শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৮ নভেম্বর, ২০১৯ ২৩:৩৩

ভুঁইফোড় সংগঠন দেয় যান চলাচলের ‘রুট পারমিট’

মুহাম্মদ সেলিম, চট্টগ্রাম

ভুঁইফোড় সংগঠন দেয় যান চলাচলের ‘রুট পারমিট’

চট্টগ্রামে ভুঁইফোড় সংগঠনগুলোই দিচ্ছে যান চলাচলের রুট পারমিট ! শুধু এসব সংগঠনের সদস্য হলেই মেলে নগরীজুড়ে চষে বেড়ানোর ‘অনুমতি’। প্রয়োজন হয় না লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন, রুট পারমিটসহ কোনো কাগজপত্রের। সর্বনি¤œ ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকার বিনিময়ে দেওয়া হয় যান চলাচলের রুট পারমিট। নগরীতে মানবাধিকার সংগঠন, পরিবহন সংগঠন, মুক্তিযোদ্ধা সংগঠন ও ভুইফোঁড় সংগঠনের ব্যানারে চলছে হাজার হাজার ‘অবৈধ’ গাড়ি। রুট পারমিট, রেজিস্ট্রেশন এবং কাগজপত্র ছাড়া বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে চলা গাড়িগুলোর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মোস্তাক আহমেদ খান। তিনি বলেন, ‘গত দুই মাস ধরে এসব গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। এরই মধ্যে এ ধরনের অসংখ্য গাড়ির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ অনুসন্ধানে জানা যায়, চট্টগ্রাম নগরীর ১৫ রুটে নিবন্ধনবিহীন, রুট পারমিটবিহীন, রেজিস্ট্রেশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া গাড়ি রয়েছে কয়েক হাজার। তার মধ্যেই বেশির ভাগই হচ্ছে সিএনজি টেক্সি, কার, মাইক্রো, মিনি বাস, ট্রাক। এসব গাড়ির বৈধ কোনো কাগজপত্র না থাকলেও বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থার ব্যানারে অবৈধ এসব গাড়ি দাপিয়ে বেড়ায় নগর জুড়ে। বিভিন্ন রুটে এসব গাড়ির চলাচলের ‘ছাড়পত্র’ নিতে ওইসব সংগঠনকে ‘রেজিস্ট্রেশনের’ নামে দিতে হয় ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা। এছাড়া গাড়ি ভেদে প্রতি গাড়ির জন্য কথিত এসব সংগঠনকে মাসিক হারে দিতে হয় ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা। শুধু ভুইফোঁড় সংগঠন নয়, কিছু আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকার সাংবাদিকদের নামেও চট্টগ্রাম নগরীতে চলে শতাধিক সিএনজি টেক্সি, কার, মাইক্রো। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ট্রাফিকের কর্মকর্তা বলেন, ‘ভুইফোঁড় সংগঠনের নামে চলা গাড়ির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গেলে অনেক সময় উল্টো ট্রাফিক সদস্যদেরই বেকায়দায় পড়তে হয়। অনেক সময় কাগজপত্র ছাড়া গাড়িগুলো ছেড়ে দিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ফোন করেন।’


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর