শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:৫৮, বৃহস্পতিবার, ০২ জানুয়ারি, ২০২৫

সর্বাত্মক সহযোগিতা পেলে ভালোভাবেই ঘুরে দাঁড়াবে পোশাক খাত

নিরঞ্জন রায়
অনলাইন ভার্সন
সর্বাত্মক সহযোগিতা পেলে ভালোভাবেই ঘুরে দাঁড়াবে পোশাক খাত

আমাদের সমাজে একটি কথা বহুল প্রচলিত আছে যে ঝড়ের সময় আম সংগ্রহ করতে হয়। ঝড় চলে গেলে আর আম পাওয়া যায় না। আবার এ কথাও ঠিক যে ঝড়ের সময় আম সংগ্রহের জন্য নিজেকে ভালোভাবে প্রস্তুত রাখতে হয় এবং এর ভালো কৌশলও জানতে হয়। তা না হলে আমতলায় শুধু দাঁড়িয়েই থাকতে হবে আর অন্যরা সব আম সংগ্রহ করে নিয়ে যাবে।

কথাগুলো ব্যক্তি এবং সামাজিক জীবনে যেমন প্রযোজ্য, ঠিক তেমনি রাষ্ট্রীয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও সমানভাবে প্রযোজ্য। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মাঝেমধ্যেই বাণিজ্যঝড় তৈরি হয় এবং সেই ঝড়ে যেমন অনেক দেশ মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়, তেমনি অনেক দেশ আবার ভালো সুবিধাও পেয়ে থাকে। যেমন- ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সাবপ্রাইম মর্টগেজ কেলেঙ্কারি নিয়ে বিশ্বব্যাপী এক ভয়ংকর অর্থনৈতিক মন্দার ঝড় উঠেছিল, যার ফলে দীর্ঘদিন উন্নত বিশ্বে সুদের হার শূন্যের কাছাকাছি ছিল। এই অল্প সুদের হার কাজে লাগিয়েছে বিশ্বের অনেক দেশ, যার মধ্যে তুরস্ক, লাতিন আমেরিকার কয়েকটি দেশ এবং এশিয়ার কিছু দেশ উল্লেখযোগ্য।

একইভাবে ২০২২ সালে যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে উচ্চ সুদের হার এবং ডলার সংকটের ঝড় শুরু হয়েছিল, তখনো ডলারনির্ভর অনেক দেশ দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, যার মধ্যে আমাদের বাংলাদেশও ছিল। অথচ যদি আগে থেকে ভালো প্রস্তুতি থাকত এবং সঠিক কৌশল নির্ধারণ করে রাখা হতো, তাহলে একদিকে যেমন বিশ্বব্যাপী আর্থিক ঝড়ের কারণে সৃষ্ট সুযোগের সদ্ব্যবহার করে লাভবান হওয়া সম্ভব ছিল, অন্যদিকে তেমনি এর ক্ষতিকর প্রভাবও খুব সহজে এড়ানো যেত।

শুল্কযুদ্ধ নামে বিশ্বব্যাপী এ রকম আরো একটি ঝড় শুরু হতে যাচ্ছে শিগগিরই। যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নির্বাচনী প্রচারণার শুরু থেকেই বলে আসছেন যে তিনি নির্বাচিত হলে চীন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বা ট্যারিফ আরোপ করবেন। তিনি শুধু যে চীন থেকে আমদানির বেলায় উচ্চ শুল্ক আরোপ করবেন তেমন নয়। বিশ্বের যে দেশ থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য আমদানি হবে, সেখানেই তিনি উচ্চ হারে শুল্ক ধার্য করবেন। তবে তার প্রধান লক্ষ্য থাকবে সেসব দেশ, যাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি আছে। তবে এটি আর বুঝতে বাকি নেই যে ট্রাম্পের আলোচিত বাণিজ্যযুদ্ধের প্রধানতম লক্ষ্য হবে চীন। এর কারণও আছে। কেননা চীন এরই মধ্যে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে রূপান্তরিত হয়েছে, যার অবস্থান বিশ্ববাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পরেই। এই বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র বেশ ভালো করেই জানে এবং ব্যবসায়ী ব্যক্তিত্ব ট্রাম্প আরো ভালো জানেন। তাই তিনি এ ব্যাপারে যে সব রকম ব্যবস্থা নেবেন, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

তৈরি পোশাক রপ্তানির নতুন সুযোগ কাজে লাগাতে হবেট্রাম্পের আনুষ্ঠানিক ক্ষমতা গ্রহণের এখনো তিন সপ্তাহ বাকি আছে, কিন্তু তার আলোচিত উচ্চ শুল্কের ঝড় এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে। ট্রাম্পের সঙ্গে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সাক্ষাতের পর কানাডার উচ্চ পর্যায়ের এক প্রতিনিধিদল যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে ট্রাম্পের ক্ষমতা গ্রহণের দায়িত্বে নিয়োজিত টিমের সদস্যদের সঙ্গে উচ্চ শুল্ক হারের বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য। ইউরোপের বিভিন্ন দেশ গুরুত্বে্র সঙ্গেই ভাবছে যে কিভাবে ট্রাম্পের দ্বিতীয় বাণিজ্যযুদ্ধ সামলানো যায়। উন্নয়নশীল বিশ্বের অনেক দেশ, যাদের রপ্তানি ব্যাপকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারের ওপর নির্ভর করে, তারাও চিন্তিত হয়ে পড়েছে যে এই বাণিজ্যঝড়ে তাদের রপ্তানি আয়ে ভাটা পড়ে কি না।

ট্রাম্পের প্রস্তাবিত উচ্চ শুল্ক হারের যে ঝড়, সেটি মোটেই প্রথম নয়। এই শুল্কযুদ্ধ ট্রাম্প ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে প্রথম শুরু করেছিলেন। সেই বাণিজ্যযুদ্ধে যেমন অনেক দেশে, বিশেষ করে চীনের রপ্তানি বাণিজ্য কিছুটা ধাক্কা খেয়েছিল, তেমনি ইমার্জিং মার্কেটের অনেক দেশ লাভবানও হয়েছিল। সে সময় হাতে গোনা যে কয়েকটি দেশ ট্রাম্পের বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে লাভবান হয়েছিল, তাদের অন্যতম হচ্ছে ভিয়েতনাম। প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০১৬ সাল থেকে ভিয়েতনামের ব্যাবসায়িক প্রবৃদ্ধি হয়েছে বছরে ৮ শতাংশ করে। সে সময় চীনের ওপর আরোপিত উচ্চ শুল্কের বিকল্প হিসেবে অনেক আন্তর্জাতিক কম্পানি ভিয়েতনামে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ করে বিভিন্ন উৎপাদন কারখানা গড়ে তোলে এবং সেখান থেকে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা হয়েছে।

২০১৬ সাল থেকে ভিয়েতনামে ২৯০ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক বিনিয়োগ হয়েছে। এই বিনিয়োগের শীর্ষে আছে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। সেখানে সিঙ্গাপুরের আছে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ, যার পরিমাণ ৫৮ বিলিয়ন ডলার। পিছিয়ে নেই চীন ও হংকং, যাদের মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৫৪ বিলিয়ন ডলার। অনেক চায়নিজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ভিয়েতনামে বিনিয়োগ করে কারখানা গড়ে তুলেছে সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির জন্য। এ ক্ষেত্রে তারা কিছুটা কৌশলেরও আশ্রয়ও নিয়েছে। চীনের উৎপাদনকারীরা সরাসরি ভিয়েতনামে বিনিয়োগ না করে, প্রথমে সিঙ্গাপুর ও হংকংয়ে সহযোগী বা সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে তার মাধ্যমে ভিয়েতনামে বিনিয়োগ করেছে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে সরাসরি চীনের সম্পৃক্ততা এড়িয়ে চলা, যাতে চীন থেকে রপ্তানির ওপর উচ্চ হারে শুল্ক ধার্যের প্রভাব না পড়ে।

ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের যে বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু হতে যাচ্ছে, সেখানে ভিয়েতনামের মতো দেশ সমস্যায় পড়তে চলেছে। কেননা ভিয়েতনামের মতো দেশকে রপ্তানির মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ শুল্ক হার এবং অন্যান্য বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার প্রভাব এড়িয়ে যাওয়ার বিষয়টি এখন বেশ আলোচিত এবং ট্রাম্প প্রশাসনের সবাই এটি জানে। ফলে তারা এসব ফাঁকফোকর বন্ধ করার উদ্দেশ্যে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলেই হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তা ছাড়া ট্রাম্পের উচ্চ শুল্ক হার প্রয়োগের যে ঘোষণা, তাতে ভিয়েতনাম সরাসরি টার্গেটে পরিণত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা আছে। ট্রাম্প স্পষ্ট উল্লেখ করেছেন, যেসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি আছে, সেসব দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানির ওপর উচ্চ শুল্ক ধার্য করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভিয়েতনামের রপ্তানির পরিমাণ আমদানির আট গুণ এবং বাণিজ্য ঘাটতির দিক থেকে ভিয়েতনামের অবস্থান চতুর্থ অর্থাৎ চীন, মেক্সিকো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরেই তাদের স্থান।

এসব কারণে ভিয়েতনাম যে ট্রাম্পের প্রস্তাবিত উচ্চ শুল্ক হারের শিকার হবে, তা আঁচ করতে পেরে অনেক ব্যবসায়ী বিকল্প সাপ্লাই সোর্স অনুসন্ধান করতে শুরু করেছেন। এরই মধ্যে তাইওয়ানের অনেক বিনিয়োগকারী ভিয়েতনামে তাদের প্রস্তাবিত বিনিয়োগ পুনর্বিবেচনা করতে শুরু করেছেন। অনেক ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান থাইল্যান্ডে ফ্যাক্টরি স্থানান্তর করতে শুরু করেছে। অনেক তৈরি পোশাক রপ্তানির আদেশ অন্যত্র সরতে শুরু করেছে। এসব রপ্তানি আদেশ নেওয়ার জন্য অনেক দেশ বেশ প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে এবং তাদের মধ্যে প্রথম সারিতে আছে ভারত। সুতরাং একটি বিষয় পরিষ্কার যে ট্রাম্পের উচ্চ শুল্ক হারকে কেন্দ্র করে বিশ্বব্যাপী যে নতুন বাণিজ্যঝড় শুরু হবে, তার প্রভাবে ভিয়েতনামের মতো অনেক দেশ যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তেমনি অনেক দেশ রপ্তানি বৃদ্ধির সুযোগও কাজে লাগাতে পারবে।

তৈরি পোশাক রপ্তানির যে নতুন সুযোগ শুল্কযুদ্ধকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হতে চলেছে, তা বাংলাদেশ বেশ ভালোভাবেই গ্রহণ করতে পারত। কেননা তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যথেষ্ট সুখ্যাতি আছে এবং এই খাতে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে দ্বিতীয়। কিন্তু এই সুযোগ গ্রহণ করার জন্য বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের যে প্রস্তুতি থাকা প্রয়োজন ছিল, তা মোটেই নেই। উল্টো অন্যান্য ব্যবসা-বাণিজ্যের মতো তৈরি পোশাক খাতও মারাত্মক এক সমস্যার মধ্য দিয়ে চলছে। শ্রমিক অসন্তোষ এবং উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কারখানায় অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এসব কারণে বিশ্বের তৈরি পোশাক আমদানিকারকরা উদ্বেগের মধ্যে পড়ে গেছেন। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে নতুন সুযোগ কাজে লাগানো তো দূরের কথা, অনেক রপ্তানি আদেশ হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে যদি অবস্থার দ্রুত উন্নতি না হয়।

এ কথা অনস্বীকার্য যে আমাদের দেশ এখনো এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে চলছে এবং কবে নাগাদ স্বাভাবিক অবস্থা নিশ্চিত হবে, তা-ও বুঝে ওঠা কষ্টকর। তার পরও আমাদের দেশের তৈরি পোশাক খাতের দিকে দ্রুতই বিশেষ নজর দিতে হবে। তৈরি পোশাক যে শুধু দেশের বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনকারী খাত তা-ই নয়, সেই সঙ্গে বিশাল কর্মসংস্থানেরও জোগানদার। তাই এই খাত যদি সমস্যায় পড়ে, তাহলে দেশের অর্থনীতি এবং সামাজিক অবস্থার ব্যাপক ক্ষতি হবে, যা খুব সহজে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে না। অনেক দেরি হয়ে গেলেও এখনো যদি তৈরি পোশাক খাতকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করা যায়, তাহলে এই খাত ভালোভাবেই ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। এর ফলে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকরা একদিকে যেমন পোশাক রপ্তানি অব্যাহত রাখতে পারবেন, অন্যদিকে তেমনি পর্যাপ্ত রপ্তানি বৃদ্ধির যে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, তা-ও বেশ ভালোভাবেই কাজে লাগাতে সক্ষম হবেন। এ কথাও ঠিক যে ট্রাম্পের উচ্চ শুল্ক হার পাশ কাটিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধি করতে হলে বিশেষ কিছু কৌশলী পদক্ষেপ নিতে হবে, যা সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরতে গেলে বিস্তারিত আলোচনার প্রয়োজন, যার সুযোগ এখানে নেই।

লেখক : সার্টিফায়েড অ্যান্টি মানি লন্ডারিং স্পেশালিস্ট ও ব্যাংকার, টরন্টো, কানাডা

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ
 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

১০ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন