শিরোনাম
প্রকাশ: ১৬:২৭, সোমবার, ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

অভিমত

নিরপরাধ কেউ যেন ঢালাও মামলার শিকার না হন

জয়নাল আবেদীন
অনলাইন ভার্সন
নিরপরাধ কেউ যেন ঢালাও মামলার শিকার না হন

একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধের পর রক্তাক্ত আরেক অধ্যায়ের নাম চব্বিশের ৫ আগস্ট। এদিন ছাত্র-গণ-অভ্যুত্থানে পতন হয় স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের। শুধু তাই নয়; অর্থ-বিত্ত, পেশিশক্তিতে ভর করে যে দলের শীর্ষ নেতারা ধরাকে সরা জ্ঞান করতেন, তাঁরাও ঐতিহ্যবাহী নিজ দল আওয়ামী লীগকে অস্তিত্ব সংকটে ফেলে রেখে লাপাত্তা। প্রাণ বাঁচাতে দলের প্রধান হাসিনাও পালিয়ে ভারতের আশ্রয়ে।

এদিকে পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে নতুন বাংলাদেশের নেতৃত্বে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তাঁর সঙ্গে নেতৃত্বে প্রবীণ-নবীন একঝাঁক প্রতিশ্রুতিশীল উপদেষ্টামণ্ডলী। প্রায় ভঙ্গুর অর্থনীতি। ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিস্থিতি টালমাটাল।

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোও দলীয় স্বেচ্ছাচার, দুর্নীতি ও লুটপাটে প্রায় বিপর্যস্ত। এমন সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ক্ষমতা নিতে হয়, যখন সর্বত্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা। দায়িত্ব নিয়েই এই সরকার একটু একটু করে প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন ও সংস্কার পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। এখনই এর মূল্যায়নের উপযুক্ত সময় হয়নি। এই কাজে তাদের দরকার লম্বা সময়।

ড. ইউনূস বিশ্বব্যাপী সমাদৃত, জননন্দিত, বিশ্ববরেণ্য। তাঁর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে পৃথিবীর কোথাও কারো মধ্যে দ্বিধা নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাসহ পৃথিবীর নানা প্রান্তের ৯২ জন নোবেলজয়ী তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাঁর প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছেন।

জুলাইয়ে বাংলাদেশের বিপ্লবে সমর্থন জানিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) বিক্ষোভ প্রদর্শন করার অপরাধে ৫৭ জন বাংলাদেশিকে আটক করে দীর্ঘ মেয়াদে সাজা দিয়েছিল দেশটি। সেখানে যাঁর সবচেয়ে কম সাজা হয়েছে, তাঁরও ১০ বছরের কারাদণ্ড। একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছিল। ড. ইউনূসের আহ্বানে ইউএই সরকার এই ৫৭ জনের সাজা মওকুফ করে দেয়। এটি বিশাল এক কূটনৈতিক জয়। কারণ ইউএই সরকার সচরাচর এ ধরনের সাজা মওকুফ করে না। এটি সম্ভব হয়েছে কেবলই ড. ইউনূসের ইমেজের কারণে। এটিও বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে ড. ইউনূসের গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করে।
কিছু স্বার্থান্বেষী মহলের কথা বাদ দিলে বাংলাদেশের মানুষও নিরঙ্কুশভাবে ড. ইউনূসকে সম্মান জানিয়ে আসছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে শপথ নেওয়ার পর তাঁর কিছু কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ দারুণ খুশি। জনগণ তাঁর ওপর আস্থা রেখেছে। রাষ্ট্র মেরামতের অনিবার্য প্রয়োজনে তাঁর দীর্ঘমেয়াদি নেতৃত্ব প্রত্যাশা করে অনেকে। আবার কেউ কেউ নিভৃতে অপচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে, কী করে এই সরকারকে বিতর্কিত করা যায়! সেই অপপ্রয়াস জনগণের সম্মিলিত প্রতিরোধে একাধিকবার ব্যর্থও হয়েছে। এর পরও থেমে নেই ষড়যন্ত্রকারীরা। নতুন নতুন ইস্যু তৈরি করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে। বিশেষ করে ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর দেশজুড়ে অগণিত মামলা হচ্ছে। জুলাই-আগস্টের গণহত্যার বিষয়টিকে কেন্দ্র করে দায়েরকৃত মামলাগুলো নিয়ে কারো প্রশ্ন নেই। সংশয়-সন্দেহ কেবল আসামির তালিকা নিয়ে। ভিন্ন ভিন্ন মামলায় ঘুরেফিরে একই এজাহার, অভিন্ন আসামির তালিকা দেখে কিছু সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করেছে।

মামলাগুলোর আসামির তালিকা পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বিষয়টি উদ্বেগের। ঢালাওভাবে ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশাজীবীকে মামলায় জড়ানো হচ্ছে। বিশেষ করে যাঁরা দেশের অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য সচল রাখছেন, পণ্য উৎপাদন করে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় করছেন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছেন—এমন অনেক খাতের ব্যবসায়ীকে মামলায় জড়িয়ে তাঁদের মনোবল ভেঙে দেওয়া হচ্ছে, যা দীর্ঘ মেয়াদে আগামীর নতুন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিষয়টি যে গভীর উদ্বেগের, তা উল্লেখ করে এরই মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকেও গণমাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সতর্ক করেছে সরকার। তবে অতি উৎসাহীরা ঠিকই তৎপর রয়েছে।

এমনিতেই দেশের অর্থনীতিকে তছনছ করে দিয়ে গেছে আগের সরকার। ডলার সংকট, গতিহীন রপ্তানি-রেমিট্যান্স, রাজস্ব আর বিনিয়োগ খরায় অর্থনীতি বলতে গেলে পুরো বিপর্যস্ত। ব্যাংক লুটের টাকায় প্রভাবশালীদের বিদেশে বিলাসী জীবন যাপনের ঘটনা সবারই জানা। টাকা পাচার হয়ে গিয়েছিল নিয়মিত ঘটনা। আগের সরকারঘেঁষা এসবের নেপথ্যনায়কদের ধরাই সরকারের মূল কাজ। এর মাধ্যমে নতুন সরকারের চ্যালেঞ্জ ক্ষতিগ্রস্ত খাতকে পুনর্গঠন করে মানুষের মনে আস্থা ফেরানো। ভালোমন্দ খেয়েপরে যাতে সাধারণ মানুষ টিকে থাকতে পারে—এটিই সরকারের অগ্রাধিকার। ঠিক এই সময়ে অতি উৎসাহীরা সরকারকে বেকায়দায় ফেলার লক্ষ্যে নামে-বেনামে গণহারে, নির্বিচারে মামলা দিচ্ছে। অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট, দুষ্কৃৃতকারী গোষ্ঠীকে পাকড়াও করতে গিয়ে যাতে কোনোভাবেই সৎ ও দেশপ্রেমিক ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে ব্যাপারে খেয়াল রাখা এখন আমাদের সবার কর্তব্য।

গত ১৬ বছরে দেশে আইনের শাসন না থাকা, সুবিচার না পাওয়া, দুর্নীতি, অনিয়মের ঘটনাগুলো জনগণকে বিষিয়ে তুলেছিল। সব মিলে আওয়ামী লীগ সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনায় এসব অনিয়মের ঘটনা জনগণকে বিক্ষুব্ধ করে। তবে মামলা-হামলার ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে পারছিল না। এই যে সহস্র যন্ত্রণা মুখ বুজে সহ্য করতে গিয়ে কিছু মুখ ফুটে বলতে না পারার ভয়াবহ যন্ত্রণা মানুষ পুষে বেড়াচ্ছিল, সব কিছুর পরিণতি হলো ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান।

তবে এই অভ্যুত্থানের আগে সরকারি কর্মচারী, রাজনীতিবিদ, আমলাসহ প্রভাবশালী গোষ্ঠীর অবিশ্বাস্য দুর্নীতির বিষয়ে যখন কেউ কিছু বলতে পারছিল না, তখন দুঃসাহস দেখায় গুটিকয়েক গণমাধ্যম। বিশেষ করে কালের কণ্ঠ সামনে থেকে অগ্রণী ভূমিকা রাখে। একমাত্র কালের কণ্ঠই পুলিশের সাবেক মহাপরাক্রমশালী মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ ও তাঁর পরিবারের ভয়াবহ দুর্নীতির খবর জাতির সামনে নিয়ে আসে। সবাইকে নাড়িয়ে দেওয়া ওই প্রতিবেদন পুরো দেশের শীর্ষ মহলের দুর্নীতির হাঁড়ির খবর উন্মোচন করে দেয়। যা কখনো কেউ ভাবেনি, সেটিই সাহস ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে তুলে ধরে কালের কণ্ঠ। ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত প্রতিবেদন ‘বেনজীরের ঘরে আলাদীনের চেরাগ’ শিরোনামে যে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ পায়, সেগুলোকে দেশের প্রত্যেকটি মানুষ নিজেদের না-বলা কথা বলেই উপলব্ধি ও স্বীকার করে। এই রিপোর্টের সূত্র ধরে দুর্নীতি দমন কমিশন বেনজীরের সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দ ও অবরুদ্ধ করে দেয়। এমন অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে আরো বহু প্রভাবশালীর দুর্নীতির তথ্য ফাঁস অব্যাহত থাকে। কালের কণ্ঠকে দেখে তখন অন্য গণমাধ্যমও সাহস পায়। একে একে তারাও এগিয়ে আসে। তবে আলোর পথ দেখায় কালের কণ্ঠ। মানুষের মধ্যে সাহসের সঞ্চার হয়। এর মধ্যে যুক্ত হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন ইস্যু। সব মিলে উদ্ভূত পরিস্থিতি জনগণকে ওই আন্দোলনের সঙ্গে আরো বেশি যুক্ত করে দেয়। নতুন মাত্রা পায় স্বৈরাচার হটানোর আন্দোলন।

দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, দুর্নীতিবাজ পুলিশ কর্মকর্তা বেনজীরের হাঁড়ির খবর প্রকাশের মধ্য দিয়ে মানুষের না-বলা কথা প্রকাশ করার দুঃসাহস দেখানো অনুসন্ধানী সাংবাদিক হায়দার আলীও (বর্তমানে কালের কণ্ঠ’র নির্বাহী সম্পাদক) অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অতি উৎসাহীদের নির্বিচার মামলার শিকার। যে সাংবাদিক আওয়ামী লীগের অন্তত ৫৭ জন প্রভাবশালী মন্ত্রী-এমপির বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করে ৯টি মামলার আসামি হয়েছেন, সেই সাংবাদিককে বর্তমানে দুটি মামলায় আসামি করা হয়েছে, এর চেয়ে দুর্ভাগ্যের আর কী হতে পারে! বিশেষ করে এই অনুসন্ধানী সাংবাদিক বেনজীর আহমেদের মতো দোর্দণ্ড প্রতাপশালী সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা, অবসরের পরও যাঁর এতটুকু প্রভাব কমেনি, তেমনই একজনের দুর্নীতি ফাঁস করে দিয়েছেন। তাঁর ওই প্রতিবেদনের পর দেশজুড়ে পুলিশের মধ্যেও দুটি ভাগ হয়ে গিয়েছিল বলে আমরা জানতে পেরেছি। বেনজীরের অনুসারী চক্রটি সুযোগ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রতি আগ্রাসী হয়ে উঠেছে, এমন আশঙ্কা তাই উড়িয়ে দেওয়া যায় না। হায়দার আলীর মতো ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় নিরপরাধ সাংবাদিকরা এখন সরকারকে বিতর্কিত করার মতো নির্বিচার মামলার শিকার হচ্ছেন। ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এটি স্বার্থান্বেষী মহলের নতুন কোনো সূক্ষ্ম চাল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

আরো একটি বিষয় লক্ষণীয় যে ৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর দেশজুড়ে চরম অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা হয়। শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করার মতো অনভিপ্রেত ঘটনাও ঘটেছে। বিভিন্ন কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা হয়। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা হিসেবে মন্দিরে হামলা চালানো হয়। এর বিপরীতে আমরা অবশ্য মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতৃত্বে মন্দির পাহারা দিতেও দেখেছি। শিক্ষকদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে তাঁদের ফিরিয়ে আনতে দেখেছি। তবে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অসাধু কর্মকর্তারা এখনো ঘাপটি মেরে বসে আছেন। তাঁরা যেকোনো সময় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উত্খাত করার উদ্দেশ্যে কৌশলে নানা অঘটনের জন্ম দেওয়ার পাঁয়তারা করছেন।

জুলাই-আগস্টে দেশজুড়ে যে গণহত্যা চালানো হয়েছে, তা পৃথিবীর কোনো সভ্য দেশেই প্রত্যাশা করা যায় না। বিশেষ করে নিজ দেশের ছাত্র-জনতার বুকে গুলি চালানোর ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এটি করতে গিয়ে যাতে নিরপরাধ কেউ আক্রান্ত না হন, সে বিষয়টি বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

সামনের দিনগুলোতে ব্যবসা-বাণিজ্য, অর্থনীতির গতি স্বাভাবিক রেখে মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা জরুরি। জিনিসিপত্রের দাম স্থিতিশীল রাখা, পণ্যের সাপ্লাই চেইন নিরবচ্ছিন্ন রাখা ও বিনিয়োগ বাড়ানোই সরকারের অগ্রাধিকার। এর মধ্যে কোনো চক্র যদি ষড়যন্ত্র করে, তবে সরকারের অগ্রাধিকার প্রচেষ্টা ব্যাহত হতে পারে। একই সঙ্গে গণমাধ্যমের স্বাধীনতাও নিশ্চিত করতে হবে। স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনের এটিও একটি অন্যতম লক্ষ্য ছিল। সেটি যাতে আমরা ভুলে না যাই। বৈষম্যহীন বাংলাদেশে গণহত্যাকারী ও তাদের দোসরদের কোনো ক্ষমা নেই, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। দুর্নীতি, অনিয়ম, অর্থ পাচারকারী চক্রকে কঠিন শাস্তির আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে নতুন বাংলাদেশে একজন নিরপরাধ ব্যক্তিও যাতে আক্রান্ত না হন, সেটিও সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে বিবেচনায় রাখতে হবে। ঢালাও মামলা দিয়ে কোনোভাবেই দুর্নীতিবাজ, দুর্বৃত্ত, অর্থ পাচারকারীদের ধরা সম্ভব হবে না।

এই বিভাগের আরও খবর
সরকার পদক্ষেপ না নিলে নির্বাচনের আগে হত্যা বাড়বে
সরকার পদক্ষেপ না নিলে নির্বাচনের আগে হত্যা বাড়বে
কৌতুক পছন্দ করে ইতিহাস
কৌতুক পছন্দ করে ইতিহাস
খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক
খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক
পাহাড়ে শান্তির স্বপ্ন, জটিল বাস্তবতা
পাহাড়ে শান্তির স্বপ্ন, জটিল বাস্তবতা
নির্বাচন: জাতির সামনে অগ্নিপরীক্ষা
নির্বাচন: জাতির সামনে অগ্নিপরীক্ষা
দম ফুরিয়ে আসছে, বাঁচার উপায় কী
দম ফুরিয়ে আসছে, বাঁচার উপায় কী
দ্বীপ, দূষণ এবং আমরা
দ্বীপ, দূষণ এবং আমরা
সুন্দরবন, বিরল সম্পদ সম্ভার ও স্যালাইন ম্যানগ্রোভ মৃত্তিকা
সুন্দরবন, বিরল সম্পদ সম্ভার ও স্যালাইন ম্যানগ্রোভ মৃত্তিকা
সুস্থ হয়ে উঠুন দেশনেত্রী
সুস্থ হয়ে উঠুন দেশনেত্রী
ভয়মুক্ত ভোটের নিশ্চয়তা সেনাবাহিনীর ভূমিকায় গণতন্ত্রের নিরাপত্তা
ভয়মুক্ত ভোটের নিশ্চয়তা সেনাবাহিনীর ভূমিকায় গণতন্ত্রের নিরাপত্তা
ব্যাংকিং খাতে প্রয়োজন ডিপোজিট ইনস্যুরেন্স
ব্যাংকিং খাতে প্রয়োজন ডিপোজিট ইনস্যুরেন্স
৩০ বছরের বন্দর চুক্তি : লাভ না ঝুঁকি?
৩০ বছরের বন্দর চুক্তি : লাভ না ঝুঁকি?
সর্বশেষ খবর
অক্ষয় খান্নার প্রেমে হাবুডুবু খেতেন কারিনা!
অক্ষয় খান্নার প্রেমে হাবুডুবু খেতেন কারিনা!

১ সেকেন্ড আগে | শোবিজ

‘সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদ থেকে সরাতে হবে’
‘সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদ থেকে সরাতে হবে’

২ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘হাদির ওপর হামলা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের ওপর হামলা’
‘হাদির ওপর হামলা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের ওপর হামলা’

৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

ইসলামে নারীর অধিকার বিষয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘ সবুজবাগ থানারর উদ্যোগে আলোচনা সভা
ইসলামে নারীর অধিকার বিষয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘ সবুজবাগ থানারর উদ্যোগে আলোচনা সভা

৬ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করতে যমুনায় জামায়াতের দুই নেতা
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করতে যমুনায় জামায়াতের দুই নেতা

১৯ মিনিট আগে | রাজনীতি

ওদের ‘খুনের জুলাই’ চলমান: উপদেষ্টা ফারুকী
ওদের ‘খুনের জুলাই’ চলমান: উপদেষ্টা ফারুকী

২০ মিনিট আগে | জাতীয়

হাদিকে গুলি : আসামি শনাক্তের বিষয়ে যা বললেন ডিএমপি কমিশনার
হাদিকে গুলি : আসামি শনাক্তের বিষয়ে যা বললেন ডিএমপি কমিশনার

২৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ
ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজনৈতিক কমিটি পুনর্গঠন করল পিটিআই
রাজনৈতিক কমিটি পুনর্গঠন করল পিটিআই

২৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসর নিতে পারেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার অস্কার
অবসর নিতে পারেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার অস্কার

২৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করতে যমুনায় এনসিপির দুই নেতা
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করতে যমুনায় এনসিপির দুই নেতা

৪৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

হাদির ঝালকাঠির বাসায় চুরি
হাদির ঝালকাঠির বাসায় চুরি

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গভীর রাতে ছাদে মুখোশধারীরা, পরে ঘরে ঢুকে নারীকে কুপিয়ে হত্যা
গভীর রাতে ছাদে মুখোশধারীরা, পরে ঘরে ঢুকে নারীকে কুপিয়ে হত্যা

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় সড়কে প্রাণ গেল অটোচালকের, আহত তিন যাত্রী
বগুড়ায় সড়কে প্রাণ গেল অটোচালকের, আহত তিন যাত্রী

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি
ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

থাইল্যান্ড–কম্বোডিয়া সীমান্ত সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ২৩, বাস্তুচ্যুত ৭ লাখ
থাইল্যান্ড–কম্বোডিয়া সীমান্ত সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ২৩, বাস্তুচ্যুত ৭ লাখ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবারও রাশিয়ার তেল অবকাঠামোয় হামলা ইউক্রেনের
আবারও রাশিয়ার তেল অবকাঠামোয় হামলা ইউক্রেনের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাদিকে গুলির ঘটনায় একজন শনাক্ত, সন্ধানদাতাকে পুরস্কৃত করা হবে : ডিএমপি
হাদিকে গুলির ঘটনায় একজন শনাক্ত, সন্ধানদাতাকে পুরস্কৃত করা হবে : ডিএমপি

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নোয়াখালীতে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল
নোয়াখালীতে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

মেসি নাকি হৃত্বিক রোশন, ভাস্কর্য নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রল
মেসি নাকি হৃত্বিক রোশন, ভাস্কর্য নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঝুট গোডাউন থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হচ্ছে: ফায়ার সার্ভিস
ঝুট গোডাউন থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হচ্ছে: ফায়ার সার্ভিস

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এপস্টেইন এস্টেট থেকে নতুন ছবি প্রকাশ, ট্রাম্প-ক্লিনটনসহ আছেন যারা
এপস্টেইন এস্টেট থেকে নতুন ছবি প্রকাশ, ট্রাম্প-ক্লিনটনসহ আছেন যারা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মেসি-রোনালদো বিশ্বের প্রতিটি ফুটবলারের জন্য অনুপ্রেরণা’
‘মেসি-রোনালদো বিশ্বের প্রতিটি ফুটবলারের জন্য অনুপ্রেরণা’

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যমুনার পথে বিএনপির দুই নেতা
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যমুনার পথে বিএনপির দুই নেতা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাপানে মেগা ভূমিকম্পের সতর্কতা জারি
জাপানে মেগা ভূমিকম্পের সতর্কতা জারি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সচিবালয়ে ভাতা চালুর আন্দোলনে গ্রেফতার ১৪ জন রিমান্ডে
সচিবালয়ে ভাতা চালুর আন্দোলনে গ্রেফতার ১৪ জন রিমান্ডে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সীমান্তের ওপারে ভোর থেকে বিস্ফোরণের শব্দ, টেকনাফে আতঙ্ক
সীমান্তের ওপারে ভোর থেকে বিস্ফোরণের শব্দ, টেকনাফে আতঙ্ক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তারেক রহমান ‘নিজে’ মনোনয়নপত্র জমা দেবেন: আমীর খসরু
তারেক রহমান ‘নিজে’ মনোনয়নপত্র জমা দেবেন: আমীর খসরু

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাংলাদেশি নাবিকসহ তেলবাহী জাহাজ আটক করল ইরান
বাংলাদেশি নাবিকসহ তেলবাহী জাহাজ আটক করল ইরান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীরা শনাক্ত, যেকোনো সময় গ্রেফতার
হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীরা শনাক্ত, যেকোনো সময় গ্রেফতার

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইনকিলাব মঞ্চের ‍মুখপাত্র ও এমপি প্রার্থী ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ
ইনকিলাব মঞ্চের ‍মুখপাত্র ও এমপি প্রার্থী ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৭২ ঘণ্টা অতি ঝুঁকিপূর্ণ, হাদির ব্রেইন স্টেম ক্ষতিগ্রস্ত : বিশেষ সহকারী
৭২ ঘণ্টা অতি ঝুঁকিপূর্ণ, হাদির ব্রেইন স্টেম ক্ষতিগ্রস্ত : বিশেষ সহকারী

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন তারেক রহমান : মির্জা ফখরুল
২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন তারেক রহমান : মির্জা ফখরুল

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির পরিবারের পাশে জুবাইদা রহমান
হাদির পরিবারের পাশে জুবাইদা রহমান

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ, যা বললেন ফারুকী
ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ, যা বললেন ফারুকী

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাদির মাথায় গুলি ঢুকে বেরিয়ে গেছে, জানালেন চিকিৎসকরা
হাদির মাথায় গুলি ঢুকে বেরিয়ে গেছে, জানালেন চিকিৎসকরা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রিকশায় ছিলেন হাদি, মোটরসাইকেল থেকে গুলি চালায় দুইজন
রিকশায় ছিলেন হাদি, মোটরসাইকেল থেকে গুলি চালায় দুইজন

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান শুরু: ডিএমপি কমিশনার
হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান শুরু: ডিএমপি কমিশনার

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার
ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের মাছের ব্যাপক চাহিদা ভারতের সাত রাজ্যে
বাংলাদেশের মাছের ব্যাপক চাহিদা ভারতের সাত রাজ্যে

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

এভারকেয়ারে আনা হয়েছে হাদিকে
এভারকেয়ারে আনা হয়েছে হাদিকে

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রার্থীর ওপর হামলার প্রতিবাদে শনিবার ঢাকাসহ সারাদেশে বিএনপির প্রতিবাদ মিছিল
প্রার্থীর ওপর হামলার প্রতিবাদে শনিবার ঢাকাসহ সারাদেশে বিএনপির প্রতিবাদ মিছিল

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চীন থেকে ইরানগামী জাহাজে মার্কিন বাহিনীর অভিযান
চীন থেকে ইরানগামী জাহাজে মার্কিন বাহিনীর অভিযান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাদির প্রাথমিক অস্ত্রোপচার সম্পন্ন, নেওয়া হচ্ছে এভারকেয়ার হাসপাতালে
হাদির প্রাথমিক অস্ত্রোপচার সম্পন্ন, নেওয়া হচ্ছে এভারকেয়ার হাসপাতালে

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওসমান হাদিকে দেখতে ঢামেকে মির্জা আব্বাস
ওসমান হাদিকে দেখতে ঢামেকে মির্জা আব্বাস

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাদির ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
হাদির ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাদিকে গুলির ঘটনায় একজন শনাক্ত, সন্ধানদাতাকে পুরস্কৃত করা হবে : ডিএমপি
হাদিকে গুলির ঘটনায় একজন শনাক্ত, সন্ধানদাতাকে পুরস্কৃত করা হবে : ডিএমপি

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খালেদা জিয়া-ওসমান হাদিকে দেখতে এভারকেয়ারে মির্জা ফখরুল
খালেদা জিয়া-ওসমান হাদিকে দেখতে এভারকেয়ারে মির্জা ফখরুল

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈশ্বরদীতে অল্পের জন্য রক্ষা পেল দুটি আন্তঃনগর ট্রেন
ঈশ্বরদীতে অল্পের জন্য রক্ষা পেল দুটি আন্তঃনগর ট্রেন

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাদিকে গুলি অশনিসংকেত : আসিফ মাহমুদ
হাদিকে গুলি অশনিসংকেত : আসিফ মাহমুদ

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রথমবার কনসার্টে মায়ের সাথে গাইলো শাকিরার দুই ছেলে
প্রথমবার কনসার্টে মায়ের সাথে গাইলো শাকিরার দুই ছেলে

১৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশি নাবিকসহ তেলবাহী জাহাজ আটক করল ইরান
বাংলাদেশি নাবিকসহ তেলবাহী জাহাজ আটক করল ইরান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে দেখতে হাসপাতালে নাহিদ
হাদিকে দেখতে হাসপাতালে নাহিদ

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাদিকে দেখতে হাসপাতালে তিন উপদেষ্টা
হাদিকে দেখতে হাসপাতালে তিন উপদেষ্টা

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিমবঙ্গের নির্মাণাধীন বাবরি মসজিদে জুমার নামাজে মানুষের ঢল
পশ্চিমবঙ্গের নির্মাণাধীন বাবরি মসজিদে জুমার নামাজে মানুষের ঢল

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রুশ এস-৪০০ ছাড়বে না তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে টানাপোড়েন
রুশ এস-৪০০ ছাড়বে না তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে টানাপোড়েন

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ, ছাত্রদলের তীব্র নিন্দা
ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ, ছাত্রদলের তীব্র নিন্দা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এই হামলা বাংলাদেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত : প্রধান উপদেষ্টা
এই হামলা বাংলাদেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত : প্রধান উপদেষ্টা

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাংলাদেশসহ চার দেশে ভ্রমণ সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের
বাংলাদেশসহ চার দেশে ভ্রমণ সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
ওসমান হাদিকে প্রকাশ্যে গুলি
ওসমান হাদিকে প্রকাশ্যে গুলি

প্রথম পৃষ্ঠা

৩৫ কেজি কাতলার দাম ১ লাখ ২২ হাজার টাকা!
৩৫ কেজি কাতলার দাম ১ লাখ ২২ হাজার টাকা!

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ব্ল্যাক ট্রায়াঙ্গেলের অস্ত্রে কাঁপছে চট্টগ্রাম
ব্ল্যাক ট্রায়াঙ্গেলের অস্ত্রে কাঁপছে চট্টগ্রাম

পেছনের পৃষ্ঠা

কড়াইল লেক দখলের মহোৎসব
কড়াইল লেক দখলের মহোৎসব

পেছনের পৃষ্ঠা

২৫ ডিসেম্বর ফিরছেন তারেক রহমান
২৫ ডিসেম্বর ফিরছেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

৩২ মৃতদেহ নিয়ে টানাটানি শিয়াল-কুকুরের
৩২ মৃতদেহ নিয়ে টানাটানি শিয়াল-কুকুরের

প্রথম পৃষ্ঠা

বল এখন রাজনৈতিক দলের কোর্টে
বল এখন রাজনৈতিক দলের কোর্টে

প্রথম পৃষ্ঠা

যশোরে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি-জামায়াত
যশোরে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি-জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

টি-২০তে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড!
টি-২০তে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড!

মাঠে ময়দানে

কুয়াকাটা সৈকতে ভিড় বেড়েছে পর্যটকের
কুয়াকাটা সৈকতে ভিড় বেড়েছে পর্যটকের

পেছনের পৃষ্ঠা

হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশন শুরু আজিজুলদের
হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশন শুরু আজিজুলদের

মাঠে ময়দানে

দেব-সুরাইয়ার প্রেমকাহিনি
দেব-সুরাইয়ার প্রেমকাহিনি

শোবিজ

দেশে নতুন মাদক এমডিএমবি
দেশে নতুন মাদক এমডিএমবি

নগর জীবন

দুর্নীতির কারণে সংকুচিত হচ্ছে শ্রমবাজার
দুর্নীতির কারণে সংকুচিত হচ্ছে শ্রমবাজার

প্রথম পৃষ্ঠা

লাস্ট সিকোয়েন্স
লাস্ট সিকোয়েন্স

শোবিজ

সন্ত্রাসীদের পেছনের শক্তি কারা স্পষ্ট করতে হবে
সন্ত্রাসীদের পেছনের শক্তি কারা স্পষ্ট করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

দল নয়, স্বতন্ত্র লড়বেন আসিফ
দল নয়, স্বতন্ত্র লড়বেন আসিফ

প্রথম পৃষ্ঠা

আইসিসিবিতে ‘আলু উৎসব’ শুরু
আইসিসিবিতে ‘আলু উৎসব’ শুরু

নগর জীবন

রাজনীতি এখন ভোটের মাঠে
রাজনীতি এখন ভোটের মাঠে

প্রথম পৃষ্ঠা

একটি জাতির নিঃশব্দ কান্না
একটি জাতির নিঃশব্দ কান্না

সম্পাদকীয়

ওয়েলিংটনে ক্যারিবীয়দের উড়িয়ে সিরিজে এগিয়ে কিউইরা
ওয়েলিংটনে ক্যারিবীয়দের উড়িয়ে সিরিজে এগিয়ে কিউইরা

মাঠে ময়দানে

ধর্মের বড়ি বিক্রি করে ভোট চাওয়া যাবে না
ধর্মের বড়ি বিক্রি করে ভোট চাওয়া যাবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

জঙ্গির পক্ষে ফেসবুক পোস্ট, বাংলাদেশির ১০ বছর কারাদণ্ড
জঙ্গির পক্ষে ফেসবুক পোস্ট, বাংলাদেশির ১০ বছর কারাদণ্ড

পেছনের পৃষ্ঠা

দেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত এ হামলা
দেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত এ হামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

সর্বোচ্চ সতর্কতায় চলছে চিকিৎসা
সর্বোচ্চ সতর্কতায় চলছে চিকিৎসা

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন বানচাল করার মতো শক্তি পৃথিবীতে নেই
নির্বাচন বানচাল করার মতো শক্তি পৃথিবীতে নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাজ্যে জাদুঘর থেকে ৬ শতাধিক শিল্পকর্ম চুরি
যুক্তরাজ্যে জাদুঘর থেকে ৬ শতাধিক শিল্পকর্ম চুরি

পূর্ব-পশ্চিম

ইসির সম্মতি ছাড়া বদলি নয়
ইসির সম্মতি ছাড়া বদলি নয়

প্রথম পৃষ্ঠা

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে
সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা