শিরোনাম
প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:২৬
প্রিন্ট করুন printer

আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা গেলেন বৃদ্ধা, অসহায়দের পাশে দাঁড়াল পুলিশ

সাইফুল ইসলাম বেগ, বিশ্বনাথ (সিলেট)

আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা গেলেন বৃদ্ধা, অসহায়দের পাশে দাঁড়াল পুলিশ

মানসিক প্রতিবন্ধী স্বামী আর অন্ধ মেয়েকে নিয়ে জীবনের দূর্বিসহ সময় পার করছিলেন সত্তোর বছর বয়সি বৃদ্ধা আয়শা বেগম। রাত-দিন বাজার ঘুরে ‘চেয়ে-চিত্তে’ যা পেতেন তা দিয়েই চলতো তিনজনের সংসার। মধ্যরাত পর্যন্ত খাটা-খাটনি শেষে কুড়িয়ে আনা কাগজ পুঁড়িয়ে শীত নিবরাণই ছিল তার নিত্যদিনের কর্ম। গত ৮ জানুয়ারি রাতে এভাবে আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হন সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার পূর্ব জানাইয়া গ্রামের হাসানুরের কলোনীর ভাড়াটিয়া আয়শা বেগম। তার গ্রামের বাড়ি নেত্রকোণার মহনগঞ্জের জৈনপুরে। দীর্ঘদিন থেকে ওই কলোনীতে প্রতিবন্ধী স্বামী নূর মিয়া ও অন্ধ মেয়ে টিপুলা বেগম (৪০)কে নিয়ে বসবাস করতেন তিনি।

দগ্ধ হবার পর দীর্ঘ ১৪ দিন সিলেট ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসা নেবার পর ২১ জানুয়ারি রাতে হাসপাতালেই মারা যান বৃদ্ধা আয়শা বেগম। তার মৃত্যুতে এখন অচল প্রায় প্রতিবন্ধী স্বামী ও অন্ধ মেয়ের জীবন। এ অবস্থায় বৃদ্ধার পরিবারের অসহায় দুই সদস্যের পাশে দাঁড়িয়েছে সিলেটের বিশ্বনাথ থানা পুলিশ।

শনিবার বিকেলে থানার অফিসার ইনচার্জ শামীম মূসা, ওসি (তদন্ত) রমা প্রসাদ চক্রবর্তীসহ পুলিশ কর্মকর্তারা বৃদ্ধার পরিবারের খোঁজ-খবর নিতে যান। এসময় তারা শীতবস্ত্র, চাল, ডাল আলু ও তৈলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য তাদের হাতে তুলে দেন।

বিশ্বনাথ পুলিশ স্টেশনের অফিসার ইনচার্জ শামীম মূসা ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’কে বলেন, অসহায় এ পরিবারকে সহায়তা দেয়া আমাদের মানবিক দায়িত্ব। বৃদ্ধার পরিবারের এক ছেলেই কেবল সুস্থ। আমরা তাকে অন্যদের খেয়াল রাখার ব্যাপারে সচেতন করেছি। পাশাপাশি আমাদের সহায়তাও অব্যাহত থাকবে।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:০৭
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:২৭
প্রিন্ট করুন printer

দক্ষিণ সুরমায় সড়ক দুর্ঘটনায় তছনছ চিকিৎসক পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

দক্ষিণ সুরমায় সড়ক দুর্ঘটনায় তছনছ চিকিৎসক পরিবার

সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের দক্ষিণ সুরমার রশিদপুরে দুর্ঘটনায় তছনছ হয়ে গেল সিলেটের একটি চিকিৎসক পরিবার। পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন ডা. ইমরান খান রুমেল। স্ত্রী ডা. অন্তরা আক্তারও মৃত্যুর ক্ষণ গুণছেন। অবশ্য বাবা-মায়ের সঙ্গে না থাকায় বেঁচে গেছে তাদের দুই শিশু এনায়া ও ইন্তেজা। ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবার আগে তাদের নানার বাসায় রেখে যান মা-বাবা।

ডা. অন্তরা আক্তার বিসিএস প্রিলি পরীক্ষা দিতে সিলেট থেকে এনা পরিবহনের একটি বাসে ঢাকা যাচ্ছিলেন। সঙ্গে ছিলেন স্বামী ডা. ইমরান। 

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার রশিদপুরের অদূরবর্তী ব্রিজের কাছে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৮ জন যাত্রীর মধ্যে রয়েছেন ডা. ইমরান। স্ত্রী ডা. অন্তরার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তিনি সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

জানা গেছে, সিলেট নগরীর ফাজিলচিশত এলাকার বাসিন্দা প্রখ্যাত প্যাথলজিস্ট অধ্যাপক ডা. আমজাদ হোসেন। তার এক ছেলে রুমেল ও এক মেয়ে নূরী ছিলেন। দুই সন্তানই ডাক্তার। তাদের একমাত্র ছেলে ছিলেন ডা. রুমেল শুক্রবার সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। পুত্র শোকে কাতর বাবা আমজাদ হোসেন এখন ব্যস্ত পুত্রবধূ ডা. অন্তরাকে কিভাবে বাঁচানো যায় সেই চেষ্টায়। দুর্ঘটনার পর থেকেই হাসপাতালে অবস্থান করছেন তিনি।

রুমেল জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। বর্তমানে সিলেট নগরীর উইমেন্স মেডিকেল কলেজে কর্মরত ছিলেন। তাদের দুই কন্যা শিশু রয়েছে। পরিবারের ৬ সদস্যের মধ্যে ৫ জন ডাক্তার।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৪:৩৪
প্রিন্ট করুন printer

সিলেটে দুই বাসের সংঘর্ষ: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

সিলেটে দুই বাসের সংঘর্ষ: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮
দুর্ঘটনাকবলিত বাস

সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮ জনে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রহিমা খাতুন নামের আরেক নারী মারা যান। আজ সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের দক্ষিণ সুরমার রশিদপুরের অদূরে ব্রিজের কাছে ভয়াবহ এ দুর্ঘটনা হয়। নিহতের সংখ্যা বাড়ার  খবর নিশ্চিত করেছেন ওসমানী হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই মো. জয়নাল।

দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন সিলেটের উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রভাষক আল মাহমুদ সাদ ইমরান খান (৩৩),  বাসচালক ওসমানীনগর উপজেলার ধরখা গ্রামের মঞ্জুর আলী (৩৮), বাস সুপারভাইজার সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মিঠাভরা গ্রামের সালমান খান (২৫), হেলপার ধরখা গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেন (২৪), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার রাজানিয়াকান্দি পশ্চিম পাড়ার নুরুল আমিন (৫০), ঢাকার ওয়ারী এলাকার নাদিম আহমদবসাগর (২৯) ও সিলেট নগরের আখালিয়া এলাকার শাহ কামাল (২৭) ও ছাতক বাংলাবাজার এলাকার রহিমা খাতুন (২৫)।

এ ঘটনায় আরও ৩০ জন আহত হন। এর মধ্যে ১৫ জন সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সিলেট মহানগর পুলিশের মিডিয়া শাখা জানায়, হাসপাতালে গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিসাধীনরা হলেন রেজাউল করিম (৫০), শামিম (২৩),  জসিম উদ্দিন (৩০), আলা উদ্দিন (৬০), সায়ান (১৬), সালাম (৪০), ডা. অন্তরা (৩০), চান বিবি (৬০), শারমিন (৩০), সীমা পারভিন (৩০),  সানাত (৩৫), মাহি (০৭), সুর্বনা (৩০) ও সেলিনা পারভীন (৩০)। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি বাস দ্রুত গতিতে ভুল সাইটে চলে আসার কারণে এ ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। সিলেটগামী গাড়িটি ব্রিজ পার হয়েই বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়ির ওপর উঠে যায়। তখন প্রচণ্ড গতিতে সংঘর্ষ হয়।

দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, সকালে কুয়াশা তেমন একটা ছিল না। গাড়ির অবস্থান দেখে মনে হচ্ছে দ্রুত গতিতে ওভারটেক করায় এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে । অথবা একটির চালক ঘুমিয়েও থাকতে পারেন। বিষয়টি পরে তদন্তে বিস্তারিত জানা যাবে।

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ

 
 

 

 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:১৪
প্রিন্ট করুন printer

সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যার প্রতিবাদে বিশ্বনাথে মানববন্ধন

বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি

সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যার প্রতিবাদে বিশ্বনাথে মানববন্ধন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির হত্যার প্রতিবাদে সিলেটের বিশ্বনাথে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে কামাল হোসেনকে বর্বর নির্যাতন ও সিলেটে করিম মিয়ার ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদও জানানো হয়।

উপজেলায় কর্মরত গণমধ্যমকর্মীদের উদ্যোগে বৃস্পতিবার দুপুর ১২টায় বাসিয়া সেতুতে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় গণমাধ্যমকর্মীরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতিবাদ জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলার প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল আহাদ (ইউরো বাংলা), কাজী মো. জামাল উদ্দিন (দৈনিক জালালাবাদ), জাহাঙ্গীর আলম খায়ের (দৈনিক সমকাল), প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু (দৈনিক উত্তরপূর্ব), আশিক আলী (দৈনিক যুগান্তর), মোহাম্মদ আলী শিপন (দৈনিক কালেরকন্ঠ), সাইফুল ইসলাম বেগ (দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন), রোহেল উদ্দিন (দৈনিক গণমুক্তি)।

আরও উপস্থিত ছিলেন এমদাদুর রহমান মিলাদ (দৈনিক সিলেটের ডাক), অসিত রঞ্জন দেব (দৈনিক সিলেটের বাণী), নুর উদ্দিন (দৈনিক দিনরাত), নবীন সোহেল (দৈনিক শুভ প্রতিদিন), মো. জামাল মিয়া (দৈনিক ভোরের ডাক), আক্তার আহমদ শাহেদ (দৈনিক মানবজমিন), আব্দুস সালাম (দৈনিক ইনকিলাব), মিছবাদ উদ্দিন (দৈনিক আমার সংবাদ), মশাহিদ আলী (শ্যামল সিলেট), ফটো সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম শফিক ও সংবাদকর্মী আহমদ আলী ইরণ (দৈনিক জনতা) প্রমুখ।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৫:৫২
প্রিন্ট করুন printer

সিলেটে দেড় ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নিলেন শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

সিলেটে দেড় ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নিলেন শিক্ষার্থীরা
সংগৃহীত ছবি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়াসহ বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সিলেটে রাস্তায় নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর চৌহাট্টায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধন থেকে তারা সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতি দাবিগুলো জানান। এসময় তারা দেড় ঘণ্টা চৌহাট্টায় সড়ক অবরোধ করে রাখেন। পরে বেলা দেড়টায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নেন।

আজ দুপুর ১২টায় নগরীর চৌহাট্টাস্থ সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। 

মানববন্ধনে সিলেটের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এসময় বিভিন্ন স্লোগানে স্লোগানে সিলেট নগরীর চৌহাট্টা পয়েন্ট পুরোপুরি বন্ধ করে দেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। খবর পেয়ে বেলা ১টায় সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার আজবাহার আলী শেখসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের শান্ত করেন। পরে বেলা দেড়টার সময় শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নেন।

কর্মসূচি পালনকালে ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী গোল বৃত্তবন্দি হয়ে সড়ক অবরোধ করে রাখেন। এতে চারদিকের রাস্তায়ই তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীরা দেড় ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে স্লোগানে স্লোগানে তাদের দাবিগুলো জোরালোভাবে তুলে ধরেন।

মানবব্ন্ধন থেকে শিক্ষার্থীরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলমান মাস্টার্সসহ সকল পরীক্ষার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার এবং স্বাস্থ্যসুরক্ষা মেনে দ্রুত সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ছাত্রাবাস খুলে দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান।

এদিকে, কর্মসূচি প্রত্যাহারের পর তাদের দাবিসংবলিত একটি স্মারকলিপি জেলা প্রশাসকের কাছে দেবেন জানান শিক্ষার্থীরা।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৪:৪০
প্রিন্ট করুন printer

মৌলভীবাজার

বিয়েতে রাজি না হওয়ায় কাটা হলো তিন হাজার গাছ

অনলাইন ডেস্ক

বিয়েতে রাজি না হওয়ায় কাটা হলো তিন হাজার গাছ
সংগৃহীত ছবি

বিয়েতে রাজি না হওয়ায় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে এক কিষাণীর প্রায় তিন হাজার সবজি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। সবজির ভরা মৌসুমে ফলসহ গাছগুলো কেটে ফেলায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন আশিদ্রোন ইউনিয়নের পাড়ের টং গ্রামের কিষাণী জাহেরা খাতুন। রাতের আঁধারে তার চাষ করা ৩ একর জমির গাছগুলো কেটে এবং উপড়ে ফেলা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে সরেজমিনে উপজেলার আশিদ্রোন ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পাড়ের টং গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় তিন হাজার করলা, শশা, চালকুমড়া, চিচিঙ্গাসহ বিভিন্ন সবজি গাছ মাটিতে পড়ে রয়েছে। সব গাছের গোড়া কেটে এবং উপড়ে ফেলে মাটিতে রাখা হয়েছে। গাছগুলোতে ফল ও ফুল দুটোই রয়েছে। এতে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন কৃষানি জাহেরা খাতুন।

সবজি চাষি জাহেরা খাতুন বলেন, ঋণ নিয়ে তিন একর জমিতে সবজি চাষ শুরু করেছিলাম। প্রায় তিন হাজার করলা, শশা, চালকুমড়া, চিচিঙ্গাসহ বিভিন্ন সবজি গাছ লাগিয়েছিলাম ক্ষেতে। ভরা ফলের সময়ে রাতের আঁধারে আমার ক্ষেতের ফসল কেটে ফেলল। আমি পরিবার নিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছি।

তিনি বলেন, বানিয়াচং উপজেলার গুনই গ্রামের আনোয়ার আলী, পাড়ের টংয়ের ইনচার আলী ও কাদির মিয়া মঙ্গলবার রাতে তার সবজি ক্ষেত নষ্ট করেছে। সবজি গাছগুলো কেটে ফেলায় তার প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ ব্যাপারে বুধবার শ্রীমঙ্গল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।

৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বিল্লাল হোসেন ও ৭, ৮, ৯ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী সদস্য শিল্পী পাল বলেন, আনোয়ার মিয়ার স্ত্রী মারা যাওয়ায় জাহেরা খাতুনকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। জাহেরা খাতুন এই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় আনোয়ার মিয়া ক্ষুব্ধ হয়ে এ কাজ করেছেন।

আনোয়ার মিয়ার সঙ্গে কথা বলতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তিনি পলাতক থাকায় তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তার মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে।

সূত্র: সমকাল


বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর