শিরোনাম
প্রকাশ : ২ ডিসেম্বর, ২০২০ ১৮:৩৫
আপডেট : ২ ডিসেম্বর, ২০২০ ১৮:৩৮
প্রিন্ট করুন printer

পূর্বানুমতি ছাড়া ঢাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

অনলাইন ডেস্ক

পূর্বানুমতি ছাড়া ঢাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

পূর্বানুমতি অনুমতি ছাড়া ঢাকা মহানগরীতে যে কোনো ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। পূর্বানুমতি ছাড়া কেউ এমন কার্যকলাপে জড়িত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বুধবার ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। ঢাকা মহানগরীর নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে যে কোনো সভা-সমাবেশ ও গণজমায়েত থেকে বিরত থাকার এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি না নিয়েই বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সংগঠন সভা, সমাবেশ, গণ জমায়েত এর কর্মসূচির ঘোষণা দিচ্ছে। তাদের কর্মসূচি পালন করতে রাস্তায় নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ায় যান ও জন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। বিদ্যমান আইনে বৈধ কোন দল বা গোষ্ঠীর সমাবেশের স্বাধীনতা থাকলেও বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী জনশৃঙ্খলা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বিধি নিষেধ সাপেক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে ও নিরস্ত্র অবস্থায় সমাবেত হওয়ার এবং জনসভা ও শোভাযাত্রায় যোগদান করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের আছে। এক্ষেত্রে সাধারণ জনগণের নাগরিক সুবিধা অক্ষুন্ন রাখা, শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের সুবিধার্থে এ ধরনের কর্মসূচি পালন এবং শব্দযন্ত্র ব্যবহারের জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) অধ্যাদেশ অনুসারে কমিশনার ডিএমপি এর পূর্বানুমতি নেয়ার বাধ্যবাধকতা আছে। কিন্তু এর ব্যতিক্রম হলে একদিকে যেমন মিছিল বা সমাবেশকারী ব্যক্তিদের শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না, অপরদিকে কোন কোন দল বা গোষ্ঠী বেআইনী সমাবেশ আয়োজন করে জানমালের ক্ষতি সাধনসহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি করার সুযোগ পায়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ঢাকা মহানগরীর নাগরিকবৃন্দের জানমালের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূর্বানুমতি ব্যতীত কোনরূপ মিছিল, সভা-সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচীর কার্যক্রম গ্রহণ এবং এর জন্য শব্দযন্ত্র ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করছে। পূর্বানুমতি ব্যতীত কেউ এরূপ কার্যকলাপে জড়িত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডিএমপি ঢাকা মহানগরীর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে মহানগরীতে শান্তি-শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করছে।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৯:০০
প্রিন্ট করুন printer

অবন্তিকা বড়াল কারাগারে

অনলাইন ডেস্ক

অবন্তিকা বড়াল কারাগারে

সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও অর্থ পাচারের অভিযোগ নিয়ে বিদেশে পালিয়ে থাকা এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদারের সহযোগী অবন্তিকা বড়ালকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে অবন্তিকাকে আজ ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আজ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এর আগে সোমবার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিন তাকে প্রথম দিনের মতো জিজ্ঞাসাবাদ করেন বলে দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন। 

এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি পি কে হালদারের আরেক সহযোগী অবন্তিকা বড়ালকে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে দুদক। ওই দিনই তাকে আদালতে হাজির করে এক আবেদনের প্রেক্ষিতে অবন্তিকার বিরুদ্ধে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। পি কে হালদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নানা কৌশলে নামে-বেনামে অসংখ্য কোম্পানি খুলে শেয়ারবাজার থেকে বিপুল পরিমাণ শেয়ার কেনেন এবং ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে ও পরে নিজের আত্মীয়, বন্ধু ও সাবেক সহকর্মীসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে পর্ষদে বসিয়ে অন্তত চারটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেন।

এই চার কোম্পানি হল ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (আইএলএফএসএল), পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি)। এসব কোম্পানি থেকে তিনি ঋণের নামে বিপুল অংকের টাকা সরিয়ে বিদেশে পাচার করেছেন বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে। পি কে হালদারকে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিস জারি করা হয়েছে। তার মা লীলাবতী হালদারসহ ২৫ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:২৬
প্রিন্ট করুন printer

রংপুরের ঠাকুরপাড়ার ঘটনায় আরও ৫ জন কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর

রংপুরের ঠাকুরপাড়ার ঘটনায় আরও ৫ জন কারাগারে

রংপুরে ঠাকুরপাড়ায় হামলা চালিয়ে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়াসহ মালামাল লুট ও তাণ্ডবের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আরও ৫ আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

আজ বুধবার দুপুরে রংপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আল মেহেবুর এ আদেশ দেন। আসামিরা হলেন সাবেক ইউপি সদস্য নুর ইসলাম, হানিফ মিয়া, রায়হান, তারিকুজ্জামান, মোজাহারুল ইসলাম। এনিয়ে ঠাকুরপাড়ার ঘটনায় মোট ৫৫ আসামির জামিন নামঞ্জুর করে তাদের জেল হাজতে পাঠানো হল। 

আসামি পক্ষের আইনজীবী শফি কামাল ও একরামুল হক জানান, ঠাকুরপাড়ার ঘটনায় গঙ্গাচড়া থানায় দায়ের করা মামলায় ৫ আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে ১৮ জানুয়ারি আরও ৬ আসামি আত্মসমর্পণ করেন। তাদেরও জেল হাজতে পাঠানো হয়। এছাড়া ৫ জানুয়ারি ওই মামলায় আরও ৪৪ জন আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করে। শুনানি শেষে আদালত আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ১০ নভেম্বর ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়াকে কেন্দ্র করে হিন্দুপল্লী ঠাকুরপাড়ায় হামলা চালিয়ে অর্ধ শতাধিক বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও মালামাল লুট করা হয়। এ ঘটনায় রংপুরের গঙ্গাচড়া থানায় একটি মামলা হয়। পরে পুলিশ তদন্ত করে ২৬৮ জনের নামে চার্জশীট দাখিল করে। আদালত চার্জশীট গ্রহণ করে আসামিদের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:৫৩
প্রিন্ট করুন printer

গ্রাহকের টাকা তুলে নেওয়ায় ব্যাংক কর্মকর্তার নামে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী:

গ্রাহকের টাকা তুলে নেওয়ায় ব্যাংক কর্মকর্তার নামে মামলা
গ্রাহকের হিসাব থেকে ছয় লাখ টাকা তুলে নেওয়ায় অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডের এক কর্মকর্তার নামে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়। এই কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আল-আমিন মামলাটির বাদী।
 
মামলার আসামির নাম আহসান হাবীব নয়ন। তিনি অগ্রণী ব্যাংকের রাজশাহীর গোদাগাড়ী শাখার ব্যবস্থাপক ছিলেন। 
 
সাবের আলী নামে স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর ছয় লাখ টাকা ব্যাংক থেকে কৌশলে তুলে নেওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের রাজশাহী শাখা এবং অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের তদন্তে বিষয়টি ইতোমধ্যেই উঠে এসেছে।
 
দুদকের মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগের অনুসন্ধান তারাও করেছেন। অভিযোগ সঠিক হওয়ায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। 
 
দুদক অনুসন্ধান করে দেখেছে, ছয় লাখ টাকা উত্তোলনের এক সপ্তাহ আগে তৎকালীন ব্যবস্থাপক আহসান হাবীব নয়ন গ্রাহক সাবের আলীকে অবহিত করেন যে, তার ঋণ হিসাবটি শূন্য করার জন্য একটি ফাঁকা চেক প্রয়োজন। এ জন্য আহসান হাবীব নয়ন ব্যাংকের নিরাপত্তা প্রহরী আফজাল হোসেনকে ১৬ জুন সাবের আলীর পাড়িতে পাঠান। সরল বিশ্বাসে ওই চেকটি দিয়েছিলেন। নিরাপত্তা প্রহরী চেকটি এনে শাখা ব্যবস্থাপক নয়নকে দেন। এরপর নয়ন চেকে নিজ হাতে ছয় লাখ টাকার পরিমাণ লেখেন। ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার আবু বকর সিদ্দিক চেকের প্রথম ক্যানসেলেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত থাকলেও তাকে এড়িয়ে নয়ন নিজেই চেক ক্যানসেলেশন করে ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কাউন্টারে গিয়ে ক্যাশ কর্মকর্তা আকতারুজ্জামানকে চেকটি দিয়ে টাকা তার কক্ষে আনতে বলেন। আকতারুজ্জামান চেকটি সিডি ইনচার্জ আবু বকর সিদ্দিকের হাতে দেন। এ সময় আবু বকর সিদ্দিক চেকটি কম্পিউটারে পোস্টিং করে ক্যানসেলেশন করে পুনরায় আকতারুজ্জামানকে দেন। এরপর আকতারুজ্জামান চেকটি ক্যাশ করে ছয় লাখ টাকা ব্যাংকের তৎকালীন শাখা ব্যবস্থাপক নয়নের কক্ষে গিয়ে তাকে বুঝিয়ে দেন। এভাবে নয়ন গ্রাহকের টাকা আত্মসাত করেন। পরবর্তীতে অগ্রণী ব্যাংক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে তার অপরাধ প্রমাণিত হলে ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তিনি তিনটি জমা ভাউচারে সাবের আলীর হিসাবে ছয় লাখ টাকা ফেরত দেন। ভাউচারগুলো হলো- ০৯৩৬৫১৪, ০৯৩৬৫১৫ ও ০৯৩৬৫১৬। এই টাকা ফেরত দিয়ে তিনি নিজেই তার অপরাধকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বলে দুদক মনে করে। এ কারণে তার বিরুদ্ধে এই নিয়মিত মামলা করা হলো।
 
জানা গেছে, আসামি আহসান হাবীব নয়ন রাজশাহী মহানগরীর বহরমপুর ব্যাংক কলোনীর বাসিন্দা। তার বাবার নাম হারেজ উদ্দিন। গ্রাহকের টাকা তুলে নেওয়ার ঘটনা প্রমাণিত হলেও তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়নি। তবে বিষয়টি জানাজানির পর তাকে গোদাগাড়ী শাখা থেকে বদলি করা হয়। বর্তমানে রাজশাহীতেই তিনি অগ্রণী ব্যাংকের ডিজিএমের কার্যালয়ে প্রিন্সিপাল অফিসার পদে কর্মরত আছেন। শাখা ব্যবস্থাপক থাকার সময়ও তিনি এই পদে ছিলেন।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:২০
প্রিন্ট করুন printer

জালিয়াতির মামলায় বরিশালে ২ জন কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল


জালিয়াতির মামলায় বরিশালে ২ জন 
কারাগারে
প্রতীকী ছবি

জাল-জালিয়াতি মামলায় কারাগারে গেলেন বরিশালের চিহ্নিত জালিয়াত চক্রের অন্যতম হোতা তাসাদ্দুক হোসেন ও তার সহযোগী খগেন্দ্র গঙ্গাভার। বুধবার দুপুরে বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক পলি আফরোজ তাদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। 

নগরীর ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের নথুল্লাবাদ লুৎফর রহমান সড়কের জনৈক জালাল মিয়ার বসতবাড়িসহ ৪ শতাংশ জমি ২০১৬ সালে জবর দখল করে জালিয়াত চক্রের অন্যতম হোতা তাসাদ্দুক হোসেন ও তার সহযোগীরা। পরে ওই দখল পাকাপোক্ত করতে একজন ভ‚য়া দাতা সাজিয়ে একটি আমমোক্তারনামা তৈরি করে তাসাদ্দুক। একই সাথে জমির মালিক ব্যবসায়ী জালাল মিয়াকে এ পর্যন্ত ৪টি মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করে সে। 

এ ঘটনার প্রতিকার পেতে জমির মালিক জালাল মিয়া ২০১৯ সালের ৩ ডিসেম্বর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাসাদ্দুক ও তার কথিত দাতা খগেন্দ্র গঙ্গাভারের বিরুদ্ধে একটি জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলা দায়ের করেন। আদালত এই মালার অভিযোগ তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন। পিবিআইর উপ-পরিদর্শক সাইদুর রহমান ২০২০ সালের ২৯ জুলাই আদালতে ওই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনে তাসাদ্দুককে জাল-জালিয়াতির হোতা উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া প্রতিবেদনে তাসাদ্দুকের আমমোক্তার নামাসহ তার যাবতীয় কাগজপত্র অস্তিত্বহীন বলে উল্লেখ করা হয়। ওই প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারির নির্দেশ দেয়। বুধবার ধার্য তারিখে তাসাদ্দুক ও তার কথিত দাতা খগেন্দ্র গঙ্গাভার আদালতে হাজিরা দেয়। এ সময় উভয় পক্ষের আইনজীবীদের শুনানি শেষে বিচারক পলি আফরোজ হলে বিচারক তাদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন বলে জানান বাদীর আইনজীবী নুরুল হক দুলাল মোল্লা। 

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৫:৫০
আপডেট : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:০০
প্রিন্ট করুন printer

‘আমরা একটা দুঃশাসনের মধ্যে আছি’

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

‘আমরা একটা দুঃশাসনের মধ্যে আছি’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান বলেছেন, আমরা একটা দুঃশাসনের মধ্যে আছি। আমাদের মিছিল-মিটিং-সমাবেশ করতে দেয় না। বিএনপি নেতাকর্মীরা বিভিন্নভাবে লাঞ্ছিত-নির্যাতিত। বিভিন্নভাবে বিএনপি কর্মীদের গুম-খুন করা হচ্ছে। নেতাকর্মীদের কারাগারে নিয়ে নির্যাতন করা হচ্ছে। গণতন্ত্র হত্যা করা হয়েছে। এই অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়াতে বিএনপি নেতাকর্মীদের এমনভাবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তি উদযাপন করতে হবে, যাতে বাংলাদেশের জনগণ সত্যিকারের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে পারে।  

বুধবার দুপুরে বরিশাল নগরীর সদর রোডের একটি রেস্তোরাঁয় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তি উদযাপন উপলক্ষ্যে বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। 

কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তি উদযাপন কমিটির বরিশাল বিভাগীয় সদস্য সচিব সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের সভাপিতত্বে এবং মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদারের সঞ্চালনায় বিভাগীয় সমন্বয় সভায় বিশষে অতিথি ছিলেন বিএনপির সুবর্ণজয়ন্তি উদযাপন জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব ও চেয়ারপার্সনের উপদেস্টা আব্দুস সালাম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সাবেক এমপি জহির উদ্দিন স্বপন, বিএনপির বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক আ ক ন কুদ্দুসুর রহমান, বিএনপির সহ বন ও পরিবেশ সম্পাদক রওনাকুল ইসলাম টিপু, বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মনিরুজ্জামান, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নুরুল ইসলাম নয়ন, সুবর্ণজয়ন্তি উদযাপন কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল এবং বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি এবাদয়দুল হক চাঁন। 

এছাড়া বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি মেজবাউদ্দিন ফরহাদসহ বরিশাল বিভাগের ৭ জেলা ইউনিট ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ সভায় বক্তব্য রাখেন। 

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর