শিরোনাম
প্রকাশ: ১৭:৫২, মঙ্গলবার, ০৮ মার্চ, ২০২২

টাঙ্গাইলে ত্বীন ফল চাষে স্বপ্ন বুনছেন জাবিদ

মো. নাসির উদ্দিন, টাঙ্গাইল
অনলাইন ভার্সন
টাঙ্গাইলে ত্বীন ফল চাষে স্বপ্ন বুনছেন জাবিদ

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের কীর্তনখোলা গ্রামের জাবিদ আল মামুন স্বপ্ন বুনছেন ত্বীন ফল চাষ করে। এই ফলের আকার কাকডুমুর-এর চাইতে বড়, এটি একটি জনপ্রিয় মিষ্টি ও রসালো ফল। 

ত্বীন বা আঞ্জির গাছ ৬ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। হিন্দি, মারাঠি, ফার্সি ও উর্দু ভাষায় এই ফলকে আঞ্জির বলা হয় এবং আরবি ভাষায় এর নাম ত্বীন।

পবিত্র  আল কোরআনে 'ত্বীন' (আঞ্জির) নামে একটি সূরা রয়েছে। সেখানে এই ফলকে আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত বা অনুগ্রহরূপে ব্যক্ত করা হয়ে। পৃথিবীর অনেক দেশে এর চাষ হয়, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য এবং পশ্চিম এশিয়ায় এটি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা হয় এবং এটি হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। আফগানিস্থান থেকে পর্তুগাল পর্যন্ত এই ফলের বাণিজ্যিক চাষ হয়ে থাকে। এর আদি নিবাস মধ্যপ্রাচ্য।

ত্বীন ফল চাষি তরুণ উদ্যোক্তা জাবিদ আল মামুন (২৭) উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের কীর্তনখোলা গ্রামের মুস্তাফিজুর রহমানের ছেলে। জাবিদ করটিয়া সরকারি সা'দত কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান থেকে মাস্টার্স শেষ করেছেন। দুই ভাই-বোনের মধ্যে তিনিই বড়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ৩৫ শতাংশ জমির মধ্যে ত্বীন ফলের আবাদ করেছেন জাবিদ। দেখতে আকারে দেশীয় ডুমুরের মতো। ত্বীন ফল বাগানের চারপাশে নেট দিয়েছেন। যাতে করে কোনো পশু-পাখি বাগানের ভিতরে গাছ ও ফল নষ্ট  করতে না পারে। ছোট বড় সকল গাছেই ত্বীন ফল ধরেছে। অনেক গাছেই ত্বীন ফল পাকতে শুরু করছে। প্রথমবারের মতো ত্বীন গাছে ফল আসতে শুরু হওয়ায় দৃষ্টি কেড়েছে স্থানীয়দের। ত্বীন ফল চাষ করে উপজেলায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন তিনি।

ত্বীন ফল চাষি জাবিদ আল মামুন বলেন, ২০১৮ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে করটিয়া সরকারি সা'দত কলেজ থেকে মাস্টার্স পাশ করি। চাকরি না পেয়ে বেকার হয়ে বসেছিলাম বাড়িতে। করোনাকালীন সময় দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা নিম্নমুখী হয়ে পড়ে। তখন অনেকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায় এবং চাকরি হারিয়েছে অনেকেই। করোনাকালীন সময় চিন্তা ভাবনা করি চাকরি না করে কি করা যায়। তখন আমি ইউটিউবে দেখি কুরআনে বর্ণিত ত্বীন ফল চাষ হচ্ছে বাংলাদেশে। খোঁজ নেই কোথায় ত্বীন ফল চাষ হচ্ছে বা পাওয়া যায়। পরে জানতে পারি গাজীপুরে চাষ হচ্ছে ত্বীন ফল। ত্বীন ফলের বিষয়ে কর্মশালায় যোগদান করি গাজীপুর শ্রীপুরে। প্রশিক্ষণ শেষ করে গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে ৬০০ চারা ক্রয় করে বাড়ির পাশে ৩৫ শতাংশ জমিতে রোপন করি। প্রতিটি চারা ক্রয় করতে খরচ হয়েছে ৫২০ টাকা।

তিনি আরও বলেন, প্রথমে কিছুটা শঙ্কায় ছিলাম। পরে কঠোর পরিশ্রম, নিবিড় পরিচর্যা আর কৃষি অফিসের লোকজনের পরামর্শে সফল হয়েছি। দুই মাসের মধ্যে গাছে ত্বীন ফল আসতে শুরু করে। ৬ মাসের মধ্যে ফল বিক্রি শুরু করি। এ বছর ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে ত্বীন ফল পাকতে শুরু করে। প্রতি কেজি ত্বীন ফল বিক্রি করা হয় ৮০০-১০০০ টাকা করে। এ বছর একটি গাছে থেকে ৩-৪ কেজি ফল পাবো। আশা করছি দ্বিতীয় বছর ৭-১০ কেজি ফল আসবে। তিন বছর পর থেকে ১টি গাছে ২০-২৫ কেজি ফলন দিবে। ধারাবাহিকতা বজায় রেখে টানা ৩৫ বছর পর্যন্ত ফল দিতে পারে একটি ত্বীন গাছ। আকারে দেশীয় ডুমুর গুলোর চেয়ে বেশ বড় হয়। পাকলে বেড়ে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ হয়। আঁটি ও বিচিহীন ফলটি আবরণসহ খাওয়া যায়। এ পর্যন্ত ৫০-৬০ কেজি ত্বীন ফল তোলতে পেরেছি। বিক্রি করা হয়েছে ৫০-৫৫ হাজার টাকা। আশা করছি এ বছর ৯-১২ লাখ টাকার ত্বীন ফল বিক্রি করতে পারবো। এছাড়াও ৪-৫ লাখ টাকার কলম চারা বিক্রি করতে পারবো। প্রতিনিয়ত একজন কর্মচারি ত্বীন গাছ পরিচর্যার জন্য রাখা হয়েছে। 

ত্বীন ফল চাষি নুরে আলম বলেন, জাবিদের পরামর্শ নিয়ে আমিও ১৮ শতাংশ জমিতে ২০০ ত্বীন ফলের চারা রোপন করেছি। আমার রোপনকৃত ত্বীন ফল গাছে ত্বীন ফল এসেছে। আমার গাছে ত্বীন ফল পাকতে শুরু করছে। আমিও ত্বীন ফল বিক্রি করতে পারবো। আশা করছি আমিও ত্বীন ফল চাষ করে লাভবান হবো।

স্থানীয় কৃষক হাজী শহীদুল্লাহ বলেন, জাবিদ যখন ত্বীন ফলের বাগান করল। তখন আমার মনে আশা জাগে। পরে জাবিদের কাছে থেকে তিনটি ত্বীন ফলের চারা বাড়িতে নিয়ে টবের মধ্যে রোপন করি। আমার গাছেও ত্বীন ফল এসেছে। আমিও সামনে ত্বীন ফলের চাষ করবো।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিয়ন্তা বর্মন বলেন, সখীপুর উপজেলায় ত্বীন ফল নতুন সংযোজন হয়েছে। এ উপজেলায় ফল চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। মালটা, কলা, কুলসহ অন্যান্য ফসল ও ফল চাষ হচ্ছে । সখীপুরে ত্বীন চাষে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একজন কৃষক ৩৫ শতাংশ জমিতে ত্বীন ফল চাষ করেছেন। আশা করা যাচ্ছে তিনি ভালো ফলন পাবেন। আমাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা ত্বীন ফলের জমিতে গিয়ে নিয়মিত পরিদর্শন করছেন ও পরামর্শ দিচ্ছেন। তাকে দেখে অনেক কৃষক আগ্রহী হচ্ছেন ত্বীন ফল চাষে।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন

এই বিভাগের আরও খবর
বিদেশি জাতের পেঁপে চাষে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা
বিদেশি জাতের পেঁপে চাষে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা
উচ্চ ফলনশীল আমনে নতুন স্বপ্ন
উচ্চ ফলনশীল আমনে নতুন স্বপ্ন
অধ্যাপকের বাড়ির ছাদে দৃষ্টিনন্দন ছাদবাগান
অধ্যাপকের বাড়ির ছাদে দৃষ্টিনন্দন ছাদবাগান
হাতি রক্ষায় ৪০ কোটি টাকার প্রকল্প রেলওয়ের, বসছে সেন্সরযুক্ত রোবটিক ক্যামেরা
হাতি রক্ষায় ৪০ কোটি টাকার প্রকল্প রেলওয়ের, বসছে সেন্সরযুক্ত রোবটিক ক্যামেরা
সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে দুর্লভ কপসিয়া ফুল
সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে দুর্লভ কপসিয়া ফুল
তাক লাগানো জুজুবি বাগান
তাক লাগানো জুজুবি বাগান
আখাউড়ায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে আদর্শ বীজতলা
আখাউড়ায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে আদর্শ বীজতলা
লাল ফলে রঙিন মাঠ
লাল ফলে রঙিন মাঠ
হাঁস খামার করে স্বাবলম্বী আখাউড়ার যুবক
হাঁস খামার করে স্বাবলম্বী আখাউড়ার যুবক
ভাদ্র ফিরেছে স্বরুপে, খরতাপে রাস্তা ফাঁকা
ভাদ্র ফিরেছে স্বরুপে, খরতাপে রাস্তা ফাঁকা
দেশি জাতের মুরগি পালনে ভাগ্যবদল
দেশি জাতের মুরগি পালনে ভাগ্যবদল
ড্রাগন চাষে বাজিমাত
ড্রাগন চাষে বাজিমাত
সর্বশেষ খবর
দেশে প্রথম সবুজ জ্বালানির ব্যবহারে ডেটা সেন্টার চালু করল বাংলালিংক
দেশে প্রথম সবুজ জ্বালানির ব্যবহারে ডেটা সেন্টার চালু করল বাংলালিংক

এই মাত্র | কর্পোরেট কর্নার

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে চারজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫৬৮
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে চারজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫৬৮

২৩ সেকেন্ড আগে | ডেঙ্গু আপডেট

সাবেক মন্ত্রী আব্দুল আলীমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা
সাবেক মন্ত্রী আব্দুল আলীমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কম্বাইন্ড ডিগ্রির দাবিতে পবিপ্রবি’র বরিশাল ক্যাম্পাস শাটডাউন
কম্বাইন্ড ডিগ্রির দাবিতে পবিপ্রবি’র বরিশাল ক্যাম্পাস শাটডাউন

৫ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে জামায়াত
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে জামায়াত

৭ মিনিট আগে | জাতীয়

চার ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল শুরু
চার ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল শুরু

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

১১ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

গ্রিসে আবিষ্কৃত রহস্যময় খুলি মানবজাতির নয়, বিলুপ্ত প্রজাতির?
গ্রিসে আবিষ্কৃত রহস্যময় খুলি মানবজাতির নয়, বিলুপ্ত প্রজাতির?

১৪ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

সাদুল্লাপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০
সাদুল্লাপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১২৯০ জন
সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১২৯০ জন

১৭ মিনিট আগে | জাতীয়

পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধে শুভসংঘের সচেতনতা সভা স্বরূপকাঠিতে
পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধে শুভসংঘের সচেতনতা সভা স্বরূপকাঠিতে

১৯ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১
চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথম ম্যাচ হারলেও সিরিজ জিততে চায় নেদারল্যান্ডস
প্রথম ম্যাচ হারলেও সিরিজ জিততে চায় নেদারল্যান্ডস

২৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাদক মামলায় অটোচালকের যাবজ্জীবন, অস্ত্র মামলায় যুবকের ১০ বছর কারাদণ্ড
মাদক মামলায় অটোচালকের যাবজ্জীবন, অস্ত্র মামলায় যুবকের ১০ বছর কারাদণ্ড

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

দেশে ভোটার ১২ কোটি ৬৩ লাখ
দেশে ভোটার ১২ কোটি ৬৩ লাখ

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

মোংলা-খুলনা জাতীয় মহাসড়ক এখন মৃত্যু ফাঁদ!
মোংলা-খুলনা জাতীয় মহাসড়ক এখন মৃত্যু ফাঁদ!

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মোংলায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
মোংলায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা
পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা

৪৩ মিনিট আগে | জাতীয়

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

৪৪ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

একটি গোষ্ঠী সু-কৌশলে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে : দুদু
একটি গোষ্ঠী সু-কৌশলে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে : দুদু

৪৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

অটোরিকশা চালককে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২
অটোরিকশা চালককে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় অপু গ্রেফতার
কুমিল্লায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় অপু গ্রেফতার

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশ হচ্ছে একটা এক্সিডেন্টের ডিপো: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা
বাংলাদেশ হচ্ছে একটা এক্সিডেন্টের ডিপো: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

৫২ মিনিট আগে | জাতীয়

বিক্ষোভের মুখে চীন সফর বাতিল করলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট
বিক্ষোভের মুখে চীন সফর বাতিল করলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট

৫২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর খুলছে সুন্দরবন, জেলে ও পর্যটন ব্যবসায়ীদের প্রাণচাঞ্চল্য
তিন মাস পর খুলছে সুন্দরবন, জেলে ও পর্যটন ব্যবসায়ীদের প্রাণচাঞ্চল্য

১ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

নাটোরে চোর সন্দেহে সংঘবদ্ধ পিটুনিতে প্রাণ গেল বৃদ্ধের
নাটোরে চোর সন্দেহে সংঘবদ্ধ পিটুনিতে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচন নির্ভর করে রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচন নির্ভর করে রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের জন্য সকল শ্রেণির অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ: ইসি সানাউল্লাহ
অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের জন্য সকল শ্রেণির অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ: ইসি সানাউল্লাহ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

১৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

১২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা
নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

৩৯ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ
এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন