শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৯ আগস্ট, ২০২০ ২৩:২৬

দুই উপনির্বাচন নিয়ে তোড়জোড়

আজ বৈঠকে বসছে ইসি, হতে পারে তফসিল

নিজস্ব প্রতিবেদক

দুই উপনির্বাচন নিয়ে তোড়জোড়

ঢাকা-৫ ও পাবনা-৪ আসনের উপনির্বাচন এবং বিভিন্ন স্থানীয় সরকারের নির্বাচন নিয়ে আজ বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হলে আজ ঢাকা-৫ ও পাবনা-৪ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। এক্ষেত্রে নির্বাচন হবে ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আজ ১০ আগস্ট নির্বাচন কমিশনের বৈঠক রয়েছে। বৈঠক শেষে এ দুই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে। তবে আজ তফসিল না হলে এ মাসের মাঝামাঝি তফসিল হবে। কেননা এ দুই আসনে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভোট করতে হলে দ্রুত তফসিল ঘোষণা করতেই হবে। তারা বলেছেন, তফসিল থেকে ভোট গ্রহণ পর্যন্ত ৪০ থেকে ৪৪ দিন হাতে রাখলে ২০ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ নির্বাচন হতে হবে। তবে ৩৮ দিন হাতে রাখলে ১৭ সেপ্টেম্বরও ভোট হতে পারে। ইসি সূত্র জানিয়েছে, আজ বিকাল ৩টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে নির্বাচন কমিশনের ৬৭তম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে তিনটি মূল এজেন্ডা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে (ক) স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনার জন্য আইনের খসড়া উপস্থাপন ও অনুমোদন; (খ) চাঁদপুর পৌরসভার সাধারণ নির্বাচন; (গ) জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য নির্বাচন এবং (ঘ) বিবিধ। এদিকে করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিশেষ পরিস্থিতিতে সিরাজগঞ্জ-১ শূন্য আসনের উপনির্বাচন নির্ধারিত ৯০ দিনের মধ্যে করা সম্ভব হবে না। তবে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করবে কমিশন। ইতিমধ্যে ইসি সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। তবে আজ বৈঠকে ঢাকা-১৮ আসনের উপনির্বাচন নিয়েও আলোচনা হতে পারে।  সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঢাকা-৫ ও পাবনা-৪ আসনের ভোট করোনার কারণে আগেই পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এক্ষেত্রে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তার হাতে থাকা ৯০ দিন সময়ের মধ্যে ভোটের সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন। এক্ষেত্রে সেই মেয়াদ শেষ হবে যথাক্রমে ১ নভেম্বর এবং ২৮ সেপ্টেম্বর। এ ছাড়া সিরাজগঞ্জ-১ আসনেও পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে ভোটের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন কমিশন। এক্ষেত্রে আগামী ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ আসনে ভোটের সময় পাবে ইসি। সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদের ৪ দফায় বলা হয়েছে, সংসদের কোনো সদস্যপদ শূন্য হলে তার নব্বই দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। তবে নির্বাচন কমিশনারের মতে কোনো দৈব-দূর্বিপাকের কারণে এ নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে  নির্বাচন সম্ভব না হলে পরবর্তী নব্বই দিনের ভোট করতে হবে। ইসির কর্মকর্তারা বলেছেন, ঢাকা-৫ আসন শূন্য হয়েছে গত ৬ মে। প্রথম ৯০ দিন শেষ হয় ৩ আগস্ট। পরবর্তী ৯০ দিন শেষ হবে ১ নভেম্বর। পাবনা-৪ আসন শূন্য হয়েছে গত ২ এপ্রিল। প্রথম ৯০ দিন শেষ হয়েছে গত ৩০ জুন। পরবর্তী ৯০ দিন শেষ হবে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর। গত ১৩ জুন সিরাজগঞ্জ-১ আসনটি শূন্য হয়। শূন্য হওয়ার পরে ৯০ দিন পূর্ণ হবে ১০ সেপ্টেম্বর। আর পরবর্তী ৯০ দিন শেষ হবে আগামী ৯ ডিসেম্বর।

 ঢাকা-১৮ আসনের শূন্য হয় গত ৯ জুলাই। শূন্য হওয়ার পরে ৯০ দিন পূর্ণ হবে ৬ অক্টোবর। আর পরবতী ৯০ দিন শেষ হবে ২০২১ সালের ১৪ জানুয়ারি।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর