শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২১:৪১

করোনা আতঙ্কে বিশ্ব

তানভীর আহমেদ

করোনা আতঙ্কে বিশ্ব

এক চীনা শ্রমিকের মাধ্যমে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয় ইরান, খবর আল জাজিরার। এর পরই ইরানের দুটি শহরে বন্ধ করে দেওয়া হয় স্কুল-কলেজ, বাজার, অফিস। মাত্র ছয় দিনে ১৫ জনের মৃত্যু, ৬১ জন আক্রান্তের পর পাল্টে গেছে দেশটির চিত্র। ইরাক সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে। সীমান্তে জরুরি অবস্থা জারি করেছে পাকিস্তান।  কুয়েত দ্রুত ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছে তাদের নাগরিকদের। সৌদি দিয়েছে ইরান ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা। হঠাৎ ইরানে করোনার ছোবলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও উদ্বিগ্ন...

 

মহামারী রূপ নিচ্ছে করোনাভাইরাস

কভিড-১৯ বা করোনাভাইরাস মহামারী রূপ নিচ্ছে। গত বছরের শেষ দিনটিতে চীনের উহান নগরে প্রথম এ ভাইরাসের দেখা মেলে। প্রাণঘাতী ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছে ৩৪ দেশে। শুধু চীনেই মারা গেছেন প্রায় ২ হাজার ৬৬৪ জন। আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ৮০ হাজার। যুক্তরাজ্য, কানাডা, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান, লেবানন, মিসর, ইতালি, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বব্যাপী করোনায় আক্রান্তের খোঁজ পাওয়ার পর সব হিসাব পাল্টে গেছে। কোনোভাবেই ভাইরাসটি আটকানো যাচ্ছে না। বাড়ছে আতঙ্ক...

১০ দিনে পাল্টে গেল সব একঘরে হয়ে পড়ছে ইরান

১১ ফেব্রুয়ারি ইরানের সরকার জানাল তাদের দেশে করোনা আক্রান্ত কোনো রোগীর খোঁজ পাওয়া যায়নি। সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা জোরালো ছিল তবু আটকানো গেল না ভাইরাসকে। ইরানের কোম শহরে চীনা শ্রমিকদের আনাগোনা। সেখান থেকেই ছড়িয়ে পড়ল ভাইরাসটি। ২৫ ফেব্রুয়ারি ইরানে করোনা আক্রান্ত ৬১ জন। এ সংখ্যা বাড়ছেই। মারা গেছেন ১৫ জন। উদ্বেগ ও মৃত্যুভয়ে ইরানবাসী তো বটেই পুরো বিশ্ব কাঁপছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, মুরতজা রহমান জাদেহ নামে এক ইরানি কর্মকর্তাও এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি রাজধানী তেহরানের ১৩ নম্বর জেলার মেয়র। এখন পর্যন্ত ইরানের কোম, তেহরান ও গিলান প্রদেশে এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। অন্য শহরগুলোও আর নিরাপদ নয়। জনগণকে সুস্থ ও নিরাপদ রাখতে উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ভাইরাস সংক্রমণ এলাকায় স্কুল-কলেজ-সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে ইরানে সব ফ্লাইট বাতিল করেছেন কুয়েতের সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ। ইরান থেকে বিদেশি পর্যটকদের কুয়েত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। পাকিস্তান ইরানের সঙ্গে সীমান্তবর্তী সব জেলায় জরুরি অবস্থা জারি করেছে। ইরান থেকে সীমান্ত দিয়ে যারা পাকিস্তানে আসছেন তাদের শারীরিক পরীক্ষা করা হচ্ছে। সব নাগরিক ও প্রবাসীদের ইরান ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। ইরানের সঙ্গে সীমান্ত সংযোগ বন্ধ করে দিয়েছে ইরাক। করোনার কারণে একঘরে হয়ে পড়ছে ইরান।

 

প্রাণভয়ে জনশূন্য দক্ষিণ কোরিয়া, দিন গেলেই  আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ

চীনের বাইরে করোনার সবচেয়ে ভয়াবহতা দেখা যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ায়। আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ৯৭৭ জন। ১১ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে, সংখ্যার হিসাব বাড়ছেই। ছয় দিনের ব্যবধানে যেভাবে সেখানে নতুন করে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে তাতে যে কারও কপালে ভাঁজ পড়তে পারে। আক্রান্ত ১৪৪ জনের আলাদা করে চিকিৎসা শুরু করা হয়েছে। দিন পেরোতে না পেরোতে দ্বিগুণ হারে বাড়ছে রোগী। দেশটির প্রেসিডেন্ট এরই মধ্যে সব ধরনের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানসহ যে কোনো জনসমাগম এড়িয়ে চলতে তার নাগরিকদের আহ্বান করেছেন। কীভাবে দক্ষিণ কোরিয়ায় রাতারাতি এ রোগ ছড়িয়ে পড়ল তা নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায়। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর দায়েগুর একটি ধর্মীয় গোষ্ঠী এবং একটি হাসপাতালের সঙ্গে সম্পৃক্তদের মাধ্যমেই রোগটি ছড়িয়ে পড়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এরপরই দায়েগু ও তার পার্শ্ববর্তী চেওংডোকে স্পেশাল কেয়ার জোন ঘোষণা করা হয়। ২ লাখ মানুষকে পরীক্ষা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আতঙ্কে দায়েগু শহরের সব রাস্তা ফাঁকা হয়ে গেছে। ওই শহরে একটি চার্চে প্রার্থনায় যোগ দেওয়া দেড় শতাধিক মানুষের মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়ে। দেশটিতে ইতিমধ্যে ৯ হাজার নাগরিককে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। তারা বাড়িতেই আলাদাভাবে থাকছেন। ভাইরাস ছড়িয়েছে রাজধানী সিউলেও। একাধিক শহরে শপিং মল, সিনেমা হল বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে সাধারণ মানুষকে। প্রাণভয়ে জনশূন্য দক্ষিণ কোরিয়া।

 

করোনায় কাঁপছে ইতালি

সাতজনের মৃত্যু ও ২৭০ জন আক্রান্তের পর ইতালির চেহারা বদলে গেছে। যারা আক্রান্ত হয়েছে তাদের প্রায় সবাই স্কুল, বার, খেলার মাঠ এবং হাসপাতালের মতো জনবহুল স্থানে যাতায়াত করেছিল। ইতালির রোম, লম্বারডি ও ভেনেতো শহরে করোনাভাইরাসে প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় দেশটির প্রায় ১২টি শহরে ৫০ হাজার মানুষকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। লোম্বারডি এবং ভেনেতোর ডজনখানেক শহরকে লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে। ওই দুটি এলাকায় বিশেষ অনুমতি ছাড়া কেউ প্রবেশ করতে বা সেখান থেকে কেউ বাইরে বের হতে পারবেন না। আতঙ্ক আর প্রাণভয়ে ঘর থেকে বের হচ্ছে না কেউ। বিমানবন্দর, রেল স্টেশন এমনকি ক্ষেত্র বিশেষে বাসে করে এক শহর থেকে আরেক শহরে যাতায়াতের সময় মেডিকেল সার্টিফিকেট দেখানোর নিয়ম জারি করে দেশটির সরকার। ইতিমধ্যে শতাধিক মানুষকে আলাদা করে রাখা হয়েছে। তাদের পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

 

আরব আমিরাতে , সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশি আক্রান্ত

সংযুক্ত আরব আমিরাতে একজন ও সিঙ্গাপুরে পাঁচজন করোনা আক্রান্ত বাংলাদেশির কথা এ পর্যন্ত জানা গেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে দুজন নতুন করে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়; যাদের একজন বাংলাদেশি। এ নিয়ে দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ জনে। আক্রান্ত বাংলাদেশি চীন ভ্রমণ করেননি। চীন ফেরত কোনো ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত বাংলাদেশির খবর পাওয়া যায় সিঙ্গাপুরে।

৮  ফেব্রুয়ারি সিঙ্গাপুরে প্রথম একজন বাংলাদেশির করোনাভাইরাসে আক্রান্তের বিষয়টি চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেন। পরে তাকে দ্য ন্যাশনাল সেন্টার অব ইনফেকশাস ডিজিসেসে (এনসিআইডি) স্থানান্তর করা হয়। সিঙ্গাপুরে আরও চার বাংলাদেশি এ ভাইরাসে আক্রান্ত হন। এ পাঁচজনই সেলেটার অ্যারোস্পেস হাইটসের নির্মাণশ্রমিক। তারা কখনো চীনে যাননি। সব মিলিয়ে এখন সিঙ্গাপুরে ৪৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত।

 

 

জাপানে নোঙর করা সেই প্রমোদতরী থেকে সুস্থ ভেবে নেমে গেছেন আক্রান্তরাও

ঠিকমতো পরীক্ষা না করেই জাপানে নোঙর করা করোনা আক্রান্ত প্রমোদতরী থেকে প্রায় ২৩ জন নেমে গেছেন। নতুন এক করোনা আক্রান্ত রোগীর ইতিহাস ঘাঁটতে গিয়ে এ তথ্য বের হয়ে আসে। ঘটনার কথা স্বীকার করেছে জাপান। জাপানের ইয়োকোহামায় ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে ছিল ডায়মন্ড প্রিন্সেস প্রমোদতরী। জাহাজটি থেকে হংকংয়ে নেমে যাওয়া এক যাত্রীর শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়ার পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ৩ হাজার ৭০০ যাত্রী ছিল প্রমোদতরীতে। করোনায় মারা যান চারজন। এ ছাড়া ৬৯১ জন করোনা আক্রান্ত রোগীর খোঁজ মেলে। তাদের চিকিৎসা দেওয়া ও সুস্থদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা শুরু হয়। ডায়মন্ড প্রিন্সেসে একাধিক দেশের নাগরিক ছিল। এই যাত্রীরা সারা বিশ্বে ভাইরাস ছড়ানোর ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন বিশেষজ্ঞরা। প্রমোদতরীটি চীনের বাইরে সবচেয়ে বড় জমায়েতে করোনা আক্রান্ত স্থান বলে চিহ্নিত হয়। জাহাজের ভিতরে করোনাভাইরাস সংক্রমিত হওয়ার হার বেড়ে যাওয়ায় বেশ কয়েকটি দেশ তাদের নাগরিকদের সরিয়ে নেয়। যুক্তরাষ্ট্র কয়েকশ নাগরিককে জাহাজটি থেকে নিজ দেশে ফিরিয়ে নেয়। এরপর তাদের সেখানে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। আক্রান্ত ১৪ রোগীকেও ফিরিয়ে নেয় যুক্তরাষ্ট্র। জাপানের উপকূলে কোয়ারেন্টিন করে রাখা প্রমোদতরী ডায়মন্ড প্রিন্সেসের ৬৯১ জনসহ দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সংখ্যা হয়েছে আরও ১৬০ জন। দেশটিতে মারা গেছেন একজন।

 

চীন এখন মৃত্যুপুরী

চীন এখন ভুতুড়ে শহরের দেশ। চীনের উহান নগরীর জীবন্ত পশু-প্রাণী কেনাবেচার একটি বাজার থেকে ছড়িয়ে পড়ে কভিড-১৯ বা করোনাভাইরাসটি। গতকাল চীন সরকার নতুন করে ৫১৩ জন নতুন রোগীর খোঁজ পেয়েছে। সবমিলিয়ে দেশটিতে ৭৭ হাজার ৬৬৩ জন আক্রান্ত ও ২ হাজার ৬৬৪ জন মৃত্যুর খবর পাওয়া গেল। খবর ওয়াশিংটন পোস্টের। চীনের উহানে তিনটি ক্রুজ শিপ দাঁড়িয়েছে নগরে আক্রান্ত রোগীদের সেবা দিতে। উহানে ২৯ বছর বয়সী এক চিকিৎসক গতকাল মারা গেছেন করোনায়। চীন ছাড়া করোনাভাইরাসটি সবচেয়ে বেশি আতঙ্ক ছড়িয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া ও ইরানে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এ নিয়ে উদ্বিগ্ন। দক্ষিণ কোরিয়ায় গতকাল সর্বোচ্চ সতর্কতা রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। ইরানে ১৫ জন মারা গেছেন। চীনের বাইরে করোনায় ইরানে সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা ঘটল।

 

কোন দেশে কতজন

অস্ট্রেলিয়া : অস্ট্রেলিয়ায় ২২ জন আক্রান্ত হয়েছে। এদের বেশিরভাগই চীন থেকে এসেছে। সাতজন আক্রান্তকে উদ্ধার করা হয়েছে জাপানের প্রমোদতরী থেকে।

বেলজিয়াম : ফেব্রুয়ারির ৪ তারিখ তারা একজন আক্রান্তের কথা নিশ্চিত করে।

কম্বোডিয়া : জানুয়ারির ২৭ তারিখ কম্বোডিয়া একজন আক্রান্তের তথ্য প্রকাশ করে।

কানাডা : এ পর্যন্ত ১১ জন আক্রান্তের খবর রয়েছে তাদের কাছে। করোনায় আক্রান্ত ৬ জন ব্রিটিশ-কলম্বিয়ান।

মিসর : ফেব্রুয়ারির ১৪ তারিখ তারা প্রথম আক্রান্তের দেখা পান। আফ্রিকায় প্রথম রোগীর সন্ধান এটি।

ফিনল্যান্ড : জানুয়ারির ২৯ তারিখ এক চীনা পর্যটক হাসপাতালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হন।

ফ্রান্স : ফ্রান্সে এ পর্যন্ত ১২ জন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। এদের মধ্যে পাঁচজন ব্রিটিশ নাগরিক। একজন মারা গেছেন।

জার্মানি : ১৬ জন আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গেছে জার্মানিতে। আক্রান্ত সবাই একটি অটোপার্টস তৈরির কারখানায় কাজ করতেন। চীনা সহকর্মীর মাধ্যমে তারা আক্রান্ত হন বলে জানা যায়।

আফগানিস্তান : ১ জন আক্রান্তের তথ্য রয়েছে এখানে।

ভারত : চীনের উহান থেকে ফিরে আসা তিনজন আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া যায় ভারতে।

ইরান : ইরানে ৬১ জন আক্রান্তের কথা জানা গেছে। মারা গেছেন ১৫ জন।

ইসরায়েল : জাপানের প্রমোদতরী থেকে করোনা আক্রান্ত এক ইসরায়েলিকে উদ্ধার করা হয়। মোট আক্রান্ত ২ জন।

ইতালি : তিনটি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে ইতালিতে ২৭০ জন আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গেছে। মারা গেছে ৭ জন।

জাপান : জাপানে নোঙর করা প্রমোদতরীতে ৬৯১ জন ও  দেশে করোনা আক্রান্ত ১৬০ জন। মারা গেছেন একজন।

লেবানন : লেবাননে করোনা আক্রান্তের খোঁজ মেলে ফেব্রুয়ারির ২১ তারিখ। আক্রান্ত রোগী ইরান থেকে দেশটিতে এসেছিলেন।

মালয়েশিয়া : সব মিলিয়ে মালয়েশিয়ায় ২২ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে ১৫ জন এখন সুস্থ।

নেপাল : জানুয়ারির ২৪ তারিখ নেপালে একজন আক্রান্তের খোঁজ মেলে। তিনি চীনের উহান থেকে এসেছিলেন।

ফিলিপাইন : চীনের বাইরে করোনায় প্রথম মৃত্যু হয় ফিলিপাইনে। এখানে তিনজন আক্রান্তের খবর রয়েছে।

রাশিয়া : রাশিয়ায় দুজন চীনা নাগরিক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। তারা এখন সুস্থ।

সিঙ্গাপুর : ৯০ জন আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া যায়। এদের মধ্যে ৪৯ জন এখন সুস্থ।

দক্ষিণ কোরিয়া : ৯৭৭ জন আক্রান্ত হয়েছে। ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্পেন : স্পেনে ৩ জন আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া যায়।

শ্রীলংকা : ২৭ জানুয়ারি শ্রীলংকায় একজন আক্রান্তের খোঁজ মেলে।

সুইডেন : ৩১ জানুয়ারি সুইডেনে একজন করোনা আক্রান্ত রোগী রয়েছে বলে জানায়।

তাইওয়ান : তাইওয়ানে ৩১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন একজন।

ওমান : ওমানে ২ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

থাইল্যান্ড : থাইল্যান্ডে ৩৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাত : সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৩ জন আক্রান্তের তথ্য পাওয়া গেছে।

যুক্তরাজ্য : যুক্তরাজ্যে মোট ১৩ জন করোনা আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া যায়। এখানেই প্রথম করোনা আক্রান্ত কোনো রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন।

যুক্তরাষ্ট্র : যুক্তরাষ্ট্রে ৫৩ জন করোনা আক্রান্ত রোগী রয়েছে। এদের বেশিরভাগই জাপানের প্রমোদতরী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

ইরাক : ইরাকে ১ জন আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে।

ভিয়েতনাম : ভিয়েতনামে ১৬ জন আক্রান্তের কথা জানা গেছে। তাদের কোয়ারেন্টিন করে রাখা হয়েছে।

হংকং : আক্রান্ত ৮১ জন। মারা গেছে ২ জন।

ম্যাকাও : ম্যাকাওতে আক্রান্ত ১০ জন।

বাহরাইন : বাহরাইনে আক্রান্ত হয়েছেন ৮ জন।

কুয়েত : কুয়েতে আক্রান্ত রোগী ৮ জন।

অস্ট্রিয়া : অস্ট্রিয়াতে ১ জন আক্রান্ত।

 

► ২৫ ফেব্রুয়ারি সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী।

সূত্র : ওয়ার্ল্ডওমিটার ডট ইনফো


আপনার মন্তব্য