৫ জানুয়ারি, ২০২২ ১৬:৫৬
উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি

চট্টগ্রামে বাড়ছে করোনা, বাড়ছে উদ্বেগ

রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রামে বাড়ছে করোনা, বাড়ছে উদ্বেগ

প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রামে গত ৩০ ডিসেম্বর করোনাভাইরাস পজেটিভ হয় ১৮ জন এবং শনাক্তের হার ১ দশমিক ৩৫ শতাংশ। গত ১ জানুয়ারি শনাক্ত হয় ১৬ জন এবং শনাক্তের হার ১ দশমিক ৫৮ শতাংশ। ২ জানুয়ারি শনাক্ত হয় ২৩ জন এবং শনাক্তের হার ১ দশমিক ৫৬ শতাংশ। গত ৩ জানুয়ারি শনাক্ত হয় ৩৫ জন এবং শনাক্তের হার ২ দশমিক ৯৭ শতাংশ। গত ৪ জানুয়ারি শনাক্ত হয় ৫৩ জন এবং শনাক্তের হার ৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ। গত ৪ জানুয়ারি চট্টগ্রামে গত কয়েকমাসের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক পজেটিভ শনাক্ত হয়।       

এভাবে চট্টগ্রামে গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা, সঙ্গে বাড়ছে শনাক্তের হার, বাড়ছে উদ্বেগ। শনাক্তের হার বাড়লেও মৃত্যুর কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে করোনা পজেটিভ বাড়লেও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা কিংবা স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে না। বরং জীবনযাত্রার সবদিকেই দেখা যাচ্ছে বেপরোয়া ভাব, উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি। মানা হচ্ছে না সরকারি নির্দেশনা।  

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী বলেন, গত কয়েকদিন ধরে সংক্রমণ বাড়ছে। তাছাড়া ইতোমধ্যে ঢাকায় করোনাভাইরাসের ওমিক্রনের ধরন শনাক্ত হয়েছে। চট্টগ্রামেও এর আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যায় না। তাই এখন থেকেই সর্বোচ্চ সতর্ক ও সচেতন থাকা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এ ব্যাপারে সরকারি নির্দেশান জারি করা হয়েছে। তবে কেবল নির্দেশনা নয়, সবাইকে নিজ থেকেই সচেতন হতে হবে।        

চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল ডেন্টাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ মুসলিম উদ্দিন সবুজ বলেন, দেশে ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে। এটা সকলের জন্য একটা বার্তা। তবে বুস্টার ডোজ দেয়া থাকলে ওমিক্রনটা তেমন প্রভাব ফেলতে পারে না। তাই আমরা মনে করি, করোনা মোকাবিলায় সম্মুখসারির সব যোদ্ধা এবং ষাটোর্ধদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বুস্টার ডোজের আওতায় আনা জরুরি। তাহলে ওমিক্রন ঝুঁকিটা মোকাবিলা করটা সহজ হবে।   

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামে গত মঙ্গলবার ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৩ জন। এর মধ্যে মহানগরে ৪৯ জন ও ১৪  উপজেলায় চারজন। ইতোমধ্যে চট্টগ্রামে মোট আক্রান্ত হন ১ লাখ ২ হাজার   ৭৬৯ জন। এর মধ্যে মহানগরে ৭৪ হাজার ৩৮২ জন এবং উপজেলায় ২৮ হাজার ৩৮৭ জন। ইতোমধ্যে মারা গেছেন এক হাজার ৩২২ জন। এর মধ্যে মহানগরে ৭২৩ জন ও উপজেলায় ৬০৯ জন। চট্টগ্রামে সরকারি-বেসরকারি ১৫টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা চলছে।     

বিডি প্রতিদিন/এএম

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর