শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৬ জুন, ২০২৩

ভূত দাদু

নিশো আল মামুন
প্রিন্ট ভার্সন
ভূত দাদু

আমি তখন খুব ছোট। তোমাদের মতো। শহরে একটা শাদা রঙের দোতলা বাড়িতে থাকতাম। তিন ভাইবোন মিলেমিশে একটা রুমে গল্প করতে করতে ঘুমিয়ে যেতাম। গল্পের ফাঁকে ফাঁকে কখনো কখনো খুব জোরে হেসে উঠতাম। কী যে আনন্দ! তোমরা হয়তো বিশ্বাস করবে না। একদিন রাতে কোনো কারণে আমাকে সেই রুমে একা থাকতে হলো। কেন জানি ঘুম আসছিল না। এপাশ ওপাশ করছি। দেয়াল ঘড়ি টিক টিক করে অনেক বেজে গেছে। এর মধ্যে আমাদের বাসায় দু’একটা ভূতের কান্ড-কারখানাও ঘটে গেছে।। শুধু ভূতের কথা মনে পড়তে লাগল। দেয়াল ঘড়িতে ঢং ঢং করে একটা বেজে গেল। হঠাৎ মনে হলো কে যেন অন্ধকারে আমার বিছানার চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। পায়ের আওয়াজ, ঘন ঘন নিঃশ্বাসের শব্দ স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। সে যেন কী খুঁজছে, পাচ্ছে না। দ্রুত একবার রুমে একবার বারান্দায় ছোটাছুটি করছে। ধপ করে একটা হাত আমার শরীরে স্পর্শ করল। ভয়ে আমার গা ছমছম করতে লাগল। তারপরও ভয় ভয় গলায় বললাম, কে, কে ওখানে? হঠাৎ সব শব্দ থেমে গেল। একটা কথা খুব স্পষ্ট শুনতে পেলাম, আমি দাদু ভাই। ভূত! ভয় পাচ্ছ? গল্প করতে এসেছি তোমার সাথে।

আমি ভয় পেয়ে কোলবালিশটা খুব শক্ত করে ধরলাম, কিছুক্ষণ পর আমার ভয়টা একটু কেটে গেলে বললাম, এই রাতে কেউ গল্প করে?

বল কী? আমরা তো রাতেই গল্প করি। ঘুরে বেড়াই। কী সুন্দর জোছনা! একবার দেখতে ইচ্ছে করে না?

আমার ভয় ততক্ষণে আরও অনেকখানি কেটে গেছে। জানালার পর্দা একটু সরিয়ে দেখি, ঝক ঝকে জোছনা। বললাম, তুমি দেখ। আমি ঘুমিয়ে পড়ি। সে বলল, তুমি একা বুঝি? তবে, তবে তোমাকে নিয়ে একটা জায়গায় বসে গল্প করা যাক।

কোথায়?

ভয় নেই। আমি তোমার দাদুর মতো। তুমি আমাকে ভূত দাদু বলে ডাকবে।

ভূত দাদু আমাকে সাঁই সাঁই করে উড়ে নিয়ে শহরের শেষ প্রান্তে বসল। বলল, একশ বছর আগে আমিও ঠিক তোমার মতো ছোট ছিলাম। গ্রামে ছ’ভাই আর তিন বোন, মা-বাবা মিলে থাকতাম। একটা লম্বা তালগাছে। তালগাছের নীচে উঠোনটা ফক ফক করত। পাশে পুকুরটা চকচক করত। গ্রামটা ছিল রূপসী চাঁদের মতো।

তোমার যেমন তিন ভাইবোন গল্প করে, ঠিক তেমন করে আমরা ভাইবোনরা মিলে গল্প করতাম। এই পঞ্চাশ বছর ধরে শুধু একা একাই শহরে হু হু করে বেড়াচ্ছি। আজ তোমার সাথে আমার সেই ছোটবেলার গল্প করব। নিরুপায় দেখে উৎসাহ নিয়ে বললাম, সেই ভালো।

সবচেয়ে মজার কথা যদি শুনতে চাও তাহলে আমাদের গ্রামের কথা বলি। ভূত দাদু চাঁদের দিকে তাকাল। তারপর বলল, গ্রামটা ম’রে গেছে। গ্রাম থেকে পালিয়ে এসেছে অনেকেই। পালিয়ে এসেছি আমি। ওই গ্রাম আজও স্বপ্নে দেখি। ফেরার আর পথ নেই। পুকুর বাঁধানো ঘাটে ভিড় লেগে থাকত। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। নদীটা একেবেঁকে চলে গেছে বহু দূর। উত্তর দিকটা ছিল বনের মতো। সেকথা আমার স্পষ্ট মনে আছে। শুনছ? কেমন লাগছে। আমি বললাম, মানুষ দাদুর চেয়ে তোমার গল্পের শুরুটি বেশ মজার।

তবে শোন, যখন জোছনায় ভেসে যেত সমস্ত গ্রাম। আমরা সবাই মিলে নদীতে গোসল করতাম। মাঠে নেচে গেয়ে খেলতাম। আমার ভাই বাঁশি বাজাত খুব সুন্দর। বোনেরা মিলে উড়ে উড়ে সমস্ত গ্রাম, পুল ঘাট ঘুরে বেড়াতাম। পশ্চিমে মাঝির বাড়িটা ছিল খুব চকচকে ঝলমলে। ইচ্ছে হচ্ছে গ্রামটা তোমার চোখের সামনে দাঁড় করি। যেন রূপসী, সবুজ, শ্যামল কন্যার মতো। তোমার কী মনে হয়।

আমি খুব নীচু স্বরে বললাম, আমি তো গ্রাম দেখিনি। তবে ছবিতে দেখেছি। বুঝেছি ছবির চেয়েও সুন্দর গ্রাম। তোমাকে আর অনেক বলতে হবে না। ভূত দাদু খপ করে আমার ডান হাত চেপে ধরল। বলল, অন্ধকার রাতে বাতাসে বাতাবি লেবুর শাদা ফুলের গন্ধ ভেসে আসত। জোনাকি পোকা জ্বলত নিভত। ঘুগরা পোকা ঝিঁইইই ঝিঁই ডাকত। ঝুম বৃষ্টি এলে মাঝি বাড়িতে, মাতবরের বাড়িতে ভুনা খিচুড়ির গন্ধ বের হতো। তখন আমরা ভাই বোনেরা টিনের চালে ঢিল ছুড়তাম। তারা ভয়ে জড়সড়ো হয়ে পড়ত। গ্রামের সড়কটা খুব উঁচু ছিল না। পিচঢালা ছিল না। মাঠ থেকে একটু উঁচু ছিল। ওই সড়ক ধরে মানুষ যেত। গরু যেত। ভোরবেলায় মক্তবে আওয়াজ উঠত, আলিফ দুইপেশ উন, বে দুই পেশ বুন। খালি গায়ে হেডমাস্টার সাহেব নাদুশ নুদুশ শরীর দুলিয়ে সিসার ঘটি নিয়ে ঘাটে যেতেন। মহাজন বাবু যেতেন সাইকেলে। ফিরে আসতেন সন্ধের পর হলুদ কলার কাঁদিটা থাকত সাইকেলে। কখনো কখনো আমরা ভাইবোনেরা সাইকেল টেনে ধরতাম। পালকিও যেত দু’একটা। নতুন বউ। শীত এলে গাঁয়ের মা, খালা, নানি-দাদিরা পিঠা বানাত। আমরা আশেপাশে ঘুরতাম। হঠাৎ হঠাৎ হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলতাম, দে একটা পিঠা!

তোমরা তো বেশ দুষ্ট ছিলে।

ভূত দাদু খট খট করে হেসে উঠল। বললাম, গ্রাম ছেড়ে চলে এলে কেন? ভূত দাদু গো গো করে নিঃশ্বাস ছাড়ল। বলল, আহ্ দাদুভাই গ্রাম আর গ্রাম নেই। আগে সব শোন।

একদিন সকালে দেখি কালো একটা গাড়িএলো। কী সব নামানো হলো। ক্যামেরা, দুরবিন আরও কত কিছু। ইয়া মোটা কালো লোকও নামল গাড়ি থেকে। চোখ দুটো শকুনের মতো। কিছু দিনের মধ্যে মটমট করে গাছ ভাঙল, ঘর ভাঙল, গ্রামটাও ভেঙে গেল। সড়কটাও খুব বেশি উঁচু হয়ে গেল। মাটিতে বড় বড় দালান উঠল। ঠিক যেন নরপিশাচের কঙ্কালের মতো। একদিন তালগাছটাকেও মট করে ভেঙে ফেলল। সমস্ত গ্রামটার মৃত্যু হলো। ভূত দাদু কথা শেষ করে কান্না করল। তারপর বলল, সুন্দর রাত্রী। ফুট ফুটে জোছনা। দক্ষিণের বাতাস আর নেই দাদু ভাই। আমরা সবাই চলে এলাম তোমাদের এই শহরে।

আমারও খুব খারাপ লাগল। ইচ্ছে হলো কেঁদে ফেলি। ভূত দাদু আমাকে একটা কলম দিল। বলল, যখন বড় হবে। মানুষ হবে। গ্রামের মতো সুন্দর করে এই নগরগুলো গড়ে তুলবে।

গল্পটা কেমন লাগল। আমি বললাম, খুব ভালো। ভোরে প্রথম কাক ডাকল। বললাম দাদু ভাই আরও গল্প করবে কী? কোনো আওয়াজ শুনলাম না। দেখি আমি বিছানায় শুয়ে আছি। ভোরের আলো ঘরে ঢুকল।

টপিক

এই বিভাগের আরও খবর
লিখতে পারো তুমিও
লিখতে পারো তুমিও
তালের বড়া
তালের বড়া
শরৎ
শরৎ
নজরুল প্রতিভায়
নজরুল প্রতিভায়
কে সেই ছেলে
কে সেই ছেলে
বিদ্রোহী রণক্লান্ত
বিদ্রোহী রণক্লান্ত
প্রাণপ্রিয় নজরুল
প্রাণপ্রিয় নজরুল
দুখু মিয়া
দুখু মিয়া
আঁকি বুকি
আঁকি বুকি
হাতি-পিঁপড়ার বন্ধুত্ব
হাতি-পিঁপড়ার বন্ধুত্ব
লিখতে পারো তুমিও
লিখতে পারো তুমিও
কাগজের নাও
কাগজের নাও
সর্বশেষ খবর
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল

১৪ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

মালয়েশিয়ায় উদযাপিত হচ্ছে ৬৮তম স্বাধীনতা দিবস
মালয়েশিয়ায় উদযাপিত হচ্ছে ৬৮তম স্বাধীনতা দিবস

১৫ মিনিট আগে | পরবাস

লেবাননে দুই দফা বিমান হামলা ইসরায়েলের
লেবাননে দুই দফা বিমান হামলা ইসরায়েলের

১৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন, ১৪৪৫ মামলা
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন, ১৪৪৫ মামলা

২৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

মায়ের লাশের পাশে কাঁদছিল ২ শিশু, দরজা ভেঙে উদ্ধার
মায়ের লাশের পাশে কাঁদছিল ২ শিশু, দরজা ভেঙে উদ্ধার

৩৪ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

সরকার ভর্তুকি মূল্যে পাটের ব্যাগ সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে: পরিবেশ উপদেষ্টা
সরকার ভর্তুকি মূল্যে পাটের ব্যাগ সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে: পরিবেশ উপদেষ্টা

৪৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!
হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!

৪৪ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

ডাকসু নির্বাচন: ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট, শুনানির দিন ধার্য
ডাকসু নির্বাচন: ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট, শুনানির দিন ধার্য

৪৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে এখনো সংশয় আছে : রিজভী
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে এখনো সংশয় আছে : রিজভী

৫৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

চবি এলাকায় ফের শিক্ষার্থী-স্থানীয় সংঘর্ষ, আহত প্রো-ভিসি, প্রক্টরসহ অনেকে
চবি এলাকায় ফের শিক্ষার্থী-স্থানীয় সংঘর্ষ, আহত প্রো-ভিসি, প্রক্টরসহ অনেকে

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

১৩ মাসে ঢাকা ও আশপাশে ১৬০৪ অবরোধ
১৩ মাসে ঢাকা ও আশপাশে ১৬০৪ অবরোধ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ প্রতিদিনের আহত সাংবাদিক দুর্জয়ের খোঁজ নিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশ প্রতিদিনের আহত সাংবাদিক দুর্জয়ের খোঁজ নিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান
প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শিবিরের বিক্ষোভ
চবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শিবিরের বিক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিলেটে আরও ৫০ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার
সিলেটে আরও ৫০ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি
নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কাছের মানুষের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছিলেন আহান
কাছের মানুষের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছিলেন আহান

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মানুষের মতো স্বাদ নেয় ও মনে রাখে কৃত্রিম জিভ, তাক লাগালেন চীনা বিজ্ঞানীরা
মানুষের মতো স্বাদ নেয় ও মনে রাখে কৃত্রিম জিভ, তাক লাগালেন চীনা বিজ্ঞানীরা

২ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ইউক্রেনের সাবেক স্পিকারকে গুলি করে হত্যা
ইউক্রেনের সাবেক স্পিকারকে গুলি করে হত্যা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইয়েমেনের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মুফতা
ইয়েমেনের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মুফতা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় অনাহারে আরও ১০ ফিলিস্তিনির মৃত্যু
গাজায় অনাহারে আরও ১০ ফিলিস্তিনির মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভয়েস অব আমেরিকার পাঁচ শতাধিক সাংবাদিককে ছাঁটাই করছে ট্রাম্প প্রশাসন
ভয়েস অব আমেরিকার পাঁচ শতাধিক সাংবাদিককে ছাঁটাই করছে ট্রাম্প প্রশাসন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেত্রকোনায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৩
নেত্রকোনায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৩

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

১৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

১০ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা
নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন