শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:০০, শনিবার, ০৫ মার্চ, ২০২২

বন বিভাগ জানে না সঠিক সংখ্যা

সংকটে সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী

শেখ আহসানুল করিম, বাগেরহাট
অনলাইন ভার্সন
সংকটে সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী

দেশের অক্সিজেনের ভান্ডারখ্যাত বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের অনেক বন্যপ্রাণীর অবস্থা এখন সংকটাপন্ন। ১৯৯৭ সালের পর একমাত্র রয়েল বেঙ্গল টাইগার ছাড়া অন্যসব বন্যপ্রাণীর কোনো শুমারি হয়নি। যার পরিপ্রেক্ষিতে সুন্দরবনের হরিণ, বানর, শূকর, উদবিড়ালসহ অন্যসব বন্যপ্রাণীর হালনাগাদ তথ্য নেই বন বিভাগের কাছে। জলবায়ু পরিবর্তনে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি ও পরিবেশ দূষণ, ঘূর্ণিঝড় জলোচ্ছ্বাসসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, চোরা শিকারি, কাঠ পাচারকারী ও আগুন দস্যুদের কারণে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে এই বনের প্রাণপ্রকৃতি। আর নদী-খালে বিষ দিয়ে জেলেরা মাছ ধরায় মাছ, কাঁকড়া, প্রায় বিলুপ্ত প্রজাতির ইরাবতিসহ ছয় প্রজাতির ডলফিন জলজপ্রাণী হুমকির মুখে পড়েছে। দীর্ঘ বছর ধরে বন্যপ্রাণী বাড়ছে, নাকি কমছে, তাও অজানা বন বিভাগের। অথচ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনার জন্য হালনাগাদ সংখ্যা ও অবস্থা জানা খুবই জরুরি। অথচ বন বিভাগ জানে না, সুন্দরবনে কত বন্যপ্রাণী রয়েছে। দেশের সংরক্ষিত বনের ৫২ ভাগই সুন্দরবন হলেও এই ম্যানগ্রোভ বন নিয়ে কর্তৃপক্ষ সময়োপযোগী ব্যবস্থা না নেওয়ায় ইতোমধ্যে বিলুপ্ত হয়ে গেছে এক প্রজাতির বন মহিষ, দুই প্রজাতির গন্ডার, দুই প্রজাতির হরিণ, মিঠাপানি প্রজাতির কুমির, চিতাবাঘ ও চার প্রজাতির পাখি। তারপরও ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতবিক্ষত হয়েও সন্তানের মতো উপকূলের কোটি কোটি মানুষকে নিরাপদ রাখা সুন্দরবন নিজেই ভালো নেই। অবশ্য, বন বিভাগ বলছে তারা আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট প্যাট্রলিংসহ সুন্দরবনের প্রাণপ্রকৃতি সুরক্ষায় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সুন্দরবন বিভাগ বলছে, এই ম্যানগ্রোভ বনের বাংলাদেশ অংশের আয়তন ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার। রাত দিন ২৪ ঘণ্টায় ছয় বার প্রাকৃতিক রূপ বদলানো সুন্দরবনের মোট আয়তনের ৫২ ভাগই ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ সাইড (বিশ্ব ঐতিহ্য এলাকা)। বঙ্গোপসাগরের পানিতে দিনে দুবার প্লাবিত সুন্দর বনের আয়তনের ৩১ দশমিক ১৫ ভাগই হচ্ছে জলাভূমি। বিশ্বের সর্ববৃহৎ এই জলাভূমি ‘রামসার’ এলাকা হিসেবে স্বীকৃত। বিশ্বের অন্যান্য ম্যানগ্রোভ বনের তুলনায় সুন্দরবন জীববৈচিত্র্য অধিকতর সমৃদ্ধ। সুন্দরীসহ এই বনে রয়েছে ৩৩৪ প্রজাতির গাছপালা, ১৬৫ প্রজাতির শৈবাল ও ১৩ প্রজাতির অর্কিড। সুন্দরবনে বাঘ, হরিণ, কুমির, কিং কোবারা, বিলুপ্তপ্রায় ইরাবতিসহ ছয় প্রজাতির ডলফিন, ৩৭৫ প্রজাতির বন্যপ্রাণী ও ২১০ প্রজাতির মৎস্য সম্পদ রয়েছে। সুন্দরবন ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছ্বাসের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে যেমন ক্ষতবিক্ষত হয়ে সন্তানের মতো উপকূলের কোটি কোটি মানুষকে নিরাপদ রাখে, তেমনি এই জনপদের লাখ লাখ মানুষের জীবিকা নির্বাহের অবলম্বন হিসেবেও কাজ করে। সুন্দরবন সুরক্ষায় সরকার ১৯৯৫ সালে এই বন সন্নিহিত এলাকাকে ‘প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করে। এই নির্দেশনা উপেক্ষা করে সেখানে গড়ে ওঠা শিল্পের বর্জ্যে বনের প্রাণপ্রকৃতি হুমকির মুখে পড়েছে। লোকালয়ের কাছে সুন্দরবন এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় চোরা শিকারিদের হাতে মারা পড়ছে বাঘ-হরিণসহ বন্যপ্রাণী। বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবনে ২০০১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বন বিভাগের হিসাবে ৫৫টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে মাত্র ১৭টির। অধিক মুনাফার আশায় বাঘের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, চামড়া, হাড়, দাঁত, নখ পাচার চোরা শিকারিদের নিত্য দিনের ঘটনায় দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া এক শ্রেণির জেলে খালে বিষ ও বনে আগুন দিয়ে মিঠাপানির মাছ আহরণ করে হুমকিতে ফেলেছে সুন্দরবনের মৎস্য ভান্ডারকেও। পাশাপাশি গত কয়েক বছর ধরে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব পড়েছে সুন্দরবনে। উজান থেকে মিঠা পানির প্রবাহ না থাকায় জলবায়ু পরিবর্তনে সমুদ্রে পানির উচ্চতা বাড়ছে। এখন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছাড়াও পূর্ণিমা ও অমাবস্যার জোয়ারে সুন্দরবনের সবচেয়ে উঁচু এলাকা করমরজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রও ২ থেকে ৩ ফুট পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। পানিতে নষ্ট হচ্ছে বন্যপ্রাণীর ডিম। এতে কুমিরসহ যেসব বন্যপ্রাণী ডিম থেকে বাচ্চা ফুটিয়ে বংশ বিস্তার করে তা ব্যাহত হচ্ছে। ১৯৯৭ সালের পর থেকে বাঘ ছাড়া হরিণসহ অন্যসব বন্যপ্রাণীর কোনো জরিপ হয়নি। এতে খোদ বন বিভাগও জানে না, কোন প্রজাতির কতটি প্রাণী সুন্দরবনে রয়েছে। ২০১৮ সালের সর্বশেষ জরিপে সুন্দরবনে ১০৬ থেকে বেড়ে বাঘের সংখ্যা ১১৪ টিতে দাঁড়ায়। সেভ দ্য সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও সুন্দরবন গবেষক ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, বন্যপ্রাণীর খাদ্য শৃঙ্খলের অবস্থা ও বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনার জন্য সুন্দরবনে কোন বন্যপ্রাণী কতটি রয়েছে তা জানা খুবই জরুরি। বন সংরক্ষণ ও সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য নির্দিষ্ট সময়ে বণ্যপ্রাণীদের ওপর জরিপ পরিচালনা করা উচিত। বন্যপ্রাণীর সঠিক তথ্য না থাকায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়াসহ সুন্দরবনের ওপর পর্যটকদের চাপ কমানো ও ইসিএভুক্ত এলাকায় নতুন করে শিল্পকলকারখানা নির্মাণ বন্ধ করতে হবে। এই ম্যানগ্রোভ বনে লোকবলসহ নৌযানের সংখ্যা বৃদ্ধি, বনের ওপর নির্ভরশীলদের বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, কঠোরভাবে চোরা শিকারি, কাঠ পাচারকারী ও বনে আগুন দিয়ে সম্পদ লুটেরাদের দমন করতে না পারলে সুন্দরবনের প্রাণপ্রকৃতি রক্ষা করা যাবে না। বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাওলাদার আজাদ কবির বলেন, ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার আয়তনের সুন্দরবনে বনভূমি ৪ হাজার ৮৩২ বর্গকিলোমিটার ও জলাভূমি ১ হাজার ১৮৫ বর্গকিলোমিটার। ২০১৫ সালের বাঘ শুমারি অনুযায়ী সুন্দরবনে বাঘ ছিল ১০৬টি। ২০১৮ সালের শুমারিতে ১১৪টি পাওয়া গেছে। ২০১৭ সালের সর্বশেষ সমীক্ষায় কুমিরের সংখ্যা উল্লেখ করা হয় ১৫০-২০৫টি। ওই সমীক্ষায় কুমিরের জন্য সাতটি হুমকি চিহ্নিত করা হয়। সুন্দরবনের হরিণ, বানর, কর, উদবিড়ালের সবশেষ শুমারি হয়েছিল ১৯৯৭ সালে। ওই শুমারির তথ্য অনুযায়ী, বনে হরিণ ছিল ১ থেকে দেড় লাখ, বানর ৪০ থেকে ৫০ হাজার, শূকর ২০ থেকে ২৫ হাজার ও উদবিড়াল ২০ থেকে ২৫ হাজার। এরপর আর এই চারটি বন্যপ্রাণীর কোনো শুমারি হয়নি। ফলে বর্তমান সংখ্যা কিংবা অবস্থা বন বিভাগের জানা নেই। এ ছাড়া সুন্দরবনের গুইসাপ, অজগর, কচ্ছপ, পাখি, বনমোরগসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর কখনো শুমারি হয়নি। ম্যানগ্রোভ এই বনের এত সংকটের মধ্যেও আশার কথা জানিয়ে বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) বলেছেন,  আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট প্যাট্রলিংসহ সুন্দরবনের প্রাণপ্রকৃতি রক্ষার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি ১৫৭ কোটি টাকা ব্যয়ে সুন্দরবন সুরক্ষা প্রকল্পের কাজ শুরু হলে দ্রতই সুন্দরবনের সব বন্যপ্রাণীর জরিপ শুরু হবে। আগামী জুন মাসের মধ্যে ৮৪টি পুকুর খননও পুনঃখননের মাধ্যমে বন্যপ্রাণীর সুপেয় পানির চাহিদা মেটাবে। অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করা হবে। এতে সুন্দরবন অনেক সুরক্ষিত হবে।

 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই বিভাগের আরও খবর
মৎস্যচাষে বৈশ্বিক স্বীকৃতি, শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ
মৎস্যচাষে বৈশ্বিক স্বীকৃতি, শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ
ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনে বদলেছে অনেকের ভাগ্য
ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনে বদলেছে অনেকের ভাগ্য
হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় ফল
হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় ফল
সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী নিধনে চিহ্নিত ১৫০ শিকারী, তালিকা গোয়েন্দা সংস্থার হাতে
সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী নিধনে চিহ্নিত ১৫০ শিকারী, তালিকা গোয়েন্দা সংস্থার হাতে
লক্ষ্মীপুরে অদ্ভুত প্রাণীর বিচরণে বিস্ময়
লক্ষ্মীপুরে অদ্ভুত প্রাণীর বিচরণে বিস্ময়
টেকনাফে বন্যহাতি চলাচলের পথে দেয়াল নির্মাণ, উদ্বেগ পরিবেশকর্মীদের
টেকনাফে বন্যহাতি চলাচলের পথে দেয়াল নির্মাণ, উদ্বেগ পরিবেশকর্মীদের
বোয়ালমারীতে আলুবোখারা চাষ করে সাড়া ফেলেছেন হাবিবুর
বোয়ালমারীতে আলুবোখারা চাষ করে সাড়া ফেলেছেন হাবিবুর
উল্লাপাড়ায় বস্তায় আদা চাষের মাঠ দিবস, চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
উল্লাপাড়ায় বস্তায় আদা চাষের মাঠ দিবস, চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
প্রকৃতিতে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে বর্ষার ফুল
প্রকৃতিতে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে বর্ষার ফুল
নওগাঁয় ফ্রুট ব্যাগের সংকট, বিপাকে আম চাষিরা
নওগাঁয় ফ্রুট ব্যাগের সংকট, বিপাকে আম চাষিরা
এবার ভিন্ন রূপে হাজির হয়েছে আষাঢ় মাস
এবার ভিন্ন রূপে হাজির হয়েছে আষাঢ় মাস
বাসাইলে হাঁসের বাচ্চা বিতরণ ও প্রশিক্ষণ
বাসাইলে হাঁসের বাচ্চা বিতরণ ও প্রশিক্ষণ
সর্বশেষ খবর
নকআউট ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন ইংলিশ ডিফেন্ডার
নকআউট ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন ইংলিশ ডিফেন্ডার

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে চীন-রাশিয়ার সামরিক বিমান প্রবেশ
দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে চীন-রাশিয়ার সামরিক বিমান প্রবেশ

৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তির পরও লেবানন সীমান্তে বোমাবর্ষণ ইসরায়েলের: রিপোর্ট
চুক্তির পরও লেবানন সীমান্তে বোমাবর্ষণ ইসরায়েলের: রিপোর্ট

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল

২০ মিনিট আগে | জাতীয়

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

২২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউট নিশ্চিতের পর সালাহর চোট ঘিরে শঙ্কা
নকআউট নিশ্চিতের পর সালাহর চোট ঘিরে শঙ্কা

২৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরে সফলতার জন্য সংসদে ধন্যবাদ
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরে সফলতার জন্য সংসদে ধন্যবাদ

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৩২ মিনিট আগে | অর্থনীতি

দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর
দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর

৩৬ মিনিট আগে | জাতীয়

‘নতুন কর আবাসন ব্যবসার পথ বন্ধ করে দিবে’
‘নতুন কর আবাসন ব্যবসার পথ বন্ধ করে দিবে’

৩৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

মিশরের সঙ্গে ড্র করেও নকআউটে আশা বাঁচিয়ে রাখল ইরান
মিশরের সঙ্গে ড্র করেও নকআউটে আশা বাঁচিয়ে রাখল ইরান

৩৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

৪৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জাবিতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
জাবিতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

৪৩ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মেহেরপুরে ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার
মেহেরপুরে ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, বাসযোগ্য করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, বাসযোগ্য করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

৫৪ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

রাতে চলাচলে প্রক্টর অফিসের নীতিমালা পোস্ট, সমালোচনায় ডিলিট
রাতে চলাচলে প্রক্টর অফিসের নীতিমালা পোস্ট, সমালোচনায় ডিলিট

৫৭ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

দেশের সব বিভাগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
দেশের সব বিভাগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কালিয়াকৈরে বসুন্ধরা শুভসংঘের নতুন কমিটির আয়োজনে সচেতনতামূলক সভা
কালিয়াকৈরে বসুন্ধরা শুভসংঘের নতুন কমিটির আয়োজনে সচেতনতামূলক সভা

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মার্কিন হামলার পরও সিরিক বন্দরে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি: ইরানি গণমাধ্যম
মার্কিন হামলার পরও সিরিক বন্দরে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি: ইরানি গণমাধ্যম

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি
হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো
তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দৌলতপুর সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক গ্রেফতার
দৌলতপুর সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে নতুন সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের
অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে নতুন সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা
বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা
আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?
দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল
বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা
পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান
আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত
প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের
বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক