শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৫ জানুয়ারি, ২০২০ ২৩:০৪

যানবাহন দুর্ঘটনা

শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতা ফিরে আসুক

যানবাহন দুর্ঘটনা

সড়ক শৃঙ্খলার অভাবে দুর্ঘটনা নিয়তির লিখন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিদায়ী বছরে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে আগের বছরের চেয়ে, বেড়েছে মৃত্যুর সংখ্যাও। ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দালনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৯ সালে সড়ক, রেল ও নৌপথে ৪ হাজার ৮৯৪টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ৫ হাজার ২২৭ জন। এর মধ্যে ৪ হাজার ৭০২টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ৪ হাজার ৩৫৬ জন। এ ছাড়া রেলপথে ১৬২টি দুর্ঘটনায় ১৯৮ জন এবং ৩০টি নৌ-দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ৬৪ জন। নিখোঁজ রয়েছে ১১০ জন। এসব দুর্ঘটনায় নিহত চালক ও হেলপারের সংখ্যা ১ হাজার ১৯০ জন। সড়ক দুর্ঘটনায় পথচারী মারা গেছেন ২ হাজার ৬৬১ জন। এ ছাড়া এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ৭ হাজার ৪৫৭ জন। দেশে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ময়মনসিংহ জেলায়। সেখানে ২১১টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ৪৮৮ জন, আহত হয়েছেন ২৬৬ জন। আর সবচেয়ে কম নিহত হয়েছে ঝালকাঠি জেলায়। সড়ক দুর্ঘটনা দুনিয়ায় সব দেশেই ঘটে। জনবহুল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের বৃহৎ মহানগরী এবং মহাসড়কগুলোতে যানজটের প্রকোপ থাকে বেশি। যে কারণে দুর্ঘটনার পরিমাণ কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে থাকে। কিন্তু রাজধানীসহ সব মহানগর কিংবা মহাসড়কে যানবাহন চালকরা সুযোগ পেলেই একজন আরেকজনকে অতিক্রম করার র‌্যাটরেসে মেতে ওঠে। যে কারণে ঘটে অধিকাংশ দুর্ঘটনা। সড়ক দুর্ঘটনার জন্য পথচারীদের দায় কোনো অংশে কম নয়। যেখানে সেখানে রাস্তা পারাপার, মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে সড়কে চলা কিংবা রাস্তা পারাপারের প্রবণতা কম নয়। উল্টো পথে যানবাহন চালানো এ দেশের দায়িত্বশীলদেরও অনেকের মজ্জাগত অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে। ত্রুটিপূর্ণ যানবাহনও দুর্ঘটনা ডেকে আনছে, সৃষ্টি করছে ট্র্যাজেডি। সড়ক দুর্ঘটনা মোকাবিলায় সড়ক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা সবচেয়ে বেশি জরুরি। এ ক্ষেত্রে বিআরটিএ এবং ট্রাফিক পুলিশকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। চালক, যাত্রী পথচারী সবার সচেতনতাও দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য জরুরি।


আপনার মন্তব্য