শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১৫ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৪ মার্চ, ২০২১ ২৩:৩১

অসাম্প্রদায়িক চেতনা লালন করে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রতিদিন

-রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

অসাম্প্রদায়িক চেতনা লালন করে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রতিদিন
Google News

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের চেতনা লালন করে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রতিদিন। বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রকাশনার দ্বাদশ বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি আরও বলেছেন, প্রচারসংখ্যায় ও গুণে-মানে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় পত্রিকাগুলোর অন্যতম বাংলাদেশ প্রতিদিন। প্রকাশনার শুরু থেকেই মুক্তিযুদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের চেতনা লালন করে এগিয়ে যাচ্ছে এ পত্রিকা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ’ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপনে পত্রিকাটি বিশেষ প্রচার কার্যক্রম গ্রহণ করবে বলে আমি আশা করি। বাংলাদেশ প্রতিদিন দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তরুণ প্রজন্মের সামনে যথাযথভাবে তুলে ধরার পাশাপাশি দেশ ও জনগণের কল্যাণে তাদের কর্মকান্ড আগামী দিনেও অব্যাহত রাখবে- এটাই আমার প্রত্যাশা।

রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে বাংলাদেশ প্রতিদিন প্রকাশনার দ্বাদশ বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে পত্রিকাটির সাংবাদিক, পাঠক, পরিবেশক, পৃষ্ঠপোষকসহ ব্যবস্থাপনাসংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখা ও শোষণমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, তথ্যে প্রবেশাধিকার এবং জনগণের ক্ষমতায়ন পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। নিরাপদ ও মুক্ত গণমাধ্যম গণতন্ত্রকে সুসংহত করে। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহের পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে জনগণকে সচেতন করে তোলার ব্যাপারেও সংবাদপত্র বিশেষভাবে কাজ করে থাকে। সংবাদপত্র সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মুখপত্র হিসেবে জনগণ ও সরকারের মাঝে সেতুবন্ধ রচনা করে। তাই গণমাধ্যমকে বলা হয় রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। বর্তমান সরকার অবাধ তথ্যপ্রবাহ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। আমি আশা করি, গণমাধ্যমসমূহ সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে দেশ ও জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। আমি বাংলাদেশ প্রতিদিনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।

জয় বাংলা।

খোদ হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।