শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১০ মে, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৯ মে, ২০২১ ২৩:৩৬

হলুদ তরমুজের আবাদ

জামান আখতার, চুয়াডাঙ্গা

হলুদ তরমুজের আবাদ
Google News

চুয়াডাঙ্গায় বাণিজ্যিকভাবে ‘গোল্ডেন ক্রাউন’ জাতের হলুদ তরমুজ চাষ করছেন শতাধিক কৃষক। মাত্র ৬০ দিনেই বাজারজাত করা যায় এ তরমুজ। অল্প খরচে লাভ বেশি হওয়ায় এই তরমুজ চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের। জেলার গাড়াবাড়িয়া গ্রামের তরমুজচাষি সলেমান শেখ জানান, ১০ বছর আগে গাড়াবাড়িয়া গ্রামে ‘গোল্ডেন ক্রাউন’ ও ‘ব্লাব বেবি’ জাতের অসময়ের তরমুজের আবাদ করেন চাষিরা। পরে এর সঙ্গে যুক্ত হয় ‘সাগর কিং’ জাতের তরমুজ। ধীরে ধীরে এসব জাত ছড়িয়ে পড়ে জেলার সব এলাকায়। তবে হলুদ রঙের তরমুজটি দেখতে সুন্দর ও সুস্বাদু হওয়ায় এর দাহিদা বাড়তে থাকে। কৃষকরা জানান, অসময়ের এ তরমুজটি মালচিং পদ্ধতিতে চাষ করা হয়। এতে খরচ বেশ কম হয়। এক বিঘা জমিতে তরমুজ চাষে খরচ হয় ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা। দাম ভালো থাকলে বিঘাপ্রতি এক লাখ টাকা লাভ করা সম্ভব। বর্তমানে চুয়াডাঙ্গার চাষিরা বাণিজ্যিকভাবে এ তরমুজ চাষ করছেন।

 ঢাকা থেকে আসা ব্যাপারি আনোয়ার হোসেন বলেন, চুয়াডাঙ্গার হলুদ তরমুজের মান অনেক ভালো। এ কারণে দেশের বড় বড় মোকামে চুয়াডাঙ্গার তরমুজের চাহিদা রয়েছে। তাছাড়া এর বাজারদরও ভালো। তিনি ৮/৯ বছর ধরে চুয়াডাঙ্গার তরমুজ কিনে সারা দেশের বড় বড় শহরে নিয়ে বিক্রি করেন। চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা সুফি মো. রফিকুজ্জামান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলায় এ বছর প্রায় সাড়ে ৩০০ হেক্টর জমিতে অসময়ের তরমুজের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে গোল্ডেন ক্রাউনই বেশি। জেলার অন্তত ৫ হাজার কৃষক তরমুজ চাষে সম্পৃক্ত। এ বছর চুয়াডাঙ্গায় ৭ হাজার মেট্রিক টন তরমুজ উৎপাদন হবে বলে আশা করছেন তারা।