শিরোনাম
প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১৯:৩৬
প্রিন্ট করুন printer

রাজশাহীর সেফহোমে থাকা ভুক্তভোগী ও শিশুকে মুক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী:

রাজশাহীর সেফহোমে থাকা ভুক্তভোগী ও শিশুকে মুক্তি
এক মাস বয়সী সন্তানসহ রাজশাহীর সেফহোমে থাকা ভুক্তভোগী মুক্তি পেয়েছেন। বুধবার বিকাল ৪টার দিকে ভুক্তভোগী ও তার সন্তানকে মুক্তি দেওয়া হয়। এসময় তাকে গ্রহণ করেন ছেলের বাবা সাইদুর রহমান। হাইকোর্টের নির্দেশে এই মুক্তি দেওয়া হয়। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা মামলায় শিশুটির বাবা মো. মিন্টু মিয়াকে এক বছরের জামিন দিয়েছেন আদালত। 
 
আদালত বলেছেন, ভুক্তভোগী তার ইচ্ছা অনুসারে চাইলে বাবা-মা বা স্বামীর কাছে যেতে পারবেন। ভুক্তভোগীর ইচ্ছায় বুধবার শ্বশুরের জিম্মায় তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই আদেশ দেন। নিম্ন আদালতে জামিন চেয়ে বিফল হয়ে হাইকোর্টে আপিল করে জামিন চান মিন্টু। আপিল শুনানি শেষে ৭ জানুয়ারি ওই আদেশ দেওয়া হয়। আদালতে মিন্টু মিয়ার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. শওকত উল্লাহ খান। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যার্টনি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন।
 
তথ্যমতে, অষ্টম শ্রেণীপড়ুয়া এক কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মিন্টুসহ (২১) তিনজনের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের জুনে বগুড়ার শিবগঞ্জ থানায় মামলা করেন মেয়েটির বাবা। উদ্ধারের পর ওই বছরের ১২ ডিসেম্বর মেয়েটি ২২ ধারায় জবানবন্দি দেয়, যেখানে বলা হয় মিন্টু জোর করে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে বিয়ে ও শারীরিক সম্পর্ক করে। একই দিন মেয়েটির মেডিকেল পরীক্ষা হয়। অবশ্য মেয়েটির ভাষ্য, তাদের প্রেমের সম্পর্ক ছিল, তারা পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে ও তাদের শারীরিক সম্পর্ক হয়।
 
রাষ্ট্রপক্ষের তথ্যমতে, মেয়েটি উদ্ধারের পর থেকে তার বাবার কাছেই ছিল। তবে সন্তান হওয়ার পর তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। মিন্টু তার স্ত্রীকে নিজ হেফাজতে নিতে আবেদন করেন। ওই আবেদন নামঞ্জুর করে শিশুসহ ভুক্তভোগীকে রাজশাহীর সেফহোমে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। ওই মামলায় ২০২০ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। মামলায় বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে গত বছরের নভেম্বরে আত্মসমর্পণ করে মিন্টু জামিন চান। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বিচারিক আদালতে বিফল হয়ে হাইকোর্টে আপিল করে জামিন চান।
 
সেফহোমের তত্ত্বাবধায়ক লাইজু রাজ্জাক জানান, হাইকোর্টের শুনানিতে গাজীপুরের মাওনায় অবস্থিত কাজী অফিসে এক লাখ টাকা দেনমোহরে মিন্টু ও ভুক্তভোগীর বিয়ে হয় বলে শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী জানান। তাদের সন্তান হয়েছে, যার বয়স এক মাস বলে উল্লেখ করা হয়। হাইকোর্ট মিন্টুকে এক বছরের জামিন দেন। রাজশাহীর সেফহোমে থাকা এক মাস বয়সী শিশু ও তার মাকে মুক্তি দিতে নির্দেশ দেন। সেফহোমে পাঠানো সংক্রান্ত ট্রাইব্যুনালের আদেশ স্থগিত করে হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ওই আদেশ দেন। হাইকোর্টের আদেশের কপি ১০ জানুয়ারি হাতে পাওয়ার পর সব প্রক্রিয়া শেষে বুধবার মেয়ে ও শিশুকে মুক্তি দেওয়া হয়।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:২৩
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:২৬
প্রিন্ট করুন printer

নির্যাতনের অভিযোগে স্ত্রীর মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা কারাগারে

অনলাইন ডেস্ক

নির্যাতনের অভিযোগে স্ত্রীর মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা কারাগারে
মাজাহারুল আনাম

নির্যাতনের অভিযোগে স্ত্রীর করা মামলায় ঢাকা মহানগর (উত্তর) আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাজাহারুল আনামকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) দারুস সালাম থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে দারুস সালাম থানাধীন মাজার রোডের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দারুস সালাম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মোফাজ্জল হোসেন বলেন, আসামি মাজাহারুল আনামকে গ্রেফতারের পর আদালতে পাঠানো হয়। এরপর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে নির্যাতনের অভিযোগ এনে মাজাহারুল আনামসহ সাত জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন তার স্ত্রী ফিরোজা পারভীন। অন্য আসামিরা হলেন— কামরুল ইসলাম, মাকসুদ আনাম, মিলি, ফুয়াদ, সাগর সরকার ও নাজমা আক্তার মুন্নি।

মামলার এজাহারে ফিরোজা পারভীন বলেন, ২০০৮ সালে মাজাহারুল আনামের সঙ্গে বিয়ে হয় তার। তাদের ১১ বছর বয়সী এক ছেলে আছে। তাদের ছেলে শারীরিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। বিয়ের পর ব্যবসার কথা বলে মাজাহারুল আনাম ফিরোজা পারভীনের পরিবারের কাছ থেকে ২০ লাখ টাকা এনেছিলেন। সম্প্রতি আরও ১০ লাখ টাকা যৌতুক আনার জন্য চাপ দিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করছিলেন বলে অভিযোগ করেন তার স্ত্রী।

অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, যৌতুকের জন্য গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ফিরোজা পারভীনকে মারধর করা হয়। পরবর্তী সময়ে ফিরোজা পারভীনের ভাই ও পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা করান। আপসের উদ্দেশ্যে গত ২৫ জানুয়ারি মাজাহারুল আনামের বাসায় যান ফিরোজা। যৌতুকের টাকা না নিয়ে বাসায় ঢোকায় মাজাহারুল আনাম চুলের মুঠি ধরে ফিরোজাকে কিল ঘুষি ও লাথি মারেন। বাঁশের লাঠি দিয়েও আঘাত করেন তিনি। এ সময় অন্যান্য আসামিরা ফিরোজাকে মারধর করে রক্তাক্ত করেন এবং তার প্রতিবন্ধী সন্তানকেও মারধর করেন। এছাড়াও মামলার প্রধান আসামি মাজাহারুল আনাম তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মুখে বালিশ চাপা দেন।

পরে ফিরোজার চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে গেলে আসামিরা পালিয়ে যান। ফিরোজাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:৪৭
প্রিন্ট করুন printer

রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার হুমায়ুন কবীর

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার হুমায়ুন কবীর
মো. হুমায়ুন কবীর

রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবীর।

মঙ্গলবার হুমায়ুন কবীরকে এই নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে।

রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারের দায়িত্ব চালিয়ে আসা অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকারকে সচিব পদে পদোন্নতির পর নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পদায়ন করা হয়েছে।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:২৮
প্রিন্ট করুন printer

ফের বাসা-ভাড়াটিয়ার তথ্য নেবে ডিএমপি

অনলাইন ডেস্ক

ফের বাসা-ভাড়াটিয়ার তথ্য নেবে ডিএমপি

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিএমপি-ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেছেন, ডিএমপি কমিশনার নির্দেশ দিয়েছেন রাজধানীর বাসা-বাড়ির ও ভাড়াটিয়াদের তথ্য হালনাগাদ করার। আমরা খুব দ্রুতই এ হালনাগাদের কাজ শুরু করবো। আমাদের পুলিশ সদস্যরা প্রতিটি বাসা-বাড়িতে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন।

মঙ্গলবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রত্যেকটি ডিভিশন ও থানায় পুলিশের ফোর্স বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি বিট পুলিশিং শক্তিশালী করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, সম্প্রতি ঢাকায় রাতের বেলা বিভিন্ন জায়গায় ছিনতায়ের ঘটনা ঘটছে। ছিনতাই-ডাকাতিসহ বিভিন্ন সম্পত্তি-অর্থনৈতিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনতে গত ১৬ জানুয়ারি থেকে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে।

রাজধানীতে শুধু এই ছিনতাই জাতীয় অপরাধ হয় না, বিভিন্ন ধরনের অপরাধ হয়। এ বিষয়ে টহল টিম বাড়ানো হয়েছে। আমাদের প্রতিটি থানায় এখন ২৫ থেকে ৩০ জনকে সাব ইন্সপেক্টর দেয়া হয়েছে।

বি ডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:২৮
প্রিন্ট করুন printer

কার্প ফ্যাটেনিং প্রযুক্তি সম্প্রসারণে কলাপাড়ায় মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

কার্প ফ্যাটেনিং প্রযুক্তি সম্প্রসারণে কলাপাড়ায় মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের একটি প্রকল্পের আওতায় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের উদ্ভাবিত কার্প ফ্যাটেনিং প্রযুক্তি সম্প্রসারণে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার সলিমপুর গ্রামে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সোমবার বিকেলে অনুষ্ঠিত মাঠ দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের মৎস্য বিভাগের সদস্য পরিচালক ড. মো. মনিরুল ইসলাম। পবিপ্রবি’র সহকারী রেজিস্ট্রার ও জনসংযোগ বিভাগের প্রধান মুহাম্মাদ ইমাদুল হক প্রিন্স প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রকল্পের প্রধান গবেষক পবিপ্রবি’র একুয়াকালচার বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে এবং এমএস ছাত্র অয়ন সমাদ্দারের সঞ্চালনায় মাঠ দিবসের অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সহকারী প্রধান গবেষক পবিপ্রবি’র ফিশারিজ বায়োলজি এন্ড জেনেটিক্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আরিফুল আলম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পবিপ্রবি’র মৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. লোকমান আলী, বরিশাল বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আনিছুর রহমান তালুকদার। 

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের নদী উপ-কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা অভিজিৎ বসু এবং ইকোফিশ ও ওয়ার্ল্ডফিশের গবেষণা সহযোগী সাগরিকা স্মৃতি। মাঠ দিবসের অনুষ্ঠানে প্রকল্পের সদস্যবৃন্দ, পবিপ্রবি’র মৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের এমএস শিক্ষার্থী সহ শতাধিক মৎস্য চাষি উপস্থিত ছিলেন। 

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৫:২৮
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৫:২৯
প্রিন্ট করুন printer

চিকিৎসকের যৌন হয়রানির তদন্ত নিয়ে গড়িমসি, নার্সদের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

চিকিৎসকের যৌন হয়রানির তদন্ত নিয়ে গড়িমসি, নার্সদের বিক্ষোভ

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে এক চিকিৎসকের হাতে নার্সের যৌন হয়রানির ঘটনার তদন্ত নিয়ে গড়িমসির অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে হাসপাতালের নার্সেরা মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছেন।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে তারা এ কর্মসূচি পালন করেন। কর্মসূচি থেকে তারা চিকিৎসকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান।

অভিযুক্ত চিকিৎসকের নাম মামুন-অর-রহমান। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যানেসথেসিয়া ডিপ্লোমা করছেন। সেখান থেকেই কোর্স সম্পন্ন করতে এসেছেন রামেক হাসপাতালে। ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস শেষ করা ডা. মামুন চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত। ছুটি নিয়ে তিনি অ্যানেসথেসিয়া কোর্স করছেন।

রামেক হাসপাতালে তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) দায়িত্বে ছিলেন। সেখানেই কর্তব্যরত এক নার্সকে যৌন হয়রানির ঘটনাটি ঘটিয়েছেন গত ১৮ ও ১৯ জানুয়ারি। বিষয়টি জানাজানি হলে পরদিন তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। গঠন করা হয়েছে একটি তদন্ত কমিটি। কমিটিতে একজন নার্স, বাকি চারজন চিকিৎসক। তারা ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন নার্সেরা। এর প্রতিবাদেই তারা বিক্ষোভ করেন।

বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের রামেক হাসপাতাল শাখার ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের রামেক শাখার সভাপতি শাহাদাতুন নূর লাকি। পরিচালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ খলিলুর রহমান। সমাবেশে সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা বক্তব্য দেন।

বক্তারা বলেন, ঘটনার পর লম্বা সময় পার হলেও অভিযুক্ত চিকিৎসককে শুধু দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি ছাড়া অন্য কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দিতেও গড়িমসি করছেন। এই গড়িমসি তারা মেনে নেবেন না। অভিযুক্ত চিকিৎসক পার পেলে তারা আরও বড় কর্মসূচি হাতে নেবেন।

রামেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস বলেন, তদন্ত কমিটি নিজেদের মতো করেই তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছেন। এ পর্যন্ত প্রতিবেদন আসেনি। তবে নার্সেরা বিক্ষোভ করলেন বলে শুনলাম। আমরা বিষয়টি দেখছি। কেউ অপরাধ করে থাকলে ছাড় পাবেন না।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এই বিভাগের আরও খবর