শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:৪২, রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২০ আপডেট:

অসংক্রামক রোগ ও কোভিড-১৯ জাতীয় কর্ম পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্তি প্রয়োজন

ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার
অনলাইন ভার্সন
অসংক্রামক রোগ ও কোভিড-১৯ জাতীয় কর্ম পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্তি প্রয়োজন

কোভিড-১৯ শুধু লাখ লাখ মানুষের মৃত্যুসহ বিভিন্ন দুর্ভোগেরই কারণ হয়নি, এই মহামারিটি অন্যান্য রোগের প্রাদুর্ভাব যেমন বাড়িয়ে দিয়েছে তেমনি জনগোষ্ঠীর বাড়তি মৃত্যু হারের উপরও যথেষ্টে প্রভাব ফেলেছে। সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার হলো কোভিড-১৯ সৃষ্ট সামগ্রিক বিপর্যয়ের কারণে জনগণ স্বাভাবিক স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ইদানিংকালে সম্পাদিত বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার একটি জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যে স্বাস্থ্য সেবাটি সবচেয়ে বেশি ব্যতিগ্রস্ত হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো বিভিন্ন ধরণের অসংক্রামক ব্যাধির শনাক্তকরণ এবং চিকিৎসা।

ধারণা করা হচ্ছে কোভিড-১৯ পূর্ব অবস্থার চেয়ে বর্তমানে অসংক্রামক ব্যাধির চিকিৎসা গড়ে ৬৯ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গত ৫-৬ মাসে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বিপর্যয়ের যে চিত্র আমরা দেখেছি তাতে করে এটা ভাবার অবকাশ নাই যে দেশটিতে অসংক্রামক ব্যাধির চিকিৎসা বিপর্যয়ের এই চিত্রটা বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার সংগৃহীত বৈশ্বিক চিত্রের চেয়ে কোন অংশে ভালো।

বাংলাদেশে প্রতিবছর অসংক্রামক ব্যাধিতে ৮ লাখ ৮৬ হাজার মানুষ প্রাণ হারায়, যা বিভিন্ন কারণে মোট মৃত্যুর ৫৯ শতাংশ। এর মধ্যে হৃদরোগে মারা যায় ১৭ শতাংশ, ফুসফুসের দীর্ঘকালীন প্রদাহে মারা যায় ১১ শতাংশ, ডায়াবেটিসে মারা যায় ৩ শতাংশ এবং ক্যানসারে ভুগে মারা যায় ১০ শতাংশ। বাদবাকি ১৮ শতাংশ মারা যায় অন্যান্য অসংক্রামক ব্যাধিতে ভুগে। বাংলাদেশে মৃতের এই হারকে আমলে নিলে অসংক্রামক ব্যাধি বিশেষ করে হৃদরোগ, ফুসফুসের দীর্ঘকালীন প্রদাহ, ক্যানসার এবং ডায়াবেটিসের বিস্তার এবং ভয়াবহতা সম্পর্কে আমাদের কাররেই কোন সন্দেহ থাকার কথার নয়।

অসংক্রামক ব্যাধিতে ভোগার বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে এবং ব্যক্তি বিশেষে কারণগুলোর ভিন্নতা থাকবে। তবে ঝুঁকিপূর্ণ বিশেষ কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ধূমপান, ফল এবং সবজি জাতীয় খাদ্যের স্বল্পতা, নিয়মিত কায়িক পরিশ্রম বা ব্যায়াম না করা, শরীরের ওজন বৃদ্ধি বা স্থূলতা, পেটে মেদ জমা, উচ্চ রক্ত চাপ এবং রক্তে শর্করার পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি মাত্রায় থাকা (প্রি-ডায়াবেটিস)। খুব বেশি দূরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই, নিজ ঘরে অথবা দু’একটি নিকটাত্মীয়ের পরিবারের মধ্যেই হয়ত এসব রোগে দীর্ঘদিন ধরে ভোগা একাধিক সদস্যদের সন্ধান পাবেন। 
কোভিড-১৯ সৃষ্ট চিকিৎসা বিপর্যয় বাংলাদেশের জন্য একটি ভয়াবহ দুঃসংবাদ বিশেষ করে যারা হৃদরোগ, ক্যানসার, শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ এবং বহুমূত্র রোগে ভুগছেন। এই সব রোগী অতীত অভিজ্ঞতালব্ধ আস্থাহীনতার কারণে এবং নতুন ভাবে কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে ক্লিনিকে বা হাসপাতালে যাচ্ছে না। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সাথে সাধারণ জনগণের একটা দূরত্বের সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। দূরত্বটা পূর্বেও ছিল, কিন্তু কোভিড-১৯ এই দূরত্বটা অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। অনেকে ভয়-ডরকে পিছনে ফেলে কোনভাবে স্বাস্থ্য সেবা পাওয়ার আশায় হাসপাতালে গেলেও বিভিন্ন কারণে প্রত্যাশা অনুযায়ী চিকিৎসা পাচ্ছে না। চিকিৎসা না পাওয়ার প্রধান কারণ হলো চিকিৎসক বিশেষ করে অভিজ্ঞ ঊর্ধ্বতনদের অনুপস্থিতি এবং ওষুধসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রীর স্বল্পতা।

ক্ষমতাধর অথবা বিত্তবানরা হয়ত কিছুটা হলেও সেবা পান, কিন্তু দরিদ্র এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দুর্দশা যে অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে তাতে কোনই সন্দেহ নাই। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী অনুমান করা হচ্ছে যে ৫৩ শতাংশের ক্ষেত্রে উচ্চরক্তচাপ জনিত শারীরিক সমস্যার চিকিৎসা হয়ত একেবারেই হচ্ছে না অথবা গুরুতরভাবে বিঘি্নত হচ্ছে, ৪৯ শতাংশ ক্ষেত্রে বহুমূত্র অথবা তার সাথে সম্পর্কিত রোগের চিকিৎসা বিঘি্নত হচ্ছে, ৪২ শতাংশ ক্যানসার রোগী সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছে না এবং ৩১ শতাংশ হৃদরোগের আক্রান্ত ব্যক্তি জরুরি চিকিৎসা পাচ্ছে না। এবং এসবই হচ্ছে স্বাস্থ্যখাতে কোভিড-১৯ সৃষ্ট অব্যবস্থাপনার কারণে। অনেক ক্ষেত্রেই কোভিড-১৯ মহামারীকে সামাল দেওয়ার জন্য পরিকল্পিত চিকিৎসা সেবাকে বাতিল করা হয়েছে। সুরক্ষা সামগ্রীর অভাব এবং অন্যান্য বিভিন্ন কারণে ডাক্তারসহ স্বাস্থ্যকর্মীরা চিকিৎসা প্রদানে আগ্রহ হারিয়েছে। এছাড়াও ওষুধের স্বল্পতা, স্বাস্থ্য সরঞ্জামের অভাব, হাসপাতালে সংক্রমণ রোধে ব্যবস্থাপনার অভাব তো আছেই।

সহসাই যে পৃথিবী কোভিড-১৯ মুক্ত হবে না তা এতদিনে আমাদের সবার কাছেই স্পষ্ট হয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরাও তাই বলছেন। সমগ্র বিশ্ব কোভিড-১৯ প্রতিষেধক ভ্যাকসিনের অপেক্ষায়। ভাগ্য খুবই সুপ্রসন্ন হলেও আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ের পূর্বে তা ব্যাপক জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ আছে বলে কেউই মনে করেন না। ভ্যাকসিন আসলেও তা কতটা কার্যকর হবে, কতদিনের জন্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে, সবার ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে কি না, সেগুলো নিয়ে অনেক বিতর্ক এবং সন্দেহ  বিশ্বব্যাপী সবার মধ্যেই আছে। তবে ভ্যাকসিন যে কোন স্থায়ী সমাধান নয় তা সবার কাছেই স্পষ্ট।

এই কারণে আমাদের ধরেই নিতে হবে যে কোভিড-১৯ অন্যান্য রোগের মত একটি রোগ হয়ে আমাদের সাথে থাকবে এবং আমাদের শিখতে হবে কিভাবে এমন একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগের উপস্থিতি মেনে নিয়েই আমাদের পথ চলতে হয়। স্বাস্থ্য খাতের সকল স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাতেই কোভিড-১৯ এর পাশাপাশি অসংক্রামক রোগের শনাক্তকরণ এবং চিকিৎসাকে অন্তর্ভুক্ত করতে  হবে। মনে রাখতে হবে বয়স্ক ব্যক্তিদের অসংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা অপেক্ষাকৃত বেশি এবং এই ধরণের পূর্ব রোগাক্রান্ত ব্যক্তিরা কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হলে তাদের মধ্যে রোগের ভয়াবহতা এমনকি মৃত্যু সম্ভাবনাও অন্যের তুলনায় অনেক বেশি।

বাংলাদেশের জন্য এখনই যেটা প্রয়োজন সেটা হলো কোভিড-১৯ রোধে সার্বজনীন বিস্তৃত জাতীয় কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা। অসংক্রামক ব্যাধির শনান্তকরণ এবং চিকিৎসা এই কর্মপরিকল্পনারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে এবং এটির বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ দিতে হবে। বাংলাদেশের সাথে অর্থনৈতিক ভাবে তুলনা করা যায় এমন অনেক দেশ এ ধরমের কর্মপরিকল্পনা ইতিমধ্যেই করে ফেলেছে এবং প্রয়োজনীয় অর্থায়ন করেছে। সুতরাং বাংলাদেশও পারবে না সে রকম টা আমরা ভাবতে চাই না।

জিয়াউদ্দিন হায়দার: ঊর্ধতন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ,  বিশ্ব ব্যাংক 

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়