Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ১০ অক্টোবর, ২০১৮ ২৩:০৫

আইনজীবীদের প্রতিক্রিয়া

সরকার পক্ষের সন্তোষ প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকার পক্ষের সন্তোষ প্রকাশ

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি সৈয়দ রেজাউর রহমান বলেছেন, এ রায়ের মধ্য দিয়ে ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনায় আহত এবং নিহতদের পরিবারের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান হয়েছে। গতকাল রায়ের পর তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘সাক্ষ্য-প্রমাণের মাধ্যমে আমরা আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় বলেছিলাম, সন্দেহের ঊর্ধ্বে থেকে আমরা আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। কাজেই আমাদের প্রত্যাশা ছিল, আইনের বিধান অনুযায়ী সর্বোচ্চ সাজা যেন প্রদান করা হয়। আইনের শাসন চুলচেরা বিশ্লেষণ করে বিচারক এই রায় দিয়েছেন। আমরা এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করছি। এ রায়ে আমরা স্বস্তি পেয়েছি। তারেক রহমানের যাবজ্জীবন রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে কি না সে বিষয়ে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ রাষ্ট্রপক্ষের আরেক আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম তারেক রহমানসহ অন্য ষড়যন্ত্রকারীদের ফাঁসি হবে। কিন্তু তা হয়নি। তাই রায় পর্যালোচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেব।’ তিনি বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিল। ঠিক একইভাবে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। তারেক রহমান, মুফতি হান্নান, মাওলানা তাজউদ্দীন, আবদুস সালাম পিন্টু এরা একত্র হয়ে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে এই হত্যাচেষ্টা সংঘটিত করেছিলেন।’ ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মধ্য দিয়ে তা প্রমাণিত হয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তিনি বলেন, ‘দেশের বিচারের ইতিহাসে আজকে একটি মাইলফলক সূচিত হলো।’ গতকাল নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘এ মামলাটিকে নষ্ট করে দেওয়ার জন্য নানা রকম ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। জজ মিয়া নামের এক নিরপরাধ লোককে সাজানো হয়েছিল আসামি। সেই পর্যায় থেকে মামলাটি আলোর মুখ দেখেছে এবং অপরাধীরা সাজা পেয়েছে। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে ও বিচার বিভাগের ইতিহাসে একটি বড় সার্থকতা।’ তিনি বলেন, ‘একটা জায়গায় বক্তৃতা হচ্ছিল। এর চারদিক থেকে গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হলো। কোনোভাবেই বলা যাবে না এটা সাধারণ সন্ত্রাসীদের কাজ। এটা অবশ্যই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই শেখ হাসিনা ও তাঁর দলের নেতা-কর্মীকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার জন্য এই ষড়যন্ত্র ও হত্যাকাণ্ড পরিচালনা করা হয়েছিল। শেখ হাসিনাকে এই পৃথিবী থেকে বিদায় করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র হয়েছিল। তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন।’


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর