শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১১ মে, ২০২১ আপডেট:

ঈদে ঘরমুখো মানুষের চরম দুরবস্থা

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম
প্রিন্ট ভার্সন
ঈদে ঘরমুখো মানুষের চরম দুরবস্থা

ঈদ মুবারক ঈদ মুবারক ঈদ মুবারক। জুমাতুল বিদা ও শবেকদরের মহিমাময় রাত চলে গেল। বরকতময় মাহে রমজান শেষ। একজন মুসলমান হিসেবে আবার রমজানের দেখা পাব কি না জানি না। মাহে রমজানে একজন মুসলমান তার সব দোষ-ত্রুটি থেকে মুক্ত হয়ে মায়ের পেট থেকে সদ্যভূমিষ্ঠ নিষ্পাপ-নিষ্কলুষ হতে না পারলে তার জন্মই বৃথা। করোনার মহাদুর্যোগে মানুষ অনেকটাই দিশাহারা। ভালোভাবে নির্বিঘ্নে অনেকে নামাজ-রোজাও করতে পারছে না। মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। প্রতিদিন করোনায় মৃত্যুর খবর শঙ্কিত করে তোলে। মৃত্যু চরম সত্য। তবু কখনো কখনো মৃত্যুসংবাদে এলোমেলো, দিশাহারা হয়ে পড়ি। প্রিয়জনের চলে যাওয়া খুব সহজভাবে মন মেনে নিতে চায় না। ৭ মে দিল্লিতে আমাদের অত্যন্ত প্রিয় মানুষ শীলা সেন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। বৃহত্তর বরিশালের পিরোজপুরে শীলা সেনের জন্ম। বিয়ে হয়েছিল অমরেশচন্দ্র সেনের সঙ্গে। আমার সঙ্গে পরিচয় ১৯৭৭ সালের শেষ দিকে যখন আমার চরম দুর্দিন। শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী সরকারের পতনের পর ’৭৭-এর মধ্যভাগে মোরারজি দেশাই সরকার আমাদের প্রায় ৫ হাজার প্রতিরোধ যোদ্ধাকে জিয়াউর রহমান সরকারের হাতে তুলে দেয়। সেখান থেকে ১০০ কয়েকজনকে তারা মেরে ফেলে। ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু নিহত হলে যারা সীমান্ত এবং ভারতে পাড়ি জমিয়েছিল তাদের সবার ছিল তখন চরম দুর্দিন। এমনকি বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নেত্রী শেখ হাসিনারও কঠিন সময়। কূলকিনারা পাচ্ছিলাম না। প্রতিরোধ যোদ্ধাদের পুশব্যাক করে কয়েকজনসহ আমাকে বন্দী করে রাখা হয়েছিল আসামের গোয়ালপাড়া জেলার ধুবড়ির পানবাড়ি সেনানিবাসে। সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাইয়ের কাছে। সাক্ষাতের প্রথম দিকটা খুব একটা ভালো ছিল না। কিন্তু অনেক তর্কাতর্কির পর মোরারজি দেশাইকে আমার একজন নীতিমান মানুষ বলেই মনে হয়েছে। তিনি বুঝেছিলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার সশস্ত্র প্রতিবাদ করে আমরা কোনো অন্যায় করিনি। গণতান্ত্রিক সব রাস্তা যখন বন্ধ হয়ে যায় তখন বিকল্প পথ ছাড়া কোনো উপায় থাকে না। অনেক তর্কাতর্কির পর আমাকে শিলিগুড়িতে পাঠানো হয়েছিল। জোড়াসাঁকোর কবিগুরুর বাড়ি হয়ে আমি শিলিগুড়ি গিয়েছিলাম যেখানে আমার বাবা-মা-ভাই-বোন, পরিবার-পরিজন ছিল। এরপর শুরু হয় আরেক জীবন। কোনো নিশ্চয়তা নেই, কোনো অর্থকড়ি নেই। বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিরোধ যোদ্ধাদের নিয়ে কয়েকজন লোকসভার সদস্য সোচ্চার হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান সমর গুহ এমপি, সুরেন্দ্র মোহন এমপি, ইটনার ভূপেশ দাশগুপ্ত এমপি, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সরিষাবাড়ীর শান্তিময় রায়- এ রকম আরও বেশ কিছু মানুষ। শিলিগুড়ি থেকে কাউকে কিছু না বলে সরকারি গোয়েন্দাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে এক সকালে যাদবপুরে শান্তিময় রায়ের বাড়ি গিয়েছিলাম। সেখানে ছিলেন মুনয়েম সরকার। শিলিগুড়ি থেকে নিয়ে এসেছিলেন গৌর গোপাল সাহা। সাভারের গৌর গোপাল সাহা সে এক অসাধারণ মানুষ। অমন নিবেদিত বুদ্ধিমান কর্মী খুব একটা পাওয়া যায় না। শান্তিময় রায়ের বাড়িতে সমর গুহ এমপি এসেছিলেন। সমর গুহ এমপি একসময় নেতাজি সুভাষ বোসের ব্যক্তিগত সহকারী ছিলেন। তিনি নিয়ে গিয়েছিলেন পাটনার কদমকুয়ায় ভারতের দ্বিতীয় গান্ধী জয়প্রকাশ নারায়ণের কাছে। জয়প্রকাশ নারায়ণ ব্রিটিশ ভারতে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে একসময় ঢাকায় ঠাটারিবাজারে কয়েক বছর ছিলেন। বিয়ে করেছিলেন এক বাঙালি মেয়েকে। তা ছাড়া মুক্তিযুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর বিশেষ দূত হিসেবে অনেক সমাজতান্ত্রিক দেশ ঘুরে আমাদের জন্য জনমত সংগ্রহ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে ভীষণ ভালোবাসতেন। তাই আমাদের কথা শুনে তিনি খুবই মর্মাহত হয়েছিলেন এবং কথা দিয়েছিলেন তাঁর পক্ষে যা সম্ভব যতটা সম্ভব তা তিনি করবেন। সঙ্গে সঙ্গে ১৬টি পত্র দিয়েছিলেন। সে পত্রে যেমন জনতা পার্টির সভাপতি চন্দ্র শেখরের নাম ছিল, তেমনি মধু লিমাই, জর্জ ফার্নান্দেজ, বিজু পট্টনায়েক, সুরেন্দ্র মোহন আরও অনেকের নাম ছিল। তার একটা চিঠি ছিল এ সি সেনের নামে। এ সি সেনকে বলা হয়েছিল আমার দিল্লি থাকার ব্যবস্থা এবং সহযোগিতা করতে। সেই এক চিঠিতেই এ সি সেনের বাড়ি আমার বাড়ি হয়েছিল। এ সি সেন প্রথম থাকতেন গ্রেটার কৈলাস পার্ট ওয়ানের এক তলা ভাড়া বাড়িতে। চিঠি পেয়ে জিজ্ঞেস করেছিলেন, আপনি হোটেল, রেস্ট হাউস কিংবা বাড়ি কোনটাতে থাকতে পছন্দ করবেন? আমি বাড়িতে থাকাই পছন্দ করেছিলাম। সে পছন্দই এ সি সেনের পুরো পরিবার আমার হয়েছিল। মায়ের পরে যদি কেউ ভারতপ্রবাসে আমার জন্য গভীর চিন্তা করে থাকেন তিনি হলেন আমাদের সবার প্রিয় বউদি, এ সি সেনের স্ত্রী শীলা সেন আর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সি সেনের এক ছেলে, এক মেয়ে। ছেলে সোমনাথ সেন, মেয়ে গার্গী সেন। অসম্ভব সুন্দর ভালো মানুষ ওরা।

এ সি সেন পূর্ববাংলার যশোর থেকে গিয়েছিলেন। তাই পূর্ববাংলার যারা দিল্লিতে থাকে তাদের ডিসপ্লেসড পারসন বলা হতো। প্রায় ২০-২৫ বছর ডিসপ্লেসড পারসন হিসেবে দিল্লিতে একখন্ড জমি বরাদ্দের জন্য আবেদন করে এসেছেন। কিন্তু কোনোবারই লটারিতে তাদের নাম ওঠেনি। আমি যাওয়ার মাসখানেক পর চিত্তরঞ্জন পার্কে তারা পৌনে ৩ কাঠার একখন্ড জমি বরাদ্দ পান। সেজন্য তারা আমাকে বেশ ভাগ্যবান মনে করেন। আমার গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়। এরপর ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকায় বাড়ি করে তারা চিত্তরঞ্জন পার্কে এসে যায়। ‘জে ১৮৮১ চিত্তরঞ্জন পার্ক’ ছিল প্রায় এক যুগ আমার বসবাসের ঠিকানা। জে ১৮৮১-তে কে যাননি- রাজ্জাক ভাই, সুরঞ্জিৎ সেন, ইসমত কাদির গামা, সোনারগাঁয়ের মমতাজ, সিলেটের বাবরুল হোসেন বাবুল, চিটাগাংয়ের জাফর আহমেদ, এমনকি আমার দুলাভাই ড. ওয়াজেদ মিয়াও কয়েকবার গেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাঝেমধ্যেই সেখানে যেতেন, খেতেন। এমন সোনার মানুষ হয় না ধর্মের কোনো সম্পর্ক নেই, রক্তের বন্ধন নেই, তবু যেন এক পরম আত্মীয়। বয়স হয়েছিল, কিন্তু মৃত্যুকালে দেখা হবে না এমনটা ভাবিনি। দিল্লিতে এখন শবদাহ করতেও অসুবিধা। করোনায় কাউকে শবদাহে যেতে দেওয়া হয় না, সরকারি লোকেরাই সব করেন। শুনলাম দাহ করতে শীলা সেনের একমাত্র ছেলে সোমনাথ সেনকে কয়েক মিনিটের জন্য কাছে থাকতে দেওয়া হয়েছিল। স্রষ্টা মানুষ সৃষ্টি করেন, নির্দিষ্ট সময় পর তিনি তাঁর সৃষ্টি নিয়ে নেন, মৃত্যু দেন। তাই করুণাময় স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদের সবার প্রিয় বউদিকে স্বর্গবাসী করেন।

’৭৫-এ বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদে সহকর্মীদের মধ্যে একজন অত্যন্ত দক্ষ-যোগ্য-নিবেদিত কর্মী ছিল সাভারের গৌর গোপাল সাহা। যত দিন ভারতে নির্বাসিত ছিলাম ছায়ার মতো থেকেছে। এমন কোনো কাজ নেই যা সে করেনি। ক্ষুরধার বুদ্ধির কারণে আমাদের সবার কাছে ছিল প্রিয়। সেও সেদিন চলে গেছে। তারও আত্মার শান্তি কামনা করছি। করোনার কারণে লকডাউন চলছে বেশ কিছুদিন। লোকজন তেমন সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে না পারলেও গণপরিবহন বন্ধ থাকায় মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই, অন্যদিকে গণপরিবহনের সঙ্গে সম্পৃক্তরা না খেয়ে মরছে। শ্রমিকদের সে যে কী দুর্দশা-দুরবস্থা বলে বোঝানো যাবে না। অন্যদিকে যাদের গাড়ি-বাড়ি আছে তারা বা তাদের চলে যাচ্ছে। কিন্তু যারা সাধারণ পরিবহনে চলে তাদের কোনো উপায় নেই। বাস বন্ধ থাকায় ছোট যানবহন যাদের তাদের পোয়াবারো।

৮ তারিখ জোহরের নামাজ পড়ে ঢাকার পথে বেরিয়েছিলাম। রাস্তা ছিল একেবারে ফাঁকা। ঘণ্টা-দেড় ঘণ্টায় বিলামালিয়া ভাকুর্তা এসেছিলাম। সেখান থেকে আমিনবাজার পর্যন্ত এক-দেড় কিলোমিটার আসতে দেড় ঘণ্টা লাগে। প্রথমে ব্যাপারটা বুঝতে পারিনি। এমন প্রচন্ড জ্যামে গত দুই বছর কখনো পড়িনি। পরে দেখলাম আমিনবাজার প্রাইমারি স্কুলের কাছে যেখানে ’৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর কৃষ্ণচূড়া গাছের নিচে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পক্ষে জেনারেল জামশেদ আত্মসমর্পণের প্রাথমিক পর্ব সমাপ্ত করতে জেনারেল নাগরা, ব্রি. সানসিং, ব্রি. ক্লের ও আমার হাতে রিভলবার, টুপি ও বেল্ট তুলে দিয়ে নিয়াজির আত্মসমর্পণের সূচনা করেছিলেন। সেই পর্যন্ত আসতে ট্রাফিক পুলিশরা তাদের দু-তিনটি রোড ব্লক আঁকাবাঁকা করে রেখেছে। গাড়ি ক্যারাব্যারা করে যেতে গিয়ে প্রচন্ড যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। আবার এদিকে ঢাকার দিক থেকে লাখো মানুষ হেঁটে আমিনবাজারের হানিফের পাম্প পর্যন্ত গিয়ে নানা ধরনের গাড়িতে উঠছে। শ টাকার ভাড়া হাজার টাকা। তাতেই লোকজন কামড়াকামড়ি করে বাড়ি ফিরছে। বাচ্চাকাচ্চা, বৃদ্ধদের নিয়ে এ কষ্ট দেখার কেউ নেই। এ যেন কিয়ামতের আলামত। অন্যদিকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া-গোয়ালন্দ ঘাটে, এদিকে মাওয়া-শিমুলিয়া ঘাটে মানুষ আর মানুষ। ফেরি বন্ধের চেষ্টা করে সাধারণ মানুষকে আরও পেরেশানিতে ফেলেছে। সরেজমিন যারা কাজ করে তাদের বিচার-বুদ্ধি কেমন যেন লোপ পেয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্তের কোনো আগামাথা নেই। সব সময় সরকারি পদক্ষেপ হবে মানুষের সুবিধার জন্য, মানুষের সেবার জন্য। কিন্তু তার লেশমাত্র নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আহ্বান জানিয়েছেন যে যেখানে আছেন তাকে সেখানেই থাকতে। অনেকে আছেও। কিন্তু যারা নেই, নানা কারণে যারা থাকতে পারছে না তাদের তো সহযোগিতা করতে হবে। তারা এ দুর্যোগ-দুর্বিপাকে কী করবে? শিমুলিয়া, পাটুরিয়া ঘাটে তারা কীভাবে রাত কাটিয়েছে, পবিত্র মাহে রমজানে তাদের সাহরি খাওয়ার কী হয়েছে আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না। আগে এমন হলে এলাকার মানুষ সহযোগিতার হাত নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ত। এখন সাধারণ মানুষেরও কিছু করার নেই। সব দলীয়, সব সরকারি। যেভাবে রাস্তাঘাটে সাধারণ মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে এতে সরকারের জনপ্রিয়তা নষ্ট হচ্ছে, মানুষ ক্ষুব্ধ হচ্ছে। এ ব্যাপারগুলো কেউ লক্ষ্য করছে না। নদীর পাড়ে মানুষ যখন একত্র হয়েছে, একসঙ্গে ১০টি ফেরি দিয়ে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সব লোকজন পার করে দিলে কী এমন ক্ষতি হতো? নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য মাছ-মাংস, গরু-ছাগল নিয়ে গাড়ি ফেরিতে উঠতে পারছে না। ফেরি পাড়ে ভেড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ মানুষে ভরে যাচ্ছে। মুমূর্ষু রোগী নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স হাঁ করে দাঁড়িয়ে আছে। আবার গতকাল কে যেন বলল, এদিকে যমুনা সেতু নাকি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। করোনার ভয়ে দেশের ভিতরে নয়, দেশের বাইরে থেকে আসা মানুষের চলাফেরা বন্ধ করতে হবে, বিশেষ করে ভারত থেকে আসা মানুষকে কোনোভাবেই অবাধে ঘুরতে দেওয়া উচিত নয়। ধর্ম মন্ত্রণালয় ঘোষণা দিয়েছিল ২০ জনের বেশি কোনো মসজিদে নামাজ আদায় করতে পারবে না। কেউ মানেনি। অনেক মসজিদে ২০ জনের জায়গায় হাজারো মানুষ নামাজ আদায় করেছে। নামাজ আদায়ের কড়াকড়ি। এটা কোনো মানুষই ভালো চোখে নেবে না, নেয়ওনি। ঈদের আর মাত্র দুই দিন বাকি।

এ সময় সরকারকে আরও একটু যত্নবান হতে এবং যেখানেই মানুষ এমন অসুবিধায় পড়ে বা পড়ছে সেখানকার স্থানীয় মানুষকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে আন্তরিক অনুরোধ জানাচ্ছি। পরম দয়ালু আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন।

ঈদ মুবারক।

 

লেখক : রাজনীতিক।

www.ksjleague.com

এই বিভাগের আরও খবর
ভূমিকম্প
ভূমিকম্প
যৌথ ইশতেহার
যৌথ ইশতেহার
মতভেদ ও শিষ্টাচার
মতভেদ ও শিষ্টাচার
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
গ্যাসসংকট
গ্যাসসংকট
পবিত্র আশুরা
পবিত্র আশুরা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
মাদকাসক্তি রুখতে হবে
মাদকাসক্তি রুখতে হবে
প্রবাসে ঘাম দেশে স্বপ্ন
প্রবাসে ঘাম দেশে স্বপ্ন
জলবায়ু ঝুঁকি
জলবায়ু ঝুঁকি
সাংবাদিককে মারধর
সাংবাদিককে মারধর
সর্বশেষ খবর
ঘানাকে হারিয়ে নকআউটে মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া
ঘানাকে হারিয়ে নকআউটে মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্পের আঘাত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৩০
বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্পের আঘাত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৩০

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ইংল্যান্ড
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ইংল্যান্ড

৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা কেইন
ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা কেইন

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

‘বসনিয়া কোথায় জানি না, জানতেও চাই না’: মার্কিন নারী সাংবাদিকের মন্তব্যে নিন্দার ঝড়
‘বসনিয়া কোথায় জানি না, জানতেও চাই না’: মার্কিন নারী সাংবাদিকের মন্তব্যে নিন্দার ঝড়

৩০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে রোনালদোকে তার মায়ের আবেগঘন বার্তা
কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে রোনালদোকে তার মায়ের আবেগঘন বার্তা

৫৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমার্ধ শেষে গোলশূন্য ইংল্যান্ড-পানামা ম্যাচ
প্রথমার্ধ শেষে গোলশূন্য ইংল্যান্ড-পানামা ম্যাচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঘানার বিপক্ষে লিড নিয়ে বিরতিতে ক্রোয়েশিয়া
ঘানার বিপক্ষে লিড নিয়ে বিরতিতে ক্রোয়েশিয়া

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এবার ‘ডেটিং অ্যাপ’ বিতর্কে জ্যাকি, রাকুলের সঙ্গে সংসার কি তবে ভাঙছে
এবার ‘ডেটিং অ্যাপ’ বিতর্কে জ্যাকি, রাকুলের সঙ্গে সংসার কি তবে ভাঙছে

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

রাত ৩টায় মুখোমুখি ইংল্যান্ড-পানামা ও ক্রোয়েশিয়া-ঘানা
রাত ৩টায় মুখোমুখি ইংল্যান্ড-পানামা ও ক্রোয়েশিয়া-ঘানা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেরা দল খেললেও ফ্রান্সের কাছে হারতাম: হলান্ড
সেরা দল খেললেও ফ্রান্সের কাছে হারতাম: হলান্ড

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দূরপাল্লার বাসে তল্লাশি, যাত্রাবাড়ীতে ৮ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪
দূরপাল্লার বাসে তল্লাশি, যাত্রাবাড়ীতে ৮ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৫২ বছরের স্মৃতিবিজড়িত ‘গ্যালাক্সি’ ছেড়ে নতুন ঠিকানায় সালমান খান!
৫২ বছরের স্মৃতিবিজড়িত ‘গ্যালাক্সি’ ছেড়ে নতুন ঠিকানায় সালমান খান!

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে যা বললেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে যা বললেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৮টি বিশ্বকাপ কভার করা ৯১ বছর বয়সী সাংবাদিককে বিশেষ সম্মান জানালেন স্কালোনি
১৮টি বিশ্বকাপ কভার করা ৯১ বছর বয়সী সাংবাদিককে বিশেষ সম্মান জানালেন স্কালোনি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আদাবরে গণপিটুনির শিকার আটক যুবকের মৃত্যু
আদাবরে গণপিটুনির শিকার আটক যুবকের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সব কাজে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের আগ্রহ
সব কাজে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের আগ্রহ

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন: বিডা চেয়ারম্যান
বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন: বিডা চেয়ারম্যান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত, ছেলে-বোন আহত
বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত, ছেলে-বোন আহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল: কে হবে গ্রুপ সেরা?
কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল: কে হবে গ্রুপ সেরা?

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মিঠু, সম্পাদক তানু
ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মিঠু, সম্পাদক তানু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পুলিশের ওপর হামলার পর হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা
পুলিশের ওপর হামলার পর হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের
বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী
বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি
পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাবার হাত ধরে রোনালদোর গোল ‘দেখল’ দৃষ্টিহীন শিশু, ভিডিও ভাইরাল
বাবার হাত ধরে রোনালদোর গোল ‘দেখল’ দৃষ্টিহীন শিশু, ভিডিও ভাইরাল

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের অপূর্ণতার গল্প
বিশ্বকাপের অপূর্ণতার গল্প

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী
গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের
উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে
যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ
গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো
তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর
কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেসি-ইয়ামাল বিতর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য সুয়ারেজের
মেসি-ইয়ামাল বিতর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য সুয়ারেজের

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আফ্রিকার স্বর্ণে কোটি কোটি ডলারের লাভ যাচ্ছে কোথায়?
আফ্রিকার স্বর্ণে কোটি কোটি ডলারের লাভ যাচ্ছে কোথায়?

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের জন্য তালিকাচ্যুত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবার গড়ে তুলবে চীনা প্রতিষ্ঠান
ভারতের জন্য তালিকাচ্যুত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবার গড়ে তুলবে চীনা প্রতিষ্ঠান

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা
হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা

নগর জীবন

স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ
স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

নাটক : সংকট যখন বাজেট
নাটক : সংকট যখন বাজেট

শোবিজ

তটিনীর প্রেম-বিয়ে...
তটিনীর প্রেম-বিয়ে...

শোবিজ

সুখী হতে চান পপি...
সুখী হতে চান পপি...

শোবিজ

আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ
আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

এক মঞ্চে আট ব্যান্ড
এক মঞ্চে আট ব্যান্ড

শোবিজ

ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন
ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন

প্রথম পৃষ্ঠা

উত্তম কুমারের শেষ ছবি
উত্তম কুমারের শেষ ছবি

শোবিজ

মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

সম্পাদকীয়

দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান
দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান

নগর জীবন

বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন
বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন

নগর জীবন

জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি
জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি

প্রথম পৃষ্ঠা

রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা
রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা

নগর জীবন

সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব
সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব

নগর জীবন

সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার
সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

নগর জীবন

বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট
বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট

শোবিজ

মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ
মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ

দেশগ্রাম

মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া
মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া

নগর জীবন

দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ
দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রটির নাম কী?
চলচ্চিত্রটির নাম কী?

শোবিজ

ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ
ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ

দেশগ্রাম

খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে
খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে

নগর জীবন

নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন
নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন

দেশগ্রাম

ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর
ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর

দেশগ্রাম

অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!
অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!

শোবিজ

যৌথ ইশতেহার
যৌথ ইশতেহার

সম্পাদকীয়

বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!

সম্পাদকীয়

ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা, চালক আটক
ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা, চালক আটক

দেশগ্রাম