শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২৩:২৩

বাংলাদেশি পাসপোর্টে কোনো রোহিঙ্গা সৌদি যায়নি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশি পাসপোর্টে কোনো রোহিঙ্গা সৌদি যায়নি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে কোনো রোহিঙ্গা সৌদি আরব যায়নি, ফেরতও আসেনি। অন্য কোনো দেশ থেকেও রোহিঙ্গা পরিচয়ে কেউ ফেরত আসেনি।

মন্ত্রী গতকাল রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) ‘বিমসটেক ট্র্যাডিশনাল হেলথ কেয়ার এক্সপো, ২০২০’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে                 সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। ‘সৌদি সরকার বাংলাদেশের পাসপোর্টধারী ৪২ হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে চাপ দিচ্ছে’ বলে কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে সৌদিতে বাংলাদেশ দূতাবাস ও সৌদি সরকার কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। জানালে আমরা প্রতিবাদ করব।’ তিনি প্রশ্ন করেন, ‘রোহিঙ্গা হলে তাদেরকে তাদের দেশে পাঠাবে, আমাদের এখানে কেন?’

সৌদি থেকে বাংলাদেশিদের ফেরত আসা প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,

সৌদিতে এখন অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো যাচ্ছে না। সেখানে অনেক বাংলাদেশির এখন কাজ নেই। কাজ না থাকলে ফিরে আসাটাই স্বাভাবিক।

এই এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিমসটেক মহাসচিব এম শহীদুল ইসলাম, আয়োজনের মুখ্য সমন্বয়ক এ এফ এম ফখরুল ইসলাম মুন্সী, বাংলাদেশ আয়ুর্বেদ ফাউন্ডেশনের (বিএএফ) সভাপতি এ বি এম গোলাম মোস্তফাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ সরকারের পরিবারকল্যাণ ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ভারত সরকারের আয়ুষ মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ভারতীয় চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) ও বাংলাদেশ আয়ুর্বেদ ফাউন্ডেশনের (বিএএফ) যৌথ উদ্যোগে এ এক্সপোর আয়োজন করা হয়েছে। এক্সপোয় অর্ধশতাধিক প্রতিষ্ঠানের স্টল রয়েছে। আগামী শুক্রবার পর্যন্ত প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘গত ১০ বছরে বাংলাদেশ ওষুধশিল্পে অভূতপূর্ব উন্নতি করেছে। বাংলাদেশে ইউনানি ও আর্য়ুবেদী ওষুধ ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।’ ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ বলেন, ‘মেলাটি সময়োপযোগী। এর মাধ্যমে ট্র্যাডিশনাল মেডিসিনের অনেক নতুন দিক উঠে আসবে, যা এত দিন আমাদের অজানা ছিল।’ তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। এ সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে দুই দেশের নাগরিকদের আরও উন্নত চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব।’ দুই দেশের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা প্রকল্প চালু আছে বলেও জানান তিনি।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর