Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২২:০০
আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২২:২০

চট্টগ্রামে গ্রিন টি'র নামে 'খাত' আমদানি!

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রামে গ্রিন টি'র নামে 'খাত' আমদানি!

ভয়ানক মাদক ইয়াবার পর এবার নেশা ছড়াচ্ছে ‘খাত’। ইথিওপিয়া থেকে বাংলাদেশে পাঠানো ২০৮ কেজি খাত আটক করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। প্রথমবারের মতো আটক হওয়া খাতগুলো আনা হয় ‘গ্রিন টি’ ঘোষণা দিয়ে। দুইটি চালানের মাধ্যমে খাতগুলো দেশে পাঠানো হয়। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কাস্টমস কমিশনার ড. একেএম নুরুজ্জামান এসব তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বৈদেশিক ডাক বিভাগের মাধ্যমে গত ৩০ আগস্ট চট্টগ্রামে আসে খাত’র এই দুটি চালান। এর আগে এগুলো এসেছিল ঢাকা পোস্ট অফিসে। সেখান থেকে চট্টগ্রাম ও ফেনির পৃথক দুই ঠিকানায় পাঠানো হয়, যার দুইটি পার্সেল চট্টগ্রামে পাঠানো হয়। পোস্ট অফিসের মাধ্যমে মাদক আসার গোপন খবর পেয়ে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ তখন পার্সেল দু'টি ৬ সেপ্টেম্বর আটক করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। পরীক্ষা করে সত্যতা পায় যে এগুলো গ্রিন টি নয় বরং ভয়ানক মাদক খাত।  

কাস্টমস কমিশনার ড. একে এম নুরুজ্জামান বলেন, ‘একই সময়ে দু'টি আলাদা পার্সেলে মোট ১৩টি কার্টনে ২০৮ কেজি খাত বাংলাদেশে আসে। এগুলোর একটির প্রেরক ইথিওপিয়ার জিয়াদ মোহাম্মদ, প্রাপকের নাম লেখা হয়েছে মো. ইফতেখার হোসেন। তার ঠিকান, বাড়ি নম্বর ২৩, রোড ১, লেইন ৪, নিউ এ ব্লক হালিশহর। মোট ১০টি কার্টনে তার নামে পাঠানো হয়েছে ১৬০ কেজি খাত। আরেকটি পার্সেল এসেছে ইথিওপিয়ার জেমিরা ট্রেডিং (পিএলসি) থেকে। এটির প্রাপক আরিফ এন্টারাইজ। ঠিকানায় লেখা হয়েছে, প্রযত্নে আরিফ ভূঁইয়া, শান্তিধারা আবাসিক এলাকা, শান্তি কোম্পানি, ফেনী সদর, ফেনী। এই ঠিকানার অনুকূলে তিনটি কার্টনে ৪৮ কেজি খাত পাঠানো হয়েছে।’ 
তিনি বলেন, ‘এতদিন তদন্ত করে দেখে, আমরা নিশ্চিত হলাম এটি খাত। তদন্তে দেখা যায়, যেসব ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে সেগুলো সঠিক নয়। ভুয়া ঠিকানা ও প্রেরকের নাম ব্যবহার করা হয়েছে। তবে কারা এই বিপুল পরিমাণ খাত আমদানির সঙ্গে যুক্ত তা খুঁজে দেখা হচ্ছে।

বিডি প্রতিদিন/মজুমদার


আপনার মন্তব্য