শিরোনাম
প্রকাশ : ৩১ মে, ২০২১ ১৭:১৯
প্রিন্ট করুন printer

শৈলকুপায় প্রণোদনার টাকা না পেয়ে ১৬টি দপ্তরে শিক্ষকদের অভিযোগ

শেখ রুহুল আমিন, ঝিনাইদহ

শৈলকুপায় প্রণোদনার টাকা না পেয়ে ১৬টি দপ্তরে শিক্ষকদের অভিযোগ
Google News

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার নন-এপিওভুক্ত শিক্ষকরা প্রণোদনার টাকা না পেয়ে শিক্ষামন্ত্রীসহ ১৬টি দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। গত ১০ মে অভিযোগ দায়ের করলেও এখন পর্যন্ত তেমন কোনো প্রতিকার পাননি তারা।

তিনটি মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকসহ পাঁচজন শিক্ষকের লিখিত অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, নন-এমপিও শিক্ষকদের করোনা প্রণোদনার ভাতা প্রকৃত শিক্ষকদের না দিয়ে ভুয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের দেওয়া হয়েছে। এসব মাদ্রাসা শিক্ষকদের করোনার প্রণোদনার টাকা প্রদান করা হবে বলে উপজেলা শিক্ষা অফিসার শামীম আহম্মেদ খান মোবাইলে নিজ দপ্তরে ডেকে নিয়ে সরাসরি ঘুষ দাবি করেন। ঘুষ না দেওয়ার কারণে টাকা প্রদান করা হয়নি। 

এছাড়া শৈলকুপার চরপরমান্দপুর মাদ্রাসার শিক্ষক হাফিজা খাতুন, বিষ্ণুপুর মাদ্রাসার মিজানুর রহমান, রাবেয়া খাতুন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সুমি খাতুন ও কামরুন নাহার অভিযোগ করেন, একই স্টেশনে ৬ বছর ধরে থাকার কারণে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শামীম আহম্মেদ খান দুর্নীতির সাথে ক্রমেই জড়িয়ে পড়ছে। দিন দিন তিনি বেপরোয়া হয়ে উঠছেন।

বিষয়টি নিয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার তাসলিমা খাতুন জানান, শামীম আহম্মেদ খানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। নতুন যোগদান করার কারণে দপ্তরিক নানা কাজে আমি বেশ চাপে আছি। তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হবে।

শৈলকুপা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শামীম আহম্মেদ খান জানান, উত্থাপিত অভিযোগ সত্য নয়। আর টাকা যদি নিয়েই থাকি তারা প্রমাণ করুক। কারণ, করোনার প্রণোদনার টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আসে। এটা দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, যারা অভিযোগ করছেন, তাদের নাম ইউএনওর নেতৃত্বে গঠিত উপজেলা কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাই আমার বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে অভিযোগ করা হচ্ছে।

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর