শিরোনাম
প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৫:৪৩

রোহিঙ্গাদের এনআইডি

ইসির ৪ কর্মচারী এখন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটে

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম :

ইসির ৪ কর্মচারী এখন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটে

রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি ও তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র সরবরাহের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া নির্বাচন কমিশনের (ইসি)  চার কর্মীকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটে নেওয়া হয়েছে। আজ রবিবার দুপুর ১২টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর নুর মোহাম্মদ সড়কের আঞ্চলিক সার্ভার স্টেশন থেকে তাদের নিয়ে যাওয়া হয়। 

এরা হলেন নির্বাচন কমিশনের কর্মচারী জয়নাল আবেদিন (৩৫) ও তার দুই সহযোগী বিজয় দাশ (২৬) এবং তার বোন সীমা দাশ (২৩)। অন্যজন হচ্ছেন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের কর্মচারী মোস্তফা ফারুক।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার পলাশ কান্তি নাথ জানান, ‘চারজনের মধ্যে একজন নারী ও তিনজন পুরুষ রয়েছে। তারা নির্বাচন কমিশনের অধীনে স্থায়ী ও অস্থায়ীভাবে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে কমর্রত ছিলেন। রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি ও তাদের কাছে বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র সরবরাহ করার ঘটনায় সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ১৭ সেপ্টেম্বর জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন আইনে কোতোয়ালী থানায় দায়ের করা একটি মামলায় ১৯ সেপ্টেম্বর মোস্তফা ফারুককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কাউন্টার টেরোরিজমে ডাকা হয়। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী নগরীর মুরাদপুর হামজারবাগের একটি বাসা থেকে দুইটি ল্যাপটপ, ১টি মডেম, ১টি পেনড্রাইভ, ৩টি সিগনেচার প্যাড ও আইডি কার্ডের লেমিনেটিং সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এর আগে, ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে নির্বাচন কমিশনের কর্মচারী জয়নাল আবেদিন ও তার দুই সহযোগী বিজয় দাশ এবং সীমা দাশকে আটক করে পুলিশে দেয় চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন কার্যালয়।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য