শিরোনাম
- চুক্তির পরও লেবানন সীমান্তে বোমাবর্ষণ ইসরায়েলের: রিপোর্ট
- প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরে সফলতার জন্য সংসদে ধন্যবাদ
- বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
- দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর
- দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, বাসযোগ্য করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
- মার্কিন হামলার পরও সিরিক বন্দরে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি: ইরানি গণমাধ্যম
- নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
- তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো
- অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে নতুন সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের
- দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
- ইসরায়েল-লেবানন চুক্তির ১৪ দফা রূপরেখা প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের
- কুমিল্লায় মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২
- বর্ষার প্রভাবে ঢাকার বায়ুমানে উন্নতি, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা
- মৎস্যচাষে বৈশ্বিক স্বীকৃতি, শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ
- যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
- আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
- এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
- গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ
- যুক্তরাষ্ট্রের ৩১ শহরে ‘রইদ’
- ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি
তীব্র তাপদাহ: আগাম জাতের রোপা আমন খেত ফেটে চৌচির
নীলফামারী প্রতিনিধি
অনলাইন ভার্সন
নীলফামারীতে চলছে তীব্র তাপদাহ। তাপদাহে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। অনাবৃষ্টির সঙ্গে তীব্র তাপদাহে নীলফামারী কিশোরগঞ্জ উপজেলায় আগাম জাতের রোপা আমন খেত ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। কৃষকেরা শ্যালো মেশিন বসিয়ে ধান খেতে সেচ দিচ্ছেন। এতে বাড়তি খরচ গুনতে হবে বলে জানান তারা। তাপদাহের অসহনীয় গরমে মানুষের সঙ্গে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে পশুপাখিসহ অন্যান্য প্রাণীকুল। সকলেই খুঁজছেন একটু স্বস্তির ঠাঁই।
বাহাগিলী ইউনিয়নের উত্তর দুরাকুটি হাড়িবেচা পাড়া গ্রামের কৃষক আনোয়ার হোসেন বলেন, বৃষ্টি না হওয়ায় আমন খেত নষ্ট হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। ফসল রক্ষায় শ্যালো মেশিন বসিয়ে সেচ দেওয়া হচ্ছে। জমি শুকিয়ে যাওয়ায় অনেক আগাছা জন্মেছে। যা নিড়ানি দিতে অতিরিক্ত শ্রমিক খরচও হচ্ছে। নিড়ানি, সেচ দেওয়ার কারনে উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে।
সদর ইউনিয়নের কেশবা গ্রামের কৃষক আমজাদুল হক বলেন, ভরা বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি না হওয়ায় ১ বিঘা জমিতে সেচ দিতে খরচ হচ্ছে প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা। মাসে ৪ বার সেচ দিতে খরচ হবে প্রায় ৩ হাজার টাকা। প্রকৃতির বৃষ্টিপাত না হওয়ায় চাষাবাদে খরচ বেড়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার হাবিবুর রহমান বলেন, এ বছর ১৪ হাজার ৮৭০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তাপদাহ মোকাবেলা করে আমন চাষে মাঠ পর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের নানা পরামর্শ দিচ্ছেন।
বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ
এই বিভাগের আরও খবর