শিরোনাম
প্রকাশ: ১৫:৫৫, শনিবার, ০৬ আগস্ট, ২০২২

রেলওয়ের কালো বিড়ালকে কেন থামানো যায় না?

আরিফুর রহমান দোলন
অনলাইন ভার্সন
রেলওয়ের কালো বিড়ালকে কেন থামানো যায় না?

তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছিল রেলওয়ে মন্ত্রণালয়। রেলের কালো বিড়াল তুখোড় পার্লামেন্টারিয়ান সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে থামিয়ে দিয়েছিল? না-কি বাগ্মী সুরঞ্জিতই থামাতে পারেননি রেলওয়ের কালো বিড়ালকে? 

এ প্রশ্ন হয়তো অমীমাংসিতই থেকে যাবে আজীবন। প্রয়াত জাতীয় রাজনীতিক সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে নিয়ে যতটুকু বিতর্ক হয় এর সিংহভাগই রেলপথ মন্ত্রণালয়ে তার দায়িত্বের সময়কালকে ঘিরে। তৎকালীন এক-এগারোর সেনাসমর্থিত সরকারের আমলে দলীয় রাজনীতিক লাইনের সমান্তরাল কিছু একটায় সুরঞ্জিত সেনরা যুক্ত ছিলেন, গুঞ্জনে আচমকাই ছিটকে পড়েছিলেন দল ও সরকারের নীতি নির্ধারণী কর্মকাণ্ডে। সেইসব ধাক্কা সামলে মন্ত্রী হিসেবে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত যখন প্রচারের আলোয় ভেসে ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন তখনই খাদের কিনারায় তিনি।

রেলপথ মন্ত্রণালয় কি কুফা ছিল মন্ত্রী সুরঞ্জিতের জন্য? তার এপিএসের গাড়িতে নগদ কোটি টাকা উদ্ধারের ঘটনায় রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যক্তিগতভাবে হেনস্তা হয়েছিলেন তিনি। জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে রাজনৈতিক অস্বস্তি নিয়ে শেষ জীবনটা পার হয়েছে তার। ২০০৯ সালের পর সরকারের নবগঠিত রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর বাকি সময়টা কেটেছে চরম অস্বস্তি আর গুমোট রাজনৈতিক পরিবেশে।

সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের পর মন্ত্রী হিসেবে মুজিবুল হকের পারফরমেন্সের গ্রাফই বা কতটা ওঠানামা করেছে? কুমিল্লার চিরকুমার সমিতির একসময়ের অবিসংবাদিত নেতা মুজিবুল হক মন্ত্রী হয়ে সংসারী জীবনে দারুণ স্থিত হয়েছেন। কিন্তু তার নির্বাচনী এলাকা চৌদ্দগ্রামের রাজনৈতিক সংসারটা কেমন যেন ছন্নছাড়া হয়ে যাচ্ছে। সত্যি!

সারল্য সাদামাটা আর সহজে মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়াই যে মুজিবুল হকের আজীবন পরিচিতি, তিনি কেন দলের তৃণমূল স্তরে কোন্দল সৃষ্টির দোষে দুষ্ট হবেন? কুমিল্লা আর চৌদ্দগ্রাম আওয়ামী লীগের অন্দরে কান পাতলেই শোনা যায় সাবেক রেলপথ মন্ত্রী বদলে গেছেন। 

কেমন? কর্মীবান্ধব মুজিবুল হকের বাসায় আগের মতো আর সারাক্ষণ ভিড় লেগে থাকে না। কর্মীদের ‘প্রিয় মুজিব ভাই’ আর লিডারের বেড রুমে ঢুকে পড়া, ড্রইংরুমে বসে পড়া কিংবা দিনের পর দিন রাত কাটানো যেখানে একসময় অতি সাধারণ ঘটনা ছিল সেটিই এখন রেলপথ মন্ত্রী হওয়ার পর ভিন্ন চেহারা পায়। তার অনেক নেতাকর্মীর অর্থনীতি হৃষ্টপুষ্ট হয়েছে বটে কিন্তু জীর্ণশীর্ণ হয়ে যাচ্ছে একজন মাটি ও মানুষের নেতার সারল্যের ভাবমূর্তি। 

রেলপথ মন্ত্রণালয়ে আসলে আসে কী?

কেন উজ্জ্বল ভাবমূর্তির ব্যক্তিত্বের ঔজ্জ্বল্যও ফিকে হয় রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সংস্পর্শে এলে? কেন উঁচু মাথাকে হেট করতে হয়? কেন রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্তরা সাফল্য দেখাতে পারে না? রেলওয়ে কি বরাবরের মতোই ব্যর্থতার প্রতীক হয়ে থাকবে? এমন হাজারো প্রশ্ন অনেকের মতো আমার মনেও। কিন্তু আদৌ কোনো উত্তর কখনো মিলবে কি?
 
দায়িত্ব নেওয়ার পর কতটা স্বস্তিতে থাকতে পেরেছেন নুরুল ইসলাম সুজন? কেন মাঝেমধ্যে অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে বর্তমান রেলমন্ত্রীকেও? পূর্বের অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতির ছায়া এখনো কেন? সঙ্গে স্বজনপ্রীতির আদিপত্য। বিনা টিকিটে রেল ভ্রমণ কিংবা এই অনিয়মে তার স্ত্রীর নাম জড়িয়ে যাওয়া কি ছিল শুধুই কাকতালীয়! না-কি রেলওয়ে বিভাগে এমন ঘটনা হরহামেশাই হয়? 

সজ্জন, সুবক্তা এবং সুদর্শন রাজনৈতিক নেতা ও পেশায় সফল আমাদের বর্তমান রেলমন্ত্রী। এতটাই যে রাজনৈতিক জীবনে ছাত্র, যুব ও মূল সংগঠনের কোনো না কোনো পর্যায়ে তিনি বরাবরই গুরুদায়িত্ব পেয়েছেন। ডাকসুতে ছাত্রলীগের মনোনয়ন নিয়ে যেমন নির্বাচিত হয়েছেন তেমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের শীর্ষ পদও সামলেছেন। যুবলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদকের পর সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদকের পদেও নির্বাচিত হয়েছেন। মন্ত্রিত্বের পাশাপাশি এখন সামলাচ্ছেন পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির পদও। তাদের রাজনৈতিক প্রভাব, অবস্থানের শেকড় এতটাই গভীর যে, গত ১১টা সংসদ নির্বাচনের মধ্যে সাত বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে তার পরিবার থেকেই। চারবার তার ভাই অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম। আর বিগত তিন নির্বাচনে মন্ত্রী নিজে। 

সব রকম অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ তুখোড় এই আইনজীবী কেন রেলওয়েকে জাগিয়ে তুলতে পারছেন না? কেন সামান্য রেলওয়ে টিকিট বিক্রি ব্যবস্থাপনা সংকট এখনো আলোচনার শিরোনাম হবে? রেলের টিকিট কালোবাজারি রোধ করা কি খুব কঠিন কাজ? না-কি স্রেফ সদিচ্ছা আর সঠিক ব্যবস্থাপনাই এখানে মুখ্য? রেলওয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতার অভাব না-কি কারো কারো দুর্নীতিপরায়ণ মনমানসিকতায় হোঁচট খাচ্ছে সব? তথ্যপ্রযুক্তির আকাশছোঁয়া সাফল্য যখন সারা বিশ্বে তখন রেলওয়ের সামান্য টিকিট বিক্রির ঝামেলামুক্ত প্রযুক্তি আমরা ব্যবহার করতে পারছি না। কেন একজন রনিকে একক অনশন আর আন্দোলন করে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে হচ্ছে সব?

রেলওয়ে দুর্ঘটনায় বিগত কয়েক বছরে যে শত শত প্রাণহানি হয়েছে, এই দায় কার? হয়তো আমাদেরই। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ নিশ্চয়ই বলবেন, এই রেলওয়ে ক্রসিংয়ে দুর্ঘটনা হয় কেন, চালক সে সময় সতর্ক থাকেন না? রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ প্রশ্ন ওঠাতেই পারেন রেল ক্রসিংয়ে পতিত গাড়িগুলোর যাত্রীরা যদি চালককে সতর্ক রাখেন, তাহলে দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব। হ্যাঁ, নাগরিক দায়িত্ব নিশ্চয়ই আছে। 

কিন্তু রেল ক্রসিংয়ে দায়িত্বরত গেটকিপার নিজ কর্মঘণ্টা মেনে ডিউটিতে আছেন কি নেই এটা দেখার দায়িত্ব তো রেল কর্তৃপক্ষের। এখানে নাগরিকদের কী করার আছে? উল্টো এ নিয়ে সরাসরি গেটকিপারকে কিছু বলতে গেলে তো সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টির অভিযোগে যে কোনো নাগরিকের হয়রানি হওয়ার আশঙ্কা আছে। 

রেলের চেহারা যতই জীর্ণশীর্ণ হোক রেলওয়েতে কর্মরত কেউ কেউ না-কি বেশ নাদুসনুদুস রেলওয়ে ব্যবস্থাপক ইউসুফ আলী মৃধা, সৈয়দ ফারুক আহমেদসহ অনেক কর্মকর্তা যেভাবে দুদকের জালে আটকেছেন এবং তাদের সহায় সম্পত্তির যে খতিয়ান মিলেছে তা বিস্ময়কর। এরা রেলওয়ের আরও অনেকের জন্য প্রতীকী নাম হয়তো। কেন দমানো যায় না এঁদের? এদের কারণেই কি বারবার ব্যর্থ হয়ে যায় সফল, সৎ আর আন্তরিক অনেক নেতৃত্ব? প্রশ্ন রেলওয়ের ভেতরে কালো বিড়ালরা নাদুসনুদুস হয়ে ওঠে কার, কাদের প্রশ্রয়ে? তাদের ফুলে ফেঁপে ওঠা কেন রোধ করা যায় না?

২০০৯ সাল থেকে রেলওয়ের উন্নয়নে সরকার অনেক প্রকল্প নিয়েছে। বছরের পর বছর বাজেট বেড়েছে। রেলপথের উন্নয়নে খরচ হয়েছে বিস্তর। কিন্তু রেলওয়ের এই উন্নয়ন কাজ করেছে কারা? নিন্দুকেরা বলেন, হাতেগোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠানই রেলওয়ের উন্নয়নের ঠিকাদারি কাজ পেয়েছে। সত্যিই তাই! কেন? এর পেছনে কি কোনো রহস্য আছে? আছে কি কোনো সুবিধাভোগী গোষ্ঠী? এসব প্রশ্নের উত্তর না মিললে কীভাবে কাটবে রেলওয়ের ব্যবস্থাপনা সংকট? 

তবে কি সর্ষের মধ্যেই ভূত?

সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাকে নিশ্চয়ই মনে আছে? রাজধানীতে রেলওয়ে ভবনের পেছনে রেলওয়ের মহামূল্যবান এক একর জমি স্ত্রীর নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানকে ৯৯ বছরের জন্য লিজ দিয়ে কার্যত প্রমাণ দিয়েছিলেন অনিয়মই সেখানে নিয়ম। সেই ধারাবাহিকতা আজও কতটা কার্যকর জানা নেই। কিন্তু রেলওয়ে যেভাবে চলা দরকার সেভাবে যে চলছে না সাদা চোখে সেটাই আমরা দেখছি। রেলওয়ে কি সত্যি সঠিক লাইনে আসবে না? এটা কি একেবারেই অসম্ভব? 

লেখক : সম্পাদক, দৈনিক ঢাকা টাইমস, ঢাকাটাইমস২৪.কম ও সাপ্তাহিক এই সময়।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়