শিরোনাম
প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর, ২০২০ ১৯:৩৬
প্রিন্ট করুন printer

স্ত্রী‌র বায়না মেটাতে একের পর এক মোটরসাইকেল চুরি!

অনলাইন ডেস্ক

স্ত্রী‌র বায়না মেটাতে একের পর এক মোটরসাইকেল চুরি!
ফাইল ছবি

মাঝেমধ্যেই স্ত্রী‌র বায়না। স্বামীর কাছে নিত্যনতুন জিনিস কিনে দেওয়ার আবদার। এদিকে, লকডাউনে কাজ চলে যাওয়ায় হাতে টাকাপয়সা নেই। শেষপর্যন্ত নিরুপায় হয়ে মোটরসাইকেল চুরির পথই বেছে নেয় ভারতের সুরাটের এক ব্যবসায়ী। আর এ কাজের জন্য শেষপর্যন্ত অবশ্য তাকে যেতে হলো জেলে। সম্প্রতি সুরাটের উতরণ থেকে বাইকচোর ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপরই সামনে এসেছে এই কাহিনি, যা জানতে পেরে অনেকেই অবাক।

ওই ব্যক্তির নাম বলবন্ত চৌহান। তিনি ভারতীয় রাজ্য গুজরাতের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী সুরাটের উতরানের বাসিন্দা। আগে হিরের কারিগর ছিলেন। কিন্তু করোনা আবহে  কাজ চলে যায়। এর আগে মাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা রোজগার করলেও, তা বন্ধ হয়ে যায়। 

এদিকে, স্বামীর রোজগার না থাকলে কী হবে, স্ত্রী‌র চাহিদা দিনদিন বাড়তে থাকে। প্রতিদিনই কিছু না কিছু কিনে দেওয়ার বায়নাও করতে থাকেন। শেষপর্যন্ত নিরুপায় হয়ে টাকা জোগাড় করতে চুরির পথই বেছে নেয় বলবন্ত। চুরি করতে থাকেন একটার পর একটা বাইক। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। রবিবার পুলিশের জালে ধরা পড়েন তিনি। জেরায় নিজের দোষ স্বীকারও করেন। 

পুলিশ জানিয়েছে, কাপোদারা, ভারাচা, আমরোলি ও কাটাগ্রাম থেকে ৩০টিরও বেশি বাইক চুরি করেছিলেন বলবন্ত। বেশিরভাগই উদ্ধার করেছে পুলিশ। বাইকগুলো মূলত হিরের দোকান বা শপিং মলের সামনে থেকে চুরি করতের ওই ব্যক্তি। নিজে হিরের কারিগর হওয়ায় কোন সময় কর্মীরা কাজে আসেন, ভিড় বেশি হয় –  সবই তার নখদর্পণে ছিল। সেই মতো পরিকল্পনা করেই চুরি করতেন বলবন্ত। 

তদন্তে পুলিশ আরও জানতে পেরেছে, এর আগেও বাইক চুরি করেন তিনি। আদতে ভাবনগর জেলার জালিয়া গ্রামের বাসিন্দা বলবন্ত ২০১৭ সাল থেকেই টুকটাক বাইক চুরিতে হাত পাকিয়েছিল। ২০১৯ সালেও চারটি বাইক চুরি করেছিল। কিন্তু ২০২০ সালে কাজ চলে যাওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ২০টিরও বেশি বাইক চুরি করেন তিনি।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ
 
 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৪:৫৪
প্রিন্ট করুন printer

আমেরিকা অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করছে: রাশিয়া

অনলাইন ডেস্ক

আমেরিকা অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করছে: রাশিয়া

রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে আমেরিকা হস্তক্ষেপ করছে বলে অভিযোগ করেছে রাশিয়া। মস্কো জানিয়েছে, আমেরিকার উসকানিতে বিরোধী নেতা অ্যালেক্সি নাভালনি ইস্যুতে সম্প্রতি দেশটিতে বিক্ষোভ হয়েছে। 

অবশ্য আমেরিকা এই বিক্ষোভের ব্যাপারে বলেছে দেশটির নাগরিকদের বিক্ষোভ করার অধিকার রয়েছে। এরপর ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই মন্তব্য করেন।

মস্কোর মার্কিন দূতাবাসের মুখপাত্র রেবেকা রস টুইটারের দেয়ো এক পোস্টে দাবি করেন, রাশিয়া জনগণের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি আমেরিকার পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, বিক্ষোভ মোকাবেলার জন্য রাশিয়ার সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছে তা জনগণের এই অধিকার লঙ্ঘনের শামিল। এছাড়া রাশিয়ায় অবস্থানরত মার্কিন জনগণের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে মার্কিন দূতাবাস।

গতকাল রাশিয়ার একটি সরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, আমেরিকার পক্ষ থেকে এই সমস্ত বক্তব্য-বিবৃতি এবং পদক্ষেপ রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৪:২১
প্রিন্ট করুন printer

প্রথম কৃত্রিম কর্নিয়া প্রতিস্থাপন করে ইসরায়েলের চমক

অনলাইন ডেস্ক

প্রথম কৃত্রিম কর্নিয়া প্রতিস্থাপন করে ইসরায়েলের চমক
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বে প্রথমবারের মতো সফলভাবে কৃত্রিম কর্নিয়া প্রতিস্থাপনে করেছে ইসরায়েল। গত ১১ জানুয়ারি দেশটির বেলিংসন হসপিটালে বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম কর্নিয়া প্রতিস্থাপন করা হয়। সেখানকার চক্ষু বিভাগের প্রধান প্রফেসর ইরিত বাহার অস্ত্রোপচারটি করেন।

এর মাধ্যমে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেয়েছেন ৭৮ বছর বয়সী এক ইসরায়েলি নাগরিক। ওই বৃদ্ধ ১০ বছর আগে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছিলেন। 

অদ্রবনীয় সিন্থেটিক ন্যানো টিস্যু ব্যবহার করে নির্মিত এ থ্রিডি কর্নিয়া— যা কে-প্রো নামে পরিচিত, সেটি নষ্ট বা অস্বচ্ছ কর্নিয়া প্রতিস্থাপন করতে সক্ষম। ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠান ‘কর্নিট’ (CorNeat) এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। গত বছরের জুলাই মাসে কৃত্রিম কর্নিয়া প্রতিস্থাপনের প্রক্রিয়া ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য অনুমোদন পায়।

চোখের পাতা এবং অক্ষিগোলকের ওপরের অংশের পাতলা পর্দা অর্থাৎ কনজাংকটিভার নিচে পাতলা ওই কৃত্রিম কর্নিয়া স্থাপন করা হয়।

কর্নিট ভিশনের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা এবং কে-প্রোর উদ্ভাবক ডা. গিলাড লিটভিন বলেন, ‘অস্ত্রোপচারটি তুলনামূলক সহজ ছিল এবং এটি করতে এক ঘণ্টারও কম সময় লেগেছে। ’

দৃষ্টিশক্তি ফেরাতে কর্নিয়া প্রতিস্থাপন আগে থেকেই হয়ে আসছে। তবে শুধু কোনো দাতার কর্নিয়ার মাধ্যমেই সেটি সম্ভব। এক্ষেত্রে কৃত্রিম কর্নিয়া প্রতিস্থাপন যুগান্তকারী সাফল্য হয়ে উঠবে।

সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৪:০৫
প্রিন্ট করুন printer

ধর্ষণের অভিযোগে জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় জানা গেল সন্তান অভিযুক্তের নয়

অনলাইন ডেস্ক

ধর্ষণের অভিযোগে জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় জানা গেল সন্তান অভিযুক্তের নয়
প্রতীকী ছবি

১৭ মাস ধরে জেলে থেকেছেন ভারতের মুম্বাইয়ের বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল প্রতিবেশী প্রতিবন্ধী এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করেছেন তিনি। সেই কারণে ওই নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে চার্জশিট দিয়েছিল পুলিশ।

আদালতে পাল্টা জামিনের আবেদন করেছিলেন অভিযুক্ত। কিন্তু তদন্ত চলছিল বলে আবেদনে সাড়া দেয়নি আদালত। শেষ পর্যন্ত ডিএনএ পরীক্ষা করে দেখা গেল, ওই নাবালিকার সন্তানের বাবা নন অভিযুক্ত। সেই কারণে ১৭ মাস জেলে থাকার পর তাকে জামিনে মুক্তি দিয়েছে আদালত।

আদালত জানিয়েছে, দু’পক্ষের মন্তব্য শুনানির পর আদালত অভিযুক্তকে জামিন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে আরও বেশ কিছুটা সময় লাগবে বলে জানিয়েছে আদালত। তবে আপাতত ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টের ভিত্তিতে জামিন দেওয়া হলো।

২০১৯ সালের ২৩ জুলাই ওই প্রতিবন্ধী নাবালিকার হঠাৎ করেই পেটে ব্যথা শুরু হয়। হাসপাতালে চিকিৎসক পরীক্ষা করে জানান, ওই নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা। তারপরই পুরো ঘটনা জানাতে নাবালিকাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

সে জানায় প্রতিবেশী এক রেস্তোরাঁ কর্মী দুই বার তাকে ধর্ষণ করেছে। সেই মর্মে অভিযোগ দায়ের করা হয় পুলিশে। পুলিশ সেই নিয়ে তদন্ত করে অভিযোগ দায়ের করে, চার্জশিট জমা দেয়। তারপর অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশ।

বিচার চলাকালীন একাধিক বার জামিনের আবেদন করেও কোনো লাভ হয়নি। কারণ, আদালত তখন জানিয়েছিল, তদন্ত চলছে, এখন জামিন দেওয়া যাবে না। সেই সময়ে সরকারি পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, অভিযুক্তকে মুক্তি দিলে প্রমাণ লোপাটের সম্ভাবনা থেকে যাবে।  

তার পরেই ডিএনএ টেস্ট করা হয়। সেখানে দেখা যায়, ওই নাবালিকার ভ্রূণের ডিএনএ ওই প্রতিবেশীর ডিএনএ-এর সঙ্গে মিলছে না। তার পরেই জামিন দেন আদালত।

সূত্র : আনন্দবাজার

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৩:৪৮
আপডেট : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৩:৫১
প্রিন্ট করুন printer

সীমান্তে ফের উত্তেজনা, ভারত-চীন সংঘর্ষ

অনলাইন ডেস্ক

সীমান্তে ফের উত্তেজনা, ভারত-চীন সংঘর্ষ

আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে বিতর্কিত হিমালয় সীমান্ত। ভারত ও চীনা সেনাদের মধ্যে ফের সংঘর্ষ হয়েছে। ছয় মাস আগে চীনা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ২০ ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছিল। পরে গত সপ্তাহে আবার তারা সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। এতে দুই পক্ষের সেনারা আহত হয়েছে। সামরিক সূত্রের বরাতে সোমবার বার্তা সংস্থা এএফপি এমন খবর দিয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, সিকিম রাজ্যের নাকুলায় গত সপ্তাহের সংঘর্ষ হয়। এতে দুই পক্ষেরই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ভারতীয় সামরিক কর্মকর্তাদের বরাতে গণমাধ্যমের খবর বলছে, একটি চীনা টহল দল ভারতীয় সীমান্তে প্রবেশের চেষ্টা করলে তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে।

নাকু লা’র সঙ্গে চীনের তীব্বত অঞ্চলের সংযোগ রয়েছে।

এ ব্যাপারে আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, চীনের একদল সেনা সিকিম সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ভারতীয় বাহিনীর বাধায় শেষ পর্যন্ত পিছু হটে তারা। এ সময় সংঘর্ষে উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন সেনা জখম হয়েছেন।


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৩:০০
প্রিন্ট করুন printer

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের পক্ষত্যাগ, আশ্রয় নিলেন সিউলে

অনলাইন ডেস্ক

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের পক্ষত্যাগ, আশ্রয় নিলেন সিউলে

উত্তর কোরিয়ার এক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক পক্ষত্যাগ করে দক্ষিণ কোরিয়ায় তার পরিবারের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। তিনি কুয়েতে দায়িত্বরত ছিলেন। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে রেউ হুয়ান-উ দক্ষিণ কোরিয়া পাড়ি জমান। তিনি সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন।

সোমবার মালি বিজনেস ডেইলির বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি এমন খবর দিয়েছে। কিন্তু এতদিন পর্যন্ত তার এই পক্ষত্যাগের খবর গোপনীয় ছিল।

জানা যায়, উত্তর কোরিয়ার কমিউনিস্ট সরকারের অধীন দরিদ্র ও নিপীড়নের ভয়ে ৩০ হাজার লোক দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। তারা দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে স্থায়ী হয়েছেন। চীনের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার বিশাল সীমান্ত দিয়ে তারা গোপনে দেশত্যাগ করেছেন।

রেউ হুয়ান-উ বলেন, আমি পক্ষত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারণ আমার সন্তানদের একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ দেখতে চাই।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে কুয়েতে তাকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। 

 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এই বিভাগের আরও খবর