শিরোনাম
প্রকাশ : ৭ জুলাই, ২০২০ ১৬:০১

ব্রিটেনে পারিবারিক নির্যাতন বন্ধে নতুন আইনের দাবি

যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি

ব্রিটেনে পারিবারিক নির্যাতন বন্ধে নতুন আইনের দাবি
প্রতীকী ছবি

পারিবারিক নির্যাতন বন্ধে সকলের জন্য সমান অধিকার থাকা উচিত। এক্ষেত্রে নির্যাতনের শিকার মানুষের জন্য ইমিগ্রেশনের অবস্থান মুখ্য হতে পারে না। এমন দাবি করছেন ক্যাম্পেইনাররা।

ক্যাম্পেইনারা ব্রিটিশ এমপিদের কাছে লবিং করছেন, যাতে করে অভিবাসী নারীরা সমান সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারেন। বর্তমান আইনের কারণে কিছু কিছু পারিবারিক নির্যাতনের শিকার মানুষ পাবলিক ফান্ড, আবাসন এবং রিফিউজি সুবিধা পান না।

হোম অফিস বলছে, আইনটি পারিবারিক নির্যাতন আইনেই রূপান্তরিত হওয়া উচিত। নতুন এই আইনটি সোমবার পর্যালোচনার জন্য উঠানোর কথা রয়েছে। 

এদিকে পাবলিক ফান্ডের আশ্বাস ছাড়াই ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য চ্যারেটি সংস্থার মাধ্যমে ১.৫ মিলিয়ন পাউন্ডের একটি সহায়তার পাইলট স্কিম এ বছরের শেষের দিকে চালু হবে।

তবে ক্যাম্পেইনাররা বলছেন, অভিবাসীদের সুরক্ষায় আরো বেশি কিছু করার প্রয়োজন রয়েছে। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্টেপ আপ মাইগ্রেন্ট উইম্যান বলছে, আমাদের সকল ক্ষতিগ্রস্তদের সুরক্ষা দিতে হবে, সে কোথা থেকে এসেছে তা বিবেচনা করা উচিত নয়। 

এদিকে পারিবারিক নির্যাতনের শিকার সোমিয়া বাসার ৩২ জানিয়েছে, তিনি মূলত ইন্ডিয়া থেকে এসেছিলেন এবং সাউথহলে বসবাস করছেন। তিনি অভিবাসী হওয়ায় আইনি সহায়তা পেতে অসুবিধার সম্মুখিন হয়েছিলেন। তিনি কিভাবে নির্যাতিত হয়েছিলেন, তার প্রমাণ দিতে পার্লামেন্টেও যান।

এদিকে বাংলাদেশি অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটস এর পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে,
আপনি যদি পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হোন, তবে জেনে রাখুন আপনি একা নন, ঘরোয়া বা পারিবারিক নির্যাতনের শিকার ও তাদের সন্তানদের জন্য স্থানীয় ও জাতীয় ভিত্তিক সহায়তামূলক সেবাগুলো যথারীতি পাওয়া যাচ্ছে। টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের পক্ষ থেকে বারার বাসিন্দাদের এই মর্মে আশ্বস্ত করা হচ্ছে যে, নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচার প্রয়োজনে মহামারির কারণে সবাইকে ঘরে থাকার যে কথা বলা হচ্ছে, তা আপনার ক্ষেত্রে দরকার হবে না।

পারিবারিক নির্যাতনের মধ্যে মানসিক, শারীরিক, যৌন হয়রানি, অর্থনৈতিক বা মানসিক নির্যাতনও অন্তর্ভুক্ত। কিছু কিছু কমিউনিটিতে দেখা গেছে যে, নির্যাতনের শিকার লোকজন পারিবারিক সম্মান হারানো এবং লোকলজ্জার ভয়ে সাহায্য চাওয়া থেকে বিরত থাকেন। দয়া করে এটা মনে রাখবেন যে, নির্যাতনের জন্য কখনোই কোনো অজুহাত থাকতে পারে না এবং যদি আপনি এমন কারো সাথে বসবাস করছেন যে আপনাকে আহত করছে, হুমকি দিচ্ছে কিংবা এমন আচরণ করছে যার ফলে আপনি ভীত সন্ত্রস্ত হচ্ছেন, তাহলে বিষয়টি নিয়ে কারো সাথে কথা বলাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।


বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর