শিরোনাম
প্রকাশ : ৩ মার্চ, ২০২১ ১১:২৫
প্রিন্ট করুন printer

ডাটা এন্ট্রির নামে প্রাথমিকের শিক্ষকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ

কালিয়াকৈর প্রতিনিধি:

ডাটা এন্ট্রির নামে প্রাথমিকের শিক্ষকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ

কালিয়াকৈর উপজেলার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের জন্য ডাটা এন্ট্রির নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। 

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলার ১২২টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৮ শত শিক্ষক রয়েছে। করোনাকালীন সময়ে সরকারী নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক শিক্ষকদের বেতন ভাতা ইএফটি’র মাধ্যমে প্রদান করতে বলা হয়েছে। এ লক্ষে শিক্ষকদের তথ্যসমূহ ডাটা এন্ট্রি করতে গিয়ে প্রতি শিক্ষকদের দিতে হচ্ছে ২ শত টাকা। অথচ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষা অফিসের দায়িত্বে বিনা খরচে শিক্ষকদের ইএফটির ডাটা এন্ট্রি করে দেওয়ার কথা রয়েছে। 

অভিযোগ রয়েছে শিক্ষকদের নিকট থেকে টাকা নিয়ে ডাটা এন্ট্রির কাজ করছেন উপজেলা শিক্ষা অফিসের হিসাব সহকারী আবু তাহের, মুরাদপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম, বাহাদুরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আওলাদ হোসেন। 

মেদুলিয়া কান্দপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনিল চন্দ্র সরকার অভিযোগ করে বলেন, আমার বিদ্যালয়ের প্রতি শিক্ষকের জন্য ইএফটির ডাটা এন্ট্রি করতে গিয়ে দুইশত করে টাকা দেওয়া হয়েছে।

অভিযুক্ত মুরাদপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমি ডাটা এন্ট্রির কাজ করে দিয়েছি তবে শিক্ষকদের নিকট থেকে টাকা নেইনি।

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রমিতা ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ইএফটির বিষয়ে আমি মোবাইলে কোনো তথ্য দিব না। আপনি অফিসে এসে কথা বলেন।

গাজীপুর জেলা শিক্ষা কর্মকতা মোফাজ্জল হোসেন বলেন, ডাটা এন্ট্রির কাজে কোনো প্রকার টাকা পয়সা নেওয়ার নিয়ম নেই।
 
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের শিক্ষা অফিসার (অর্থ) তাপস কুমার সরকার বাংলাদেশ প্রতিদিনকে, এ বিষয়ে কোনো টাকা লেনদেন করা যাবে না। লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেলে কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিবেন।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর