটি সম্পর্কে সুরা রু এর ২৮ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, "আল্লাহকে স্মরণের মাধ্যমেই আত্মা প্রশান্তি লাভ করে এবং আল্লাহর কাছ থেকে দূরে সরে যাবার কারণেই মানুষ দুরবস্থায় পতিত হয়। 
আল্লাহ এমন কোনো রোগ সৃষ্টি করেননি, যার নিরাময়ের উপকরণ তিনি সৃষ্টি করেননি। "
কুরআনের সুরা বাকারার ১৬৮ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, "হে মানব জাতি! পৃথিবীতে যা কিছু বৈধ ও পবিত্র খাদ্য আছে, তা হতে খাও এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না, নিশ্চয়ই শয়তান তোমাদের শত্রু।

প্রসঙ্গতঃ 
প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যায় সাত বার সুরা তাওবাহর শেষের আয়াতটি পাঠ করলে পাঠকারী রোগ, বিপদ ও পেরেশানি মুক্ত থাকে এবং হায়াত বাড়ে। 
আয়াতটি হলো "হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া আ'লাইহি তাকয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আযীম" (অর্থ আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ্ নেই। তাঁর উপর ভরসা করছি এবং তিনি মহান আরশের অধিপতি)
শবে মেঘরাজ রাতে ইব্রাহীম (আঃ) নবীজী (সাঃ) কে যে যে বিষয়টিতে অসীয়ত করেছেন তাহলো, "লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ" যার অর্থঃ কারো শক্তি নেই (দুঃখ কষ্ট দূর করার ও বিপদ আপদে বাঁচাবার)  এবং কারো ক্ষমতা নেই (সুখ ও সম্পদ প্রদানের) একমাত্র আল্লাহ ছাড়া।
ইয়া হাইউ ইয়া কাইউম বিরাহমাতিকা আসতাগীছু (অর্থ হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী, তোমার রহমতের উপর ভরসা করে সাহায্য চাই)  মহানবী (সাঃ) এই দু'আ বিশেষ ভাবে পছন্দ করতেন। হযরত আলী (রাঃ) বলেন, বদরের যুদ্ধে আমি নবীজীকে দেখতে চাই, তিনি কি করছেন। গিয়ে দেখলাম, তিনি সেজদায় পড়ে রয়েছেন আর বলছেন, "ইয়া হাইয়্যু-ইয়া কাইউম"। 
"আল্লাহুম্মাজ্ আলনী ফি আইনী ছাগিরা - ওয়া আইয়্যুনিন নাসি কাবীরা " (অর্থঃ হে আল্লাহ আমার চোখে আমি যেন নিজেকে ছোট দেখি, আর মানুষের চোখে যেন আমি বড় হই) 
ঐতিহাসিক হুদায়বিয়ার সন্ধিকালে কাফেরার সন্ধিপত্রে নবীজীর (সাঃ) নামে সাথে রাসূল (সাঃ) বিশেষণ যোগ করতে আপত্তি জানালে নবীজী (সাঃ) নিজে ছোট হয়ে অপমানজনক ঔ চুক্তিতে সম্মত হয়েছিলেন। পরক্ষণেই এ বিষয়ে কুরআনের আয়াত  নাজিল হয় এবং দুবছর পরেই মক্কা বিজয় হয়। 
"আসআলুল্লাহাল আ'জীম রাব্বুল আ'রশিল আজীম আইইয়াশফীয়াকা"। (অর্থঃ মহান আল্লাহপাকের কাছে মহান আরশের মালিকের কাছে আমি আপনার রোগ মুক্তি কামনা করছি)
নবীজী অসুস্থ রোগীকে দেখতে গেলে সাত বার এই দু'আ পড়তেন। 

১১৪টি সুরা সম্বলিত পবিত্র কুরআনে প্রসিদ্ধ মতানুসারে শব্দ সংখ্যা ৮৬ হাজার ৪৩০টি এবং অক্ষর সংখ্যা ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৭০টি। না গদ্য না পদ্য ধরনের প্রাঞ্জল ও সহজবোধ্য কুরআনের আভিধানিক অর্থ - সর্বাধিক পঠিতব্য। ক্বারউন এবং ক্বারনুণ - মূল আরবী শব্দ থেকে যার উৎপত্তি। জিব্রাইল আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বীয় আকৃতিতে আসতেন, তিনি মানুষের আকৃতি নিয়ে, সত্য স্বপ্নযোগে ঘন্টা ধ্বনি (মৌমাছির গুঞ্জনের মতো), অন্তরে ফুঁৎকার দিয়ে, পর্দার অন্তরাল থেকে এবং সাত সরাসরি আল্লাহ পাকের কাছ থেকে। 
প্রায় ১৫ বছর সাধনা মগ্ন নবীজী আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে যখন জিব্রাইল এসে বললেন, "ইকরা"- পড়ুন - তিনি ওযর জানিয়ে বললেন, আমি তো পড়তে জানিনা। উম্মীদ হওয়া সত্ত্বেও আল্লাহ পাক পাঠ করাতে সক্ষম। পালনেওয়ালার নামে শুরু করতে বলে- সৃষ্টির ধ্রুব সত্যটি ১ম আয়াতে তুলে ধরা হয়। 
অস্তিত্ব দান করাই সৃষ্টির প্রতি রাব্বুল আলামিনের প্রথম অনুগ্রহ। অতঃপর সৃষ্টির নানা স্তর পার হয়ে মাটি ও উপাদান চতুষ্টয় দিয়ে যার সূচনা - বীর্য  ও যার পরে জমাট রক্তের পালা আসে এবং পর্যায়ক্রমে মাংসপিণ্ড ও অস্থি প্রভৃতি সৃষ্টি করা হয়। এসবের মধ্যে জমাট রক্ত হলো প্রকৃত প্রস্তাবে একটি মধ্যবর্তী অবস্থা -যার উল্লেখ দ্বিতীয় আয়াতে রয়েছে। শিক্ষাই মানুষকে অন্যান্য সব প্রাণীকুল থেকে স্বতন্ত্র তথা সেরা সৃষ্টি হিসেবে চিহ্নিত করেছে। শিক্ষার এ ক্ষেত্রে কলমের সাহায্যের শিক্ষাকেই বলা হয়েছে। মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষক মোহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, মহান আল্লাহ সর্বপ্রথম কলম সৃষ্টি করে তাকে লেখার নির্দেশ দেন। রোজ কেয়ামত পর্যন্ত যে যা কিছু করে যা যা কিছু হয় বা হবে কলম সব লিখে রাখে। যা আল্লাহ পাকের কাছে আরশে আজিমে রক্ষিত রয়েছে। আল্লাহ আদিকালে যখন সবকিছু সৃষ্টি করেন - তখন তাঁর আরশের কাছে রক্ষিত কিতাবে একথাও লিপিবদ্ধ করেন- "আল্লাহর রহমত - আমার ক্রোধের ওপর প্রবল থাকবে। (সুরা মারেফুল কুরআন)। প্রসিদ্ধ মতে ৬১০ সালের ১৭ আগস্ট সোমবার (১৭ রমজান) পঞ্চ আয়াত নাজিলের পর দীর্ঘকাল ওহী অবতরণ বন্ধ থাকে। যাকে বিচ্ছেদ কাল বলা হয়। অতঃপর ধারাবাহিকভাবে নাজিল হওয়া শুরু হয় আড়াই বছর পর সুরা মুদ্দাসসির এর প্রথম পাঁচটি আয়াত দিয়ে। 
যেখানে "পবিত্র হয়ে আপন পালনকর্তার মহীমা" তথা সার্বভৌম ক্ষমতার ঘোষণা দেয়ার জন্য রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নির্দেশ দেয়া হয়। লাওহে মাহফুজ থেকে কদরের রাতে যেখানে কুরআন শরীফ এনে রাখা হয় তাকে বায়তুল ইযযা বলে। সেখান থেকে ২২ বছর ৫ মাস ১৪ দিনে পাঁচ থেকে ১০ আয়াত আকারে তিরিশ পারায় ৬৬৬৬ আয়াতসহ মহানতম গ্রন্থ পবিত্র কুরআন নাজিল হয়। সাতটি পদ্ধতিতে ওহি নাজিল হতো। যা জিব্রাইল আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাধ্যমে আগেই উল্লেখ করা হয়েছে।

লেখকঃ সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
যোগ করা সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজের গোলে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়
যোগ করা সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজের গোলে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়

১৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মানিকগঞ্জ পৌরসভায় রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
মানিকগঞ্জ পৌরসভায় রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লা নগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
কুমিল্লা নগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যশোর মণিরামপুরে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
যশোর মণিরামপুরে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চার বছর পর শুরু হলো জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, মুন্সিগঞ্জে উদ্বোধন
চার বছর পর শুরু হলো জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, মুন্সিগঞ্জে উদ্বোধন

৫৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সাবমেরিন ক্যাবল ছিঁড়ে ৫ দিন ধরে বিদ্যুতবিহীন মেহেন্দিগঞ্জ
সাবমেরিন ক্যাবল ছিঁড়ে ৫ দিন ধরে বিদ্যুতবিহীন মেহেন্দিগঞ্জ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনগর পূর্ব ইউনিয়ন কৃষকদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনগর পূর্ব ইউনিয়ন কৃষকদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভিয়েতনামে ১২ হাজার বছর আগের মানুষের কঙ্কাল আবিষ্কার
ভিয়েতনামে ১২ হাজার বছর আগের মানুষের কঙ্কাল আবিষ্কার

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ঝিনাইদহে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধন
ঝিনাইদহে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিরাপত্তা চেয়ে নারী বাইকারদের র‌্যালি
নিরাপত্তা চেয়ে নারী বাইকারদের র‌্যালি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুক্তিপণের টাকা পরিশোধ করে বাড়ি ফিরেছে অপহৃত সাত জেলে
মুক্তিপণের টাকা পরিশোধ করে বাড়ি ফিরেছে অপহৃত সাত জেলে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোবিন্দগঞ্জে ৫ কেজি ওজনের কষ্টিপাথর সদৃশ মূর্তি উদ্ধার
গোবিন্দগঞ্জে ৫ কেজি ওজনের কষ্টিপাথর সদৃশ মূর্তি উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাবেকদের অনুপ্রেরণায় শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে উদ্যোগ
সাবেকদের অনুপ্রেরণায় শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে উদ্যোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে জুলাই যোদ্ধা স্মৃতিচারণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
বরিশালে জুলাই যোদ্ধা স্মৃতিচারণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাকসু নির্বাচনে নতুন তিনটি প্যানেলের আত্মপ্রকাশ
জাকসু নির্বাচনে নতুন তিনটি প্যানেলের আত্মপ্রকাশ

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কুড়িগ্রামে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
কুড়িগ্রামে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে তিন ভাইকে কুপিয়ে জখম, নিহত ১
সিলেটে তিন ভাইকে কুপিয়ে জখম, নিহত ১

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

শ্রীপুরে পৌর বিএনপির কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত
শ্রীপুরে পৌর বিএনপির কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে দুই ডাকাত গ্রেফতার
বাগেরহাটে দুই ডাকাত গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সপ্তাহজুড়ে বজ্রসহ বৃষ্টি ও ভারি বর্ষণের আভাস
সপ্তাহজুড়ে বজ্রসহ বৃষ্টি ও ভারি বর্ষণের আভাস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোবিন্দগঞ্জে ৮ কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার
গোবিন্দগঞ্জে ৮ কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

চবিতে শহীদ তরুয়া-ফরহাদ স্মৃতি আন্তঃবিভাগ ফুটবলের ট্রফি উন্মোচন
চবিতে শহীদ তরুয়া-ফরহাদ স্মৃতি আন্তঃবিভাগ ফুটবলের ট্রফি উন্মোচন

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাছ ধরতে গিয়ে সাগরে নিখোঁজ, ভেসে উঠলো দুই কিশোরের মরদেহ
মাছ ধরতে গিয়ে সাগরে নিখোঁজ, ভেসে উঠলো দুই কিশোরের মরদেহ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ডেন্টাল ক্যাম্প
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ডেন্টাল ক্যাম্প

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুড়িগ্রামে আবারো নদনদীর পানি বৃদ্ধি
কুড়িগ্রামে আবারো নদনদীর পানি বৃদ্ধি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অন্তর্ভুক্তিমূলক নিরাপদ রাষ্ট্র গড়তে আমরা বদ্ধপরিকর : তারেক রহমান
অন্তর্ভুক্তিমূলক নিরাপদ রাষ্ট্র গড়তে আমরা বদ্ধপরিকর : তারেক রহমান

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বরিশালে মাদক লেনদেনের দ্বন্দ্বে যুবক নিহত
বরিশালে মাদক লেনদেনের দ্বন্দ্বে যুবক নিহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এসএএইচআর প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এসএএইচআর প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

১০ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

সোনালি যুগের চলচ্চিত্র নির্মাতা আজমল হুদা মিঠু
সোনালি যুগের চলচ্চিত্র নির্মাতা আজমল হুদা মিঠু

শোবিজ

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা