শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৬ জানুয়ারি, ২০২০ ২৩:১০

৩৪ বছর পর নতুন কোচ পেল সিলেটের ট্রেন

শাহ্ দিদার আলম নবেল, সিলেট

৩৪ বছর পর নতুন কোচ পেল সিলেটের ট্রেন

দীর্ঘ ৩৪ বছর পর সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী আন্তনগর ট্রেন পেল নতুন কোচ। মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে সিলেটের যাত্রীরা উদয়ন ও পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনে ২৭টি নতুন কোচ পেলেন। গতকাল সকালে গণভবন থেকে ভিডিও  কনফারেন্সের মাধ্যমে বাঁশিতে ফুঁ দিয়ে ও পতাকা নেড়ে ট্রেন দুটির নতুন কোচের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। নতুন কোচ যুক্ত হওয়ায় সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী যাত্রীদের দুর্ভোগ কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। রেলওয়ে সূত্র জানায়, সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে ১৯৮৬ সালে পাহাড়িকা ও ১৯৯৮ সালে উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেন চালু হয়। চালুর পর থেকে ট্রেনগুলোর কোচ পরিবর্তন হয়নি। জোড়াতালি দিয়েই চলছিল যাত্রী পরিবহন। দীর্ঘদিন ধরে কোচগুলো সংস্কার না হওয়ায় বেড়েই চলছিল দুর্ভোগ। ফলে অনেক যাত্রী ট্রেন থেকে মুখ ফিরিয়ে বাসনির্ভর হয়ে পড়েন। এ অবস্থায় সিলেট-চট্টগ্রাম রুটের ট্রেনে নতুন কোচ সংযোজনের দাবি জানিয়ে আসছিলেন যাত্রীরা।  মুজিববর্ষের উপহার হিসেবে সেই দাবি পূরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, পুরনো কোচ বদলে পাহাড়িকায় ১৪টি ও উদয়নে ১৩টি নতুন কোচ সংযোজন করা হয়েছে। উদয়ন ও পাহাড়িকা প্রতিটি ট্রেনে রয়েছে ২টি করে এসি, এসি স্লিপার ও ৭টি নন এসি কোচ। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) দুটি বগিতে মোট ১১০টি আসন ও ৮টি শোভন চেয়ার বগিতে মোট ৫১০টি আসন রয়েছে।  এখন থেকে ট্রেনে প্রতিদিন প্রায় আড়াই হাজার যাত্রী সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে যাতায়াত করতে পারবেন।

ট্রেনের কোচ উদ্বোধন উপলক্ষে সিলেট জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সিলেট রেলওয়ে স্টেশনেও এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী বক্তৃতা ও অনুষ্ঠান বড় পর্দায় দেখানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. শামসুজ্জামান, সিলেট-৩ আসনের এমপি মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী, জেলা প্রশাসক এম. কাজী এমদাদুল ইসলামসহ পেশাজীবী ও রাজনৈতিক দলের নেতারা।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর