শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২৩:৫০

ক্যাসিনো ব্রাদার্সের সম্পদের খনি

অপরাধীরা যেন পার না পায়

ক্যাসিনো ব্রাদার্স নামে কুখ্যাতি অর্জনকারী এনামুল হক এনু ও রূপন ভূঁইয়ার সম্পদের যেন অভাব নেই। র‌্যাব সদস্যরা লুটেরা চক্রের এই দুই সদস্যের আরও একটি গোপন আস্তানা এবং সেখান থেকে পাঁচটি সিন্দুক উদ্ধার করেছে। পুরান ঢাকার লালমোহন স্ট্রিটের মমতাজ ভিলায় গোপন আস্তানার সিন্দুক থেকে র‌্যাব নগদ ২৬ কোটি ৫৫ লাখ ৬০০ টাকা ছাড়াও সোয়া ৫ কোটি টাকার এফডিআরের বই, ১ কেজি সোনা, ৯ হাজার ২০০ ইউএস ডলার, ১৭৪ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত, ৩৫০ ভারতীয় রুপি, ১ হাজার ৫৯৫ চায়নিজ ইউয়ান, ১১ হাজার ৫৬০ থাই বাথ ও ১০০ দিরহাম জব্দ করেছে। ১৩ জানুয়ারি এ দুই সহোদরের গ্রেফতারের পর তাদের দফায় দফায় সিআইডি এবং দুদক কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এবার আবারও পাওয়া গেল ক্যাসিনো ব্রাদার্সের গুপ্তধনের সন্ধান। র‌্যাব কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা ক্যাসিনোকান্ড নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রেখেছেন। শিগগিরই হয়তো ক্যাসিনো ব্রাদার্সের আরও গুপ্তধনের সন্ধান পাবেন। সোমবার রাত সাড়ে ১২টায় নারিন্দা বাজারের পাশে লালমোহন সাহা স্ট্রিটের ওই বাড়িতে অভিযান শুরু করে র‌্যাব। স্মর্তব্য, গত বছর ২৪ সেপ্টেম্বর এনামুল ও রূপনের সূত্রাপুরের মুরগিটোলা মোড়ের বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। ওই অভিযানে এনু-রূপন ও তাদের দুই সহযোগীর বাসা থেকে পাঁচটি সিন্দুকভর্তি ৫ কোটির বেশি টাকা, ৮ কেজি সোনা ও ছয়টি আগ্নেয়াস্ত্র জব্দ করা হয়। ক্যাসিনো সম্রাট হিসেবে কুখ্যাতি অর্জনকারী বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা সম্রাটের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত ছিল এনু ও রূপন। নিজেদের অপকর্ম নির্বিঘ্নে চালিয়ে যেতে তারা যুবলীগের সাইনবোর্ড ব্যবহার করত অবলীলাক্রমে। এই অপরাধী চক্রের কারণে যুবলীগ শুধু নয়, সরকারের সুনামও জিম্মি হয়ে পড়ে। গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রী ক্যাসিনো চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আঘাত হানার নির্দেশ দেন। অপরাধী চক্রের একের পর এক সদস্য গ্রেফতার এবং ধন-সম্পদ জব্দ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। মাঝে আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর সদস্যরা কিছুটা নীরব থাকলেও অপরাধী চক্রের আরও এক আস্তানায় তাদের অভিযান প্রমাণ করেছে সরকার তাদের জিরো টলারেন্স নীতিতে অটুটই আছে।


আপনার মন্তব্য