শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫

কাজী নজরুল সমকালের চোখে

হাসান হাফিজ
প্রিন্ট ভার্সন
কাজী নজরুল সমকালের চোখে

মাত্র ২৩ বছরের সৃষ্টিশীল জীবন ছিল তাঁর। এই অল্প সময়ে আমরা কাজী নজরুল ইসলামের কাছ থেকে বিপুল রচনাসম্ভার পেয়েছি। প্রকৃত ধূমকেতুর মতোই আবির্ভাব রাজসিক এই কবিপুরুষের। জীবনযাপনও ছিল বর্ণিল, নানা ধরনের নাটকীয়তায় ভরপুর। সমকালীন বিশিষ্টজনের দৃষ্টিতে কেমন ছিল নজরুল রচনা, বৈশিষ্ট্য, দীপ্তি, আবশ্যকতা ও স্বাতন্ত্র্য? ক্ষুদ্র পরিসর এই রচনায় আমরা তা নিরীক্ষণের প্রয়াস পাব।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তখন খ্যাতির মধ্যগগনে। কোন দৃষ্টিতে তিনি দেখতেন, দেখেছিলেন নজরুলকে? এ বিষয়ে কৌতূহল হওয়া খুবই স্বাভাবিক। ‘কাজীর কবিতা’ শিরোনামে রবীন্দ্রনাথের একটি লেখা রয়েছে। সেটি পুরোই উদ্ধৃত করতে হয়। লেখাটি হচ্ছে :

“১. অরুগ্ণ-বলিষ্ঠ-হিংস্র-নগ্ন-বর্বরতা তার অন্যবদ্য ভাবমূর্তি রয়েছে কাজীর কবিতায় ও গানে। কৃত্রিমতার ছোঁয়াচ তাকে কোথাও ম্লান করেনি, জীবন ও যৌবনের সকল ধর্মকে কোথাও তা অস্বীকার করেনি। মানুষের স্বভাব ও সহজাত প্রকৃতির অকুণ্ঠ প্রকাশের ভিতর নজরুল ইসলামের কবিতা সকল দ্বিধাদ্বন্দ্বের ঊর্ধ্বে তার আসন গ্রহণ করেছে।

২. বিদগ্ধ বাগ্বিন্যাসের যেমন মূল্য আছে, সহজ সরল তীব্র ও ঋজু বাক্যের মূল্যও কিছু কম নয়। ... তীব্রতাও রসাত্মক হলেই কাব্য হয়ে ওঠে, যেমন উঠেছে নজরুলের বেলায়।...

নজরুল ইসলাম সম্বন্ধে তোমাদের মনে যেন কিছু সন্দেহ রয়েছে। নজরুলকে আমি ‘বসন্ত’ গীতিনাট্য উৎসর্গ করেছি এবং উৎসর্গপত্রে তাকে ‘কবি’ বলে অভিহিত করেছি। জানি, তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ এটা অনুমোদন করতে পারনি। আমার বিশ্বাস, তারা নজরুলের কবিতা না পড়েই এই মনোভাব পোষণ করেছ। আর পড়ে থাকলেও রূপ ও রসের সন্ধান করোনি, অবজ্ঞাভরে চোখ বুলিয়েছ মাত্র। কাব্যে অসির ঝনঝনা থাকতে পারে না, এসব তোমাদের আবদার বটে। সমগ্র জাতির অন্তর যখন সে সুরে বাঁধা, অসির ঝনঝনায় যখন সেখানে ঝঙ্কার তোলে, ঐকতান সৃষ্টি হয়, তখন কাব্যে তাকে প্রকাশ করবে বৈকি! আমি যদি আজ তরুণ হতাম তাহলে আমার কলমেও ঐ সুর বাজত।

৩. জনপ্রিয়তা কাব্য বিচারের স্থায়ী নিরিখ নয়, কিন্তু যুগের মনকে যা প্রতিফলিত করে, তা শুধু কাব্য নয়, মহাকাব্য।”

আমরা জানি, কবি নজরুলকে তাঁর বিদ্রোহী সত্তা ও প্রতিবাদী কণ্ঠের জন্য ব্রিটিশ-ভারত সরকারের কোপানলে পড়তে হয়। সেজন্য তিনি কারা নির্যাতনও ভোগ করেন। বিপ্লবী সুভাষচন্দ্র বসুর লেখায় আমরা উল্লেখ দেখি সেই প্রসঙ্গের। ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দের ১৫ ডিসেম্বর রচিত নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর একটি লেখা থেকে আংশিক উদ্ধৃতি এখানে-

“...কারাগারে আমরা অনেকেই যাই, কিন্তু সাহিত্যের মধ্যে সেই জীবনের প্রভাব কমই দেখতে পাই। তার কারণ অনুভূতি কম। কিন্তু নজরুল যে জেলে গিয়েছিলেন, তার প্রমাণ তাঁর লেখার মধ্যে অনেক স্থানে পাওয়া যায়। এতেও বোঝা যে, তিনি একটি জ্যান্ত মানুষ। তাঁর লেখার প্রভাব অসাধারণ। তাঁর গান পড়ে আমার মতো বেরসিক লোকেরও জেলে বসে গাইবার ইচ্ছা হতো। আমাদের প্রাণ নেই, তাই আমরা এমন প্রাণময় কবিতা লিখতে পারি না।

নজরুলকে বিদ্রোহী কবি বলা হয়, এটা সত্য কথা। তাঁর অন্তরটা যে বিদ্রোহী, তা স্পষ্টই বোঝা যায়। আমরা যখন যুদ্ধে যাব-তখন সেখানে নজরুলের যুদ্ধের গান গাওয়া হবে। আমরা যখন কারাগারে যাব, তখনো তাঁর গান গাইবো।

আমি ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে সর্বদাই ঘুরে বেড়াই। প্রাদেশিক ভাষায় জাতীয় সংগীত শুনবার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। নজরুলের ‘দুর্গম গিরি কান্তার মরু’র মতো প্রাণ মাতানো গান কোথাও শুনেছি বলে মনে হয় না।

কবি নজরুল স্বপ্ন দেখেছিলেন। সেটা শুধু তার নিজের স্বপ্ন নয়, সমগ্র বাঙালি জাতির স্বপ্ন।”

নজরুল সুহৃদ ‘সওগাত’ সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীনের একটি লেখার শিরোনাম হচ্ছে- ‘দেশপ্রেম ও মানবতার কবি নজরুল’। সেই রচনা থেকে কিয়দংশ -“বিশ শতকের প্রথম কয়টি বছরেই নজরুল লিখেছিলেন অনেকগুলো দেশাত্মকবোধ কবিতা ও গান। ১৯২০ থেকে ১৯৩০ সালের মধ্যে দেশের মানুষের অন্তরের ক্ষোভ দাউ দাউ করে জ্বলে উঠবার মতো বহু কবিতা ও গান তিনি লিখেছেন। গান্ধীর আপস-ফর্মুলায় কবি নজরুল মর্মাহত হয়েছিলেন। বিদেশি শাসকগোষ্ঠীর সঙ্গে কোনো আপস করতে তিনি নারাজ। তিনি বললেন : কেবলমাত্র ‘চরকা’ আন্দোলন বিপ্লবের স্বপ্নকে ধূলিসাৎ করে দেবে। তিনি লিখলেন :

“সূতা দিয়ে মোরা স্বাধীনতা চাই

বসে বসে কাল গুনি

জাগো রে জোয়ান। বাত ধরে গেল

মিথ্যার তাঁত বুনি।”

স্বনামধন্য কমিউনিস্ট নেতা নজরুলবান্ধব কমরেড মুজফফর আহমদ কী বলছেন নজরুল সম্পর্কে?

‘কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতিকথা’; নামের গ্রন্থে তিনি লিখেছেন :

“আমি সাহিত্য সমিতির অফিসের পাশের দিককার একখানা ঘরে থাকতাম। সেই ঘরেই নজরুল ইসলামের জন্য আর একখানা তখত্পোশ পড়ল। কৌতূহলের বশে আমরা তার গাঁটরি-বোঁচকাগুলি খুলে দেখলাম। তাতে তার লেপ, তোশক ও পোশাক-পরিচ্ছদ ছিল। সৈনিক পোশাক তো ছিলই, আর ছিল শিরওয়ানি (আচকান), ট্রাউজার্স ও কালো উঁচু টুপি যা তখনকার দিনে করাচির লোকেরা পরতেন। একটি দূরবীণও (বাইনোকুলার) ছিল। কবিতার খাতা, গল্পের খাতা, পুঁথি-পুস্তক, মাসিক পত্রিকা এবং রবীন্দ্রনাথের গানের স্বরলিপি, ইত্যাদিও ছিল। পুস্তকগুলির মধ্যে ছিল ইরানের মহাকবি হাফিজের দিওয়ানের একখানা খুব বড় সংস্করণ। তাতে মূল পার্সির প্রতি ছত্রের নিচে উর্দু তর্জমা দেওয়া ছিল। অনেক দিন পরে আমারই কারণে নজরুল ইসলামের এই গ্রন্থখানা, আরও কিছু পুস্তক, কিছু চিঠিপত্র, অনেক দিনের পুরানো কবিতার খাতা, বিছানা, কিট-ব্যাগ, সুটকেস্ এবং “ব্যথার দান” পুস্তকের উৎসর্গে বর্ণিত মাথার কাঁটা খোয়া যায়। মিউজিয়মে রক্ষিত মূল্যবান বস্তুর মতো নজরুল এই কাঁটাটিও রক্ষা করে আসছিল। উৎসর্গে লেখা আছে-

“মানসী আমার!

মাথার কাঁটা নিয়েছিলাম বলে

ক্ষমা করনি,

তাই বুকের কাঁটা দিয়ে

প্রায়শ্চিত্ত করলাম।”

কে ছিলেন এই কাঁটার মালিক তাঁর নাম সে আমায় কোনো দিন বলেনি। কী করে জিনিসগুলি খোয়া গেল সেই কথা হয়তো আমার রাজনীতিক জীবনের স্মৃতিকথায় কোনো দিন বলব। কিন্তু হবে কি লেখা সেই স্মৃতিকথা? কে জানে?

কাজী নজরুল ইসলাম যেদিন প্রথম ৩২, কলেজ স্ট্রিটে থাকতে এসেছিল, সেদিন রাত্রেই তাকে দিয়ে আমরা গান গাইয়ে নিয়েছিলেম। গানের ব্যবস্থা হয়েছিল আফজালুল হক সাহেবের ঘরে। আমার ঘরখানা শীলেদের বাড়ির প্রথম উঠোনের ওপরে ছিল। তাঁদের বাড়ির ভিতরে যাতে কোনো আওয়াজ না পৌঁছয় সে বিষয়ে আমি সতর্ক ছিলেম।

নজরুল সাধারণত রবীন্দ্রনাথের গানই গাইত, কিন্তু সেদিন সে গেয়েছিল তখনকার দিনে “পিয়া বিনা মোর জিয়া না মানে বদরী ছায়ী রে”। ও-বাড়িতে আসার পরে নজরুলের গানের আড্ডা বরাবর আফজাল সাহেবের ঘরেই বসত।

প্রসঙ্গক্রমে একটি কথা এখানে বলে রাখছি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারার নিযুক্ত হয়ে আসার পরে শহীদুল্লাহ সাহেব আমার ঘরেই থাকতেন। নজরুল ইসলাম যখন এসেছিল তখন তিনি ফিয়ার্স লেনে একটা মেডিকেল ছাত্রদের মেসের সুপারিন্টেন্ডেন্ট হয়ে সেখানে উঠে গিয়েছিলেন। তাইতে আমার ঘরে নজরুলের ঠাঁই হতে পেরেছিল।” প্রখ্যাত কথাশিল্পী তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মৃতিচারণার দিকে দৃকপাত করা যাক- তারাশঙ্কর লিখেছেন,

“কাজী সাহেবের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত পরিচয় যৎসামান্য, অকিঞ্চিৎকর। ১৯৪০ সালে ঠিক পূজার পর তিনি হঠাৎ একদিন রাত্রে-হাসির গানের গায়ক শ্রীযুক্ত নলিনীকান্ত সরকারকে সঙ্গে করে আমার বাড়িতে গিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন। তার আগে কাজী সাহেবের সঙ্গে সাক্ষাৎ পরিচয়ের সৌভাগ্যই হয়নি। তিনি আমাদের ওখানে স্থানীয় একটি দেবস্থলে বাতের ওষুধের জন্য গিয়েছিলেন (তাঁর স্ত্রীর জন্য)। হঠাৎ টেলিগ্রাম পেলাম তাঁরা আসছেন-একদিন আমার বাড়িতে থাকবেন। সেদিন দুর্ভাগ্যক্রমে আমার একটি শিশুপুত্র মারা গিছল দুপুরবেলায়। রাত্রে এলেন। এবং একান্ত অপ্রতিভ বিষণ্নতার মধ্যেই আমার আতিথ্য গ্রহণ করলেন। পরদিন কাজী সাহেব আমাদের গ্রামের “ফুল্লরা” দেবীর (মহাপীঠ রূপে খ্যাত) স্থানে গেলেন। এবং মন্দিরের সম্মুখে নাটমন্দিরের উপর পদ্মাসন হয়ে বসে প্রাণায়াম সহযোগে যে জপ করেছিলেন, তা দেখে একথা বলব যে, এই ব্যক্তি এক আশ্চর্য চরিত্র ব্যক্তি; তাঁর অন্তরের যে পিপাসা, সে-পিপাসা যৌবন পিপাসায় মাতাল করা গজল গানে ব্যক্ত হয়েছে-সেই পিপাসাই অন্তরের পিপাসা হয়ে ব্যক্ত হয়েছে এই শ্যামাসঙ্গীতে এবং সাধারণ জনের দৃষ্টির অগোচর সাধনায়। যাঁরা তাঁর অতি সন্নিকটের মানুষ-তাঁরা এই দিকটিকে আড়াল দিয়ে এড়িয়ে চলেন-এই পরমাত্মিক গভীর হৃদয়ের তৃষ্ণা তাঁদের নাই, তাই এই দিকটার কথা অল্পই প্রকাশিত হয়েছে। এদিকটিতে কেউ যদি তাঁর সঙ্গী সাথী থাকতেন, তবে দেশপ্রেমিক বিদ্রোহী নজরুল, সাম্যবাদী নজরুল, প্রেমের কবি নজরুল-এই দুই নজরুলের সঙ্গে আধ্যাত্মিক তৃষ্ণার তৃষিত নজরুলের বিচিত্র রূপটিও প্রকাশিত হতো। তা হয় নি।” নজরুল বন্ধু ভূপতি চৌধুরী লিখেছেন : “নিয়মিতভাবে কল্লোলের আড্ডায় গিয়ে দেখি- অফিসের সামনে বেশ ভিড়- রাস্তায় লোক দাঁড়িয়ে আছে। ঘরের ভিতর থেকে বেশ জোরালো গলার গানের আওয়াজ ভেসে আসছে। অনুমান করার প্রয়োজন ছিল না- যার প্রতীক্ষায় এতদিন অপেক্ষা করেছি- সেই কবি আজ আমাদের কাছে এসেছেন-শুধু এসেছেন নয়-একেবারে অন্তরঙ্গ হয়ে বসে হারমোনিয়াম বাজিয়ে গান শোনাচ্ছেন। আস্তে আস্তে ঘরে প্রবেশ করে কবির দিকে তাকালাম। কল্লোলে প্রকাশিত কবির পরিচয়লিপির ভাষায় বলি-কবি নজরুল ইসলাম : বলিষ্ঠ সুগঠিত দেহ, মাথায় বড় বড় ঝাঁকড়া চুল; চোখে চশমা, সামান্য গোঁফ আছে-বিদ্রোহীর মতোই উৎসাহে উজ্জ্বল চোখ, বেশি লম্বা নয়। সম্পাদক নিজে ছবি আঁকতেন-কাজেই কবির পরিচয়লিপিতে যে ছবি ফুটে উঠেছিল-তা খুবই শুধু স্পষ্ট নয়, জীবন্ত।

আমার কেন যেন মনে হলো- যৌবনদৃপ্ত মধুসূদন ধুতি-পাঞ্জাবি পরে আমাদের সামনে এসে বসেছেন।

কবি গান গেয়ে চলেছেন একের পর আরেকটা-বিরাম নেই। আত্মভোলা ভাব।

গানের গলা খুব মিষ্ট নয় বরং একটু ধরাধরা-কিন্তু অদ্ভুত দরদভরা আবেগময় কণ্ঠ। শ্রোতারা মন্ত্রমুগ্ধ-সুরের ঝর্নাধারায় অবগাহন করে সকলে শান্ত, তৃপ্ত।

গানের ফাঁকে ফাঁকে আলাপ-পরিচয় চলতে থাকল। একদিনের পরিচয়েই আপনি থেকে তুমিতে নামতে দেরি হলো না। গান যখন শেষ হলো- তখনো যেন কেউ বিশ্বাস করতে চায় না যে গান শেষ হয়েছে। কবির অনিচ্ছা নেই গাইতে কিন্তু তাঁর সঙ্গের বন্ধুদের তাগিদে সেদিনের মতো আসর ভেঙে গেল।

তখন অসহযোগের যুগ- শহরে শহরে মিছিল। মিছিলে নজরুলের গান ‘চল চল চলরে চল, ঊর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল’ কিংবা ‘শিকল পরা ছল মোদের এই শিকল পরা ছল- এই শিকল পরেই শিকল তোদের করব রে বিকল’- এই সব সাড়া জাগানো গান আর সেইসব গানের মিছিলের পুরোভাগে নজরুল।  যতদূর মনে আছে- নজরুলের ছেলের অন্নপ্রাশন উপলক্ষে কল্লোলের সকলকে তার হুগলির বাড়িতে নিমন্ত্রণ করেছিল। এলাহি ব্যাপার। সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত খাবারের বিরাম নেই। বসবার ঘরটা আগাগোড়া ফরাসপাতা-শিউলিফুল ছড়ানো ধূপধূনার গন্ধে সুরভিত। গান, গল্প, হাসি ঠাট্টা- একেবারে যাকে বলে বাদশাহি মজলিশ, এমন দিলদরিয়া মানুষ নজরুল ছাড়া আর কে আছে? দিনটা কোথা দিয়ে কেটে গেল-রাতে ফেরার সময় তার চোখ ছলছল-বারবার বলতে থাকল-রাতটা কাটিয়ে গেল কত ভালো হতো।

তখনকার দিনে-নজরুলের বই বের হলেই-এক মাসের মধ্যেই বাজেয়াপ্ত হতো। কিন্তু সেজন্য নজরুলের ভ্রুক্ষেপও ছিল না। বইয়ের কাটতি দারুণ-কিন্তু লেখকের তাতে লাভ ছিল না। গ্রামোফোন কোম্পানি ও ফিল্মের দৌলতে নজরুলের রোজগার বড় কম ছিল না, কিন্তু সে রোজগার থেকে ভবিষ্যতের সঞ্চয় করা নজরুলের ধাতে ছিল না। কবির কাছে বাদশাহি আর ফকিরি কোনো ফারাক নেই।”

এই বিভাগের আরও খবর
অনুপস্থিত স্যার!
অনুপস্থিত স্যার!
শিং
শিং
ডুয়েল সিম
ডুয়েল সিম
স্নো-পাউডার
স্নো-পাউডার
উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টর
উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টর
বুড়িগঙ্গা হত্যায় আমরা শতভাগ সফল হয়েছি
বুড়িগঙ্গা হত্যায় আমরা শতভাগ সফল হয়েছি
নিশীথিনী...
নিশীথিনী...
সাহিত্য বিভাগে লেখা পাঠানোর ঠিকানা
সাহিত্য বিভাগে লেখা পাঠানোর ঠিকানা
আগুন
আগুন
হৃদয়ের দোষ কী
হৃদয়ের দোষ কী
পর্যটনের পাহাড়
পর্যটনের পাহাড়
শিমলার বুক ক্যাফে
শিমলার বুক ক্যাফে
সর্বশেষ খবর
কিশোরগঞ্জে ট্রাকের সঙ্গে সিএনজির সংঘর্ষ, নিহত ১
কিশোরগঞ্জে ট্রাকের সঙ্গে সিএনজির সংঘর্ষ, নিহত ১

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১ মিনিট আগে | শোবিজ

হারে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের
হারে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের

৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৫ মিনিট আগে | শোবিজ

গফরগাঁওয়ে বলাকা কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন
গফরগাঁওয়ে বলাকা কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হত্যা মামলার আসামির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
হত্যা মামলার আসামির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মরক্কোয় মিলল ‘ট্যাংকের মতো’ ডাইনোসর স্পাইকোমেলাসের জীবাশ্ম
মরক্কোয় মিলল ‘ট্যাংকের মতো’ ডাইনোসর স্পাইকোমেলাসের জীবাশ্ম

৩৫ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের আহ্বান সিইসির
পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের আহ্বান সিইসির

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

গাজার পরিস্থিতিকে ‘গণহত্যা’ আখ্যা দিতে জাতিসংঘের পাঁচ শতাধিক কর্মকর্তার চিঠি
গাজার পরিস্থিতিকে ‘গণহত্যা’ আখ্যা দিতে জাতিসংঘের পাঁচ শতাধিক কর্মকর্তার চিঠি

৪৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাতক্ষীরা সীমান্তে ভারতীয় চোরাচালান পণ্য জব্দ
সাতক্ষীরা সীমান্তে ভারতীয় চোরাচালান পণ্য জব্দ

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করা কমিশনের কাজ : ইসি সানাউল্লাহ
নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করা কমিশনের কাজ : ইসি সানাউল্লাহ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভিষেকে মারকুটে ব্যাটিং শেবাগপুত্র আর্যবীরের
অভিষেকে মারকুটে ব্যাটিং শেবাগপুত্র আর্যবীরের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পোল্যান্ডে মহড়ার সময় এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, বেঁচে নেই পাইলট
পোল্যান্ডে মহড়ার সময় এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, বেঁচে নেই পাইলট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চ্যাম্পিয়নস লিগ ড্র : ২০২৫–২৬ মৌসুমে কে কার মুখোমুখি
চ্যাম্পিয়নস লিগ ড্র : ২০২৫–২৬ মৌসুমে কে কার মুখোমুখি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আগামী সংসদ নির্বাচন সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হবে : ইসি আনোয়ারুল
আগামী সংসদ নির্বাচন সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হবে : ইসি আনোয়ারুল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞার প্রক্রিয়া শুরু, তেহরানের ক্ষোভ
ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞার প্রক্রিয়া শুরু, তেহরানের ক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেনাপোলে বিএনপি কর্মী মিজানকে গলা কেটে হত্যা
বেনাপোলে বিএনপি কর্মী মিজানকে গলা কেটে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সম্মেলন ও কাউন্সিল স্থগিত
হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সম্মেলন ও কাউন্সিল স্থগিত

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনের ফরজ পরিধি
ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনের ফরজ পরিধি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

প্রতিদিন ৬৮ হাজার ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা শ্বাসের মাধ্যমে নিচ্ছে মানুষ
প্রতিদিন ৬৮ হাজার ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা শ্বাসের মাধ্যমে নিচ্ছে মানুষ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসারাঙ্গাকে নিয়েই শ্রীলঙ্কার এশিয়া কাপ দল ঘোষণা
হাসারাঙ্গাকে নিয়েই শ্রীলঙ্কার এশিয়া কাপ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সবজির আগুনে ঘামছে ক্রেতা
সবজির আগুনে ঘামছে ক্রেতা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটির তারিখ পুনঃনির্ধারণ
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটির তারিখ পুনঃনির্ধারণ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উপদেষ্টা হতে ২০০ কোটির চেক, সেই চিকিৎসকের কার্যালয়ে দুদকের অভিযান
উপদেষ্টা হতে ২০০ কোটির চেক, সেই চিকিৎসকের কার্যালয়ে দুদকের অভিযান

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রোডম্যাপ প্রকাশ: রোজার আগে ভোট, ডিসেম্বরেই তফসিল
রোডম্যাপ প্রকাশ: রোজার আগে ভোট, ডিসেম্বরেই তফসিল

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা
সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‌‘মঞ্চ ৭১’র অনুষ্ঠানে উত্তেজনা, সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী আটক
‌‘মঞ্চ ৭১’র অনুষ্ঠানে উত্তেজনা, সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী আটক

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপে যা আছে
জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপে যা আছে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্লট বরাদ্দ পেতে ভাসমান-অসহায়-গরীব পরিচয় দেন শেখ রেহানা-টিউলিপ-আজমিনা
প্লট বরাদ্দ পেতে ভাসমান-অসহায়-গরীব পরিচয় দেন শেখ রেহানা-টিউলিপ-আজমিনা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা
উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার ধ্বংসাবশেষ সরাচ্ছে ইরান, দাবি রিপোর্টে
পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার ধ্বংসাবশেষ সরাচ্ছে ইরান, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত, মার্কিন কর্মকর্তার হুঁশিয়ারি
রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত, মার্কিন কর্মকর্তার হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে মোদির যুদ্ধ'
'রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে মোদির যুদ্ধ'

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৯৬ ভারী ট্রাক দিয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ সেতুর সক্ষমতা পরীক্ষা করল চীন
৯৬ ভারী ট্রাক দিয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ সেতুর সক্ষমতা পরীক্ষা করল চীন

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া
ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাবাহিনী প্রধান
চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাবাহিনী প্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন কিম-পুতিনসহ ২৬ বিশ্বনেতা
শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন কিম-পুতিনসহ ২৬ বিশ্বনেতা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সময়সীমা সীমিত করছেন ট্রাম্প
বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সময়সীমা সীমিত করছেন ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বগুড়ার ফাহিমা হত্যায় ঢাকায় স্বামী গ্রেপ্তার
বগুড়ার ফাহিমা হত্যায় ঢাকায় স্বামী গ্রেপ্তার

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভোটের প্রচারে গিয়ে পরিচয়, বিয়ে করলেন দুই ব্রিটিশ এমপি
ভোটের প্রচারে গিয়ে পরিচয়, বিয়ে করলেন দুই ব্রিটিশ এমপি

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নির্বাচনী প্রচারণায় ইট-পাটকেলের তোপের মুখে পালালেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট
নির্বাচনী প্রচারণায় ইট-পাটকেলের তোপের মুখে পালালেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা
উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দুই ম্যাচের দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দুই ম্যাচের দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৮ মাসে ১ কোটি চাকরি সৃষ্টিতে বিএনপির পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে : আমীর খসরু
১৮ মাসে ১ কোটি চাকরি সৃষ্টিতে বিএনপির পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে : আমীর খসরু

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ৩৬ দল চূড়ান্ত
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ৩৬ দল চূড়ান্ত

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ
সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধানে সময় দরকার: ফাওজুল কবির
প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধানে সময় দরকার: ফাওজুল কবির

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন ড. খন্দকার মোশাররফ
লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন ড. খন্দকার মোশাররফ

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইউক্রেনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষুব্ধ হলেও বিস্মিত নন ট্রাম্প: হোয়াইট হাউস
ইউক্রেনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষুব্ধ হলেও বিস্মিত নন ট্রাম্প: হোয়াইট হাউস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
পুকুর যেন সাদাপাথরের খনি
পুকুর যেন সাদাপাথরের খনি

পেছনের পৃষ্ঠা

বহু নারীর জীবন নষ্টে তৌহিদ আফ্রিদি
বহু নারীর জীবন নষ্টে তৌহিদ আফ্রিদি

পেছনের পৃষ্ঠা

রোগীদের জন্য ১৭ কোটি টাকার ওষুধ এনে দিলেন শীর্ষ শ্রেয়ান
রোগীদের জন্য ১৭ কোটি টাকার ওষুধ এনে দিলেন শীর্ষ শ্রেয়ান

নগর জীবন

আজমির শরিফে অন্যরকম দৃশ্য
আজমির শরিফে অন্যরকম দৃশ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

ডিবি হারুনের স্ত্রীর নামে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি
ডিবি হারুনের স্ত্রীর নামে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি

পেছনের পৃষ্ঠা

আবারও মব রাজধানীতে
আবারও মব রাজধানীতে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মনোনয়ন চান বিএনপির সাত নেতা, প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের
মনোনয়ন চান বিএনপির সাত নেতা, প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের

নগর জীবন

একক প্রার্থী বিএনপিসহ সব দলের
একক প্রার্থী বিএনপিসহ সব দলের

নগর জীবন

রংপুরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স
রংপুরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স

নগর জীবন

অবশেষে ভোটের রোডম্যাপ
অবশেষে ভোটের রোডম্যাপ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুখোমুখি
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুখোমুখি

মাঠে ময়দানে

প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিন
প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিন

নগর জীবন

ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া
ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া

প্রথম পৃষ্ঠা

কমপ্লিট শাটডাউন
কমপ্লিট শাটডাউন

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন ছবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন শর্মিলা
কেন ছবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন শর্মিলা

শোবিজ

সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার বাংলাদেশিসহ ২ লাখ অভিবাসী
সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার বাংলাদেশিসহ ২ লাখ অভিবাসী

পেছনের পৃষ্ঠা

গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল
গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব
নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব

প্রথম পৃষ্ঠা

ফের মোহনীয়রূপে জয়া
ফের মোহনীয়রূপে জয়া

শোবিজ

মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে মায়ামি
মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে মায়ামি

মাঠে ময়দানে

বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার
বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্যাপিটাল ড্রামায় অবমুক্ত তৌসিফ-তিশার ‘খোয়াবনামা’
ক্যাপিটাল ড্রামায় অবমুক্ত তৌসিফ-তিশার ‘খোয়াবনামা’

শোবিজ

নিজেদের অসহায় পরিচয় দিয়ে প্লট নেন রেহানা-টিউলিপ
নিজেদের অসহায় পরিচয় দিয়ে প্লট নেন রেহানা-টিউলিপ

পেছনের পৃষ্ঠা

শির আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন বিশ্বনেতারা
শির আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন বিশ্বনেতারা

পূর্ব-পশ্চিম

চ্যাম্পিয়ন কিংসের সামনে তিন চ্যাম্পিয়ন
চ্যাম্পিয়ন কিংসের সামনে তিন চ্যাম্পিয়ন

মাঠে ময়দানে

সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি
সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি

প্রথম পৃষ্ঠা

গুমে মৃত্যুদণ্ড, বন্ধ তিন বন্দর
গুমে মৃত্যুদণ্ড, বন্ধ তিন বন্দর

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে নগদ টাকা লুট
ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে নগদ টাকা লুট

নগর জীবন

‘রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত’
‘রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত’

পূর্ব-পশ্চিম