শিরোনাম
মঙ্গলবার, ২ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ টা

ভাঙারির দোকানে করোনা টিকার সিরিঞ্জ-ভায়েল!

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে শৈলকুপা উপজেলার বিভিন্ন ভাঙারির দোকানে মিলছে করোনাভাইরাসের টিকায় ব্যবহৃত সিরিঞ্জ-ভায়েল। কার্টন কার্টন সিরিঞ্জ আর ভায়েল এখন এসব দোকানে ভর্তি। খোঁজ নিতে গিয়ে জানা গেছে, শৈলকুপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়ার পর সিরিঞ্জ আর ভায়েলসহ অন্যান্য টিকার বস্তা পুড়িয়ে না ফেলে ভাঙারির দোকানে বিক্রি করা হয়েছে। দোকানিরা জানান, হাসপাতালের কর্মচারীরা এসে তাদের দোকানে এসব বিক্রি করে যাচ্ছে। কবিরপুরে কবি গোলাম মোস্তফা সড়কে মা ক্রোকারিজ স্টোরে দেখা গেছে, পাঁচ কার্টনের বেশি করোনাভাইরাসের ব্যবহৃত সিরিঞ্জ রয়েছে।

 আরও রয়েছে বিভিন্ন প্রকার টিকার বস্তা বস্তা ভায়েল। দোকানটিতে রবিবার দুপুরে হাসপাতালের কর্মচারীরা এসে কার্টন আর বস্তা ভর্তি সিরিঞ্জ-ভায়েল বিক্রি করেছে। দোকানি জানান, ৪০ টাকা কেজি দরে এসব তারা কিনেছেন। আরেক ভাঙারির দোকানদার আবদুল মান্নান জানান, তারা ভাঙারি হিসেবে এসব কিনেছেন।

জানা গেছে, করোনাভাইরাসের এসব টিকার সামগ্রী দেখাশোনার দায়িত্বে রয়েছেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইপিআই টেকনিশিয়ান বিজন কুমার। রোগীদের টিকা দেওয়ার পর এই টেকনিশিয়ান এসব স্পর্শকাতর ও ঝুঁকিপূর্ণ সামগ্রী পুড়িয়ে না ফেলে ভাঙারির দোকানে বিক্রি করে দেন। এ ব্যাপারে বিজন কুমারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, ‘কার্টনসহ সিরিঞ্জ বাইরে যাওয়া বা বিক্রির কোনো নিয়ম নেই। আমার অধীনে থাকা সিরিঞ্জ-ভায়েল পুড়িয়ে ফেলেছি। তবে কীভাবে এসব বিক্রি হচ্ছে তা আমি জানি না।’

শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাশেদ আল মামুন বলেন, ‘জানতে পেরেছি ইউনিয়নে কর্মরত তিন টেকনিশিয়ান এগুলো (সিরিঞ্জ আর ভায়েল) জমা দেননি। হয়তো সেখান থেকে এসব কিছু ঘটনা ঘটতে পারে।’

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর