শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২১ জুন, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২০ জুন, ২০১৯ ২৩:২২

সেঞ্চুরির বিশ্বকাপ

ক্রীড়া প্রতিবেদক

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দল যখন ভীষণ চাপে, জয় যখন সংশয়ে, তখনই নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের পিতার দায়িত্ব পালন করেন কেন উইলিয়ামসন। সামনে থেকে লড়াকু মেজাজে অসাধারণ এক সেঞ্চুরি তুলে চলতি বিশ্বকাপে ব্ল্যাক ক্যাপসদের চার নম্বর জয় উপহার দেন। বিশ্বকাপ ক্রিকেট যখন      বৃষ্টিবাধায় পড়ছে প্রতিনিয়ত, তখন রান বন্যায় ভাসছে ম্যাচগুলো। ব্যাটসম্যানরাও রান উৎসবে মাতছেন প্রতি ম্যাচে। অলিখিত লড়াইয়ে মেতে উঠে দুটি করে সেঞ্চুরি করছেন সাকিব আল হাসান, ডেভিড ওয়ার্নার, জো রুট ও রোহিত শর্মা। ২৬ ম্যাচে এখন পর্যন্ত সেঞ্চুরি হয়েছে ১৪টি। গতকাল নটিংহ্যামশায়ারে বাংলাদেশের বিপক্ষে চলতি আসরে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৬৬ রানের ইনিংস খেলেছেন ওয়ার্নার। বিশ্বকাপের শুরুতে ব্যাটসম্যানদের তালিকায় ছিলেন না সাকিব। কিন্তু ক্রিকেট মহাযজ্ঞ শুরুর খোলশ ছেড়ে বেরিয়ে সব আলো কেড়ে নেন নিজের দিকে। অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের আগে চার ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছেন ২টি এবং হাফসেঞ্চুরিও ২টি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয়ী ম্যাচে খেলেন ৭৫ রানের নানন্দিনক ইনিংস। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে লড়াকু ম্যাচে ৬৪ রান করেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একপেশে লড়াইয়ে সাকিব খেলেন ১২১ রানের দুরন্ত এক সেঞ্চুরি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে রেকর্ড গড়া ম্যাচে খেলেন ১২৪ রানের হার না মানা ইনিংস। বল ডক্টরিংয়ে জড়িত থাকায় এক বছর নিষিদ্ধ ছিলেন ওয়ার্নার। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরেন বিশ্বকাপ দিয়ে। ৬ ম্যাচে তার রান ৪৪৭। সেঞ্চুরি ২টি। ১০৭ পাকিস্তানের বিপক্ষে এবং গতকাল ১৬৬ রানের অসাধারণ ইনিংসটি খেলেন ১৪৭ বলে ১৪ চার ও ৫ ছক্কায়। ইংলিশ ওপেনার রুট ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১০০ এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে ১০৭ রান করেন। ভারতের রোহিত শর্মাও সেঞ্চুরি করেছেন ২টি। ১২২ রানের অপরাজিত ইনিংস দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ১৪০ রান করেন চির প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিপক্ষে। গতকাল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ হারলেও মুশফিক হার না মানা ১০২ রান করেছেন।


আপনার মন্তব্য