শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৩ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:৫০

সেলাই নিয়েই মাঠে নামছেন মাশরাফি

এলিমিনেটরে মুখোমুখি ঢাকা-চট্টগ্রাম

ক্রীড়া প্রতিবেদক

সেলাই নিয়েই মাঠে নামছেন মাশরাফি

খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ফিল্ডিংয়ে বাঁ হাতের তালু ফেটে যায়। রক্তাক্ত হাত নিয়ে মাঠ ছাড়েন। সেলাই পড়েছে ১৪টি। এমন ইনজুরি নিয়ে যে কোনো ক্রিকেটারই বিশ্রামের কথা ভাববেন। কিন্তু পর্বতসমান দৃঢ় মানসিকতার মাশ্রাফি বিন মর্তুজা ইনজুরিতে সে পথে হাঁটতে রাজি নন। ইনজুরিকে  তোয়াক্কা না করে আজ চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে মরণপণ ম্যাচে খেলতে চাইছেন। বঙ্গবন্ধু বিপিএলের এলিমিনেটর ম্যাচে মাশ্রাফির ঢাকা প্লাটুনের প্রতিপক্ষ মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের চট্টগ্রাম। জয়ী দল ১৫ জানুয়ারি দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার্সে মুখোমুখি হবে রাজশাহী রয়্যালস ও খুলনা টাইগার্সের পরাজিত দলের বিপক্ষে। তালুতে ১৪ সেলাই থাকার পরও মাশ্রাফির খেলবেন শুনে বিস্মিত অনেকেই। কিন্তু ইস্পাতসম দৃঢ়তার টাইগার ওয়ানডে অধিনায়ক খেলবেন বলেই জানিয়েছেন, ‘ডাক্তারের পরামর্শ্ব নিয়েই খেলতে নামব। আশা করি কোনো সমস্যা হবে না।’ ভাঙা হাতে খেলার বহু ইতিহাস আছে ক্রিকেটারদের। গত বছর এশিয়া কাপে হাতে ব্যান্ডেজ নিয়ে এক হাতে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং করেছিলেন তামিম ইকবাল।

২০৩ রান করেও খুলনার বিপক্ষে হেরে যায় ঢাকা। সত্যি বলতে কি ঢাকাকে একাই হারিয়ে দেন নাজমুল হোসেন শান্ত। বঙ্গবন্ধু বিপিএলে বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরি করেন তিনি। জিতলে রান রেটে কোয়ালিফাইয়ার্স খেলার সম্ভাবনা থাকত ঢাকার। কিন্তু হেরে এলিমিনেটর ম্যাচ খেলবে আজ। ম্যাচের প্রতিপক্ষ মাহমুদুল্লাহ, ইমরুল কায়েসদের বিপক্ষে আন্ডারডগ হয়ে খেলতে নামবেন মাশ্রাফিরা। অবশ্য চট্টগ্রামের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের দুই ম্যাচেই মাথা নিচু করে মাঠ ছেড়েছিল মাশ্রাফি বাহিনী। জহুর আহমেদ চৌধূরী স্টেডিয়ামে প্রথম মুখোমুখিতে ১৬ রানে জিতেছিল চট্টগ্রাম। প্রথমে ব্যাট করে লেন্ডল সিমন্সের ৫৭ ও মাহমুদুল্লাহর ৫৯ রানে ভর করে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২২১ রান করেছিল চট্টগ্রাম। জবাবে ২০৫ রানে থেমেছিল ঢাকার ইনিংস। ঢাকার পক্ষে ৫২ রান করেছিলেন মুমিনুল হক সৌরভ। ইনফর্ম মুমিনুল পরশু দিন খুলনার বিপক্ষে ৯১ রান করেন। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় মুখোমুখিতে ঢাকাকে ৬ উইকেট হারান মাহমুদুল্লাহরা। লো- স্কোরিং ম্যাচে ঢাকার ১২৪ রান চট্টগ্রাম টপকে যায় ১০ বল হাতে রেখে। আজ বঙ্গবন্ধু বিপিএলে দুই দল তৃতীয়বার পরস্পরের মুখোমুখি হচ্ছে। হারলেই ছিটকে পড়বে আসর থেকে এবং জয় পেলে আশা টিকে থাকবে ১৭ জানুয়ারি ফাইনালের।


আপনার মন্তব্য