শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:৪০, মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ আপডেট: ১০:৪১, মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪

বিপ্লব-পরবর্তী বাস্তবতা কখনোই এক নয়

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
বিপ্লব-পরবর্তী বাস্তবতা কখনোই এক নয়

বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর একটি ভয় ছিল অন্য রকমের। জাতীয়তাবাদকে নিয়ে। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ তখনো জন্মগ্রহণ করেনি। ১৯৭২ সালে লেখা আমার নিজের প্রবন্ধ দেখে নিজেই চমকে গেছি।

দেখি সেই সময় ভয় পেয়েছি বাঙালি জাতীয়তাবাদকেই, উগ্র হবে মনে করে। পাকিস্তানি জাতীয়তাবাদ তখন আমরা প্রত্যাখ্যান করেছি, বাঙালি জাতীয়তাবাদ সৃষ্টি হয়েছে। আশঙ্কাটি ছিল এই রকমের যে এই নতুন জাতীয়তাবাদ না আবার বিঘ্ন ঘটায়, এটি না আবার আমাদের বিছিন্ন করে ফেলে পৃথিবী থেকে। জাতীয়তাবাদী উগ্রতা না জানি কোন সংকট আত্মসন্তুষ্টি ও অহমিকার পথে ঠেলে দেয় আমাদের এই জাতিকে।

বুঝতে পারি এই বিভ্রান্তির পশ্চাতে ছিল উদারনৈতিক ধ্যান-ধারণার তৎপরতা। পৃথিবীর সঙ্গে সংলগ্ন থাকা খুবই জরুরি মনে হয়েছিল তখন। ভয়টিকে এখন বেশ কৌতুককর মনে হচ্ছে। জাতীয়তাবাদ মোটেই বিচ্ছিন্ন করেনি আমাদের, বরং পৃথিবীর সঙ্গে বড় বেশি জড়িত আজ আমরা।

বৃহৎ পৃথিবীর ক্ষুদ্র অংশে পরিণত হয়ে বিপদে আছি। জাতীয়তাবাদকে এখন রাজনৈতিক দলের ঘোষণাপত্র ও বক্তব্য-বিবৃতির এবং দৈনিক পত্রিকার বিষণ্ন রচনাদির বাইরে পাওয়া কঠিন। জাতীয়তাবাদী নেতৃত্ব পরে আর জাতীয়তাবাদী থাকেনি অর্থাৎ সমগ্র জনগণের স্বার্থ দেখেনি, স্বার্থ দেখেছে গোষ্ঠী ও শ্রেণির; পরের সরকার আগের সরকারকে ছাড়িয়ে গেছে রাষ্ট্রকে আত্মনির্ভরতার পথ থেকে সরিয়ে বিদেশনির্ভর করার কাজে।
একাত্তরের যুদ্ধটি কোনো গৃহযুদ্ধ ছিল না; এ ছিল একটি জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধ। পাকিস্তানও একটি ধর্মীয় জাতীয়তাবাদী রাষ্ট্রই ছিল, কিন্তু তার ভিত্তি ভূগোল, ইতিহাস কিংবা ভাষায় প্রোথিত ছিল না।

এ ছিল কৃত্রিম। কৃত্রিম উপায়ে চেষ্টা করা হয়েছিল তাকে খাড়া করতে—ধর্মের ওপর ভিত্তি করে। সে জায়গায় ওই পাকিস্তানি শাসন থেকেই বের হয়ে এসেছে নতুন এক জাতীয়তাবাদ, নিম্নচাপের ভেতর থেকে যেমন বের হয়ে আসে ঘূর্ণিঝড়। এই জাতীয়তাবাদটি আগে ছিল না। আগে ছিল হিন্দু জাতীয়তাবাদ বনাম মুসলিম জাতীয়তাবাদ, যার চাপে অখণ্ড বঙ্গ বিভক্ত হয়েছিল দুই ভাগে। সেই জায়গায় ধর্ম ভুলে এবং শ্রেণিভেদকেও অস্বীকার করে আবির্ভাব ঘটল ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদের।

পাকিস্তানি জাতীয়তাবাদ এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভেতরে পার্থক্য যে কতটা তার ধারণা এমনকি তাদের নামের মৌলিক পার্থক্য থেকেও পাওয়া যাবে না। কেননা চরিত্রে ও সম্ভাবনায় এই দুই জাতীয়তাবাদ সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির। একটি কৃত্রিম, অন্যটি স্বাভাবিক। একটির লক্ষ্য শোষণ, অন্যটির লক্ষ্য সাম্য সৃষ্টি। সাম্য সৃষ্টির লক্ষ্যের দিক থেকে বাঙালি জাতীয়তাবাদের সম্ভাবনা ছিল অপরিসীম। জাতীয়তাবাদ এই দিকে না গিয়ে তপ্ত অহমিকা সৃষ্টির দিকে যায় কি না, এটি নিয়েই ছিল আমার আশঙ্কা। বর্ণবাদ যেমন কচ্ছপে পরিণত করতে পারে একটি জাতিকে, ধারণা সৃষ্টি করতে পারে যে বিশ্বটা তার পিঠের আচ্ছাদনটির সমান বড়, তেমন কিছু না আবার ঘটে বসে স্বাধীন বাংলাদেশে। হায় রে আশঙ্কা! কেননা অহংকার তো দরকার, বেঁচে থাকতে হলে। আত্মসমর্পণকে যতই উদার মনে হোক, সে যত বেশি উদার হবে, ততই বিপদ ঘটবে। যেমনটি ঘটেছে আমাদের বেলায়। আমরা পাকিস্তানিদের হারিয়ে দিয়ে পরে পুঁজিবাদী বিশ্বের কাছে নিজেরাই হেরে গেছি। পাকিস্তানিদের অস্ত্রের নিচে আত্মসমর্পণ করলাম না, আত্মসমর্পণ করলাম বিশ্বসাম্রাজ্যবাদের জাঁতাকলে। বাঙালি জাতীয়তাবাদের অভ্যন্তরীণ শত্রু যে ছিল না, তা-ও নয়। ছিল।

অনেকেই এই জাতীয়তাবাদকে মেনে নেয়নি কিংবা মেনে নিয়েছে নিতান্ত বাধ্য হয়ে। আলবদর-রাজাকার ছিল। এদের পেছনে ছিল জামায়াতে ইসলামী, যারা ছিল পাকিস্তানি জাতীয়তাবাদের সমর্থক। জামায়াতিরা একসময়ে পাকিস্তানেও বিশ্বাস করত না, পরে ওই পাকিস্তানেরই রক্ষাকর্তা সেজে গেল। সাজল লাভের আশায়, উচ্ছিষ্ট ভোগের লোভে। সেনাবাহিনীর দালাল হিসেবে কাজ করে যেটুকু পাওয়া যায়, সেটুকুই হস্তগত করতে চেয়েছে। একাত্তরে জামায়াতিরা বলেছিল, শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও বাঙালি জাতীয়তাবাদকে প্রতিহত করে তারা পাকিস্তানকে টিকিয়ে রাখবে। মিথ্যাবাদী! পাকিস্তানের পতনের পর তারা জীবনদান কিংবা আত্মহত্যা কোনোটিই করেনি। পালিয়ে গেছে। পরে যে বাংলাদেশে তারা বিশ্বাস করে না বলে কসম করেছিল, তারই নাগরিক হয়েছে। রাত নেমে এসেছে মনে করে এখন আবার জন্তু-জানোয়ারের মতো নানা রকম উৎপাত সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

বাঙালি জাতীয়তাবাদে তারাও বিশ্বাস করে না, যারা বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে। আমরা যে বাংলাদেশি কে তা অস্বীকার করবে, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের আমরা নাগরিক তো অবশ্যই। কিন্তু নাগরিকত্বকে জাতীয়তায় পরিণত করার চেষ্টার পেছনে বাঙালি জাতীয়তাবাদকে মেনে না নেওয়ার যে একটি ইচ্ছা আছে, তা এখন আর অস্পষ্ট নয়। বাঙালি জাতীয়তাবাদ বাংলা ভাষার ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে। বাংলা ভাষা কোনো বিশেষ ধর্মের ভাষা নয়, কোনো বিশেষ শ্রেণিরও নয়। এ ভাষা সব বাংলাভাষীর। ভাষা চায় তার ব্যবহার সর্বজনীন হোক। আর সেখানেই সে সমাজতান্ত্রিক; তার আকাঙ্ক্ষায়, তার স্বভাবে। ভাষার এই সমাজতান্ত্রিক চরিত্রটি আমরা টের পাই চট্টগ্রাম গেলে। চট্টগ্রাম পুঁজিবাদ অধ্যুষিত অঞ্চল। কিন্তু তবু গাড়ির মালিক যখন তার ড্রাইভারের সঙ্গে কথা বলেন, শুনি ভাষাটি তাদের আঞ্চলিক। চট্টগ্রামবাসী ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে ওই ভাষায়ই আদান-প্রদান। আর তার ফলে অতি দ্রুত একটি নৈকট্য তৈরি হয়ে যায়, যেটি অন্য দূরত্বকে কিছুটা হলেও (সাময়িকভাবে অবশ্যই) অন্তরালবর্তী করে দেয়। বাংলাদেশের সব বাঙালির ব্যাপারে এ ঘটনা সত্য হওয়া উচিত ছিল। ভাষা সেটিই চেয়েছে। ভাষা চায় নৈকট্যটা সাময়িক হবে না, স্থায়ী হবে। পার্থক্য থাকবে; ব্যবধান থাকবে মেধার, আকারের; চেহারার, দক্ষতার ও আরো অনেক কিছুর দূরত্ব, কিন্তু সেটি হবে বৈচিত্র্য—বৈষম্য নয়, বৈরিতা তো নয়ই।

একাত্তর পূর্ববঙ্গের বাঙালিকে ওই রকম একটি অবস্থানে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছিল। ওখানেই তো শক্তি ছিল আমাদের যুদ্ধের, ওই সংঘবদ্ধতায়। সর্বত্র যুদ্ধ হয়েছে—দেশে, বিদেশে, শহরে, গ্রামে। সব শ্রেণি ও ধর্মের মানুষ যোগ দিয়েছে। স্বতঃস্ফূর্ত ধারায় এসে। প্রাণ বাঁচানোর দায়ে নয় শুধু, প্রাণের সঙ্গে প্রাণকে যুক্ত করার অনুপ্রেরণায়ও। সাম্প্রদায়িকতাকে ভাষার ভেতরও প্রবেশ করানোর চেষ্টা হয়েছিল; জল ও পানির ধ্বনিগত ব্যবধানকে মন্দির ও মসজিদের মতো ধর্মীয় পার্থক্যে পরিণত করার উদ্যোগ ছিল। সেটি মধ্যবিত্তের কাজ। কৃষক এসব পার্থক্য নিয়ে মাথা ঘামায়নি, তার কাছে জলও যা, পানিও তা। কেননা সর্বদাই সে তৃষ্ণার্ত। মধ্যবিত্তের ভালো কাজ কম নয়, কিন্তু ভাষার ভেতর সাম্প্রদায়িকতা প্রবিষ্ট করার চেষ্টাকে তার গৌরবজনক কাজগুলোর একটি বলে গণ্য করার উপায় নেই।

মধ্যবিত্তের ভালোমন্দ কাজের ক্ষমতার একটি পরিচয় চট্টগ্রামেরই সূর্য সেনের প্রসঙ্গ উঠলে ধরা পড়ে। সূর্য সেন স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছেন। তিনি এবং তার সহকর্মীরা সবাই মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। কিন্তু সূর্য সেনের ওই বীরত্বপূর্ণ কাজের সমালোচনা মধ্যবিত্ত শ্রেণি থেকেই এসেছে। যেমন নীরদ সি চৌধুরী করেছেন। তিনি ঠাট্টা করেই বলেছেন যে সূর্য সেন নিতান্ত মূর্খ ছিলেন, নইলে কী করে ভাবলেন যে ইংরেজের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া কয়েকটি অস্ত্র দিয়ে বিশাল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যকে ভারতছাড়া করবেন। তা ছাড়া সূর্য সেনের ওই চট্টগ্রাম কোথায় গেল শেষ পর্যন্ত? গেল তো পাকিস্তানে। তাহলে সেই চট্টগ্রামকে ‘স্বাধীন’ করার জন্য ওভাবে কেন প্রাণদান? নীরদ সি চৌধুরীর বক্তব্যে যে সত্য নেই, তা তো নয়। আছে। সূর্য সেনের ফাঁসি হয়েছে ১৯৩৪ সালে। ভারতবর্ষ তখন স্বাধীন হয়নি। পরে যখন স্বাধীন হলো, চট্টগ্রাম তখন চলে গেল পাকিস্তানে। কথা দুটি সত্য। কিন্তু সত্য আরো একটি আছে, সেটি এই যে ভারতবর্ষ ১৯৪৭ সালের অনেক আগেই ইংরেজমুক্ত হতো, নীরদ চৌধুরীরা যদি বাদ না সাধতেন। তারা যে ইংরেজের প্রতি অনুগত হওয়ার বাণী ও মাহাত্ম্য প্রচার করলেন, সে জন্যই ইংরেজ টিকে রইল। সবার সূর্য সেন হওয়ার অর্থাৎ অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করার প্রয়োজন ছিল না, মধ্যবিত্ত যদি সর্বজনীনভাবে ইংরেজকে প্রত্যাখ্যান করত, তাহলেই হতো। কিন্তু মধ্যবিত্ত তা করেনি। একাংশ লড়াই করেছে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে, বড় অংশ করেছে সেই সাম্রাজ্যবাদের সেবা। বাঁচতে চেয়েছে ভৃত্য ও পতঙ্গ হয়ে। বাবু এবং মিয়ারা মধ্যবিত্তের যে অংশের প্রতিনিধি, তারা আরো একটি মারাত্মক ক্ষতিকর কাজ করেছেন। সেটি হলো সাম্প্রদায়িকতা সৃষ্টি; বাঙালিকে তারা বাঙালি থাকতে দেননি, হিন্দু বাঙালি ও মুসলিম বাঙালিতে পরিণত করে তবে ছেড়েছেন। ভাষা নিষেধ করেছে। বাংলা ভাগ হোক, বাংলা ভাষা তা চায়নি। সূর্য সেনরা হিন্দু-মুসলিম পার্থক্যের কথা ভাবেননি, তাদের কাছে পার্থক্যটা ছিল ইংরেজ ও ভারতবর্ষীয়দের। একাত্তরে যে জাতীয়তাবাদ বাংলাদেশকে স্বাধীন করল, তা হিন্দুর নয়, মুসলমানেরও নয়, সেটি হলো বাঙালির। যুদ্ধটি দুটি আদর্শের ভেতর। একটি আদর্শ পাকিস্তানি জাতীয়তাবাদ, অপর আদর্শ বাঙালি জাতীয়তাবাদ। জাতীয়তাবাদের শত্রু যে কে, সেটিও সেদিনকার ওই যুদ্ধে খুব সামনাসামনি দেখা গেছে। শত্রু হচ্ছে সাম্প্রদায়িকতা, শত্রু হচ্ছে সাম্রাজ্যবাদ। পাকিস্তানি আগ্রাসনটি অনেকটা সাম্রাজ্যবাদী চরিত্রেরই ছিল। আর এটিও অবশ্যই তাৎপর্যহীন নয় যে বিশ্বের সব সাম্রাজ্যবাদী দেশই তখন ছিল পাকিস্তানের পক্ষে, বাংলাদেশের পক্ষে একটিও ছিল না। যে সাম্রাজ্যবাদ সেদিন বাংলাদেশকে তার অভ্যুদয়ের আগেই বিনষ্ট করে দিতে চেয়েছিল, পরে সে বাংলাদেশের সঙ্গে তার শত্রুতার নীতিতে যে কোনো পরিবর্তন এনেছে তা নয়। এবার সে শত্রুতা করেছে মিত্রের বেশে। ঋণ দিয়ে, পুঁজিবাদী নীতি চাপিয়ে দিয়ে, বাজার অর্থনীতির অংশ করে নিয়ে বাংলাদেশকে সে পরিণত করেছে পুঁজিবাদী বিশ্বব্যবস্থার একটি প্রান্তিক রাষ্ট্রে। জাতীয়তাবাদ উগ্র হবে বলে বাহাত্তরে আমরা কেউ কেউ যে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলাম, তার কোনো ভিত্তিই আসলে ছিল না। মুক্তিযুদ্ধ যে শ্রেণির নেতৃত্বে ঘটেছে, যে শ্রেণি পরে রাষ্ট্রক্ষমতা নিজের দখলে নিয়ে নিয়েছে, সেই শ্রেণি সাম্রাজ্যবাদের বিরোধিতা করার কথা ভাবে না, বরং সুযোগ খোঁজে সহযোগিতা করে দুই পয়সা কামানোর। সাম্রাজ্যবাদীরা আমাদের নিজেদের ব্যাপারে যত বেশি নাক গলাবে, এরা তত বেশি কৃতার্থ হবে। এই শ্রেণির ভাষা আর বাংলা থাকছে না, ইংরেজি হয়ে পড়েছে।

তাহলে কি বলতে হয় না, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ব্যর্থ হয়ে গেছে? তা নয়। বিপ্লবের প্রত্যাশা এবং বিপ্লব-পরবর্তী বাস্তবতা কখনোই এক হয় না। একদিন ফরাসি বিপ্লব হয়েছে; লক্ষ্য ছিল স্বাধীনতা, সাম্য ও মৈত্রী প্রতিষ্ঠা। সে লক্ষ্য অর্জিত হয়নি। কিন্তু তাই বলে কেউ বলবেন না যে ওই বিপ্লব ব্যর্থ হয়ে গেছে। সে বিপ্লব ইতিহাসে পরিবর্তন এনেছে বৈকি, তারই পথ ধরে পরে রুশ বিপ্লব হয়েছে। সেই বিপ্লব বিশ্বের নানা জায়গায় সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠিত করেছিল। সমাজতান্ত্রিক বিশ্বও একসময়ে ভেঙে পড়েছে। তাই বলে বলা যাবে না সে বিপ্লবের অভিজ্ঞতা ও চেতনা হারিয়ে গেছে। না, তারা আছে। দেশে দেশে মানুষ লড়ছে বৈকি, সমাজতন্ত্রের জন্য।

লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

১০ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন