শিরোনাম
প্রকাশ : ৬ ডিসেম্বর, ২০২০ ২০:১৭
প্রিন্ট করুন printer

চসিক নির্বাচন: আইনি জটিলতায় মৃত চার কাউন্সিলর প্রার্থীর শূন্য পদ

সাইদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম

চসিক নির্বাচন: আইনি জটিলতায় মৃত চার কাউন্সিলর প্রার্থীর শূন্য পদ

গত মার্চে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের দিন-তারিখ ঠিক হলেও প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও করোনা পরিস্থিতি কারণে শেষ পর্যন্ত স্থগিত হয়েছে নির্বাচন। এরপর প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে শুরু হয় স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড। বর্তমানে প্রশাসকের মেয়াদও শেষের পথে।

এরই মধ্যে চলমান করোনাকালীন নানা কারণে চসিক নির্বাচনের সংরক্ষিত কাউন্সিলরসহ ৪ জন কাউন্সিলর প্রার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এতে করে দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই ভোটারদের কাছে থাকার চেষ্টা করছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। 

কিন্তু অসুস্থতার কারণে চার কাউন্সিলর প্রার্থীর মৃত্যুর ফলে আসনে নির্বাচন কি হবে বা আদৌ এই আসনগুলো আগামী নির্বাচনের তারিখে এক সাথে হবে কিনা, সেই বিষয় নিয়ে এখনও কোন ধরণের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনে আসেনি। ফলে আইনি জটিলতায় পড়ে গেছে সংরক্ষিতসহ চারটি কাউন্সিলর শূন্য পদের নির্বাচন নিয়ে।

নির্বাচন কমিশনের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও চসিক নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, চসিক নির্বাচনের বিষয়ে কখন, কিভাবে নির্বাচন হবে, সেই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও আসেনি। চলতি মাসের শেষের দিকে অথবা জানুয়ারির মধ্যেই নির্বাচনের জন্য নানা ধরণের প্রস্তুতি রয়েছে। শুধুই নির্দেশনার অপেক্ষায়। 

তিনি বলেন, চসিকের কয়েকজন কাউন্সিলর প্রার্থীর অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর কারণে নির্বাচনের বিষয়ে আইন অনুযায়ী কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। তবে প্রশাসকের মেয়াদের মধ্যেই চসিক নির্বাচন হবে বলে জানান তিনি।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) নির্বাচনের প্রার্থীদের মধ্যে সংরক্ষিতসহ চারজন কাউন্সিলর প্রার্থী করোনাকালীন সময়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। তারা হলেন সংরক্ষিত ওয়ার্ড (১৭, ১৮ ও ১৯) কাউন্সিলর প্রার্থী সাহিদা বেগম পারভীন, ৩০ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডের প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী, ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী হোসেন মুরাদ ও ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন।  

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) নির্বাচন আইন-২০০৯ (সংশোধিত) আইনের বিধি ২০ এর উপবিধি-১ ধারায় বলা হয়েছে, ভোট গ্রহণের পূর্বে কোনো প্রার্থীর মৃত্যু হলে সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্টদের পদের নির্বাচন কার্যক্রম রিটার্নিং অফিসার গণ-বিজ্ঞপ্তি দ্বারা বাতিল করবেন। একই সাথে বিধির উপবিধি-৩ এ বলা হয়েছে, রিটার্নিং অফিসার হতে অবহিত হওয়ার পর নির্বাচনি এলাকার সংশ্লিষ্ট পদে নতুন নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা করবেন এবং কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসার পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

তবে কোনো প্রার্থীর মনোনয়ন ইতোপূর্বে বৈধ বলে গণ্য হলে এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করলে নতুন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে না। স্থগিত হওয়া চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে সাতজন নির্বাচন করছেন। এছাড়া সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলরের ৫৫ পদে ২৬৯ প্রার্থী মনোনয়ন পান। 

মেয়র প্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগের এম রেজাউল করিম চৌধুরী (নৌকা), বিএনপির ডা. শাহাদাত হোসেন (ধানের শীষ), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এমএ মতিন (মিনার), এনপিপির আবুল মনজুর (আম), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জান্নাতুল ইসলাম (হাতপাখা), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ (চেয়ার) ও স্বতন্ত্র খোকন চৌধুরী (হাতি)। ২০১৫ সালে ৬ আগস্ট মেয়রের দায়িত্ব নিয়েছিলেন আ জ ম নাছির উদ্দীন। সে হিসাবে পর্ষদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৫ আগস্ট।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:২৩
প্রিন্ট করুন printer

হালদার পাড়ে হবে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

হালদার পাড়ে হবে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল

উপমহাদেশের অন্যতম প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র এবং বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ হালদা নদীর পাড়ে বসানো হবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৃষ্টিনন্দন ম্যুরাল। চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার মদুনাঘাট থেকে সর্ত্তার ঘাট পর্যন্ত সরকারি জায়গায় হালদা নদীর পাড়ে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালটি স্থাপন করা হবে। এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করার কথা। গত বছরের ২১ ডিসেম্বর গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে এ নদীকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণা করে সরকার।

জানা যায়, হালদা নদীর মদুনাঘাট থেকে সর্ত্তার ঘাট পর্যন্ত এতটি অংশে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করা হবে। তবে ম্যুরালটি কেমন হবে কত আকারের হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ম্যুরালটি তৈরির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিবে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে আছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবরেটরির সমন্বয়ক, হাটহাজারী ও রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবরেটরির সমন্বয়ক ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মনজুরুল কিবরিয়া বলেন, হালদা নদীকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণা করার পর নদীর পাড়ে বঙ্গবন্ধুর একটি ম্যুরাল স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়। এটি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলছে। তিনি বলেন, নদীটিকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণা করায় নদীটা বিশেষ মর্যাদা পাবে। একই সঙ্গে হালদা নদী আরও বেশি সুরক্ষিত থাকবে এবং একটি কর্তৃপক্ষ তৈরি হবে।    

হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালটি রাউজানের মদুনাঘাট থেকে সর্ত্তার ঘাট পর্যন্ত অংশে হবে। তবে এটি স্থাপনে ব্যয়, নকশা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে মুজিব বর্ষের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

জানা যায়, উপমহাদেশের অন্যতম প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীটি খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় উপজেলার ১ নং পাতাছড়া ইউনিয়নের হালদা ছড়া থেকে উৎপত্তি। কার্যত সেখান থেকেই এই হালদা নদীর উৎপত্তি হয়ে কালুরঘাটের কাছে হয়ে কর্ণফুলীতে গিয়ে মিলিত হয়েছে। চলতি পথে হালদায় ৩৬টি ছড়া ও খাল এসে যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে খালের সংখ্যা ১৯টি। ১০৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এ নদীতে প্রাকৃতিকভাবে চার প্রজাতির মা মাছ ডিম ছাড়ে। এই নদী থেকে দৈনিক ১৮ কোটি লিটার পানিও সরবরাহ করে চট্টগ্রাম ওয়াসা। প্রতিবছর মা মাছ এখানে অবাধে রেণু (ডিম) ফোটাতে নিরাপদ স্থান হিসেবে বেছে নেয়। প্রাকৃতিকভাবে মা-মাছ ডিম ছাড়ে বলে দুই পাড়ের মানুষ অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করছে নদীকে। জাতীয় অর্থনীতিতে এর অবদান ৮০০ কোটি টাকা। তবে হালদা নদীর উৎপত্তিস্থল থেকে কর্ণফুলী নদীর মোহনা পর্যন্ত এলাকায় নদীর পাড়ে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠে শিল্প-কারখানা। ফলে প্রতিনিয়তই কারখানার দূষিত বর্জ্যে হালদায় মাছ মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটে। তাছাড়া নিয়মিত ডলফিন ও মা মাছ শিকার এবং অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের ঘটনাও ঘটে। 

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:০৩
প্রিন্ট করুন printer

বিআরটিএ কার্যালয়ে ছদ্মবেশে অভিযানে দালাল আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

বিআরটিএ কার্যালয়ে ছদ্মবেশে অভিযানে দালাল আটক

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) নগরের নতুন পাড়া এলাকার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ে ছদ্মবেশে অভিযান চালিয়ে তিনজন দালালকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল আলম। 

আটককৃতরা হলেন মো. আবদুল্লাহ মিন্টু, মো. রবিউল হোসাইন এবং মো. গালিব। এর মধ্যে মিন্টুকে জেল এবং রবিউল ও গালিবকে জরিমানা করা হয়।  

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল আলম বলেন, ছদ্মবেশে বিআরটিএ কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে তিনজন দালালকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে একজনকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড এবং বাকি দুইজনকে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমানের নির্দেশে এই অভিযান পরিচালিত হয়। জনস্বার্থে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৮:১৩
প্রিন্ট করুন printer

চট্টগ্রামে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রামে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১

চট্টগ্রাম নগরীতে অভিযান চালিয়ে বিপুল ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ১৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে জেল ও জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার নগরীর বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

মেট্রো মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান বলেন, বুধবার সকালে নগরীর শাহ আমানত সেতু এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. আলমগীর নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ১৯শ’ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারজান হোসাইনের নেতৃত্বে নগরীর তুলাতলী, বিআরটিসি, সিআআরবিসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ১৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দেয়া হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে দেড় কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৩:২৩
আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:৩৮
প্রিন্ট করুন printer

চসিক নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ

সিইসি-চসিক মেয়র রেজাউলসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

অনলাইন ডেস্ক

সিইসি-চসিক মেয়র রেজাউলসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
কে এম নুরুল হুদা ও এম রেজাউল করিম

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা ও নবনির্বাচিত মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এম রেজাউল করিমসহ নয় জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের বিচারক খাইরুল আমিনের আদালতে এ মামলা দায়ের করেন সিটি নির্বাচনে পরাজিত বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন।

মামলায় মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরীকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। অন্য আসামিরা হলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা, নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং বাকি ছয় মেয়র প্রার্থীকে বিবাদী করা হয়েছে।

এর আগে নির্বাচনে জোর করে হারিয়ে দেয়া অভিযোগ এনে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধের মামলা করার ঘোষণা দেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন।

গত ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে মেয়র পদে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরী। এরপর ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি মেয়র হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ করেন।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:০৫
প্রিন্ট করুন printer

দীর্ঘ ১১ মাস পর কোকেন মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

দীর্ঘ ১১ মাস পর কোকেন মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু

চট্টগ্রামের আলোচিত কোকেন মামলায় সাক্ষী দিয়েছেন জব্ধ তালিকার তিন সাক্ষী। সাক্ষীরা হলেন, মো. মুছা, ফারুক হোসেন ও মনিরুল ইসলাম। এগারো মাস পর কোকেন মামলার ফের সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হলো। 

মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালতে এ সাক্ষ্য দেন বলে জানান চট্টগ্রাম মহানগর পিপি অ্যাডভোকেট ফখরুদ্দিন চৌধুরী।

তিনি বলেন, আদালত থেকে চারজন আসামিকে সাক্ষ্য দিতে সমন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনজন সাক্ষী আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন। আগামী ৩ মার্চ মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন নির্ধারণ করেছে আদালত।

আদালতে তিন সাক্ষী বলেন, কোকেন আমদানি সংক্রান্ত বিদেশ থেকে আসা ই-মেইলের কপি, নথিপত্র, কম্পিউটারের হার্ডডিক্সসহ অনেক কাগজ তাদের সামনে জব্ধ করেছে পুলিশ। এসব নথি জব্ধ করার সময় আসামিরাও তখন তাদের সামনে উপস্থিত ছিলেন।’  

জানা গেছে, ২০১৫ সালের ৭ জুন চট্টগ্রাম বন্দরে থাকা একটি কন্টেনার জব্ধ করে সিলগালা করে দেয় কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর। পরে পরীক্ষা করে সেখানে কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। ২৮ জুন বন্দর থানায় আমদানিকারক খানজাহান আলী লিমিটেডের চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ ও সোহেলকে আসামি করে মাদক আইনে একটি মামলা করে পুলিশ। চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত করে প্রধান আসামি নুর মোহাম্মদকে বাদ দিয়ে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের বিরোধীতায় মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত। র‌্যাব অধিকতর তদন্ত করে নুর মোহাম্মদকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর