Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ২ ডিসেম্বর, ২০১৮ ২৩:৫৫

নাট-বল্টু থেকে অত্যাধুনিক কোচ সবই তৈরি সম্ভব

সৈয়দপুর রেল কারখানা

নীলফামারী প্রতিনিধি

নাট-বল্টু থেকে অত্যাধুনিক কোচ সবই তৈরি সম্ভব

নাট-বল্টু থেকে শুরু করে সব ধরনের যন্ত্রাংশ এমনকি রেলের অত্যাধুনিক কোচও তৈরি সম্ভব সৈয়দপুর রেল কারখানায়। প্রতিষ্ঠার পর ১৯৬৬ সালে এ কারখানায় নতুন কোচ তৈরি হয়েছিল। এরপর থেকে এখানে বন্ধ রয়েছে কোচ নির্মাণ কার্যক্রম। বর্তমানে শুধু পুরাতন কোচ মেরামত করা হয়। সম্ভাবনাময় এ রেলওয়ে কারখানাটি আধুনিকায়ন হলে উৎপাদন বাড়বে চার গুণ। কারখানাকে কেন্দরল কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়। এখানে মেরামত করা হতো যাত্রীবাহী কোচ, ওয়াগন। তৈরি হতো রেলওয়ের খুচরা যন্ত্রপাতি। ১৯৯২ সালের আগেও ৭ হাজার ৩৫৬ জন শ্রমিক এখানে কর্মরত ছিলেন। ১৯৯৩ সালে ৫৬৭ জন শ্রমিককে গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে বিদায় দেওয়া হয়। আর জনবল সংকোচন নীতিমালার আওতায় জনবল অর্ধেক কমিয়ে আনা হয় তিন হাজার ১৭১ জনে। পর্যায়ক্রমে দক্ষ শ্রমিকরা অবসরে যাওয়ায় এখন কর্মরত আছেন মাত্র এক হাজার ১১০ জন। নিয়োগ দেওয়া হয়নি নতুন কোনো শ্রমিক। শ্রমিক সংকটে ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন। পর্যাপ্ত বরাদ্দ পেলে এ কারখানায় অত্যাধুনিক কোচ তৈরিও সম্ভব। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সম্ভাবনাময় এ কারখানার অবস্থা বর্তমানে নাজুক। অর্ধেকের বেশি মেশিনারিজের বয়স ২০ বছরেরও অধিক। আধুনিক মেশিনারিজ না থাকার কারণে হাজার বছরের পুরনো মেশিন দিয়ে কোনো রকমে চলছে কার্যক্রম। মেয়াদোত্তীর্ণ এ সব মেশিন দিয়ে কাজ করতে গিয়ে প্রায়ই বিপদে পড়তে হচ্ছে শ্রমিকদের। সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক কুদরত ই-খুদা বলেন, ‘দেশের বৃহত্তর এ রেলওয়ে কারখানাটি আধুনিকায়ন করতে প্রয়োজন দক্ষ জনবল নিয়োগ, পর্যাপ্ত বাজেট, কাঁচামাল ও আধুনিক যন্ত্রপাতি।’


আপনার মন্তব্য