শিরোনাম
প্রকাশ: ১৭:৫২, মঙ্গলবার, ০৮ মার্চ, ২০২২

টাঙ্গাইলে ত্বীন ফল চাষে স্বপ্ন বুনছেন জাবিদ

মো. নাসির উদ্দিন, টাঙ্গাইল
অনলাইন ভার্সন
টাঙ্গাইলে ত্বীন ফল চাষে স্বপ্ন বুনছেন জাবিদ

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের কীর্তনখোলা গ্রামের জাবিদ আল মামুন স্বপ্ন বুনছেন ত্বীন ফল চাষ করে। এই ফলের আকার কাকডুমুর-এর চাইতে বড়, এটি একটি জনপ্রিয় মিষ্টি ও রসালো ফল। 

ত্বীন বা আঞ্জির গাছ ৬ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। হিন্দি, মারাঠি, ফার্সি ও উর্দু ভাষায় এই ফলকে আঞ্জির বলা হয় এবং আরবি ভাষায় এর নাম ত্বীন।

পবিত্র  আল কোরআনে 'ত্বীন' (আঞ্জির) নামে একটি সূরা রয়েছে। সেখানে এই ফলকে আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত বা অনুগ্রহরূপে ব্যক্ত করা হয়ে। পৃথিবীর অনেক দেশে এর চাষ হয়, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য এবং পশ্চিম এশিয়ায় এটি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা হয় এবং এটি হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। আফগানিস্থান থেকে পর্তুগাল পর্যন্ত এই ফলের বাণিজ্যিক চাষ হয়ে থাকে। এর আদি নিবাস মধ্যপ্রাচ্য।

ত্বীন ফল চাষি তরুণ উদ্যোক্তা জাবিদ আল মামুন (২৭) উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের কীর্তনখোলা গ্রামের মুস্তাফিজুর রহমানের ছেলে। জাবিদ করটিয়া সরকারি সা'দত কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান থেকে মাস্টার্স শেষ করেছেন। দুই ভাই-বোনের মধ্যে তিনিই বড়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ৩৫ শতাংশ জমির মধ্যে ত্বীন ফলের আবাদ করেছেন জাবিদ। দেখতে আকারে দেশীয় ডুমুরের মতো। ত্বীন ফল বাগানের চারপাশে নেট দিয়েছেন। যাতে করে কোনো পশু-পাখি বাগানের ভিতরে গাছ ও ফল নষ্ট  করতে না পারে। ছোট বড় সকল গাছেই ত্বীন ফল ধরেছে। অনেক গাছেই ত্বীন ফল পাকতে শুরু করছে। প্রথমবারের মতো ত্বীন গাছে ফল আসতে শুরু হওয়ায় দৃষ্টি কেড়েছে স্থানীয়দের। ত্বীন ফল চাষ করে উপজেলায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন তিনি।

ত্বীন ফল চাষি জাবিদ আল মামুন বলেন, ২০১৮ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে করটিয়া সরকারি সা'দত কলেজ থেকে মাস্টার্স পাশ করি। চাকরি না পেয়ে বেকার হয়ে বসেছিলাম বাড়িতে। করোনাকালীন সময় দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা নিম্নমুখী হয়ে পড়ে। তখন অনেকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায় এবং চাকরি হারিয়েছে অনেকেই। করোনাকালীন সময় চিন্তা ভাবনা করি চাকরি না করে কি করা যায়। তখন আমি ইউটিউবে দেখি কুরআনে বর্ণিত ত্বীন ফল চাষ হচ্ছে বাংলাদেশে। খোঁজ নেই কোথায় ত্বীন ফল চাষ হচ্ছে বা পাওয়া যায়। পরে জানতে পারি গাজীপুরে চাষ হচ্ছে ত্বীন ফল। ত্বীন ফলের বিষয়ে কর্মশালায় যোগদান করি গাজীপুর শ্রীপুরে। প্রশিক্ষণ শেষ করে গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে ৬০০ চারা ক্রয় করে বাড়ির পাশে ৩৫ শতাংশ জমিতে রোপন করি। প্রতিটি চারা ক্রয় করতে খরচ হয়েছে ৫২০ টাকা।

তিনি আরও বলেন, প্রথমে কিছুটা শঙ্কায় ছিলাম। পরে কঠোর পরিশ্রম, নিবিড় পরিচর্যা আর কৃষি অফিসের লোকজনের পরামর্শে সফল হয়েছি। দুই মাসের মধ্যে গাছে ত্বীন ফল আসতে শুরু করে। ৬ মাসের মধ্যে ফল বিক্রি শুরু করি। এ বছর ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে ত্বীন ফল পাকতে শুরু করে। প্রতি কেজি ত্বীন ফল বিক্রি করা হয় ৮০০-১০০০ টাকা করে। এ বছর একটি গাছে থেকে ৩-৪ কেজি ফল পাবো। আশা করছি দ্বিতীয় বছর ৭-১০ কেজি ফল আসবে। তিন বছর পর থেকে ১টি গাছে ২০-২৫ কেজি ফলন দিবে। ধারাবাহিকতা বজায় রেখে টানা ৩৫ বছর পর্যন্ত ফল দিতে পারে একটি ত্বীন গাছ। আকারে দেশীয় ডুমুর গুলোর চেয়ে বেশ বড় হয়। পাকলে বেড়ে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ হয়। আঁটি ও বিচিহীন ফলটি আবরণসহ খাওয়া যায়। এ পর্যন্ত ৫০-৬০ কেজি ত্বীন ফল তোলতে পেরেছি। বিক্রি করা হয়েছে ৫০-৫৫ হাজার টাকা। আশা করছি এ বছর ৯-১২ লাখ টাকার ত্বীন ফল বিক্রি করতে পারবো। এছাড়াও ৪-৫ লাখ টাকার কলম চারা বিক্রি করতে পারবো। প্রতিনিয়ত একজন কর্মচারি ত্বীন গাছ পরিচর্যার জন্য রাখা হয়েছে। 

ত্বীন ফল চাষি নুরে আলম বলেন, জাবিদের পরামর্শ নিয়ে আমিও ১৮ শতাংশ জমিতে ২০০ ত্বীন ফলের চারা রোপন করেছি। আমার রোপনকৃত ত্বীন ফল গাছে ত্বীন ফল এসেছে। আমার গাছে ত্বীন ফল পাকতে শুরু করছে। আমিও ত্বীন ফল বিক্রি করতে পারবো। আশা করছি আমিও ত্বীন ফল চাষ করে লাভবান হবো।

স্থানীয় কৃষক হাজী শহীদুল্লাহ বলেন, জাবিদ যখন ত্বীন ফলের বাগান করল। তখন আমার মনে আশা জাগে। পরে জাবিদের কাছে থেকে তিনটি ত্বীন ফলের চারা বাড়িতে নিয়ে টবের মধ্যে রোপন করি। আমার গাছেও ত্বীন ফল এসেছে। আমিও সামনে ত্বীন ফলের চাষ করবো।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিয়ন্তা বর্মন বলেন, সখীপুর উপজেলায় ত্বীন ফল নতুন সংযোজন হয়েছে। এ উপজেলায় ফল চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। মালটা, কলা, কুলসহ অন্যান্য ফসল ও ফল চাষ হচ্ছে । সখীপুরে ত্বীন চাষে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একজন কৃষক ৩৫ শতাংশ জমিতে ত্বীন ফল চাষ করেছেন। আশা করা যাচ্ছে তিনি ভালো ফলন পাবেন। আমাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা ত্বীন ফলের জমিতে গিয়ে নিয়মিত পরিদর্শন করছেন ও পরামর্শ দিচ্ছেন। তাকে দেখে অনেক কৃষক আগ্রহী হচ্ছেন ত্বীন ফল চাষে।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন

এই বিভাগের আরও খবর
মৎস্যচাষে বৈশ্বিক স্বীকৃতি, শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ
মৎস্যচাষে বৈশ্বিক স্বীকৃতি, শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ
ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনে বদলেছে অনেকের ভাগ্য
ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনে বদলেছে অনেকের ভাগ্য
হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় ফল
হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় ফল
সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী নিধনে চিহ্নিত ১৫০ শিকারী, তালিকা গোয়েন্দা সংস্থার হাতে
সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী নিধনে চিহ্নিত ১৫০ শিকারী, তালিকা গোয়েন্দা সংস্থার হাতে
লক্ষ্মীপুরে অদ্ভুত প্রাণীর বিচরণে বিস্ময়
লক্ষ্মীপুরে অদ্ভুত প্রাণীর বিচরণে বিস্ময়
টেকনাফে বন্যহাতি চলাচলের পথে দেয়াল নির্মাণ, উদ্বেগ পরিবেশকর্মীদের
টেকনাফে বন্যহাতি চলাচলের পথে দেয়াল নির্মাণ, উদ্বেগ পরিবেশকর্মীদের
বোয়ালমারীতে আলুবোখারা চাষ করে সাড়া ফেলেছেন হাবিবুর
বোয়ালমারীতে আলুবোখারা চাষ করে সাড়া ফেলেছেন হাবিবুর
উল্লাপাড়ায় বস্তায় আদা চাষের মাঠ দিবস, চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
উল্লাপাড়ায় বস্তায় আদা চাষের মাঠ দিবস, চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
প্রকৃতিতে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে বর্ষার ফুল
প্রকৃতিতে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে বর্ষার ফুল
নওগাঁয় ফ্রুট ব্যাগের সংকট, বিপাকে আম চাষিরা
নওগাঁয় ফ্রুট ব্যাগের সংকট, বিপাকে আম চাষিরা
এবার ভিন্ন রূপে হাজির হয়েছে আষাঢ় মাস
এবার ভিন্ন রূপে হাজির হয়েছে আষাঢ় মাস
বাসাইলে হাঁসের বাচ্চা বিতরণ ও প্রশিক্ষণ
বাসাইলে হাঁসের বাচ্চা বিতরণ ও প্রশিক্ষণ
সর্বশেষ খবর
দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে চীন-রাশিয়ার সামরিক বিমান প্রবেশ
দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে চীন-রাশিয়ার সামরিক বিমান প্রবেশ

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তির পরও লেবানন সীমান্তে বোমাবর্ষণ ইসরায়েলের: রিপোর্ট
চুক্তির পরও লেবানন সীমান্তে বোমাবর্ষণ ইসরায়েলের: রিপোর্ট

৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল

১২ মিনিট আগে | জাতীয়

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউট নিশ্চিতের পর সালাহর চোট ঘিরে শঙ্কা
নকআউট নিশ্চিতের পর সালাহর চোট ঘিরে শঙ্কা

১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরে সফলতার জন্য সংসদে ধন্যবাদ
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরে সফলতার জন্য সংসদে ধন্যবাদ

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

২৪ মিনিট আগে | অর্থনীতি

দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর
দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

‘নতুন কর আবাসন ব্যবসার পথ বন্ধ করে দিবে’
‘নতুন কর আবাসন ব্যবসার পথ বন্ধ করে দিবে’

৩০ মিনিট আগে | নগর জীবন

মিশরের সঙ্গে ড্র করেও নকআউটে আশা বাঁচিয়ে রাখল ইরান
মিশরের সঙ্গে ড্র করেও নকআউটে আশা বাঁচিয়ে রাখল ইরান

৩১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

৩৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জাবিতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
জাবিতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

৩৫ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মেহেরপুরে ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার
মেহেরপুরে ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, বাসযোগ্য করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, বাসযোগ্য করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

৪৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

রাতে চলাচলে প্রক্টর অফিসের নীতিমালা পোস্ট, সমালোচনায় ডিলিট
রাতে চলাচলে প্রক্টর অফিসের নীতিমালা পোস্ট, সমালোচনায় ডিলিট

৪৯ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

দেশের সব বিভাগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
দেশের সব বিভাগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

৫২ মিনিট আগে | জাতীয়

কালিয়াকৈরে বসুন্ধরা শুভসংঘের নতুন কমিটির আয়োজনে সচেতনতামূলক সভা
কালিয়াকৈরে বসুন্ধরা শুভসংঘের নতুন কমিটির আয়োজনে সচেতনতামূলক সভা

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মার্কিন হামলার পরও সিরিক বন্দরে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি: ইরানি গণমাধ্যম
মার্কিন হামলার পরও সিরিক বন্দরে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি: ইরানি গণমাধ্যম

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি
হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো
তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দৌলতপুর সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক গ্রেফতার
দৌলতপুর সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে নতুন সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের
অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে নতুন সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা
বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা
আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?
দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল
বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা
পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান
আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত
প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের
বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক