শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৩ অক্টোবর, ২০২০ ২১:৫৭

তিন বন্ধুর মিতারা

তানভীর আহমেদ

তিন বন্ধুর মিতারা

জাপানিজ শব্দ মিতারা মানে সম্ভব হলে দেখেন বা দেখবেন। দুই বাংলাদেশি, এক জাপানি অধিবাসী বন্ধুর চিন্তার ফসল ‘মিতারা’। বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে জাপানে সুপরিচিত করে তুলতেই এই উদ্যোগ। মিতারা ব্র্যান্ডের তিন বন্ধু আনিসুর রহমান, সাদিয়া শারমিন ও হিরো তাকাহাশি। আনিসুর রহমান পেশায় ফ্যাশন ডিজাইনার। সাদিয়া শারমিন পেশায় শিল্পী, শিশুসংগঠক ও শিল্প প্রশিক্ষক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের কারুশিল্প বিভাগ থেকে এমএফএ করেছেন। হিরো তাকাহাশি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট নিয়ে জাপানে পড়াশোনা করেছেন। দেশ ও ব্যক্তিবিশেষে পার্থক্য থাকলেও তাদের ভাবনার শুরুটা বাংলাদেশ-জাপানের শিল্প-সংস্কৃতি বিনিময় ও ফ্যাশন নিয়ে। তারা ফ্যাশনের পাশাপাশি প্রাধান্য দিয়েছেন দেশীয় সংস্কৃতির দিকে। এ ছাড়া ভিনদেশি বন্ধুরা যখন সংস্কৃতি বিনিময়ের মধ্য দিয়ে যাবে তারাও আমাদের সম্পর্কে আরও বিশদ জানতে পারবেন। এ সময় বিশ্বজুড়ে অপরিহার্য অনুষঙ্গ মাস্ক। তাই সংস্কৃতি উপস্থাপনের প্রথম ধাপ হিসেবে তারা মাস্কই বেছে নিয়েছেন। তারা মাস্কে ফুটিয়ে তুলেছেন দেশীয় সংস্কৃতি। তাদের মাস্কের নকশায় ফুটে উঠেছে- বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকিট, নকশিকাঁথা, লুডু খেলা, আলপনা ও ফুল-পাখি। মজার বিষয় হলো মিতারার সঙ্গে ‘মনসিজ আর্ট একাডেমি’র পাঁচ শিশুশিল্পীও কাজ করেছেন। শিশুদের চিন্তাগুলোও ফুটে উঠছে মাস্কের নকশায়। বর্তমান প্রজন্মে সংস্কৃতির নির্ভরতা বাড়লে বাড়বে লোক-কারুশিল্পের প্রসার।  মিতারার লক্ষ্য ভিন্নধর্মী পণ্যের বহুমুখী ব্যবহার কাজে লাগিয়ে চাহিদা বৃদ্ধি। অন্যদিকে জাপানের টেকনোলজি কাজে লাগিয়ে কীভাবে পণ্যের উৎপাদন বাড়ানো যায় তা।


আপনার মন্তব্য