শিরোনাম
প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০৩:৫৯
প্রিন্ট করুন printer

মার্চে করোনার নতুন ধরন তাণ্ডব চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্রে!

অনলাইন ডেস্ক

মার্চে করোনার নতুন ধরন তাণ্ডব চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্রে!

দীর্ঘদিন ধরেই করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যু তালিকায় শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে উপচে পড়ছে করোনা রোগীর ভিড়। এরইমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে করোনার ভাইরাসের নতুন ধরনের (স্ট্রেইন) আগামী মার্চে শক্তিশালী রূপ নিয়ে তাণ্ডব চালাতে পারে দেশটির স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের এমন সতর্কবার্তা। মার্কিন রোগনিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) জানিয়েছে আগামী সপ্তাহগুলোতে কোভিডের নতুন রূপ মারাত্মকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ছড়াতে পারে।

মার্কিন স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, চলমান শীতে কোভিডের তীব্রতা বাড়লে সংকটে থাকা স্বাস্থ্যব্যবস্থা আরও হুমকির সম্মুখীন হবে। এ প্রসঙ্গে নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলছেন,  তার শপথ নেওয়ার প্রথম ১০০ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ১০ কোটি মানুষকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনার পরিকল্পনা। এর মধ্যে প্রথম সারির তালিকায় থাকবেন স্বাস্থ্যকর্মীসহ প্রবীণরা।  

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্যে জরুরিভিত্তিতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে মার্কিন প্রতিষ্ঠান ফাইজার ও জার্মান প্রতিষ্ঠান বায়োএনটেকের যৌথ উদ্যোগে তৈরি করা কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন। মার্চের মধ্যে ১০ কোটি মার্কিনিকে এ টিকার আওতায় আনতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ফাইজারের এ করোনার টিকা ৯৫ শতাংশ কার্যকর প্রমাণ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) জরুরি ভিত্তিতে দেশটিতে অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৮:২০
প্রিন্ট করুন printer

করোনায় প্রাণ গেল আরও সাড়ে ৯ হাজার মানুষের

অনলাইন ডেস্ক

করোনায় প্রাণ গেল আরও সাড়ে ৯ হাজার মানুষের

বিশ্বজুড়ে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের তাণ্ডব চলছেই। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ২৫ লাখ ২৮ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। আক্রান্ত হয়েছে ১১ কোটি ৪০ লাখ মানুষ। গেল ২৪ ঘণ্টায় ভাইরাসটি কেড়ে নিয়েছে সাড়ে ৯ হাজার প্রাণ; নতুন সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে সোয়া ৪ লাখের মতো।

শুক্রবার সর্বোচ্চ দু’হাজারের বেশি মৃত্যু রেকর্ড করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে করোনায় মৃতের সংখ্যা ৫ লাখ ২৩ হাজার ছুঁইছুঁই।

এছাড়া একদিনে ১৩শ’র বেশি মৃত্যুতে ব্রাজিলে প্রাণহানি ২ লাখ ৫৩ হাজার। এদিন ৩শ’ থেকে ৫শ’ মৃত্যু রেকর্ড করেছে স্পেন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি ও রাশিয়া।

বিশ্বের অষ্টম দেশ হিসেবে মৃতের সংখ্যা ৮৫ হাজার ছাড়িয়েছে রাশিয়ায়। ভারতে মহামারীর বছরজুড়ে প্রাণহানি ১ লাখ ৫৭ হাজার। মেক্সিকোতে এ সংখ্যা ১ লাখ ৮৪ হাজারের মতো।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীন থেকে উৎপত্তি হওয়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২২১টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। পরে ১১ মার্চ, ২০২০ সালে করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারী ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৭:০০
প্রিন্ট করুন printer

বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১১ কোটি ৩৯ লাখ ছাড়াল

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১১ কোটি ৩৯ লাখ ছাড়াল
প্রতীকী ছবি

বিশ্বজুড়ে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। এখন পর্যন্ত সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১১ কোটি ৩৯ লাখ ছাড়িয়েছে।

আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল ৭টা পর্যন্ত সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১১ কোটি ৩৯‌ লাখ ৬০ হাজার ১২৭ জন।

একই সময়ে করোনায় মারা গেছেন ২৫ লাখ ২৭ হাজার ৯৫৩ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮ কোটি ৯৫ লাখ ১৯ হাজার ৫৪৫ জন।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ৯১ লাখ ২৯ হাজার ৬৪৬ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ২২ হাজার ৭৩০ জন।

আক্রান্তের হিসাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ১০ লাখ ৭৯ হাজার ৯৪ জন। এর মধ্যে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৯৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:৫৯
প্রিন্ট করুন printer

অকার্যকর ভ্যাকসিন দিয়ে বিশ্বব্যাপী সন্দেহের মুখে চীন!

অনলাইন ডেস্ক

অকার্যকর ভ্যাকসিন দিয়ে বিশ্বব্যাপী সন্দেহের মুখে চীন!
প্রতীকী ছবি

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাই মোকাবেলায় জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য আরও দুটি দেশীয় ভ্যাকসিন অনুমোদন দিয়েছে চীন সরকার। এ নিয়ে দেশটিতে এখন পর্যন্ত চারটি ভ্যাকসিনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

এদিকে নিজেদের তৈরি করোনা ভ্যাকসিন বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে চীন। তবে চীনের এই কৌশল প্রায় ব্যর্থ হয়েছে। কারণ অনেক দেশই ইতোমধ্যে জানিয়েছেন যে চীনে তৈরি করোনার ভ্যাকসিন অকার্যকর। এমনকি চীনের মানুষও এই ভ্যাকসিনের ওপর ভরসা করতে পারছেন না।

চীনের দুই বন্ধু দেশ ব্রাজিল এবং পাকিস্তান ভ্যাকসিন নিয়ে গুরুতর শঙ্কা প্রকাশ করেছে। এছাড়া অন্যান্য দেশের আইনপ্রণেতারাও জানিয়েছেন, যে নিরাপদ প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত তারা চীনের ভ্যাকসিন অনুমোদন দেবেন না।

ব্রাজিলের বুটানটান ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, চীনের সিনোভ্যাক তাদেরকে হতাশ করেছে। ভ্যাকসিনটি ৫০ শতাংশের বেশি সুরক্ষা দিতে পারে না। চীন পাকিস্তানকে নিজেদের কলোনি হিসেবে গণ্য করে সেখানে চীনা-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর তৈরি করছে। সেই পাকিস্তানের জনগণই চীনের ভ্যাকসিনে নিতে চাইছে না। 

এদিকে মালয়েশিয়া এবং ফিলিপাইনও জানিয়েছে, ট্রায়ালের ফল সন্তোষজনক না আসা পর্যন্ত তারা চীনের ভ্যাকসিন ব্যবহার করবে না। 

চীনের ভ্যাকসিনের অকার্যকর হওয়ার বিষয়টি নতুন নয়। ২০১৮ সালেও শিশুদের জন্য তৈরি ১০ লাখ ত্রুটিপূর্ণ ভ্যাকসিন তৈরি করেছিল চীন।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:৩৪
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:৪০
প্রিন্ট করুন printer

টিকা কূটনীতি ‌‘যুদ্ধে’ চীনকে হারাল ভারত

অনলাইন ডেস্ক

টিকা কূটনীতি ‌‘যুদ্ধে’ চীনকে হারাল ভারত
প্রতীকী ছবি

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) টিকা কূটনীতি ‘যুদ্ধে’ চীনকে হারিয়ে দিয়েছে ভারত। উন্নয়নশীল বিশ্বে প্রভাব বিস্তারের প্রচেষ্টায় বেইজিংকে পেছনে ফেলেছে নয়াদিল্লি।  

সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ’র এক বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে

প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনা মহামারি চীনকে পেছনে ফেলে বৈশ্বিক শক্তি অর্জনের কূটনৈতিক সুযোগ করে দিয়েছে ভারতকে। ভারতের ওষুধ শিল্প, বিশেষ করে দেশটির সেরাম ইনস্টিটিউট, ইতোমধ্যেই উন্নয়নশীল বিশ্বে প্রধান ওষুধ সরবরাহকারী সংস্থা হয়ে উঠেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ পর্যন্ত মোট ৩ কোটি ৩০ লাখের বেশি ডোজ টিকা রফতানি করেছে ভারত।

অপরদিকে গরিব দেশগুলোতে কম দামে কিংবা বিনামূল্যে করোনার টিকা সরবরাহ করে আগামী কয়েক বছর বিশ্ববাজারে প্রভাব বিস্তারের সুযোগ ছিল চীনের। প্রাথমিকভাবে দেশটি দৃঢ় অবস্থানেও ছিল।

নিজ দেশে করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে টিকার উৎপাদনকে গতিশীল করেছে চীন। বিশ্বজুড়ে জনগণের আস্থা তৈরিতে চীনের ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থাগুলো তাদের টিকা ট্রায়ালের বিবরণ প্রকাশ করে। চীনের ১৪০ কোটি জনগণকে সুরক্ষিত করতে তারা নিজ দেশে জরুরিভিত্তিতে টিকা প্রয়োগ শুরু করে এবং চীনের জনগণকে টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়।

অন্যদিকে, ভারত নিজ থেকে টিকা কর্মসূচি শুরুর কম সময়ের মধ্যেই প্রতিবেশী  বাংলাদেশ, নেপাল, ও শ্রীলঙ্কায় কয়েক লাখ ডোজ টিকা পাঠিয়েছে। ফলে এই দেশগুলো চীনের টিকার জন্য অপেক্ষা না করে, টিকা কর্মসূচি শুরু করে দিয়েছে।

শ্রীলঙ্কার বিরোধীদলের আইনপ্রণেতা এরান বিক্রমরত্নে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ভারতের উপহারের কারণে শ্রীলঙ্কা দ্রুত টিকা কার্যক্রম শুরু করতে পেরেছে। বেশিরভাগ শ্রীলঙ্কান এ জন্য কৃতজ্ঞ।’ তিনি নিজেও ভারতীয় টিকা নিয়েছেন বলে জানান।

এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী প্রায় ৬৮ লাখ টিকা বিনামূল্যে সরবরাহ করেছে ভারত। ব্লুমবার্গ’র তথ্য মতে, চীন বিশ্বব্যাপী প্রায় ৩৯ লাখ সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু তারা সবগুলো পৌঁছে দিতে পারেনি।

মিয়ানমারে প্রায় ৩ লাখ ডোজ টিকা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল চীন। এখনো এর সরবরাহ শুরু করতে পারেনি দেশটি। অন্যদিকে, মিয়ানমারে ১৪ লাখ ডোজ সরবরাহ করেছে ভারত।

ভারত জানিয়েছে, ভারত টিকা প্রয়োগের ক্ষেত্রে তার নিজের জনগণকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তবে টিকা তৈরির ক্ষেত্রে ভারতের দক্ষতা থাকায় নিজের নাগরিকদের পাশাপাশি অন্যদেশের চাহিদাও পূরণ করতে পারছে।

ব্লুমবার্গ আরও জানিয়েছে, ভারতের টিকা নিয়ে শুরুতে বাংলাদেশে অনাগ্রহ দেখা গেলেও এখন অনেকেই টিকা নিচ্ছেন।  

দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশ, এমনকি দূরবর্তী ডোমিনিকান ও বার্বাডোসকেও সাশ্রয়ীমূল্যে টিকা সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছে ভারত। প্রাথমিক শিপমেন্ট বিনামূল্যে হওয়ার কথাও জানিয়েছে।

এমনকি, চীনের সীমান্তেও ভারতীয় ভ্যাকসিন পৌঁছে গেছে। ভারতের সরবরাহ করা দেড় লাখ ডোজ টিকা বিনামূল্যে পেয়েছে মঙ্গোলিয়া।

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোডো ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান চীনা টিকা নিয়েছেন। ভারতের চির প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ পাকিস্তানেরও ভরসা চীনা টিকা। পাকিস্তানের অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য চীন প্রায় ৭০০ কোটি ডলার অর্থায়ন করেছে।

এদিকে চীনের সিনোফার্ম গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড, সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেড, ক্যানসিনো বায়োলজিকস ও চংকিং ঝিফেইই বায়োলজিকাল প্রোডাক্টস কোম্পানির উৎপাদিত টিকা পাকিস্তান, তুরস্ক, মরক্কো, ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল ও  সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েকটি দেশে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য সরবরাহ করা হয়েছে। এ ছাড়া এক ডজনেরও বেশি দেশকে টিকা সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন।

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ 

 
 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:২২
প্রিন্ট করুন printer

আরও দুটি দেশীয় ভ্যাকসিন অনুমোদন দিল চীন

অনলাইন ডেস্ক

আরও দুটি দেশীয় ভ্যাকসিন অনুমোদন দিল চীন

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাই মোকাবেলায় জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য আরও দুটি দেশীয় ভ্যাকসিন অনুমোদন দিয়েছে চীন সরকার। এ নিয়ে দেশটিতে এখন পর্যন্ত চারটি ভ্যাকসিনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

এর আগে সিনোভ্যাক বায়োটেকের ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়েছিল এবং গত বছর সিনোফার্মের বেইজিং ইউনিটের আরেকটি ভ্যাকসিনের অনুমোদন দেয় চীন।

নতুন অনুমোদিত দুটি ভ্যাকসিন উৎপাদন করেছে-ক্যানসিনো বায়োলজিক্যালস ইনকরপোরেটেড এবং চায়না ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল গ্রুপের (সিনোফার্ম) সহযোগী প্রতিষ্ঠান উহান ইনস্টিটিউট অফ বায়োলজিক্যাল প্রোডাক্টস।

ক্যানসিনো জানিয়েছে, ডোজের ২৮ দিন পর থেকে তাদের ভ্যাকসিন ৬৫.২৮ শতাংশ কার্যকর। এদিকে, উহান ইনস্টিটিউট অফ বায়োলজিকসের দাবি, তাদের ভ্যাকসিন ৭২.৫১ শতাংশ কার্যকর। তবে কোনো কোম্পানিই তাদের ডেটার বিস্তারিত প্রকাশ করেনি।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর