১২ জুন, ২০২২ ১৬:১৯

সীতাকুণ্ড ট্রাজেডি; তদন্তকাজে সময় বৃদ্ধির আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

সীতাকুণ্ড ট্রাজেডি; তদন্তকাজে সময় বৃদ্ধির আবেদন

ছবি: রোহেত রাজীব

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণের ঘটনায় বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে আরও পাঁচ কর্মদিবস বৃদ্ধির আবেদন করেন। রবিবার দুপুরে তদন্তকাজে আরও পাঁচদিনের সময় চেয়ে বিভাগীয় কমিশনারের কাছে আবেদন করেন কমিটির প্রধান অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

জানা যায়, গত ৪ জুন ঘটনার পরদিন বিভাগীয় কমিশনার ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটিকে পাঁচ কর্মদিবস সময় দেয়া হয়। তদন্তের প্রয়োজনীয় কাজ শেষ না হওয়ায় সময় বৃদ্ধির আবেদন করা হয়।

এ কমিটির সদস্যরা হলেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি জাকির হোসেন খান, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের অতিরিক্ত কমিশনার আবু নুর রাশেদ আহমেদ, পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলার পরিচালক মুফিদুল আলম, সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের ১ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নের মেজর আবু হেনা মো. কাউসার জাহান, চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালক (পরিবহন) এনামুল করিম, চট্টগ্রামের বিস্ফোরক পরিদর্শক তোফাজ্জল হোসেন এবং সদস্য সচিব অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুমনী আক্তার।

তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, তদন্তকাজে আরও পাঁচ কর্মদিবস সময় চেয়ে বিভাগীয় কমিশনারের কাছে আবেদন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী কার্যক্রম যথা নিয়মে চলবে।   

এদিকে, বিস্ফোরণের ঘটনায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। এ কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। 

তদন্ত কমিটির প্রধান জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক বদিউল আলম বলেন, তদন্তের কাজ চলছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সম্পৃক্তদের সঙ্গে কথা বলেছি। তদন্তের বাকি কাজ চলছে।

প্রসঙ্গত, গত ৪ জুন শনিবার রাত ৯টায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের কেশবপুর এলাকার বিএম কনটেইনারে বিস্ফোরণের ঘটনায় মোট ৪৮ জন মারা যান এবং আহত হন তিন শতাধিক। আহতদের মধ্যে সংকটাপন্ন অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৯ জনকে শেখ হাসিনা বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট ও জাতীয় চক্ষু ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। নিহতদের মধ্যে ২৭   জনের মরদেহ শনাক্ত হওয়ায় পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ১৯ জনের মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। ইতোমধ্যে ডিএনএ টেস্টের জন্য স্বজনদের কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। শনাক্ত হওয়ার পর মরদেহ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর